মানবতার নেত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনা বিরল দৃষ্টান্ত!! ============<=======[====== ২১শে আগষ্ট বোমা ও গুলীর যুগৎপৎ হামলার পর,দেশরত্মকে হত্যায় ব্যর্থ হলে, সারাদেশ স্তব্দতার মধ্যেও স্ফুলিঙ্গের মত ফুঁসে উঠার অপেক্ষায় ছিল।সর্বস্তরের আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা শুধু দেশরত্মের হুকুম আর রাজনৈতিক কর্মসূচির অপেক্ষায় প্রহর গুনছিলেন।জননেত্রীও কেন্দ্রীয় নেতাদের অব্যাহত চাপের মুখে ছিলেন কর্মসূচি ঘোষনা দেয়ার জন্য।গনহত্যায় ব্যর্থ হয়ে সরকার ছিল টলটলায়মান অবস্থায়।দেশী বিদেশি সমালোচনার মূখে কোনঠাসা।।এমতবস্থায় ধাক্কা দিলে সরকার টিকে থাকার কোন উপায় ছিল না।এমনতর মূহুর্তেও মানবতার নেত্রী ক্ষমতা পাওয়ার লোভ না করে, আহতদের চিকিৎসা এবং নিহতদের লাশ দাফন করার জন্য মনোনিবেশ করেন।দলের কেন্দ্রীয় বেশ কিছু নেতাকে দায়িত্ব দিয়ে হাসপাতাল গুলোতে প্রেরন করেন।রাত জেগে খবরাখবর সংগ্রহে ব্যস্ত সময় কাটান।তিনি স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলেন,এই হামলাটি ক্ষমতাসীন বি,এন,পি সরকারের উচ্চপয্যায়ের দিকনির্দেশনার ফসল।মানবতার নেত্রী চরম ধৈয্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়ে আগে চিকিৎসাকে প্রাধান্য দিলেন। এতবড় ঘটনার পর ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতো দুরের কথা, কোন মামলাও করার চিন্তা করেননি।মামলার ফলাফল আশানুরুপ হবেনা ধারনা টি, নেত্রী ভুল করেননি পরবর্তিতে সাজানো তদন্ত ও জর্জমিয়া নাটক থেকেই তা প্রমানীত।খালেদা জিয়া,তারেক জিয়া,এবং স্ব্ররাষ্ট্র মন্ত্রী বাবর সরাসরী জড়িত ছিলেন,তা আরও স্পষ্ট করে যখন তত্বাবধায়ক সকার গঠন প্রশ্নে কার ও সাথে পরামর্শ ব্যতিরেকে, নীজ দলের প্রেসিডেন্টকে তত্বাবধায়ক প্রধান করে সাজানো নির্বাচন করার জন্য, একের পর এক নিলজ্জ পদক্ষেপ।যেকোন উপায় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে বিচারিক কায্যক্রম বাঞ্চালই ছিল প্রধান উদ্দেশ্য।২১শে আগষ্টের ঘটনার চরিত্রের দিকে তাকালে দেখতে পাওয়া যায়, দেশীয়ভাবে তিনটি পক্ষ হামলায় সরাসরী জড়িত ছিল।প্রথম পক্ষে সরকারের উধ্বতন মহল জড়িত ছিল, এটাতে কোন সন্দেহের অবকাশ এখন আর নেই।দ্বিতীয়ত সরকারের সেনাবাহিনীর একটা অংশ,মামলার তদন্তে তাঁর প্রমান পাওয়া যায়।,তৃতিয়ত জঙ্গিদের সম্পৃত্ততা, তাঁরা নিজেরাই স্বিকার‍ উক্তি মুলক জবানবন্দি দিয়ে স্পষ্ট করেছে।এখন আছে শুধু বিদেশী কোন শক্তি জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা।বি,এন,পি সরকারীভাবে বিচার পতিদের সমন্বয়ে তদন্ত টিম গঠন করেছিলেন।বিচারপতি জয়নুল আবেদীন প্রধান সমন্বয়ক হয়ে একটা রিপোর্টও দিয়েছিলেন। পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল বাংলাদেশের কোন একটা বন্ধু রাষ্ট্র সরাসরি জড়িত ছিল।সেই রিপোর্ট ও অত্যাবদি আলোরমুখ দেখেনি। তিনি কিসের ভিত্তিতে বিদেশি রাষ্ট্রের সম্পৃত্ততা পেয়েছিলেন এখন ও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়।উক্ত ঘটনার সার্বিক দিক জাতিকে জানানো একান্ত প্রয়োজন।জননেত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনাকে ছোট বড় ১৯ বার জীবন হানি ঘটানোর চেষ্টা হয়েছিল।তম্মধ্যে ১৯৮১ ইং সালের ১১ই সেপ্টেম্ভর চট্রগ্রামের লালদীঘি ময়দানে পুলিশ ও বি,ডি,আরের যৌথ ব্রাস ফায়ারে হত্যার চেষ্টা ও একটা বড় ধরনের কিলিং মিশন ছিল।সেই যাত্রায় জীবন রক্ষা পায় আল্লাহর অশেষ রহমতে।লক্ষ করলে সহজেই দেখা যায় আওয়ামী লীগকে ধ্বংশ করার উদ্দেশ্যে যতবার হামলা হয়েছে তদ্রুপ অন্য কোন দলের উপর বা নেতাদের উপর তাঁর ছিটেফোঁটাও হয়নি।একমাত্র জাতির জনকের পরিবার এবং আওয়ামী লীগের নেতারাই হত্যার শিকার হচ্ছেন,অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিচ্ছেন।ইহার কারন বের করতে এখন আর বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই।বিশ্বে প্রায় রাষ্ট্রে মাঝে মধ্যেই রাজনৈতিক হত্যার খবর পাওয়া যায়,এই রুপ দল বা পরিবার শুন্য করে দেয়ার জন্য হামলা হয়েছে তাঁর নজির পাওয়া যায় না।একমাত্র জাতির জনকের পরিবার এবং তাঁর নীজ হাতে প্রতিষ্ঠিত দল আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব সমুলে বিনাস করার জন্য যে চেষ্টা স্বাধীনতার পর থেকে অদ্যাবদি অব্যাহত রয়েছে।তাঁর পর ও বর্তমান সরকার দুইমেয়াদে ক্ষমতা উপভোগ করতে পারলেও ২১শে আগষ্টের চাঞ্চল্যকর,নজির বিহীন বর্বতা,গনহত্যার মত মানবতা বিরুধি অপরাধের মামলাটি ১১ বছরেও বিচারিক পয্যায় যায়নি। ১৯৭৫ সালে তারিখ হিসেবে ১৫ আগস্ট এবং ২০০৪ সালে মাস হিসেবে আগস্টের মিলটাও লক্ষণীয়। ১৫ আগস্টের মতোই ২১ আগস্টের ঘটনাটিও ছিল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করার চেষ্টা। আমাদের প্রচলিত অপরাধে বিচার ব্যবস্থা যে ন্যুব্জ হয়ে পড়েছে, তার উদাহরণ হলো ৩০ লাখ মামলা জমে যাওয়ার পরেও রাষ্ট্রযন্ত্র নির্বিকার থাকতে পারছে। আমজনতা আদালত ব্যবস্থা থেকে সহজে কোনো প্রতিকার পায় না। তদুপরি এখনো এই ধারা মোটামুটি ক্রিয়াশীল যে, রাষ্ট্রপক্ষ সক্রিয় হলে এই মামলাজটের বিচার ব্যবস্থার ভেতর দিয়েও প্রতিকার ত্বরান্বিত করা সম্ভব। সামারি ট্রায়াল না করে সাধারণ আদালতে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সমাপ্তি তার একটি বড় দৃষ্টান্ত। এখন প্রশ্ন হলো, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ১১ বছর পূর্তিতে মামলার অগ্রগতি এতটা মন্থর কেন?? ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেডটি যদি ট্রাকে পড়ত, তাহলে এটা শেখ হাসিনাসহ বিপুলসংখ্যক জাতীয় নেতার প্রাণ কেড়ে নিত। এটা হতে পারত পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে ঘটে যাওয়া দ্বিতীয় বর্বরতম হত্যাকাণ্ড। সুতরাং গুরুত্বের বিচারে এই মামলাটির অহেতুক দীর্ঘসূত্রতা জাতি হিসেবে আমাদের কাণ্ডজ্ঞান, দায়িত্ববোধ ও সততাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। গ্রেনেড হামলার পরে বিএনপি দুই বছর ক্ষমতায় ছিল। তারা বিচার শুরু দূরে থাক, সুষ্ঠু তদন্তই শেষ করতে পারেনি। আমরা অনুমান করতে পারি যে কেন আওয়ামী লীগ বিচার চায়নি। তারা ধরে নিয়েছিল যে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থেকে যে বিচার করবে, তা বিচারের নামে প্রহসনই হবে। তারা কেবল আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি তুলেছিল। ২১ আগস্ট ২০০৬ প্রথম আলোতে ‘বিচারের আশা করেন না হতাহতদের স্বজনেরা’ শিরোনামে এক প্রতিবেদন ছাপা হয়। এতে বলা হয়, আহত ও নিহতদের স্বজনদের একটাই চাওয়া, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।বর্তমান হত্যাকারীদের মদদ দাতা সরকারের কাছে তাঁদের প্রত্যাশা নেই। ঘটনার দুই দিন পর আতাউস সামাদ ‘এরপর আর বাকি থাকল কী’ শিরোনামে প্রথম আলোর প্রথম পাতায় একটি মন্তব্য প্রতিবেদন লিখেছিলেন। সেখানেও তিনি বিচারের প্রসঙ্গ টানেননি। বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়া বিচ্ছিন্নভাবে একটি মন্তব্য করেছিলেন যে, সরকার বোমাবাজদের শনাক্ত করে ‘দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি’ দিতে বদ্ধপরিকর। "।প্রয়াত নেতার ঘোষনা পত্রিকা এবং তার মুখেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেল।জাতী পরবর্তিতে দেখলো,কোন এক অজ্ঞাত নামা যুবক,খেটে খাওয়া দিনমুজুরকে ঘটনার প্রধান করে, সাজানো জবান বন্দি নেয়া হচ্ছে,তাঁকে জেলে বন্দি রেখে তাঁর পরিবারকে রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে মাসে মাসে খরপোষ দেয়া হচ্ছে।এহেন তামাশা অতিতে কোন দেশে হয়েছে কিনা কেহই বলতে পারবে না।এই এক ঐতিহাসিক তামাশা বলা যেতে পারে। আগেই উল্লেখ করেছি ত্রিধারার সংযোগে বার বার আওয়ামী লীগের উপর নেমে আসে ঘোর অমানিষা।আওয়ামী লীগই একমাত্র সংগঠন,প্রগতির ধারায় এখনও নীজেদের সম্পৃত্ত রেখে দেশ ও জনগনের ভাগ্য উন্নয়নের চেষ্টা অব্যাহত রেখে অবিচল নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছে।ক্ষমতা পাওয়ার চাইতে জনগনকে সাথে রেখে প্রগতির ধারা অব্যাহত ভাবে সামনে এগিয়ে নেয়াকে কর্তব্য মনে করে।আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান এইডস জাতিকে স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য, বিশ্ব দরনবারে বাংলাদেশ নামক একটি দেশ আছে তা প্রতিষ্ঠার জন্য,বাঙালী বীরের জাতি তা প্রমানের জন্য,আজিবন সংগ্রাম করে গেছেন।কোন লোভ লালসা, রক্তচক্ষুকে ভয় করেননি।ইচ্ছা করলে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রধান মন্ত্রী একাধিক বার হতে পারতেন,তিনি পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রীর লোভ করেননি,তিনি চেয়েছেন বাঙ্গালীর মুক্তি,বাংলাদেশের স্বাধীনতা।সেই দলের উত্তরসুরী বর্তমান আওয়ামী লীগ ও ক্ষমতা পাওয়ার জন্য অদ্যাবদি কোন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন শুনা যায়নি,নিয়মাতান্ত্রিক ভাবে রাজনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে।জনগন যখন চায়,তখন সরকার গঠন করে,জনগন যখন চায় না, তখন বিরুদি দলের ভুমিকা পালন অব্যাহত রাখে। প্রশ্ন হচ্ছে গত দুইবার একটানা সরকার গঠন করেও বোমা হামলার বিচার ত্ব্রারান্বিত করার জন্য সকারী ভাবে কোন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছেনা কেন?ইচ্ছা করলে আর ও দ্রুতগতিতে মামলার বিচার কি করা যায়না?জনমনে নানাহ প্রশ্ন ইতিমধ্যেই উঁকি ঝুঁকি দিতে শুরু করেছে।আইনের শাষন প্রতিষ্ঠার জন্য স্বাধীনতার পর দ্বিতীয় বৃহত্তম মানবতা বিরুদি এই হত্যা কান্ডের বিচার দ্রুত করার উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।নচেৎ বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্বদরবারে প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক হয়ে দেখা দিতে পারে। " জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা"

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg