সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
-'৫৭ ধারা বাতিল নয় আরও বিস্তৃত করে সংজ্ঞায়িত করা হোক
===========================
ব্যক্তিগত ভাবে আমি "৫৭ ধারা বাতিলের পক্ষে নই।কারন আমাকে আগে বুঝতে হবে আইনটি ভাল না খারাপ।আইনটি কি আমার মৌলিক অধিকার বাক স্বাধীনতার পরিপন্থি হয়েছে ,না রক্ষিত হচ্ছে।আইন টি কি অপব্যবহার হল ,না সঠিক ভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।আইন পরিবর্তন প্রয়োজন ,না ব্যাক্তি মানষিকতা পরিবর্তন করা প্রয়োজন। তাহলে দেখি আইনে কি আছে---
(১) কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটিবার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উসকানি প্রদান করা হয়, তাহা হইলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক চৌদ্দ বৎসর এবং অন্যূন সাত বৎসর কারাদণ্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।’
এখানে আইনে কাল দিক কোন বিষয়টি আগে আমাদের দেখা দরকার।একটা বিষয় স্বিকায্য যে আমাদের দেশে প্রতিনিয়ত বরেন্য ব্যাক্তিদের এমন কিছু ছবি আপলোড করা হয়, যাহা সুস্থ্য কোন মানষিকতার লোক নিন্দা না করে পারেন না।রাজনৈতিক নেতা নেত্রীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি খুব বেশী চোখে পড়ে।এমন সব পেইজ থেকে ছবি গুলি আপলোড করা হয়, তার কোন নির্দিষ্ট ঠিকানা নেই।আইন তাঁকে খুঁজে বের করতে পারবেনা।এখন বিষয়টি কি দাঁড়াল,নাম, ঠিকানা ছাড়া আই, ডি খোলার উপর নিষেদাজ্ঞা প্রয়োজন, না যার পেইজে এসে ছবিটা আরো অনেকে শেয়ার করার কারনে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন প্রয়োজন?মুলত এখানেও আমাদের মানষিকতার, রুচিবোধের পরিবর্তন প্রয়োজন।
আমাদের মনে রাখার প্রয়োজন গনতন্ত্র,বাক ও ব্যাক্তি স্বাধীনতা,সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা ইত্যকার সব কিছুরই স্বাধীনতা উপভোগের সীমাবদ্ধতা আরও কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রনের জন্য আইন করে দেয়া প্রয়োজন।আইন অবশ্যই আছে,মানার মানষিকতা নেই বা প্রয়োগের অভাব, এবং থাকাটাই স্বাভাবিক কারন আমরা এখনও সুশিক্ষিত জাতি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে পারিনি।নির্ভেজাল গনতন্ত্র, বাকও ব্যাক্তি,সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা উপভোগের জন্য ,নির্ভেজাল আইনী বেষ্টনীতে তাঁদের পরিবেষ্টন করে রাখতে হবে।আইন যত কঠোর হবে ,স্বাধীনতা উপভোগ তত সহজ হবে।সংবাদ পত্রের স্বাধীনতার অর্থ এই নয়,যা ইচ্ছা তাই প্রকাশ করে যাব।মিথ্যাকে সত্যে, সত্যকে মিথ্যায় রুপান্তর সংবাদ পত্রের কাজ নয়।সংবাদ পত্রের দায়িত্ব বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার করা।ব্যত্যায় হলে আইনী ব্যবস্থা নিতেই হবে।আইনী ব্যবস্থা নিতে গেলে চারিদিকে রব যদি উঠে,সংবাদ পত্রের কন্ঠরোধ করা হচ্ছে ,তা হলে ব্যপার টি কেমন হবে?সংবাদ পত্রে হামেশা মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে, তাঁর জন্য ব্যবস্থা নিলে, সংবাদ পত্রের কন্টরোধ হয় কিভাবে?
মুলত আমাদের রাজনীতিতে বলেন বা সরকারের দায়িত্বশীল কর্মচারীদের বেলায় একই কথা প্রযোজ্য,সৎ,দক্ষ,সৌজন্যতা সম্পন্ন,রুচিশীল,জ্ঞানী,চিন্তাশীল ব্যাক্তির একান্ত অভাব।উল্লেখীত ব্যাক্তিচরিত্র সম্পন্ন মানুষ আমাদের সমাজেরই সৃষ্ট।সমাজের পরিবর্তন না করে আইনের পরিবর্তন করে, কি কোন লাভ হবে?সাংবাদিক প্রবীর শিকদারের আটক ও ৫৭ ধারা প্রয়োগ এর পর থেকে উল্লেখীত আইনটি বাতিলের জন্য সর্বমহল থেকে দাবি উঠেছে।এখানে আইনের অসংতি দূর করা যেতে পারে ,বা সংজ্ঞায়ীত করার দাবি আসতে পারে, বাতিলের দাবী আসবে কেন?
এখানে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, ১ উপধারায় বর্ণিত অপরাধগুলো সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত নয়। বরং পুরো উপধারাটি এমন বিস্তৃতভাবে ব্যক্ত যে একেকটি অপরাধের সংজ্ঞা বহুভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ আছে। সে কারণেই আইন বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন, ৫৭ ধারার ব্যাপক অপব্যাবহারের সুযোগ আছে।
অপব্যবহার যে হচ্ছে, তাও ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে মাত্র সাংবাদিক প্রবীর শিকদারের বেলায়।একজনের বেলায় অপব্যবহারে গোটা আইনটি বাতিল করা লাগবে কেন?
সর্বশেষ আমরা দেখলাম, সাংবাদিক প্রবীর সিকদার ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিলেন, যেখানে একজন মন্ত্রীসহ তিন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘আমার জীবনের শঙ্কা তথা মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী থাকবেন’। এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রবীর সিকদারের নিজের জীবনের নিরাপত্তাহীনতার বোধ স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়েছে। সেই বোধের সঙ্গে এমন গভীর হতাশাও মিশে আছে যে তিনি মরিয়া হয়ে, আর কোনো উপায় না পেয়ে সরকারসহ দেশবাসীকে তাঁর শঙ্কা ও উদ্বেগের কথা জানাতে ফেসবুকের আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু তাঁর স্ট্যাটাসে উল্লেখিত তিন ব্যক্তির মধ্যে একজন, যিনি সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী, তাঁর পক্ষে সংক্ষুব্ধ হয়ে ফরিদপুর জেলা আদালতের এক সহকারী সরকারি কৌঁসুলি ৫৭ ধারার অধীনে প্রবীর সিকদারের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিলেন।
মন্ত্রীর পক্ষে কেউ হয়তো বিষয়টি এভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেন যে প্রবীর সিকদার নিজের সম্ভাব্য মৃত্যুর জন্য মন্ত্রীকে দায়ী করে তাঁর নাম প্রচার করায় মন্ত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বা তাঁর মানহানি ঘটেছে। কিন্তু সমুদয় পারিপার্শ্বিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণের ধারণা হয়েছে যে ৫৭ ধারায় প্রবীর সিকদারের মামলাটি দায়ের করা হয়েছে তাঁকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে।
এখানে স্পষ্টযে আদালত ও তাদের আওতার বাহিরে পদক্ষেপ নিয়েছেন।যেমন প্রবীর শিকদার সরাসরী তিন জনের নাম উল্লেখই করেছেন,তাঁর জীবনের শংকাও প্রকাশ করেছেন।শংকা প্রকাশ করার কারন আর ও একটি হতে পারে,২০০১ইং সালে তাঁর উপর পৈশাচিক নির্যাতন করে ,তাঁর একটি পা নষ্ট করে দিয়েছিলেন সন্ত্রাসীরা।এখন ও আইন তাঁদের শনাক্ত করতে পারেন নাই।না পারার কারনে এহেন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হলে কে দায়ী হতে পারেন ,তাই তিনি লিখেছেন।আইনের জন্য অনেক কাজ তিনি এগিয়ে রেখেছেন।আদালত তাঁকে রিমান্ড দিবে কেন?তিনি স্পষ্ট সব লিখেই দিলেন,আর কি জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য দশ দিন রিমান্ড দিলেন।থানাও চাইবে কেন?অপপ্রয়োগ কারিদের শাস্তি না চেয়ে আইন বাতিল চাওয়ার কি কারন? এতবড় একটা জগৎ আইনের পরিবেষ্টন ছাড়াই চলবে? এখানে ৫৭ধারার অপব্যবহার হল, না সঠিক প্রয়োগ হল তাঁর চুলচেরা বিচার বিশ্লেষন হতে পারে।ফলাফল যা আসবে, সরকার সেইমতে ব্যবস্থা নিতে পারেন।
এই আইনের অপব্যবহার যাতে কোন প্রভাব শালী মহল বা থানা বা আদালত করতে না পারে,, তাঁর গ্যারান্টি ক্লজ থাকতে পারে, বাতিল হবে কেন?বরঞ্চ প্রয়োগের ক্ষেত্র আর ও বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন আমি মনে করি।কেন করি তার ব্যাখ্যাও দিচ্ছি---
নিম্নের আলোচনাটি আমাদের সমাজ কল্যান মন্ত্রী মহোদয়ের।
"সমালোচনা আমি আশা করি। আরও সমালোচনা হোক।....... কিন্তু সেটার লিমিট থাকবে। আমার বিরুদ্ধে সিগারেট খাওয়ার ছবি দিয়েছেন পত্রিকায়। আপনারা পড়েছেন তো? লজ্জা নাই আমার। বাট আমিতো.... কলকাতার মঞ্চে বসেও সিগারেট খেয়েছি। কোনো সাংবাদিক ছবি তোলে নাই। মঞ্চে বসে। আমাকে জওহর লাল নেহেরু সম্মাননা দিল, অ্যান্ড অতীশ দীপংকর। দুটোতো অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। আমি মঞ্চে সিগারেট খেয়েছি। আই এম এ কমপ্লিট চেইন স্মোকার। কিন্তু ওখানকার সাংবাদিকেরা এই ছবি তোলে নাই। আর আমাদের, ঘরে বসে সিগারেট খেলেও আপনার ছবি তোলেন। এ এটা হলো কী, আমার অধিকারটুকু আমাকে করতে দিতে হবে। আই এম নট বাউন্ড টু ইউ, অ্যান্ড ইউ আর নট বাউন্ড টু মি।......সাংবাদিক ভায়েরাও নিজেদের স্ট্যাটাস বাড়ান। আপনাদের প্রেসক্লাবগুলো ভালো করেন। এ ব্যাপারে আমরা সাহায্য সহযোগিতা করব।’'
এতে তেমন কি বলেছেন তিনি।পত্রিকায় বড় বড় হেডিং দিয়ে প্রকাশ করা হল, সমাজ কল্যান মন্ত্রী আবারও সাংবাদিকদের হুমকি দিলেন।সাংবাদিক হলেই তাঁর বা তাঁদের সম্পর্কে আলোচনা করা যাবে না!!!তাঁদের হাতে কলম কাগজ আছে যা মন চায় তাই লিখে দিতে পারবেন?আপনার স্বাধীনতা প্রয়োগ করতে গিয়ে সমাজ কল্যান মন্ত্রীর ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করতে পারবেন?তেমন কি কথা সেদিন তিনি বলেছেন?উপদেশ, উদাহরন দেয়া কি হুমকি?
সমাজ কল্যান মন্ত্রী যদি ঐ পত্রিকার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতেন, সেটাই যুক্তি যুক্ত হত।কিন্তু তিনি তাহা নেন নাই।সহনশীলতার উদাহরন সৃষ্টি করেছেন।তৎদ্রুপ আমাদের প্রবীর শীকদার দাদা যদি ভুল করে থাকে ,যিনি রেগেছেন উনার সনশীলতা দেখানো উচিৎ ছিল।আমি প্রথম দিন বলেছিলাম এর দায় আগামী কাল যা হবে, তা সহ্য করার ক্ষমতা ঐ ক্ষমতাধর মহামান্য ব্যাক্তি মহোদয়ের নেই।হয়েছেও তাই।অক্ষরে অক্ষরে ঘটে গেল,আমি ভীষন খুশী।
আই,সি,টি,আইনে সীমাবদ্ধতা দূর করা প্রয়োজন।আইনটির ফাঁক ফোঁকরে কারোরই সাজা সঠিক ভাবে হচ্ছে না।ডিজিটাল যুগের অপরাধ এনালগ যুগের আইন দিয়ে চালানো যাবে না।দেশ যতদুর অগ্রসর হচ্ছে অপরাধ প্রবনতার ধরন তাঁর চাইতে দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে।ইতিমধ্যে বাহাত্তরে সংবিধানে দেশ প্রবেশ করেছে।বাহাত্তরের সংবিধানে অনেক বিষয় বর্তমানে অচল।ঐ সমস্ত অচল দিক গুলী সচল করার জন্য কমিশন গঠন হয়েছে।আর যাতে কোন অপশক্তি সংবিধান কাঁটাচেড়া করতে না পারে তাঁর ও গ্যারান্টিক্লজ সংযুক্ত করা হোক।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বলেছেন,গনতন্ত্রের বা স্বাধীনতার স্বাধ পুরাপুরী উপভোগ করতে হলে, আইনের মাধ্যমে তাঁদের বেষ্টনী করে দিতে হবে।যুগ উপযোগী আইন না হলে এবং আইনের সঠিক ব্যবহার না হলে স্বাধীনতার স্বাধ অপূর্ণই থেকে যাবে।দেশের সার্বিক উন্নতির ধারার সাথে সংগতি রেখে আইনের পরিবর্তন পরিবর্ধন,সংযোজন বিয়োজন,প্রয়োগের সীমা,অপপ্রয়োগের শাস্তি নির্ধারন করা প্রয়োজন।গনন্ত্রের, স্বাধীনতার,অর্থনোতিক মুক্তির স্বাধ বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়ে জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।
মাথা ব্যাথার জন্য মাথা কেটে ফেলা সমাধান নয়,বরঞ্চ সঠিক কারন নির্নয় পুর্বক যথাযথ চিকিৎসাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।সামাজিক মাধ্যম ফেইজ বুকের প্রতি তরুন সমাজ যে হারে আকৃষ্ট হচ্ছে,আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই মাধ্যমটি হবে রাজনীতির মুল প্লাটফরম।সুতারাং কি ভাবে এই মাধ্যমকে সঠিক ভাবে ব্যাবহার করা যেতে পারে, তাই নিয়ে আলোছনা প্রয়োজন আছে।আমি লক্ষ করে দেখেছি, এই মাধ্যমটি কে স্বাধীনতা বিরুদীরা যে হারে অপব্যাবহার শুরু করেছে,যে হারে আজগুবী খবর ও তথ্য প্রতিনিয়ত সরবরাহ করা হচ্ছে,এতে একশ্রেনীর রুচিশীল তরুন নীজকে সরিয়ে নিয়ে আপাত সম্মান রক্ষা করা শ্রেয় মনে করবে।অসংখ্য পেইজ দেশের বাহির থেকে তাঁরা চালু করেছে,সেখানে শুধুই আজগুবী সব খবর আর রগরগে সব পর্ণ ছবি ছাড়া আর কিছুই নেই।সুতারাং এই সমস্ত পেইজ কিভাবে বন্ধ করা যায় সেই চেষ্টাই করা উচিৎ।
প্রগতিশীল চিন্তাধারার অধিকারীরা তাঁদের প্রচারনা থেকে অনেক পিছনে পড়ে আছে।তাছাড়া ও জ্ঞানী ছেলে মেয়েরা সময় নষ্ট মনে করে অনেকে দূরে সরে রয়েছে।তুলনা মুলক জ্ঞান আহরনের মুর্খ স্থান পেইজ বুক হতে পারে, এই ধারনা টুকু আমরা তাদের দিতে অপরাগ।
জামাত শিবিরের এমন কোন পরিবার নেই যেই পরিবারে সদস্য সংখ্যার চাইতে নামে বেনামে দ্বিগুন আই,ডি নেই।সর্বক্ষন মেয়েরা প্রগতিশীল ছেলেদের ,যারা কিছু কিছু লিখা লিখি করে, তাঁদের সাথে মিথ্যে প্রেমের অভিনয় করে অযথা চ্যাটিং এ ব্যাস্ত রাখে,এক সময় মগজ ধোলাই করে প্রগতির ধারা থেকে বিচ্যুত করার প্রয়াস চালায়।অনেক ক্ষেত্রে সফল আবার অনেক ক্ষেত্রে বিফল হয়।তাতে তাদের চেষ্টায় কোন ঘাটতি দেখা যায়না।
সুতারাং পরিশেষে বলতে চাই, এক বা একাদিক উদাহরনকে সামনে রেখে কুচক্রি মহলের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে যখন তখন যে কোন দাবী উত্থাপন থেকে বিরত থাকুন,অপপ্রয়োগ কারীদের প্রতি নিন্দা জানান,আইনী ব্যাবস্থা গ্রহনের দাবী জানান,বাতিলের দাবী করা সমচিন নহে।
"" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু
জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা""
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন