ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সরকারের উদ্যোগ--জন বিচ্ছিন্ন বিরুদী দলকে উজ্জিবীত করতে পারেনি-- ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ এবারই প্রথম সরকার এবং নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠ ও গ্রহনযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য বেশ কিছু নতুন রীতিনীতি প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।দলীয় মনোনয়নে স্থানীয় নির্বাচনে অভিজ্ঞতা না থাকায় সাধারনে কিছু ভুল বুঝাবুঝি আছে। তা কাটিয়ে উঠার জন্য সরকার আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে- সাধারনে দৃশ্যমান করার জন্য বেশ কিছু তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন নির্বাচন কমিশন। দেশের বিরুদীদলের নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা, দোদল্যমানতা, মনোবল, দলের প্রতি আন্তরীকতা, দীর্ঘদিন ক্ষমতা না পাওয়ার আশংকা, সংগ্রামী লড়াকু মনোভাবের ঘাটতি হেতু নির্বাচন প্রতিযোগিতা মুলক হবে বলে মনে হয়না। দেশের কোথাও সংঘটিতভাবে বিএনপির প্রর্থীরা মনোনয়ন দাখিলের খবর পাওয়া যায়নি। এই সুযোগটি সরকারি দলের নেতৃবৃন্দ বেশ ভাল ভাবেই কাজে লাগানোর চিন্তায় আছেন। ইতিমধ্যে নীজেদের আত্মীয় স্বজনকে মনোনয়ন দিয়ে মাঠে নামিয়েছেন। গ্রহনযোগ্যতার অভাবে তাঁরাও নির্বাচনী আমেজ আনতে সক্ষম হচ্ছেননা। সর্বত্র আনন্দঘন পরিবেশের স্থলে বিস্বাদময় পরিবেশ বিরাজমান। সরকারি দলের প্রভারের বিপরীতে কোথাও কোথাও নিয়মতান্ত্রীক প্রতিবাদের সুযোগ থাকা সত্বেও বিচ্ছিন্ন ভাবে চোরাগুপ্তা হামলা চালানোর খবর পাওয়া যাচ্ছে। নীতি নৈতিকতাহীন নেতৃত্ব জনসম্পৃত্ত কর্মসুচিতে ভয় পেয়ে নির্বাচন কমিশনের অফিস ভাংচুরের মত সরকারি সম্পদ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এদিকে সরকার এবং নির্বাচন কমিশন সর্বশক্তি নিয়োগ করেও ফললাভ হবে বলে মনে হয়না।নিস্তেজ বিরুদীদলকে সতেজ করে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সরকারি উদ্যোগ যথাযথ হলেও তৃনমুলের নেতৃত্বে কোন প্রভাব রাখতে সক্ষম হচ্ছেনা। সর্বত্র গাবাঁচিয়ে চলার মনোভাবের রোগে ধরেছে বিরুদীদলের তৃনমুলে। কেন্দ্রীয়ভাবে নেতিবাচক প্রচারনা বন্ধ করে কর্মী উজ্জিবীত করার প্রক্রিয়া গ্রহন না করা পয্যন্ত বিএনপিকে দিয়ে আর নির্বাচন,আন্দোলন,সংগ্রাম কিছুই সম্ভব হবেনা।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নেয়া কতেক পদক্ষেপ তুলে ধরছি----- (১) প্রথমধাপের দু’টি ইউপির ভোট বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। উচ্চ আদালতের নির্দেশে দু’টি ইউপির ভোট বাতিল করা হয়েছে। ইউপি দু’টি হলো-ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মুজিবনগর ও লালমোহন উপজেলার রামগঞ্জ। (২) গত ১১ ফেব্রুয়ারি ৭৫২টি ইউপির তফসিল ঘোষণা করে ইসি। এর মধ্যে নানা জটিলতায় ১৪টি ইউপির ভোট বাতিল আগেই করা হয়। বর্তমানে ৭৩৬টি ইউপিতে ২২শে মার্চ ভোট হবে। (৩) দ্বিতীয় ধাপে একটি ইউপির ভোট বাতিল করা হয়েছে। সেটি হলো-চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষীপুরমডেল ইউপি। (৪)আগামী ৩১ মার্চ ওই ইউপিতে ভোট হওয়ার কথা ছিল। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপে ৬৮৪টি ইউপির তফসিল ঘোষণা করা হয়। (৫)বিভিন্ন কারণে ১২টি ইউপির তফসিল বাতিল করা হয়। বর্তমানে ৬৭১টি ইউপি ভোট হবে। (৬) আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন উপলক্ষে আট উপ-সচিবের নেতৃত্বে মনিটরিং টিম গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। (৭)এই টিমের সঙ্গে ইসি সচিবালয়ের ২৬জন কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে উপ-সচিব সামসুল আলমকে চট্টগ্রাম বিভাগ, আবুল কাসেমকে ঢাকা বিভাগ, ইসরাইল হোসেনকে ময়মনসিংহ বিভাগ, মো. মতিয়ার রহমানকে বরিশাল ও সিলেট বিভাগ, ফরহাদ আহম্মদ খানকে রাজশাহী বিভাগ, আব্দুল ওয়াদুদকে খুলনা বিভাগ এবং রকিবউদ্দিন মন্ডলকে রংপুর বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। (৮) ইসি সচিবালয়ের উপ-সচিব (আইন) মহসিনুল হককে আইনি দিকগুলো পর্যালোচনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন। (৯) এবার ছয় ধাপে ইউপি ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৭৩৬ টি ইউপির ভোট হবে ২২ মার্চ। এরপর ৩১ মার্চ ৬৭২টি ইউপি, ২৩ এপ্রিল ৭১১টি ইউপি, ৭ মে ৭২৮টি ইউপি, ২৮ মে ৭১৪টি ইউপি এবং ৪ জুন ৬৬০টি ইউপিতে ভোট হবে। উপরে উল্লেখীত পদক্ষেপ সমুহ নি:সন্দেহে সরকারের সুষ্ঠ নির্বাচনের ইঙ্গিতবহ। অতীতে কখনই এই পদক্ষেপ সমুহ নেয়া হয়নি। তথাপি বিএনপি সহ অন্যান্ন বিরুদীদলের নেতাকর্মীদের ভোটে অংশগ্রহন করার এবং দলবদ্ধ প্রচারনায় উৎসাহ যোগাতে পারেনি। বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নমিনেশন প্রাপ্ত নেতারা স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে আঁতাতের মাধ্যমে ভোটের লড়াই থেকে সরে যাচ্ছে। এমতবস্থায় ভোটের আমেজ ধংস হয়ে নিস্তেজ, অনানন্দদায়ক, নির্বাচন প্রহসনের দিকে ধাবিত হচ্ছে। বিএনপি সরকারে যেমন ব্যর্থ্যতার ষোলকলা পুর্ন করে মঈন-ফকরুলদের মত ষড়যন্ত্রকারিদের ক্ষমতায় ঢেকে এনে নীজেদের দলীয় বিপয্যয়ের পথ পরিষ্কার করেছিল। বিরুধী দলের ভুমিকা পালন করতে গিয়ে সন্ত্রাস, বোমাবাজি, মানবতা বিরুধী অপরাধীদের পক্ষ নিয়ে জন সম্পৃত্ততা হারিয়ে গনতন্ত্র, নির্বাচন, আন্দোলন, সংগ্রামকেও বিপদাপন্ন করে তুলেছেন। নির্বাচনে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্ধিতা না করলে, জনগনকে সম্পৃত্ত করে ভোট যুদ্ধে না নামলে নির্বাচন কমিশনের বা সরকারের কি করার আছে।এমতবস্তায় বিনাপ্রতিদ্বদ্ধিতায় নির্বাচিত হওয়ার কালচার শক্তভাবে শিকড় গেঁড়ে বসার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেয়া যায়না। সরকারি দলের মাঠকর্মীরা চাইবেই প্রভাব বিস্তার করে নির্বাচিত হতে। সকল সরকারের সময়ে এহেন পাশ্চাত্যের গনতন্ত্রে প্রভাব বিস্তারের ভুমিকা পরিলক্ষিত হয়েছে। তখনকার বিরুদীদলের অনড় ভুমিকার কারনে উজ্জিবীত নেতাকর্মী ভোটে ঝাপিয়ে পড়েও কারচুপি, ভোট ডাকাতি অনেক ক্ষেেত্রে প্রতিহত করতে পারেনি। অনস্বীকায্য ভাবে জোর, জবরদখল, হানাহানি, মারামারির মত অনভিপ্রেত ঘটনা সমুহ ঘটেছে। বর্তমানে চলমান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিরুদীদলের কেন্দ্রীয় পয্যায়ে নেতীবাচক প্রচার, ব্যার্থ্য আন্দোলনের খতিয়ান, পেট্রোল বোমায় মানুষ পুড়িয়ে মারার মত নেতিবাচক কর্মকান্ড বলবৎ থাকা অবস্থায় তৃনমুলের নেতৃবৃন্দ উজ্জিবীত থাকার প্রশ্নই আসেনা। সুতারাং যা হওয়ার তাই হবে, নির্বাচন একতরফা, বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হওয়ার উদাহরনই সৃষ্টি হবে। সরকার বা নির্বাচন কমিশন যতই উদ্যোগ নিবে কোন লাভ হবেনা--.। ♥♥♥♥♥♥♥♥♥ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা ♥দেশরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা♥

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg