খালেদা জিয়ার প্রস্তাবীত বিএনপি দলীয় নির্বাচনী ইশতেহার সম্পূর্নভাবে তাঁর পরিবার রক্ষার ইশতেহার।
      রুহুল আমিন মজুমদার।

     বিএনপি জোট আগামী ২০১৯ সালের শেখ হাসিনা সরকারের অধিনে অনুষ্ঠিতব্য সাধারন নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে।এই লক্ষে দলটি তাঁদের নির্বাচনী ইসতেহার প্রনয়নের কাজ শুরু করেছে বলে পত্র পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে। তাঁদের নির্বাচনী ইসতেহারে কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব সহকারে সংযোজিত করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।(১) রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনায়নে সংবিধান সংশোধন (২) বিগত বিএনপি দলের জাতীয় সম্মেলনে ঘোষিত 'ভিশন ২০৩০' অনুযায়ী মধ্য আয়ের দেশে রুপান্তরের পরিকল্পনা সংযোজন।(৩) দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা সহ আরো কয়েকটি নতুন বিষয় সংযোজনের মাধ্যমে সরকারের অভিনবত্ব আনার চিন্তাভাবনা করছেন বলে জানা গেছে। দেশের বিশিষ্ট নাগরিকদের রাষ্ট্রপরিচালনায় অংশগ্রহন করার সুযোগ দানের নিমিত্তে কায্যকর উপায় অবলম্বন এবং তৎমর্মে ব্যাবস্থা গ্রহনের কথাও বলা হচ্ছে। রাষ্ট্রের বর্তমান সাংবিধানিক বিধানে উল্লেখিত 'ন্যায়পাল' নিয়োগের বিধানকে পুর্ণজ্জীবিত করে একজন ন্যায়পাল নিয়োগের মাধ্যমে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতিরোধে কায্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের চিন্তাভাবনা করছে বলে বিশ্বস্ত সুত্রে খবর দিয়েছে পত্রপত্রিকা।
      বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অবলোকনে পরিস্কার একটি বিষয় ধারনা লাভ করা সচেতন যে কোন নাগরিকের অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।দিবালোকের ন্যায় সত্যে পরিণত হয়েছে যে--তাঁদের বিগত দিনের আন্দোলনের লক্ষ ছিল মানবতা বিরুধী অপরাধের বিচার রোধ এবং জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র কতৃক আনীত মামলা সমূহের বিচার প্রক্রিয়া বানচাল করন। সর্বজনবিদীত যে --দলের অস্তিত্বকে জিম্মি রেখে 'খালেদা জিয়া' তাঁর পরিবার  রক্ষা করার মরণপণ আন্দোলনে দলকে সম্পৃত্ত করেছিলেন। খালেদার উদ্দেশ্য প্রনোদিত আন্দোলনে দলের অধিকাংশ সচেতন নেতাকর্মী সাড়া না দেয়ায় জনগনের সাড়াও পাওয়া যায়নি।  বিগত দিনের ব্যর্থ আন্দোলনের ইস্যু তত্বাবধায়ক সরকারের দাবীকে তাই তিনি  পায়ে দলে নতুন করে "নির্বাচন সহায়ক সরকারে"র ঘাড়ে বসে উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টায় ব্রতি হয়েছেন।
    খালেদা জিয়া এবং তাঁর দল অবশ্যম্ভাবি জানেন তাঁর এবং তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ শতভাগ সঠিক এবং শাস্তি অনিবায্য।২১ আগষ্টের শেখ হাসিনাকে হত্যা প্রচেষ্টার 'মাষ্টার মাইন্ড তারেক জিয়া'-- হত্যাকান্ডে অংশ নেয়া 'মুফতি হান্নান' কতৃক আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে পরিস্কারভাবে উঠে এসেছে। এমত:বস্থায় মামলার রায় প্রদান দীর্ঘায়িত করে বর্তমান সরকার উৎখাতের সকল ষড়যন্ত্র ইতিমধ্যে সর্বৈব ব্যার্থতায় পয্যবসিত হয়েছে।তারেক জিয়া বাংলাদেশী নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করে বৃটেনের নাগরিকত্ব গ্রহন করেছে, মামলার মোকাবেলায় নৈতিক দুর্বলতা ও অসহায়ত্বের কারনে এমনটি করতে বাধ্য হয়েছেন। অভিজ্ঞ আইন বিশারদের ধারনা--সহসা ক্ষমতা পাওয়া ছাড়া জিয়া পরিবারের অস্তিত্বরক্ষা কোন অবস্থায় সম্ভব নয়। ইতিমধ্যে তাঁদের কৃত অপরাধের ধরন জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্যতা সৃষ্টি করেছে।
      এমত:বস্থায় খালেদা জিয়া বাংলাদেশের জনগনের সঙ্গে বড়রকমের প্রতারনার আশ্রয় গ্রহন ব্যতিত অন্যকোন উপায়ও নেই। তাঁর প্রস্তাবিত নির্বাচনী ইশতেহার কোনক্রমেই বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, কমপক্ষে দুই তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সংখ্যাগরিষ্টতা ব্যাতিত। রাজনীতি সচেতন এবং সামান্য আইন বিষয় নাড়াচাড়া করা প্রত্যেক নাগরিকই বিষয়টি ভালভাবেই অবগত আছেন। বর্তমান বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষনে প্রত্যেক সচেতন নাগরিক নিশ্চয়ই আমার সাথে  একমত হবেন যে-- বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থীরতা, অর্থনৈতিক উন্নতি, আইনশৃংখলার স্বাভাবিকতা, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, আওয়ামী লীগের দলীয় শক্ত অবস্থানের প্রেক্ষিত বিবেচনায় বিএনপি তাঁর মিত্রদল সহ বিশদলীয় জোট একক সংখ্যা গরিষ্টতা পাওয়ার ইচ্ছা বা আকাংক্ষা অলীক কল্পনা ব্যতিত অন্য কিছু নয়। বিএনপি দলের অধিকাংশ সিনিয়র নেতৃত্ব বিষয়টি ভালভাবে অবগত হতে পেরেছেন বিধায়, দলীয় লোভনীয় পদপদবী পরিত্যাগ করে  ইতিমধ্যে স্বাভাবিক পারিবারিক কর্মজীবনে ফিরে গেছেন।আরো অনেকে যাওয়ার প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করে রেখেছেন। যেকোন পরিস্থীতি উদ্ভবের অপক্ষায় প্রহর গুনছেন। আওয়ামীলীগের দরজা খোলা থাকলে বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটিতে জেলা পয্যায়ের অনেক নেতাই স্থান পাওয়ার সুযোগ গ্রহন করার ব্যবস্থা হ'ত ইহা নিদ্বিদায় বলা যায়। আওয়ামীলীগের দরজা বন্ধ থাকার কারনে সুযোগ সন্ধানী নেতাদের "ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি" অবস্থায় দিনাতিপাত করতে হচ্ছে।
    এমত:বস্থায় সম্পূর্ন অ-বাস্তবায়নযোগ্য, প্রচলিত সংবিধান বহির্ভুত, সর্বপ্রকার আইন কানুনকে উপেক্ষা করে প্রতারনা মুলক  ইশতেহার সাজানোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বিএনপি এবং তাঁর নেত্রী খালেদা জিয়া। জিয়া পরিবারের দুই সদস্যের সম্ভাব্য শাস্তি ভোগ থেকে রক্ষার সাংবিধানিক একমাত্র উপায় রাষ্ট্রের দুই নির্বাহী ক্ষমতা,  অভিযুক্ত দুইজনের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয়া।সেই কৌশল বাস্তবায়নের অংশই হচ্ছে 'প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি'র ক্ষমতার ভারসাম্য আনায়নের আগাম নির্বাচনী অঙ্গিকার সংযোজন।অর্থাৎ যে কোন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গঠনের সুযোগ পাওয়া গেলে "মা--ছেলে''র যুগৎপৎ মূর্খের রাষ্ট্রপরিচালনা দেশবাসি উপভোগ করতে পারবে। সেই লক্ষ নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার।ইহা যদি কোনক্রমে আইনী জটিলতায় সম্ভব না হয় "বিশিষ্ট ব্যাক্তি"দের  রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহন নিশ্চিত করার দলীয় অঙ্গিকারে সজ্ঞায় দেখা যেতে পারে অন্যান্ন বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের সঙ্গে মূর্খ, দুর্নীতির বরপুত্র, বিশিষ্ট ব্যাক্তি 'তারেক জিয়া'কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি অথবা  ন্যায়পালের ভুমিকায়।
    দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা ইশতেহারে সংযোজন সম্পূর্ণ জনগনের চোখে ধূলা দিয়ে নির্বাচনী বৈতরনী পার হওয়া ছাড়া অন্যকিছু নয়। যদি ধরেও নেই কোন এক আলৌকিক ক্ষমতাবলে বাংলাদেশের সব কয়টি আসন বিএনপি পেয়ে গেছে, তথাপিও উক্ত দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা বাস্তবায়ন সম্ভব হবেনা। একমাত্র কারন উক্ত আইন সংসদে অনুমোদনের সঙ্গে সঙ্গে  বিদ্যমান সরকারকে পদত্যাগ করে সংসদের উভয় কক্ষে নতুন নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। সেই নির্বাচনে উচ্চকক্ষে সংখ্যাধিক্যে জিতে নতুন ভাবে সরকার গঠন করতে হবে। সেই মনোবল কি বিএনপি বা বিশ দলের জোটের মধ্যে কারো আছে?
           বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনা '২০০৮ইং সালে সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকার কতৃক সাধারন নির্বাচন ঘোষিত হলে, দলের নির্বাচনী ইশতেহারে "ডিজিটাল বাংলাদেশ" গড়ার অঙ্গিকার ব্যাক্ত করেন। তাঁর অভিনব আবিস্কার ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নে বিভোর করে বিপুল সংখ্যক নতুন প্রজম্মকে কাছে টানতে সক্ষম হন।নতুন প্রজম্মের নতুন ভোটারদের ভোট পক্ষে আসায় বিপুল ভোটে জিতে তিনি সরকার গঠন করেছিলেন।সরকারে বসে ক্ষমতা উপভোগ করার চাইতে ক্ষমতাকে জনগনের কল্যানে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে কঠিন এক সংগ্রামের ব্রতি গ্রহন করেছিলেন। তিনি তাঁর সরকারকে "ডিজিটাল বাংলাদেশ"গড়ার কঠিন সংগ্রামে সর্বতোভাবে নিয়োজিত করেছিলেন।
         তিনি তাঁর কল্পিত দেশ উন্নয়নের ধারনাকে তিন ভাগে ভাগ করে সুদুরপ্রসারী, বাস্তব মুখী চিন্তাচেতনার এক কল্পিত উন্নয়ন রেখচিত্র "ভিশন২০২১" অংকন করে অগ্রসর হওয়ার মানসে সরকারের প্রাথমিক সংস্কার শুরু করেছিলেন। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহন করে উপস্থীত সমস্যা সমূহ চিহ্নিত করে  আপাত: সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করেন এবং সর্বতো ভাবে সফল হন। সরকারের সংস্কার কায্যক্রম শেষে তিনি তাঁর কল্পিত চিন্তার ফসল 'রুপকল্প ২০২১' ঘোষনা অনুযায়ী উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন করেছিলেন।তিনি উক্ত 'রুপকল্প' গ্রহন ও বাস্তবায়নে স্বল্প মেয়াদি, মধ্যমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি ছোট, মাঝারী ও মেঘা প্রকল্প গ্রহন করে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকতা কর্মচারি, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদেরকে স্ব-স্ব কাজে মনোযোগী হতে উৎসাহীত করে তোলেন। স্বল্প সময়ের মধ্যে বিগত জোট সরকারের পাঁছবারের দুর্নীতিতে শীর্ষে থাকা দেশটিকে রাষ্ট্রের সকল সুচকে উন্নয়নের দৃশ্যমান পয্যায় নিতে সক্ষম হন।ফলে ২০১৪/ ১৫ সালের বিএনপি জোট কতৃক লাগাতার আন্দোলন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, রাহাজানি, আগুন সন্ত্রাস সত্বেও দেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে উন্নিত করতে তিনি সক্ষম হয়েছিলেন।
            ২০১৪ সালের সাধারন নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতির জনকের কন্যা তদ্রুপভাবে বাংলাদেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশে রুপান্তর করে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর লক্ষে "রুপকল্প ২০৪১" ঘোষনা করেন।তিন ধাপে ইতিমধ্যে প্রকল্প গ্রহন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছেন।  প্রথমবস্থায় বিশদলীয়জোটের শীর্ষনেতারা ডিজিটাল বাংলাদেশকে ব্যঙ্গাত্বকভাবে জাতির সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে' 'রুপকল্প২০২১' বানচাল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন।তাঁরা দেশে বিদেশে অপ-প্রচার চালাতে থাকে যে-'শেখ হাসিনা '২০২১'সাল পয্যন্ত ক্ষমতায় থাকার মহাপরিকল্পনার নাম দিয়েছেন 'ভিশন ২০২১। ২০১৪ সালের সাধারন নির্বাচনে অংশ না নিয়ে গনতন্ত্রকে নস্যাৎ, চলমান উন্নয়ন অগ্রগতি বানচাল এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়  বিএনপি।  সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক উপায়ে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার মানসে লাগাতার আন্দোলনের ডাক দেয় দলটি। ঘোষিত আন্দোলনে সকল প্রকার বৈধ, স্বীকৃত, নিয়মাতান্ত্রিক আন্দোলনের পথ পরিহার করে হঠকারীতার আশ্রয় গ্রহন করে। আগুন বোমা, নৈরাজ্য, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশব্যাপি অস্থীর ও ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে জনজীবন অচল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। দেশে বিদেশে অপ-প্রচার চালাতে থাকে যে, শেখ হাসিনার অধিনে সুষ্ঠ নির্বাচন অসম্ভব, সাজানো নির্বাচনে অংশ নিয়ে কোন লাভ হবেনা। '২০৪১'সাল পয্যন্ত আওয়ামী লীগ ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার সকল আয়োজন সম্পন্ন করে রেখেছে। এমত:বস্থায় নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন আদায় ব্যাতিত আন্দোলনের অন্যকোন বিকল্প নেই।
      পুর্বে দুইবারের ব্যার্থ তত্বাবধায়কের দাবিকে উপলক্ষ করে দেশব্যাপি বিশদলীয় জোট জামায়াতের চক্রান্তে শ্বেতসন্ত্রাসের কালোথাবা বিস্তার ঘটায়। তাঁদের এই ষড়যন্ত্রে যোগ দেয় নব্য রাজাকার শিবির, '৭১এর রাজাকার জামায়াত, সাম্প্রদায়িক উগ্র জঙ্গী গোষ্টি হেফাজত, চরম ডান-বাম গোষ্টি সমুহ। সর্বস্তরের জঙ্গিদের সঙ্গি করে বাসাবাড়ী ছেড়ে লাগাতার ৪২ দিন গুলশানের রাজনৈতিক কায্যালয়ে অবস্থান গ্রহন পূর্বক বিবৃতির মাধ্যমে দেশময় নৈরাজ্য সৃষ্টি করে অস্বাভাবিক পরিস্থীতির উদ্ভব ঘটানোর সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন।অবশেষে উক্ত আন্দোলনের কর্মসূচি স্থগিত বা বাতিল না করে রাজনৈতিক কায্যালয় ত্যাগ করে বাসায় আশ্রয় গ্রহন করেন।মূলত: জাতির জনকের কন্যার একান্তিক সাহষ, অসিম ধৈয্য, রাষ্ট্র নায়কোচিত মনোভাবের কারনে, চরমভাবে পরাজিত হয়ে লেজগুটিয়ে আগুন সন্ত্রাসের নেত্রী আন্দোলন বন্ধ নাকরে বাসায় চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন।
 ইতিমধ্যে আন্দোলন ব্যার্থতার কারনে জোট ও দলে নিষ্ক্রিয়তা দেখা দেয়ায় নতুন এবং অভিনব এক উপায় খুজে বের করেন। দেশ ইতিমধ্যে তাঁদের ব্যংঙ্গ, নাশকতা, নৈরাজ্য, সন্ত্রাস, জঙ্গীপনাকে উপেক্ষা করে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত হয়ে জনমনে স্বস্তি, শান্তি, আনন্দ, উল্লাসের জোয়ার এসে গেছে। সরকারের প্রতি অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় জনগনের আস্থা ও বিশ্বাস অবিশ্বাস্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় সরকার বিরুধী আন্দোলন সংগ্রামে জনসম্পৃত্ততা পাওয়া যাচ্ছিলনা। বার বার আন্দোলনের ঘোষনা দিয়ে জনসম্পৃত্ততার লেশমাত্র না পেয়ে পরিবার রক্ষার নতুন কলাকৌশলের সন্ধানে ব্যাপৃত হওয়া ব্যাতিত অন্যকোন উপায়ন্তর খুঁজে পাচ্ছেন না।
        ২০১৬ ইং এর মাঝামাঝি বিএনপি তাঁদের দলীয় জাতীয় কাউন্সিলের আয়োজন করে। উক্ত কাউন্সিলে বেগম জিয়া 'জাসদের' আন্দোলনের হাতিয়ার 'দ্বি-কক্ষ' বিশিষ্ট আইনসভা এবং আওয়ামীলীগের উন্নয়নের দর্শন' 'রুপকল্প' হাইজ্যাক করে 'চোখের লজ্জা' বিসর্জন দিয়ে 'রুপকল্প ২০৩০' খসড়া ঘোষনা প্রকাশ করে। ""উল্লেখ্য যে আওয়ামীলীগের ঘোষিত,('রুপকল্প ২০২১--২০৪১' নিম্নমধ্যম--উন্নত ও সমৃদ্ধ) বাংলাদেশের পরিকল্পিত স্বপ্ন-রেখচিত্র। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা বলেননি যে '২০৩০' আগে বা পরে বাংলাদেশ "উন্নত মধ্যম' আয়ের" দেশে রুপান্তরীত হবে।"এই ফাঁক টুকুকে কাজে লাগিয়ে 'মূর্খের সাগর খালেদা জিয়া' মাঝামাঝি সময়কে 'মধ্যম' আয়ের 'রুপকল্প ভিশন ২০৩০' ঘোষনা করেন। ইহা অবুঝ মানুষও বুঝতে পারে ২১--৪১ এর মাঝামাঝি একটা সময়ে দেশমধ্য আয়ের সময় পার করবে।মধ্য আয়ের সময় পার করা ছাড়া নিম্ন থেকে লাফিয়ে উচ্চ হতে পারেনা।সেই সময়টুকুকে বেছে নিলেন তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহারে "রুপকল্প ২০৩০" নামে।
         জনগনের সঙ্গে প্রতারনার নয়া কৌশল বটে!!! সৃষ্টিতে দলটি বন্দুকের নলে ক্ষমতা পেয়েছিল। ন্যাশানাল আওয়ামী পার্টির  ভাসানী অংশের মার্কা 'ধানের শীষ' হাইজ্যাক করে দল বানিয়েছিল।বিভিন্ন দলের সুযোগ সন্ধানী নেতাদের ভাগিয়ে এবং দালাল, রাজাকার, মানবতাবিরুধী অপরাধী, চৈনিক নাস্তিক কমিউনিষ্ট, সর্বজনবিদিত নাস্তিক সর্বহারাদের সমন্বয়ে সরকার গঠন করেছিল- বঙ্গবন্ধু হত্যাকারী মাষ্টার মাইন্ড "খুনি মেজর জিয়া"। তাঁরই ধারাবাহিকতা রক্ষাকল্পে তাঁর ছেড়ে দেয়া বীরঙ্গনাপত্নি খালেদা জিয়া, সবেধন নীলমণি দুর্নীতির বরপূত্র তাঁরেক জিয়া সম্পূর্ণভাবে দলটির উৎসের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আওয়ামী লীগ সরকারের তথা জাতির জনকের কন্যা 'শেখ হাসিনা'র "ডিজিটাল বাংলাদেশ দর্শন" দিনে দুপুরে, সবার চোখে ধূলা দিয়ে  হাইজ্যাক করার নিলর্জ্জ উদ্যোগ গ্রহন করেছে। এইরুপ দর্শন চুরি সাধারনত: রাজনীতিতে দেখা যায় না--ক্ষমতার লোভে তাও সম্ভব করেছে পরিবার রক্ষায় মরিয়া 'খালেদা জিয়া।"
 ruhulaminmujumder27@gmail.com
   
     



মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg