আইনের শাষন প্রতিষ্ঠার অন্যতম সর্ত সকল নাগরিকের জন্যে সম আইন প্রয়োগ---তারেক জিয়াকে বাংলাদেশে ফেরৎ আনা সময়ের অন্যতম দাবী।
(রুহুল আমিন মজুমদার)

মেজর জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন তার পুত্র তারেক জিয়াকে ক্ষমতার দাপটে ঢাকার সেইন্ট যোসেফ হায়ার সেকন্ডারি স্কুলে থার্ড গ্রেডে ভর্তি করে দেন। পরবর্তী কয়েক বছর তারেক স্কুলে গিয়ে ছেলেদের সাথে মারামারি, টিচার-ব্রাদারদের সাথে দূর্ব্যবহার, পড়াশুনায় অনিয়মিত হয়ে ফেইল করা ইত্যাদি কারণে প্রিন্সিপাল ব্রাদার থমাস ও ব্রাদার বায়ার্ড'র ব্ল্যাকলিস্টে পড়েন। মেজর জিয়াকে কয়েকবার তার ছেলের সম্পর্কে ওয়ার্নিং দেয়ার পরও তিনি কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো প্রভাব খাটাতে গেলে তারেককে স্কুল থেকে বের করে দেয়া হয়।

 এরপর তারেকের শিক্ষাগত যোগ্যতার কোন ডকুমেন্ট বা সঠিক তথ্য কারও জানা নাই। তার দল থেকে দাবী করা হয় তিনি সেইন্ট যোসেফ থেকে মাধ্যমিক ও ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছেন; সেইন্ট যোসেফের অ্যালুমনাই তালিকায় তার নাম আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি। সুতারাং তারেক জিয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা কথিত ইন্টার পাস সর্বৈব মিথ্যা, বানোয়াট। যাহা বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থি।একজন ভবিষ্যত রাষ্ট্রের কর্নধারের ব্যাক্তিগত তথ্য  ককোন অবস্থায় বিকৃত বা মিথ্যা দেয়া যেতে পারেনা।

২০০১ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে যুদ্ধপরাধী দদল জামায়াতকে সসঙ্গে নিয়ে চারদলীয় জোট সরকার গঠন করে। তখন থেকেই জিয়া পরিবারের জৈষ্ঠ সন্তান তারেক জিয়া সরকারের নানাবিষয়ে হস্তক্ষেপ শুরু করেন। যদিও তিনি আইনানূগ ভাবে সরকারের কোনপয্যায় নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন না। দলের অভ্যন্তরে তাঁর নেতৃত্বে শক্তিশালী এক সিন্ডিকেট গড়ে উঠে। সরকারে তাঁদের কায্যক্রম নিরঙ্কুশ করার লক্ষে হাওয়া ভবন নামে অন-অনুমোদিত সরকারি দপ্তর খুলে বসে। আপাত:দৃষ্টে যদিও দেখা যায় বঙ্গভবন থেকে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার পরিচালিত হচ্ছে, কায্যত: কথিত "হাওয়া ভবন"ই ছিল উক্ত সরকারের প্রান।

 দলের তরুন নেতাদের অলিখিত মন্ত্রীপরিষদের নেতৃত্বে তারেক জিয়া "প্যারালাল সরকারে"র নেটওয়ার্ক দেশব্যাপি প্রতিষ্ঠা করে মুলত: নির্বাচিত সরকারকেই অকায্যকর করে তোলেন। মন্ত্রী পরিষদে রদবদল, সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়োগ বদলি, মন্ত্রী নিয়োগ ওও চছাটাই,সামরিক বাহিনীর পদন্নতি ও পদাবনতি, সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা নিয়োগ ও চাকুরিচ্যুতি থেকে আরাম্ভ করে বিএনপি দলের নেতা নিয়োগ ও নিয়োগ বাতিল, নতুন নেতার পদায়ন ও পদস্থলন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সবকিছুই নিয়ন্ত্রন হতে থাকে হাওয়া ভবন থেকে। কথিত আছে যে-- চার দলীয় জোট সরকারের আমলে দারিদ্রতা ও দুর্নীতির শীর্ষ পদটি ৫বছরের মধ্যে ৫বছরই ধরে রাখার ক্ষেত্রে "হাওয়াভবন" কেন্দ্রিক তারেক জিয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত "প্যারালাল সরকারের" অবদান অস্বীকারের কোন উপায় নেই।

এমত:বস্থায় মা-ছেলের আজীবনের শাষন প্রতিষ্ঠিত করার মানষিকতায় পেয়ে বসে অল্পবয়সের প্যারালাল সরকারের প্রধান তারেক জিয়ার মধ্যে। তিনি প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের শীর্ষনেতাদের হত্যা করার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় গড়ে তোলেন শীর্ষ সন্ত্রাসী, ধর্মীয় উগ্রজঙ্গী, ভারত ও বার্মার বিচ্ছিন্নতাবাদি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ডিজি এফ আই এর অভ্যন্তর থেকে একাধিক কিলিং মিশন। একে একে হত্যা করতে থাকেন দেশের প্রতি্যসা রাজনীতিবীদ, সাহিত্যিক, সাংবাদিক।

  এতেও ক্ষমতা নিস্কটক না হওয়ায় তৎকালিন বিরুধীদলের নেতা, জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর পরিচালিত হতে থাকে একের পর এক হামলা।মহান আল্লাহর কৃপায় তিনি সমস্ত হামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার পর তারেক জিয়া মরিয়া হয়ে উঠেন। তারেক জিয়া শেখ হাসিনাকে হত্যা পরিকল্পনা সফল করার লক্ষে বৃহত্তর পরিসরে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে সেনাবাহিনী, ডিজি,এফ,আই, পুলিশ, হুজি জঙ্গীদের সমন্বয়ে শক্তিশালী কিলিং মিশন পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন।হামলায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপালনকারি হুজি শীর্ষ নেতা হান্নান আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে ধৃত হওয়ার পর তাঁর জবান বন্দিতে ঘটনার পূর্বাপর বিস্তারীত সরকারের নজরে আসে।

ততদিনে তারেক জিয়া সেনা সমর্থিত সরকারের আনীত অন্য অনেক মামলায় জামিনপ্রাপ্ত হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডে নিরাপদ স্থানে রাজনৈতিক আশ্রয় গ্রহন করে বসবাস শুরু করেছেন।
এদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জঙ্গি উত্থানরোধে রাষ্ট্রীয় সাড়াশি অভিযানের মুখে ধরা পড়ে জাতির জনকের কন্যাকে একাধিকবার হত্যা প্রচেষ্টার অন্যতম হুজি শীষ জঙ্গী মূফতি হান্নান। আইনশৃংখলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ক্ষমতাসীন চারদলীয় জোট সরকারের জঙ্গী লালন ও বঙ্গবন্ধু কন্যাকে হত্যা পরিকল্পনার মাষ্টারমাইন্ড তারেক জিয়া,স্ব-রাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর,হারিছ চোধুরী, জামায়েতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মোজাহিদ সহ তৎকালিন সরকারের উধ্বতন কর্মকর্তা-নেতাদের জড়িত থাকার সবিস্তারে বর্ণনা তোলে ধরেন। তাঁর জবানবন্দির উপর ভিত্তিকরে পূণরায় সি,আই,ডি তদন্ত শুরু করে অবশেষে তারেক জিয়া সহ অন্যদের জড়িত করে আদালতে সম্পূরক চার্জসিট দাখিল করে।

     তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে তত্বাবধায়ক সরকারের আনীত ১৭ মামলা এবং পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের ২১ এ আগষ্ট এর দুটি মামলা সহ বর্তমানে অনেকগুলী মামলা বিচারাধীন রয়েছে।কিছু মামলা হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে।বর্তমান সরকার একটি মামলা প্রত্যাহার করেছে। সবমিলিয়ে বাংলাদেশের সকল শীর্ষ অপরাধীদের মধ্যে অন্যতম শীর্ষ অপরাধির বহু চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী বর্তমানে "তারেক জিয়া।"

   তারেক জিয়ার প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় এবং রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা এবং তাতে ঘটনাস্থলে  ২২ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় দুটি মামলা করে পুলিশ। একটি হত্যা ও আরেকটি বিস্ফোরণ দ্রব্য আইনে করা মামলা। আগেই বলেছি--বর্তমান সরকারের আমলে এ দু'টি মামলার সম্পূরক অভিযোগপত্রে তারেক রহমানকে আসামি করা হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই সিআইডির দেয়া সম্পূরক অভিযোগপত্রে তারেক রহমান ছাড়াও বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, জামায়াত নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী, খালেদা জিয়ার ভাগ্নে সাইফুল ইসলাম ডিউকসহ ৩০ জনকে আসামি করা হয়। এ নিয়ে এই মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৫২।

        এর আগে জোট সরকারের সময় এ মামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে নেয়ার উদ্দেশ্যে জর্জ মিয়া নাটক সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। গত সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নতুন করে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। ২০০৮ সালের ১১ জুন সিআইডি প্রথম অভিযোগপত্র দেয়। তাতে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের হুজি অন্যতম শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নান, বিএনপি সরকারের সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ২২ জনকে আসামি করা হয়। তখনকার আসামিদের বেশির ভাগই হুজির সদস্য। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে স্থাপিত ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিশেষ এজলাসে এ মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

      তারেক জিয়ার অসুস্থ্যতার অজুহাতে বারবার তাঁর আইনজীবিরা সময় প্রার্থনা করে আইনের স্বাভাবিক গতিকে ব্যহত করে চলেছে।যদি তিনি সুস্থ না হয়ে থাকেন তাহলে কীভাবে লন্ডন থেকে সিঙ্গাপুর ও সৌদি আরব পর্যন্ত দীর্ঘ বিমানপথ ভ্রমণ করছেন।যদি তিনি সুস্থ না হয়ে থাকেন তাহলে কীভাবে লন্ডন থেকে সিঙ্গাপুর ও সৌদি আরব পর্যন্ত দীর্ঘ বিমানপথ বারবার ভ্রমণ করছেন।

তারেক রহমান বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং দলটির দ্বিতীয় প্রভাবশালী নেতা। দেশের জনগণের বড় যে কথিত অংশটি জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী, সেটি তাকে দেশের নির্বাহী প্রধান হিসেবে স্বপ্ন দেখে। ফলে তার সম্পর্কে সকল ধরনের তথ্য জানার অধিকার সবার রয়েছে। দীর্ঘ দশ বছর চিকিৎসা নেওয়ার পরও যদি তিনি সুস্থ না হয়ে থাকেন, তাহলে যুক্তরাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থার গুণমত মান দিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা যৌক্তিক। প্রশ্নটি স্বাভাবিকভাবেই মা হিসেবে খালেদা জিয়ার কাছ থেকে আসা উচিত। তা না করে তিনি নিজেই বার বার যান সে দেশে চিকিৎসা নিতে, সেটিও  জনমনে বিরাট এক প্রশ্নবোধক হয়ে আছে।

     জনগণকে মিথ্য তথ্য দিয়ে দেশের বাইরে গিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়া, বিশেষ করে বিরাজমান স্থিতিশীল অবস্থা অস্থিতিশীল করে দেওয়ার পরিকল্পনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছেন তারেক জিয়া । সেটা বলা হচ্ছে এ জন্য যে, অতীতে বিএনপি যখনই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে, ততবারই খামখেয়ালি পূর্ণভাবে তারা জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

     বৃটেনের রাষ্ট্রীয় বিধির গ্যাড়াকলে তারেক সেই দেশে বসবাস করে নাশকতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশব্যাপি অস্থীরতা সৃষ্টি করে সরকার উৎখাতের একাধিক প্রচেষ্টা বাংলাদেশের জনগন ইতিমধ্যে বার কয়েক প্রত্যক্ষ করেছে। বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রদ্রোহি বক্তব্যের মাধ্যমে দেশ ও জনগনের সূদূরপ্রসারি ক্ষতির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে। জিয়া পরিবারের কোন সদস্যের প্রতিষ্ঠিত কোন শিক্ষালয়ের ডিগ্রি না থাকা সত্বেও প্রত্যহ নতুন নতুন ইতিহাস রচনা করে চলেছে।সেই ইতিহাস গিলছে অথর্ব জ্ঞানপাপী একশ্রেনীর শুশিল। তাঁর এযাবৎকালের বিকৃত ইতিহাস রচনার অপরাধে দেশের প্রচলিত আইনে তিনবার ফাঁসি হওয়ার উপকরন রয়েছে।

ইতিমধ্যে ২১ আগষ্টের অন্যতম আসামীদের মধ্যে আলী আহসান মোহাম্মদ মোজাহিদ ও হুজিনেতা মুফতি হান্নানের অন্যান্ন মামলায় সর্ব উচ্চ শাস্তি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড রাষ্ট্র কতৃক নিশ্চিত করা হয়েছে। বাবর বাংলাদেশের জেলখানায় রাজকীয় বন্দিজীবন অতিবাহিত করছে।হারিছ চৌধুরী সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের প্রথম থেকে আজব্দি পলাতক রয়েছে। প্রধান পরিকল্পনাকারি খালেদাপুত্র 'তারেক জিয়া' বাংলাদেশের লুটের টাকায় ইংল্যান্ড রাজকীয় জীবনযাপন করছে।  বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের হত্যার ষড়যন্ত্র ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগ্রহন না করেও মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের ইতিহাস বিকৃতিতে ব্যাপৃত রয়েছে।

 পরিতাপের বিষয়---ইংল্যান্ডের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তারেক জিয়াকে ফেরৎ এনে আইনের মূখামূখি করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের লিখিত অঙ্গিকার দিতে হবে বৃটেন সরকারকে। তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড দিতে পারবে না। তাঁর যাবজ্জিবন সাজা দেয়ার অঙ্গিকার বিচারের আগেই তাঁদের সরকারের নিকট জমা দিতে হবে।

বর্তমানে তারেক রহমান যেহেতু রাজনৈতিক আশ্রয়ে লন্ডনে বসবাস করছেন, তাই তিনি বাংলাদেশ পাসপোর্ট জমা দিয়ে বৃটিশ পাসপোর্ট গ্রহন করেছেন। তাকে গ্রেফতার করতে হলে প্রথমে বাংলাদেশ সরকারকে বৃটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করতে হবে। বৃটেনর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ খতিয়ে দেথে সন্তুষ্ট হলে বৃটিশ পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারবে। এবং তার বিচার প্রক্রিয়া তখন বৃটেনে শুরু হবে। অথবা বাংলাদেশ সরকার বৃটেনের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তি করে বাংলাদেশে তারেক রহমানকে ফেরত আনতে আবেদন করতে পারবে। কিন্তু বৃটেনে যেহেতু মৃত্যুদণ্ড আইন কার্যকর নয়, তাই বাংলাদেশ সরকারকে বৃটেনের কাছে এই মর্মে বন্ড দিতে হবে যে, যদি তারেক রহমান বাংলাদেশে ফেরত যায়, তাহলে তাকে কোনো বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে না। কেবল তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করতে পারবে।
   এছাড়া তারেক রহমান নিজে যদি আইনি লড়াইয়ে অবতির্ন্ন হওয়ার জন্য বাংলাদেশে আসেন, তাহলে তাকে বৃটিশ রাজনৈতিক আশ্রয় ত্যাগ করে নতুন বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিতে হবে। সেক্ষেত্র বৃটেনের বাংলাদেশে দূতাবাসের মাধ্যমে তাকে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হবে।

  সম্মানিত পাঠক বন্ধুরা-- উল্লেখিত দুটি প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রথমটি নীতিগতভাবে বাংলাদেশের জনগনের গ্রহনযোগ্য নয়।যেহেতু তাঁর পিতা মেজর জিয়া ঠান্ডা মাথায় জাতির পিতার পরিবারের ১৬জনকে ১৫ই আগষ্ট ৭৫ এ হত্যা করেছে এবং তাঁর জৈষ্ঠ পুত্র তারেক জিয়া বাদবাকি জীবিতদের একাধিক হত্যা পরিকল্পনায় প্রত্যক্ষ  জড়িত। দ্বিতীয় প্রক্রিয়া জিয়া পরিবার গ্রহন করবেনা। কারন তাঁরা সম্যক জানে তারেক জিয়ার সৃষ্ট অপরাধের শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদন্ড। কিন্ত্যু বাংলাদেশের জনগন চায় তারেক জিয়াকে অবিলম্ভে ইংল্যান্ড থেকে দেশে ফেরৎ আনা হোক এবং তাঁর কৃত অপরাধের সর্ব উচ্চ শাস্তি রাষ্ট্র নিশ্চিত করুক।

   সুতারাং বাস্তবতার আলোকে সরকারের কালক্ষপনের প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনা। বৃটেনের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁকে ফেরৎ আনা হলেও তাঁর আমৃত্যু জেল হওয়ার শতভাগ উপকরন বিদ্যমান মামলায় যথেষ্ট রয়েছে। এমতবস্থায় তাঁকে ফেরৎ আনাই হবে সর্বোত্তম।এতে একদিকে বঙ্গবন্ধু পরিবারের জীবিত সদস্যদের হত্যা পরিকল্পনা থেকে জাতি রক্ষা পাবে অন্যদিকে আগামী প্রজম্ম ইতিহাস বিকৃতির চরম লজ্জাজনক পরিকল্পনা হাত থেকে বাঁচবে।
     জাতি প্রমানীত জাতির জনকের পরিবারের একাধিক হত্যা পরিকল্পনাকারীকে মুক্ত রেখে আশ্বস্ত থাকতে পারেনা। অবিলম্বে ইংল্যান্ডের আইনের বাস্তবতাকে সম্মান জানিয়ে তাঁরেক জিয়াকে ফেরৎ আনা হোক।তারেক জিয়া সহ জড়িত অন্যান্নদের বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে সর্বোচ্ছ শাস্তি নিশ্চিত করা বর্তমান সময়ের অন্যতম দাবী।
      ruhulaminmujumder27@gmail.com

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg