অবিলম্বে শেখ সেলিমের বিরুদ্ধে জোটে ভাঙ্গনের অভিযোগে ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক। আগেই আশংকা করে বলেছিলাম,বহুদলীয় পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্রে সত্যিকার দায়িত্ব শীল বিরুদী দল না থাকলে, ক্ষমতাসীন দলের জন্য যেকোন সময়ে হঠাৎ বিপদ আসতে পারে।বিপদ ঘর থেকেও হতে পারে, বাহির থেকেও হতে পারে।আর ও বলেছিলাম ৭২এ সঞ্জয় গান্ধী গং দের প্ররোচনায় ভারতে ইন্দিরা গান্ধী জরুরী অবস্থা ঘোষনা করার পর সঞ্জয় গান্ধী, কি ভাবে দলীয় নেতা কর্মীদেরর হত্যা করেছিল,ইন্ধীরা গান্ধীকে অন্ধকারে রেখে।তার বিশদ আলোচনা করেছিলাম।ইন্দিরা গান্ধীর নজরে যখন সব পরিস্কার ভাবে এসেছিল তখন আপসোশ ছাড়া আর করার কিছুই ছিল না।বিশ্বের ইতিহাসে বহু নজির আছে,পিতার সাথে পুত্রের,ভাইয়ের সাথে ভাইয়ের বিশ্বাস ঘাতকতার।ইসলামের ইতিহাসের দিকে চোখ ফেরালেও এমনতর উদাহরনের অভাব হবে না।সুতারাং রাজনীতিতে সবাই আপন যতক্ষন সাথে আছে, এই পুরাতন আপ্ত বাক্যটি জননেত্রীকে স্মরন রাখতে হবে। জাসদের তখনকার ভুমিকা নিয়েও আলোচনা করেছিলাম।বলেছিলাম জাসদের তরুন তুর্কীদের মেজর জলিল, মোস্তাক,জিয়া গং, কিভাবে পথভ্রষ্ট করে সাম্রাজ্যবাদিদের স্বার্থ উদ্ধার করার পর ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল।আরো বলেছিলাম জাসদ রাজনীতির ভুলের কারনেই দলটি প্রায় বিলীনের পথে।সাম্রাজ্যবাদি চক্র এবং স্বাধিনতা বিরুদিদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সেই দিন যারা জাসদকে ভুল পথে পরিচালিত করে জাতির জনকের হত্যা প্রক্রিয়াকে সহযোগিতা করেছিল তাঁরা আজও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে নেই,জোটেও নেই।যারা সেদিন শুধু ব্যাবহার হয়েছিলেন, প্রকৃত পক্ষে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের ,তাঁরা আওয়ামী লীগেই আছে অথবা জোটে আছে।যেকোন সময় রাজনীতিতে ভুল হতে পারে,এই ভুলের জন্য জাতি চরম খেসারত দিতে হয়,ব্যক্তি ভুলে শুধু সংসার নষ্ট হয় অথবা দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্বল্প সময় জাতিকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে, দীর্ঘ সময় পারেনা।৭৫"এর পর থেকে আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব একটা কথাই বার বার বলে আসার চেষ্টা করেছে,"জাতির জনককে হত্যা করে মক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ বাংলাদেশকে মিনি পাকিস্তানের দিকে দাবিত করে নিয়ে যাচ্ছে সাম্রাজ্য বাদের দোষরেরা"।আওয়ামী লীগের এই বক্তব্য আজকে প্রমানীত সত্য হওয়ার কারনে,লৌহ কঠিন জোট গড়ে উঠেছে।আর এই জোট গড়ে উঠেছে মুক্তি যুদ্ধের ধারায় বাংলা দেশকে ফিরিয়ে এনে বিশ্ব দরবারে বাঙ্গালী জাতির ভুলুন্ঠিত গৌরব ফিরিয়ে আনার জন্য।বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার আকাংখাকে বাস্তবে রুপায়নের জন্য।এই জোট একদিনে গড়ে উঠে নাই,এই জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ম শেখ হাসিনাকে অনেক ত্যাগ স্বিকার করার প্রয়োজন হয়েছে।কমপক্ষে ১৯বার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসতে হয়েছে।এমনিতর হামলা গুলী যদি না হত, তাহলে হয়তো আওয়ামী লীগকে আজকের এই অবস্থানে আমরা পেতাম না।রাজাকারের বিচার হত না,বঙ্গবন্ধুর বিচার সীমিত আকারে যেটা হয়েছে হয়তো সেটাও হতনা।আওয়ামী লীগের উপর বার বার আঘাত আসার কারনে মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের, অসাম্প্রদায়িক চেতনার পক্ষে দৃড এক্য গড়ে উঠেছে।৭৫'পরবর্তিতে রাজনৈতিক আবাহাওয়ার কারনেও অনেকে চিরদিনের জন্য রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে বিদায় নিয়েছিলেন।সত্যিকার ভাবে দেশ যে সাম্রাজ্যবাদের কলনীতে পরিনত হচ্ছে বা মিনি পাকিস্তানের রুপ ধারন করার জন্য বার বার জননেত্রীর উপর আঘাত করা হচ্ছে,আওয়ামী লীগকে নিচ্ছিন্ন করার জন্য, তাঁর নেতাদের বাচাই করে হত্যা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক মহল বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সম্পন্ন ব্যাক্তি বা দল বুঝে উঠতে অনেক সময় পার হয়ে গেছে সত্য,শেষ অবদি বুঝতে পেরেছেন এটাতে কম সাফল্য কোথায় পেলেন শেখ সেলিমেরা তা বোধগম্য নয়।দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, বঙ্গবন্ধু যখন স্ব-মহিমায় আপন স্থানে অবস্থান নিতে শুরু করেছে, তখনই শেখ সেলিমের মত পরিক্ষিত আওয়ামী লীগ নেতা সংসদে দাঁড়িয়ে জাতির সামনে এহেন বিতর্ক উত্থাপন করে কার স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছেন, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।দেশরত্মের অক্লান্ত পরিশ্রমে, জাতি যখন তাঁর হারানো গৌরব একে একে ফেরৎ পাচ্ছেন, তখনি বিতর্কটি জুড়ে দিয়ে জোট ভাঙ্গার চেষ্টা কেন হল? শেখ সেলিমদের স্মরনে থাকার কথা জোট নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে গড়ে উঠেছে।আর সেই উদ্দেশ্য আংশিক বাস্তবায়নের পরক্ষনে, ঘরের ভিতর থেকে বিতর্ক উত্থাপন করে, তিনি কি বুঝাতে চাইলেন।জাসদের কার ভুমিকা কি ছিল, কখন কে কি করেছেন জননেত্রী কি তা জানেন না? দেশরত্ম জননেত্রীতো অনেক বারই বলেছেন,১/১১ তে কে কি করেছেন তা আমি ভুলবো না।তবে তাদেরকে আমি ক্ষমা করতে পারি,ভুলে যেতে পারিনা।দুরদর্শি পিতার দুরদর্শী রাজনৈতিক উক্তি।মতিয়া জাতির জনকের চামড়া তুলে ঢোল বানাবেন বলেছিলেন, সে মতিয়া ছাত্র ইউনিয়নের মতিয়া,অগ্নিকন্যা মতিয়া।সে মতিয়াদের সম্মেলনে জাতির জনক বলেছিলেন আমার আগামীদিনের স্বপ্নের বাংলাদেশের কারিগর হবে তোমরাই।সেই পরিপক্ষ রাজনীতিবিদ মতিয়া ১/১১ এর পর প্রত্যেক দিন কমপক্ষে দুই ঘন্টা জননেত্রীর সাবজেলের অদুরে দাঁড়িয়ে নেত্রীকে সাহস দিয়ে গেছেন। বিশ্ব বাসী অবাক বিস্ময়ে মতিয়ার সাহসি পদক্ষেপ অবলোকন করেছে।আপনি শেখ সেলিম তখন কোথায় ছিলেন?আওয়ামী লীগের বাঘা বাঘা নেতারা কোথায় ছিলেন।মতিয়া যা পেরেছে আপনারা পারলেন না কেন? সারা বিশ্ব যখন দেশরত্মের নেতৃত্বের প্রসংশায় পঞ্চমুখ,স্বাধীনতা বিরুধীরা যখন পালায়নরত,দেশ যখন উচ্ছ আয়ের দেশে পরিনত হওয়ার অপেক্ষায়, জাতি যখন স্বাধীনতার স্বাধ গ্রহন শুরু করেছে তখনি বিতর্কটা উত্থাপন করেছেন শেখ সেলিম।জানসভা বা বিবৃতি দিয়ে নয়,একেবারে জাতিয় সংসদে দাঁড়িয়ে জাতির সামনে।আমি মনে প্রানে বিশ্বাস করি এখানেই ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে,এখনি ব্যাবস্থা গ্রহন করার প্রয়োজন আছে।আমি মনে করি আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক, জনপ্রসাশন মন্ত্রী কয়দিন আগে এই ষড়যন্ত্রের প্রতি ইঙ্গিত করে জাতিকে সতর্ক থাকার আহব্বান জানিয়েছেন। ১৯৭৫ থেকে ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ। ৪০টি বছর। কালের পরিক্রমায় তা খুবই স্বল্প সময়। কিন্তু মনুষ্য জীবনের কাছে অনেকটাই। এ-সময়কালে সংঘটিত হয়েছে লক্ষাধিক ঘটনা। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের বিচার কিছুটা হয়েছে কিন্তু তা সম্পূর্ণ নয়। কারণ যারা এ হত্যাকান্ডের নেপথ্যে জড়িত ছিলেন এবং এখনও দু'-একজন সদর্পে আওয়ামী লীগের ভেতরেই পদচারণা করছেন; আর যেসব বিদেশি এজেন্সি সহায়তা করেছে তাদের বিচারও সমাপ্ত করতে হবে। আরও কিছু বিচার জাতি দেখতে চায়- জেল হত্যার বিচার, খালেদ মোশাররফ, মঞ্জুর হত্যাকান্ড, জিয়া হত্যাকান্ড, উদীচী ও সিপিবির সমাবেশে হত্যাকান্ডসহ সকল হত্যাকান্ড। মুক্তিযুদ্ধের মানবতা বিরুদি অপরাধের বিচার চলছে।অনেকের রায় ইতিমধ্যে কায্যকর হয়েছে,কায্যকরের অপেক্ষায় আছে অনেক গুলি, বিচার চলছে আরব অনেকের।জাতির জনকের খুনীদের ফেরৎ এনে রায় কায্যকরের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।দেশ বিদেশ থেকে বঙ্গবন্ধু হত্যার কান্ডের তথ্য উপাত্য সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত আছে।ইতিমধ্যে বহু চক্রান্তের তথ্য উৎঘাটিত হয়েছে,আরও তথ্য পাওয়া যাবে আশাবাদ ব্যাক্ত করেছেন। জননেত্রী দেশরত্ম মহান সংসদে দাঁড়িয়ে জাতিকে ওয়াদা দিয়েছেন, সাম্প্রতিক আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে মারার জন্য ট্রাইবুনাল গঠন করে অপরাধীদের বিচার করবেন।সভ্য দুনিয়ায় এমন নজির কোথায় ও নেই মানুষ পুড়িয়ে, সম্পদ ধ্বংশ করে দাবী আদায় করার।বাংলাদেশে তাহাই ঘটেছে।কেন হল তা কি শেখ সেলিমদের অজানা?এই মানবতা বিরুদির বিচার না করতে পারলে আগামী দিনের আন্দোলনের উদাহরন হয়ে সবাই এহেন কর্মকান্ডে লিপ্ত হওয়ার আশংকা থেকে যাবে।বিশ্বের নিকট আমরা পরিচিত হব হিংসুক, বর্বর,মধ্যযুগীয় ভাবধারার জাতি হিসেবে।ষড় যন্ত্র কারীরা চাইবে দেশকে পিছনে নিয়ে যেতে,তাঁদের সাথে তাল মিলিয়ে যারা কথা বলবে তাঁরা আওয়ামী লীগার হতে পারে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নয়। বহু রক্তের বিনিময়ে অনেক ত্যাগ তিতিক্ষার পর,বহু অপেক্ষার পর,কষ্টিপাথরের উপর ঘশে পরিক্ষা নিরিক্ষার পর, এই জোট গঠিত হয়েছে।উদ্দেশ্য দেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরিয়ে আনা,দেশকে স্বাবলম্বি করে বংগবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় রুপান্তর,সকল হত্যাকান্ডের বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা,ধীরে ধীরে দেশকে প্রগতির ধারায় নিয়ে আসা,সত্যিকারের গনতান্ত্রিক শাষন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ কে সামনে রেখে।এক দুই জন শেখ সেলিমের বিতর্কে জোটের কোন ক্ষতি হবে আমি মনে করি না।তারপর ও বলবো বিষয়টি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ভাল ভাবেই দেখবেন। আমি আর একটু স্মরন করিয়ে দিতে চাই,জাতির জনকের অনেক ভাষনের মধ্যে একটি ভাষনের অংশিক।সময়টা ১৯৭২ ইং সালের,রাজশাহীতে দেয়া --- আমার ভায়েরা ও বোনেরা, আজ আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, কিন্তু বড় ত্যাগের বিনিময়ে। এত রক্ত কোন দেশের জন্য কোনদিন কোন জাতি দেয়নি, যা আজ আমার বাংলার মানুষকে দিতে হয়েছে। আজ ঘরে ঘরে, গ্রামে গ্রামে মানুষ না খেয়ে কষ্ট পাচ্ছে। জালেমরা রাস্তাঘাট ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। চালের গুদাম ধ্বংস করে দিয়েছে। আমার সরকারি কর্মচারীদের, আমার পুলিশ ভাইদের, বিডিআর, সামরিক বাহিনীর ছেলেদের গুলি করে হত্যা করেছে। হত্যা করেছে আমার ছাত্র, আমার যুবক, আমার কৃষক, আমার বুদ্ধিজীবী, আমার সাংবাদিকদের। আমি জানতাম না যে, আপনাদের কাছে আমি ফিরে আসব। আমাকে ২৫ তারিখে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় পশ্চিম পাকিস্তানে। আমি মরে গেলেও আমার দুঃখ হতো না, কেননা আমার বাংলাদেশের মানুষ সংগ্রাম করে স্বাধীন হয়েছে। বিশ্বাস করুন, আমি জানতাম না যে, ...... জীবনে কোন দিন আর এই সোনার দেশে সোনার বাংলায় আমি ফিরে আসতে পারব। আপনারা দোয়া করেছেন,. রক্ত দিয়েছন সশস্ত্রবাহিনীর সঙ্গে সংগ্রাম করেছেন,.আমি পশ্চিম পাকিস্তানের জেল থেকে মুক্ত হয়ে মাত্র ৪ মাস পূর্বে বাংলার মাটিতে এসেছি। এসে কি দেখলাম!!!! চারিদিকে হাহাকার, গৃহহারা, সর্বহারার আর্তনাদ,.লাখ লাখ লোক বেকার., আমার মা-বোন কাঁদছে। হত্যা করা হয়েছে কারো স্বামীকে, কারো ছেলেকে, জ্বালিয়ে দিয়েছে তার ঘর, ধ্বংস করে দিয়েছে বাজার, গ্রামকে গ্রাম। রেল লাইন উড়িয়ে দিয়েছে স্টিমার ভেঙে দিয়েছে, অর্থ লুট করে নিয়ে গেছে। লুট করেছে বৈদেশিক মুদ্রা। কিছু রেখে যায়নি, ভস্মীভূত একটা দেশ ছাড়া। আপনারা আমাকে ভালোবাসেন- আমি আপনাদের ভালোবাসি। আমি যাবার বেলায় বলেছিলাম, আমি যদি মরে যাই, আমি যে ডাক দিয়ে যাব- আমার বাংলার মানুষ অক্ষরে অক্ষরে তা পালন করবে। আপনারা তা করেছেন। আপনারা বিনা অস্ত্রে জালেমদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন,কিন্তু তারা ধ্বংস করে দিয়েছে আমার সব কিছু। ইনশাল্লাহ সোনার বাংলা একদিন হাসবে.,মানুষ একদিন পেট ভরে ভাত খাবে, বাংলার মানুষ আবার সুখী হবে। শোষণ বাংলাদেশে থাকবে না।' এই ভাষনটির মধ্য আমার ছাড়া একটা লাইন কি আছে।বাঙ্গালি জাতির প্রতি কতবেশি ভাল বাসার মমত্ববোধ থাকলে এমন একটি ভাষন দিতে পারে?সেই ভালবাসার প্রতিদানে জাতি কি দিয়েছে এই মহাপুরুষটিকে?তাঁর কন্যা কি এক চুল পরিমান আদর্শচ্যুত এই পয্যন্ত হয়েছেন?অক্ষরে অক্ষরে প্রতিটি বাক্য প্রতিপালনের প্রচেষ্টা কি অব্যাহত রাখেননি?তার পরও কেন এই মহুর্তে বিতর্কের ঝড় তোলার চেষ্টা? জাতির জনকের প্রতি কথা শতভাগ সত্যে পরিনত হবে কেউ কি চিন্তায় রেখেছিল?প্রত্যেক নাগরীক আজ ভাত খাচ্ছে,দেশ এগিয়ে যাচ্ছে,,জাতি নিচ্ছে মুক্ত বাতাসে বুক ভরা নিশ্বাস।ধীরে হলেও জাতির জনকের কন্যা সতর্কতার সংগে এগিয়ে যাচ্ছেন মুল লক্ষের অভিমুখে।প্রত্যহ হচ্ছে ষড়যন্ত্র,দেশে বিদেশে এমনতর কোন সময় নেই কোন না কোন ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে এগিয়ে যেতে হচ্ছে না।তারপরেও যদি অন্দর মহল থেকে ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যায় তখন বলতেই হয় এই হতভাগ্য জাতির কপালে আর অনেক দু:খ্য হয়ত লিখা আছে।যদি তাই না হয় কেন সৃষ্টি হবে চাটার দল,কেন সৃষ্টি হবে মাস্তান,কেন সৃষ্টি হবে ষড়যন্ত্র কারী দলের অভ্যন্তরে। জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg