অ-শুভশক্তির আঁধারকে ফুল দেয়া রাজনৈতিক শিষ্টাচারের সংজ্ঞায় পড়ে? "অভিলম্বে ব্যাখ্যা চাই"

  অ-শুভশক্তির আঁধারকে ফুল দেয়া রাজনৈতিক শিষ্টাচারের সংজ্ঞায় পড়ে?                                       "অভিলম্বে ব্যাখ্যা চাই।"
           (রুহুল  আমিন  মজুমদার)

       
          নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন নবনির্বাচিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফুলের তোড়া হাতে শুক্রবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে যান তিনি।
 প্রায় আধাঘণ্টা কেবিনে থেকে মান্নার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এ সময় বিএসএমএমইউয়ের উপাচার্য কামরুল হাসানকে ফোন করে সাবেক এই আওয়ামী লীগ নেতার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানান।
(ওবায়দুল কাদের বলেন, দীর্ঘদিন আমরা একসঙ্গে রাজনীতি করেছি। রাজনীতির বাইরেও একটা সম্পর্ক থাকে।)
           উল্লেখিত খবরটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।ওবায়দুল কাদের নি:সন্দেহে বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের মধ্যে অন্যতম।তাঁর দুরদর্শিতা, বিচক্ষনতা, সাংগঠনিক দক্ষতা প্রশ্নাতীত।আমার আলোচনা সেই দিকে মোটেই নয়--
      গনতান্ত্রিক রাজনীতিতে শিষ্টাচার বাঞ্চনীয়।আদর্শগত পার্থক্য থাকতে পারে, গনতন্ত্রের চর্চায় পার্থক্য থাকতে পারে, গনতন্ত্রের প্রায়োগিক রীতিতে পার্থক্য থাকতে পারে।গনতন্ত্রে বহুমত ও পথের ভিন্নতা থাকা সত্বেও সকল রাজনৈতিক দলের সহবস্থান নিশ্চিত হয় বিধায় বিশ্বব্যাপি গনতান্ত্রিক শাষনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন, সংগ্রাম নিয়ন্তর প্রবাহমান রয়েছে।গনতন্ত্রের সৌন্দয্য, সৌহার্দতা, সংযমতার নিকট বিশ্বের পরাক্রমশালী দর্শনভিত্তিক শাষন ব্যবস্থাও নতিস্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে।একদা সৌভিয়েত ইউনিয়নের জগৎবিখ্যাত দার্শনীক মার্কস, লেলিনের দর্শনভিত্তিক সামাজতান্ত্রিক শাষন ব্যবস্থাও গনমানুষের  আক্ষাংখিত গনতান্ত্রিক দর্শনের নিকট ধরাশায়ী হতে বাধ্য হয়েছে।

     রাজনৈতিক শিষ্টাচার গনতন্ত্রের সৌন্দয্যকে মহিমাম্ভিত করেছে নি:সন্দেহে। কারন গনতন্ত্রে সকল বাহনের উপস্থীতি পরিলক্ষিত হলেও ষড়যন্ত্রের উপস্থীতি আদৌ নেই।যেহেতু গনতন্ত্রের ধর্মই প্রকাশ্য সেহেতু গোপনীয়তা সর্বক্ষেত্রেই পরিত্যাজ্য হিসেবে স্বীকৃত।

       সাংবাদিক, কলামিষ্ট শফিক রেহমান, গ্রামীন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. ইউনূছ, ব্রাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হোসেন আবেদ, গনস্বাস্থ্যের জাফর উল্যা চৌধুরী উল্লেখিত ব্যাক্তিদের কোন রাজনৈতিক দল নেই।গনমানুষের সাথে তাঁদের কোন সম্পর্ক নেই কিন্তু তাঁরা বাংলাদেশের ভাগ্যনিয়ন্ত্রক হতে আগ্রহী।প্রকাশ্যে সমাজ, রাষ্ট্র, রাজনীতিতে তাঁদের বিচরন রয়েছে শুধুমাত্র তাঁদের কায়েমী স্বার্থ্য চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে। এইশ্রেনীটি স্বার্থ্য উদ্ধারে দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতেও তাঁদের বিবেকে বাঁধেনা। অ-প্রকাশ্য সমগোত্রীয়  আরো বহু সংখ্যক মুখোশধারীর বিচরন আমাদের সমাজে রয়েছে।তাঁদের মধ্যে গর্ত থেকে বের হয়ে খোলানছে  পরিবর্তন করে এসেছিল ২০০৮ ইংরেজী সালে একটি অংশ। তাঁরা সারা বাংলাদেশে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে দীর্ঘ দুইবছর জনগনের রক্ত  শোষন করে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন।তাঁর আগে উনারাই মিডিয়ায় সুন্দর সুন্দর কথা বলে সরকার সমুহকে গনতন্ত্রের ছবক দিতেন, শাষন ব্যবস্থার পাঠ দিতেন, গনতন্ত্রের বুলিতে জনগনকে মুখরীত করে রাখতেন।তাঁদের আলোচনা শুনে চায়ের দোকানে আমজনতা তর্কের ফানুস উড়িয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর উঠাতেন।

    মাহমুদুর রহমান (মান্না), নুরে আলম সিদ্দিকী(চার খলিফাভুক্ত), সিরাজুল আলম খাঁন (দাদাভাই), ফেরদৌস আহম্মেদ কৌরেশী(ফখরুদ্দিন,মাঈনুদ্দিন সরকারের রাজপথের প্রকাশ্য শক্তি)সর্বদা অ-প্রকাশ্য ষড়যন্ত্রকারী। তাঁদের শক্তির উৎস দেশের অভ্যন্তরে বিদ্যমান রাজনৈতিক দল এবং সরকারের প্রতিটি অঙ্গে সংগোপনে বিরাজমান। প্রয়োজনীয় সময় উক্ত শক্তি দৃশ্যমান হতে দেখা যায়। উনারা প্রত্যেকেই রাজনীতিতে নীজস্ব দলে ভাল অবস্থানে ছিলেন।কেউ কেউ থিংক ট্যাংকার হিসেবে পরিচিত ছিলেন।পর্দার অন্তরালে থেকে কায্যসিদ্ধি করাই তাঁদের মুখ্য ভাবনা।বিদ্যমান সকল রাজনৈতিক দলের ভিতরে এবং বাইরে তাঁদের রয়েছে অসংখ্য মুুরিদান,অনুসারি, শুভানুধ্যায়ী , শুভাকাংখী।

    ড. কামাল হোসেন, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকি, ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরী, রাশেদ খাঁন মেনন, লে, কর্ণেল আকতারুজ্জমান প্রমুখ রাজনীতির সবজান্তাদলের অন্তভুক্ত।দলীয় ছায়ায় উনারা সবাই বাঘের চেয়ে শক্তিধর ছিলেন; ছায়া সরে যাওয়ার পর সবাই কাগুজে বাঘে পরিণত হয়েছেন। তাঁদের দ্বারা জনগন উপকৃত হতে পারে;দেশ ও জনগনের ক্ষতির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।তম্মধ্যে রাশেদ খাঁন মেননের নিজস্ব দলীয় অবস্থা ও অবস্থান পোক্ত বিধায় রাজনীতিতে কোন রকমে অস্তিত্ব ধরে রাখতে পেরেছেন।
      গনতান্ত্রিক দেশে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বলতে বিদ্যমান রাজনৈতিক দলের মধ্যে এবং রাজনৈতিক ব্যাক্তির মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ অবস্থান বিরাজমান রাখা; যাহা দেশে উদ্ভুত সংকট, সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে সহায়ক ভুমিকা পালন করতে পারে। আদর্শগত বিরুধ থাকা সত্বেও দেশের বৃহত্তর স্বার্থের প্রয়োজনে সৌহার্দপুর্ণ রাজনৈতিক অবস্থান জনগনের ঐক্য গড়ে তুলতে সাহায্য করে। তেমনি ব্যাক্তিগত সম্পর্ককে রাজনৈতিক সৌহার্দপুর্ণ অবস্থান সৃষ্টির লক্ষে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে নেতিবাচক ভাবে দেখার উপায় নেই।উল্লেখিত দিকটি রাজনীতির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য মাত্র।

     দেশে রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সংকট সৃষ্টি করে যে সমস্ত ব্যাক্তি বা গোষ্টি বিদেশী রাষ্ট্রের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকে অথবা তাঁদের কায়েমী স্বার্থ হাসিলের চেষ্টারত:  থাকে--"রাজনীতির ভাষায় তাঁদের বলা হয় অশুভ শক্তি"।অশুভশক্তির নিজস্ব কোন রাজনৈতিক ক্ষমতা বা গনতান্ত্রিক কোন রাজনৈতিক দল থাকেনা। তাঁরা সাম্রাজ্যবাদি চক্রের এজেন্ডা ববাস্তবায়নের লক্ষে কখনও সামাজিক সংস্থা, কখনও অর্থ লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান কখনও বা এন, জি ও এর মাধ্যমে তাঁদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষে কাজ করতে থাকে।তাঁদের এই কাজে সাম্রাজ্যবাদি চক্রের একাধিক সংস্থা (বিশ্বব্যাংক সহ) বিভিন্নভাবে অর্থ সহায়তা দিয়ে থাকে। দেশের ক্রান্তিকাল সৃষ্টির হোতা প্রথমোক্ত শক্তির অন্তরালে অশুভশক্তির অবস্থান ছায়াসদৃস হয়ে নির্বিত্তে আত্মগোপনে অবস্থান গ্রহন করে। উপযুক্ত সময়ে তাঁরা বিদ্যমান রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরে তাঁদের পোষ্যব্যাক্তি, সরকারের উচ্চমহল, বিদেশী দুতাবাস সমুহের মাধ্যমে কায্যসিদ্ধির চেষ্টারত: থাকে।

     প্রথমোক্ত দলটি আচরনে যদিও অনুভব হয় তাঁরা একটা রাজনৈতিক দলের থিমট্যাংক হিসেবে কাজ করছে--' তা কিন্তু আদৌ সত্য নয়'।সর্বসময়ে তাঁরা রাষ্ট্রীয় বেনিফিসিয়ারী।তাঁদের চেনা অত্যান্ত সহজ কিন্তু গোপন ষড়যন্ত্রকারীদের চেনার কোন উপায় থাকেনা।তাঁরা সকল গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের জন্যেই বিপদজনক। প্রতিষ্ঠিত দলে উপদল সৃষ্টি করে তাঁরা তাঁদের কায্যসিদ্ধি করতেও পিছপা হয়না। রাষ্ট্র সমাজ, রাজনৈতিক দল, সরকার সবার জন্যই এই চক্রটি সমান বিপদ বয়ে আনতে পারে।তাই সকল দল তাঁর সরকার পরিচালনায় অশুভ শক্তিটির প্রতি সজাগ দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখতে হয়। যতদিন পয্যন্ত অশুভ শক্তির ক্ষমতার উৎস নিস্তেজ করা সম্ভব না হয়; ততদিন সরকার স্থীতিশীলতা পেতে পারেনা।

    বর্তমান সরকারের অ-প্রকাশ্য অ-শুভশক্তির প্রকাশ্যরুপ 'মাহমুদুর রহমান মান্না।' তিনি নাগরিক কমিটির অভ্যন্তরে অবস্থান নিয়ে সরকার উৎখাতে সেনাবাহিনীকে প্রলুব্ধ করেছেন; ঢাকা ইউনিভারসিটিতে হত্যাকান্ড ঘটিয়ে অস্থীতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টারত: ছিলেন। সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা জনাব "খোকা" গনতন্ত্রের প্রতি আস্থাশীল বিধায় তাঁর সাথে টেলিফোনের আলাপ প্রকাশ করেছেন।তাঁর আগে সংঘটিত তদ্রুপ 'বি ডি আর' হত্যাযজ্ঞের ষড়যন্ত্র 'পিন্টু' কি প্রকাশ করেছে? অ-শুভশক্তি সময়ের প্রয়োজনে তাঁদের পোষ্যদের ব্যবহার করে থাকে। খোকাও তদ্রুপ পোষ্যই বটে--- 'কি কারনে ঘটনা প্রকাশ করেছেন সময় তা প্রকাশিত হবে'।

      মাহমুদুর রহমান মান্না যতদিন রাজনীতিতে ছিলেন ততদিন তাঁর কর্মকান্ড নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়নি।১/১১ সৃষ্টি হলে তাঁর মত অনেকেরই মুখোশ খুলে পড়ে। রাজনৈতিক ব্যাক্তির জেলমুক্তি বা অন্য কোন কারনে ফুল নিয়ে হাসপাতালে গেলে 'আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদকে'র বিরুদ্ধে প্রশ্ন উত্থাপনের কোন কারনই ছিলনা। "মান্না" বর্তমান সরকারের বিশেষকরে শেখ হাসিনার জন্যে একজন শক্তিধর অ-শুভশক্তির আঁধার।সেই অ-শুভশক্তির  হোতার জন্যে ফুল নিয়ে তাঁর দলের সাধারন সম্পাদক  হাসপাতালে কোন অবস্থায় যেতে পারেন না। 'রাজনৈতিক শিষ্টাচারের কোন সংজ্ঞাতেই অ-শুভশক্তির আঁধারের স্থান নেই।' দেশে বিদ্যমান সকল গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংস্থা, রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রের জন্যেই "মান্না গং বিষফোঁড়া।"

      ২০০৯ ইং সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর থেকে অদ্যাবদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অশুভ শক্তির সকল উৎস নিস্তেজ করার কাজে রাষ্ট্রশক্তিকে সর্বাত্মক কাজে লাগিয়েছেন।আওয়ামী লীগ অ-শুভশক্তির বিরুদ্ধে প্র
তিনিয়ত তাঁর সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে। দলের অন্যতম শক্তিধর ব্যাক্তি অ-শুভশক্তির ছায়ার সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে যাবেন- এই সময়ে--"ইহা কাম্য হতে পারেনা।"

    সারাদেশব্যাপি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা যখন নারায়নগঞ্জে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিশাল জয়ে আনন্দে আত্মহারা ; তখনই তাঁদের সেই আনন্দের বন্যায় কালমেঘের ছায়ায়  ঢেকে দিলেন জনাব 'ওবায়দুল কাদের সাহেব' ফুল নিয়ে মান্না দর্শন করে।
     অবিলম্ভে জনাব " মান্না" সাহেবকে ফুলের তোড়া উপহার দেয়ার ব্যাখ্যা দাবি করছে দেশব্যাপি চড়িয়ে চিটিয়ে থাকা অসংখ্য মুজিব সৈনিক।আশা করি উপযুক্ত জবাব দিয়ে আশান্ত মনকে শান্ত করার উদ্যোগ নিবেন বিচক্ষন নেতা।
               ruhulaminmujumder27@gmail.com
                   "জয়বাংলা          জয়বঙ্গবন্ধু"
   
   
   
    

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg