বিষ হজমকারিনী নীলকন্ঠি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা----
(রুহুল আমিন মজুমদার)

      জাতির জনকের কন্যা কি পরিমাণ বিষ গলাধ: করন করে নিশ্চিন্তে হজম করে রাখতে পারেন---"কেবলমাত্র মহান আল্লাহ-ই জানেন"। তিনি এমন কতক উদাহরন রেখে যাচ্ছেন যা থেকে বাঙ্গালী জাতি, বাংলাদেশ--"প্রজম্মান্তরে অনন্তকাল গর্ব করার উপকরন খুঁজে পাবে।ধৈয্য, সহনশীলতা, সহমর্মিতা, অনুভূতি, সহানূভূতির জীবন্ত কিংবদন্তির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সমূহ প্রত্যহিক জীবনে, রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া ঘটনা সমুহের প্রতিকার, প্রতিরোধ, এড়িয়ে চলা, মোকাবেলা, অর্জন, বর্জনের মাধ্যমে সাঁজিয়ে রেখে যাচ্ছেন। তাঁর পারিবারিক ঐতিহ্যসুত্রে প্রাপ্ত, কঠিন মুল্য পরিশোধে অর্জিত সব অভিজ্ঞতা এবং গুনাবলী সমূহ নিংড়ে বাঙ্গালী জাতির শুন্য ভাণ্ডার সমূহ  পরিপূর্ণ, টইটুম্বুর করে দিয়ে যাচ্ছেন-- "প্রজম্মান্তরে অনুকরন, অনুসরন করে জাতিকে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে নিত্য উপবিষ্ট রাখার নিমিত্তে। নিম্নে সাম্প্রতিক দুটি এমনই গুনের কথা তুলে ধরতে চাই---

      সর্বক্ষেত্রে অ-সফল ব্যাক্তিদের "নয়া সংগঠন 'শুসিল' কৌকিলেরা রাতের আধাঁরে 'ডিজিটাল বাংলাদেশে'র সেবা গ্রহন করে, একের পর এক মিথ্যা অপ-প্রচারের মাধ্যমে, 'শেখ হাছিনা পরিবারের' ভাবমূর্তি ছিন্নভিন্ন করে, খালেদা পরিবারের সমমানে নিয়ে আসতে, 'সজীব ওয়াজেদ জয়ে'র "প্রধানমন্ত্রীর আইটি উপদেষ্টা'' পদের বেতনভাতা "আমেরিকার প্রেসিডেন্টে"র চেয়েও "দ্বিগুন-তিনগুন" বলে প্রচার করে অহরাত্রি 'টিভি দর্শক'দের ঘুম হারাম করে দিচ্ছিল, তখন পয্যন্ত সরকারের কেউ-ই জানতে পারেননি--যোগ্য মায়ের যোগ্য পুত্র "সজিব ওয়াজেদ (জয়) সাহেব" সম্পূর্ণ 'অ-বৈতনিক উপদেষ্টা' হিসেবে ''বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার" অঙ্গিকার 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাঁর নানা "জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের" আরধ্য সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত, বিজ্ঞানভিত্তিক, আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে দেশে-বিদেশে অর্জিত জ্ঞানের ভাণ্ডার উজাড় করে ঢেলে দিচ্ছেন।

       কুচক্রি মহলের ষড়যন্ত্রের জাল "হাসিনা পরিবার"কে গিলে খাওয়ার উদ্দেশ্যে যখন আরো বিস্তৃত করে বলা হচ্ছিল--"আমেরিকান ফেডারেল ব্যাংকে "সজিব ওয়াজেদ (জয়) ত্রিশ বিলিয়ন ডলার তাঁর একাউন্টে জমা রেখেছেন--তখনই কেবল "মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর" একান্ত সচিব প্রকাশ করলেন "প্রধানমন্ত্রীর আই টি উপদেষ্টা "জনাব সজিব ওয়াজেদ (জয়)" "প্রধানমন্ত্রী" কতৃক সম্পূর্ণ অ-বৈতনিক নিয়োগ প্রাপ্ত আইটি উপদেষ্টা।"
    অথছ আমেরিকার কোন ব্যাংকেই অলস টাকা জমা রাখার সেই দেশের নাগরিকদেরও কোন বিধান নেই।যদি তদ্রুপ টাকা কেউ জমা রখার প্রয়োজন অনুভব করে তাঁর সাংবাৎসরিক আয়-ব্যায়ের হিসেব এবং উক্ত টাকার উৎস ব্যাংকে জমা দিয়ে রাখতে হয়।
   
       এবার তিনি দেশে বিদেশে আলোচিত-সমালোচিত, "বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ আর্থিক কেলেংকারির ঘটনা সরকারের মেঘাপ্রকল্প "পদ্মাসেতু" নির্মানে বিশ্বব্যাংকের অর্থপ্রত্যাহার ও দুর্নীতির কল্পকাহিনীর বীজ উৎগমের তথ্য প্রকাশ করলেন। তথ্যটি তিনি এমন সময় প্রকাশ করেছেন---"কানাডা ভিত্তিক আদালত কতৃক জড়িত ভুক্তভোগি সকল পক্ষকে মুক্তি দিয়ে যখন বলা হল--"কথিত পদ্মাসেতু দুর্নীতির অভিযোগ সম্পূর্ণ গুজব, ভিত্তিহীন।"

      তৎপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সর্ব উচ্চ আদালত স্ব-প্রণোদিত ভাবে সরকারের উপর রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন--"পদ্মাসেতু" গুজবে জড়িতদের 'রাষ্ট্র' কেন খুঁজে বের করবে না" ; তাঁর জবাব দিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বময় আলোচনার বিষয়বস্তু বাংলাদেশের পদ্মাসেতুর কথিত দুর্নীতির অভিযোগ এবং প্রমান ছাড়াই বিশ্বব্যাংক কতৃক অর্থপ্রত্যাহার বিষয়কে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে।

      যখন উক্ত রায় নিয়ে দেশে বিদেশে আলোচনার ঝড় উঠেছে, ঠিক তখনই "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী" বললেন--তাঁর পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়কে আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় তিন তিনবার ডেকে পাঠিয়ে বলেছিল ড. ইউনূসকে 'গ্রামীন ব্যাংক' এমডি পদ থেকে না সরানোর জন্যে, সে যেন তাঁর মা 'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'কে উক্ত কাজ থেকে বিরত রাখতে ভুমিকা রাখে। এবং কি প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে আরো বলা হয়েছিল--"ব্যার্থ্যতায় "বিশ্বব্যাংক" বাংলাদেশের চলমান মেঘাপ্রকল্প "পদ্মাসেতুর" অর্থ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হবে"।উল্লেখ্য তখন "আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে"র দায়িত্বে ছিলেন "বিল ক্লিনটন'' পত্মি হিলারি ক্লিন্টন।

       ড. ইউনুস "নবগঠিত বাংলাদেশ বিরোধী শুসিল সংগঠনে"র মুরুব্বি নেতাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি বহুবছর যাবৎ "ক্ষুদ্র ঋনের মাধ্যমে দারিদ্র মুক্তি" নামক উচ্চহারে টেবিল চেয়ারে বসে "সুদের ব্যাবসা" করার রীতির প্রবর্তকদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানের বাহারি নাম "গ্রামিন ব্যাংক"।যদিও অদ্যাবদি একজন গরীবও গ্রামীন ব্যাংকের ঋন গ্রহন করে স্বাবলম্ভি হওয়ার উদাহরন নজির হয়ে দেখা দেয়নি। বরঞ্চ হাজার হাজার পরিবারকে ভিটেমাটি ছাড়া করার শতশত নজির চোখের সামনেই রয়েছে।

          বাংলাদেশের বাঙ্গালী ফকির, মিসকিন, গরীব, দু:খ্যীদের "হাড় কাঁছানো, রক্তচোষা" টাকা আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের ব্যাক্তিগত তহবিলে প্রত্যেক বছর অনুদান দিয়ে থাকেন। বিগত চার পাঁছ বছরে ব্যাক্তিগত তহবিলে "চাঁদার অংকের বিশালতায় জনাবা হিলারি 'ক্লিনটনকে ব্যাক্তিগত গার্লফ্রেন্ডও বানাতে পেরেছেন তিনি। প্রায়শ: গ্রামীন ব্যাংকের উজ্জল ভবিষ্যত সম্পর্কীত প্রবন্ধ নিবন্ধে দুইজনের হাস্যোজ্জল ছবি পত্র-পত্রিকায় দেখা যায়। উক্ত চাঁদার গুনে তিনি আবার "বিশ্বশান্তি" পুরস্কার "নোবেল"ও কিনতে পেরেছেন।

    একজন নোবেল জয়ী বিশ্বমানের ব্যাক্তিত্ব ব্যাক্তিগত ক্ষোভের কারনে দেশ ও জনগনের চরম ক্ষতি করতে পারে এবং একজন বিদেশী নাগরিকের চাকুরী ফেরৎ দেয়ার জন্যে আমেরিকার ন্যায় বিশ্বশাষক সরকার তৃতীয় বিশ্বের একজন দরিদ্র দেশের সরকার প্রধানকে অনুরুধ করতে পারে ভাবাই যায়না। তাও আবার সরকারি চাকুরি বয়সসীমা অতিক্রান্তের তিনবছরের অধিক পার হয়ে যাওয়ার পরও!! উভয় ঘটনাই বাংলাদেশসহ বিশ্ববিবেকে দারুন নাড়া দিয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সর্বত্র আওয়াজ উঠেছে--"দেশ ও জনগনের শত্রু চিহ্নিত করে অবিলম্বে রাষ্ট্র উক্ত দুবৃত্তদের বিচারের আওতায় নিতে হবে"। মুখোস পরিহিত জাতিয় ও আন্তজাতিক শত্রুদের মুখোস খুলে দিতে হবে। দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে বাংলাদেশ ও বাঙ্গালী জাতিকে নিয়ে যে বা যারাই ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করে উক্ত ষড়যন্ত্রকারিদের বাঙ্গালী জাতি ভয় করেনা, ছেড়েও দেয়না, যেমন দেয়নি '৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে।
            "জয়বাংলা     জয়বঙ্গবন্ধু"
        masterruhulamin@gmail.com

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg