-'৫৭ ধারা বাতিল নয় আরও বিস্তৃত করে সংজ্ঞায়িত করা হোক =========================== ব্যক্তিগত ভাবে আমি "৫৭ ধারা বাতিলের পক্ষে নই।কারন আমাকে আগে বুঝতে হবে আইনটি ভাল না খারাপ।আইনটি কি আমার মৌলিক অধিকার বাক স্বাধীনতার পরিপন্থি হয়েছে ,না রক্ষিত হচ্ছে।আইন টি কি অপব্যবহার হল ,না সঠিক ভাবে প্র‍য়োগ করা হচ্ছে।আইন পরিবর্তন প্রয়োজন ,না ব্যাক্তি মানষিকতা পরিবর্তন করা প্রয়োজন। তাহলে দেখি আইনে কি আছে--- (১) কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটিবার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উসকানি প্রদান করা হয়, তাহা হইলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ। (২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক চৌদ্দ বৎসর এবং অন্যূন সাত বৎসর কারাদণ্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।’ এখানে আইনে কাল দিক কোন বিষয়টি আগে আমাদের দেখা দরকার।একটা বিষয় স্বিকায্য যে আমাদের দেশে প্রতিনিয়ত বরেন্য ব্যাক্তিদের এমন কিছু ছবি আপলোড করা হয়, যাহা সুস্থ্য কোন মানষিকতার লোক নিন্দা না করে পারেন না।রাজনৈতিক নেতা নেত্রীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি খুব বেশী চোখে পড়ে।এমন সব পেইজ থেকে ছবি গুলি আপলোড করা হয়, তার কোন নির্দিষ্ট ঠিকানা নেই।আইন তাঁকে খুঁজে বের করতে পারবেনা।এখন বিষয়টি কি দাঁড়াল,নাম, ঠিকানা ছাড়া আই, ডি খোলার উপর নিষেদাজ্ঞা প্রয়োজন, না যার পেইজে এসে ছবিটা আরো অনেকে শেয়ার করার কারনে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন প্রয়োজন?মুলত এখানেও আমাদের মানষিকতার, রুচিবোধের পরিবর্তন প্রয়োজন। আমাদের মনে রাখার প্রয়োজন গনতন্ত্র,বাক ও ব্যাক্তি স্বাধীনতা,সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা ইত্যকার সব কিছুরই স্বাধীনতা উপভোগের সীমাবদ্ধতা আরও কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রনের জন্য আইন করে দেয়া প্রয়োজন।আইন অবশ্যই আছে,মানার মানষিকতা নেই বা প্রয়োগের অভাব, এবং থাকাটাই স্বাভাবিক কারন আমরা এখনও সুশিক্ষিত জাতি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে পারিনি।নির্ভেজাল গনতন্ত্র, বাকও ব্যাক্তি,সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা উপভোগের জন্য ,নির্ভেজাল আইনী বেষ্টনীতে তাঁদের পরিবেষ্টন করে রাখতে হবে।আইন যত কঠোর হবে ,স্বাধীনতা উপভোগ তত সহজ হবে।সংবাদ পত্রের স্বাধীনতার অর্থ এই নয়,যা ইচ্ছা তাই প্রকাশ করে যাব।মিথ্যাকে সত্যে, সত্যকে মিথ্যায় রুপান্তর সংবাদ পত্রের কাজ নয়।সংবাদ পত্রের দায়িত্ব বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার করা।ব্যত্যায় হলে আইনী ব্যবস্থা নিতেই হবে।আইনী ব্যবস্থা নিতে গেলে চারিদিকে রব যদি উঠে,সংবাদ পত্রের কন্ঠরোধ করা হচ্ছে ,তা হলে ব্যপার টি কেমন হবে?সংবাদ পত্রে হামেশা মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে, তাঁর জন্য ব্যবস্থা নিলে, সংবাদ পত্রের কন্টরোধ হয় কিভাবে? মুলত আমাদের রাজনীতিতে বলেন বা সরকারের দায়িত্বশীল কর্মচারীদের বেলায় একই কথা প্রযোজ্য,সৎ,দক্ষ,সৌজন্যতা সম্পন্ন,রুচিশীল,জ্ঞানী,চিন্তাশীল ব্যাক্তির একান্ত অভাব।উল্লেখীত ব্যাক্তিচরিত্র সম্পন্ন মানুষ আমাদের সমাজেরই সৃষ্ট।সমাজের পরিবর্তন না করে আইনের পরিবর্তন করে, কি কোন লাভ হবে?সাংবাদিক প্রবীর শিকদারের আটক ও ৫৭ ধারা প্রয়োগ এর পর থেকে উল্লেখীত আইনটি বাতিলের জন্য সর্বমহল থেকে দাবি উঠেছে।এখানে আইনের অসংতি দূর করা যেতে পারে ,বা সংজ্ঞায়ীত করার দাবি আসতে পারে, বাতিলের দাবী আসবে কেন? এখানে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, ১ উপধারায় বর্ণিত অপরাধগুলো সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত নয়। বরং পুরো উপধারাটি এমন বিস্তৃতভাবে ব্যক্ত যে একেকটি অপরাধের সংজ্ঞা বহুভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ আছে। সে কারণেই আইন বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন, ৫৭ ধারার ব্যাপক অপব্যাবহারের সুযোগ আছে। অপব্যবহার যে হচ্ছে, তাও ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে মাত্র সাংবাদিক প্রবীর শিকদারের বেলায়।একজনের বেলায় অপব্যবহারে গোটা আইনটি বাতিল করা লাগবে কেন? সর্বশেষ আমরা দেখলাম, সাংবাদিক প্রবীর সিকদার ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিলেন, যেখানে একজন মন্ত্রীসহ তিন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘আমার জীবনের শঙ্কা তথা মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী থাকবেন’। এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রবীর সিকদারের নিজের জীবনের নিরাপত্তাহীনতার বোধ স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়েছে। সেই বোধের সঙ্গে এমন গভীর হতাশাও মিশে আছে যে তিনি মরিয়া হয়ে, আর কোনো উপায় না পেয়ে সরকারসহ দেশবাসীকে তাঁর শঙ্কা ও উদ্বেগের কথা জানাতে ফেসবুকের আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু তাঁর স্ট্যাটাসে উল্লেখিত তিন ব্যক্তির মধ্যে একজন, যিনি সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী, তাঁর পক্ষে সংক্ষুব্ধ হয়ে ফরিদপুর জেলা আদালতের এক সহকারী সরকারি কৌঁসুলি ৫৭ ধারার অধীনে প্রবীর সিকদারের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিলেন। মন্ত্রীর পক্ষে কেউ হয়তো বিষয়টি এভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেন যে প্রবীর সিকদার নিজের সম্ভাব্য মৃত্যুর জন্য মন্ত্রীকে দায়ী করে তাঁর নাম প্রচার করায় মন্ত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বা তাঁর মানহানি ঘটেছে। কিন্তু সমুদয় পারিপার্শ্বিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণের ধারণা হয়েছে যে ৫৭ ধারায় প্রবীর সিকদারের মামলাটি দায়ের করা হয়েছে তাঁকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে। এখানে স্পষ্টযে আদালত ও তাদের আওতার বাহিরে পদক্ষেপ নিয়েছেন।যেমন প্রবীর শিকদার সরাসরী তিন জনের নাম উল্লেখই করেছেন,তাঁর জীবনের শংকাও প্রকাশ করেছেন।শংকা প্রকাশ করার কারন আর ও একটি হতে পারে,২০০১ইং সালে তাঁর উপর পৈশাচিক নির্যাতন করে ,তাঁর একটি পা নষ্ট করে দিয়েছিলেন সন্ত্রাসীরা।এখন ও আইন তাঁদের শনাক্ত করতে পারেন নাই।না পারার কারনে এহেন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হলে কে দায়ী হতে পারেন ,তাই তিনি লিখেছেন।আইনের জন্য অনেক কাজ তিনি এগিয়ে রেখেছেন।আদালত তাঁকে রিমান্ড দিবে কেন?তিনি স্পষ্ট সব লিখেই দিলেন,আর কি জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য দশ দিন রিমান্ড দিলেন।থানাও চাইবে কেন?অপপ্রয়োগ কারিদের শাস্তি না চেয়ে আইন বাতিল চাওয়ার কি কারন? এতবড় একটা জগৎ আইনের পরিবেষ্টন ছাড়াই চলবে? এখানে ৫৭ধারার অপব্যবহার হল, না সঠিক প্রয়োগ হল তাঁর চুলচেরা বিচার বিশ্লেষন হতে পারে।ফলাফল যা আসবে, সরকার সেইমতে ব্যবস্থা নিতে পারেন। এই আইনের অপব্যবহার যাতে কোন প্রভাব শালী মহল বা থানা বা আদালত করতে না পারে,, তাঁর গ্যারান্টি ক্লজ থাকতে পারে, বাতিল হবে কেন?বরঞ্চ প্রয়োগের ক্ষেত্র আর ও বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন আমি মনে করি।কেন করি তার ব্যাখ্যাও দিচ্ছি--- নিম্নের আলোচনাটি আমাদের সমাজ কল্যান মন্ত্রী মহোদয়ের। "সমালোচনা আমি আশা করি। আরও সমালোচনা হোক।....... কিন্তু সেটার লিমিট থাকবে। আমার বিরুদ্ধে সিগারেট খাওয়ার ছবি দিয়েছেন পত্রিকায়। আপনারা পড়েছেন তো? লজ্জা নাই আমার। বাট আমিতো.... কলকাতার মঞ্চে বসেও সিগারেট খেয়েছি। কোনো সাংবাদিক ছবি তোলে নাই। মঞ্চে বসে। আমাকে জওহর লাল নেহেরু সম্মাননা দিল, অ্যান্ড অতীশ দীপংকর। দুটোতো অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। আমি মঞ্চে সিগারেট খেয়েছি। আই এম এ কমপ্লিট চেইন স্মোকার। কিন্তু ওখানকার সাংবাদিকেরা এই ছবি তোলে নাই। আর আমাদের, ঘরে বসে সিগারেট খেলেও আপনার ছবি তোলেন। এ এটা হলো কী, আমার অধিকারটুকু আমাকে করতে দিতে হবে। আই এম নট বাউন্ড টু ইউ, অ্যান্ড ইউ আর নট বাউন্ড টু মি।......সাংবাদিক ভায়েরাও নিজেদের স্ট্যাটাস বাড়ান। আপনাদের প্রেসক্লাবগুলো ভালো করেন। এ ব্যাপারে আমরা সাহায্য সহযোগিতা করব।’' এতে তেমন কি বলেছেন তিনি।পত্রিকায় বড় বড় হেডিং দিয়ে প্রকাশ করা হল, সমাজ কল্যান মন্ত্রী আবারও সাংবাদিকদের হুমকি দিলেন।সাংবাদিক হলেই তাঁর বা তাঁদের সম্পর্কে আলোচনা করা যাবে না!!!তাঁদের হাতে কলম কাগজ আছে যা মন চায় তাই লিখে দিতে পারবেন?আপনার স্বাধীনতা প্রয়োগ করতে গিয়ে সমাজ কল্যান মন্ত্রীর ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করতে পারবেন?তেমন কি কথা সেদিন তিনি বলেছেন?উপদেশ, উদাহরন দেয়া কি হুমকি? সমাজ কল্যান মন্ত্রী যদি ঐ পত্রিকার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতেন, সেটাই যুক্তি যুক্ত হত।কিন্তু তিনি তাহা নেন নাই।সহনশীলতার উদাহরন সৃষ্টি করেছেন।তৎদ্রুপ আমাদের প্রবীর শীকদার দাদা যদি ভুল করে থাকে ,যিনি রেগেছেন উনার সনশীলতা দেখানো উচিৎ ছিল।আমি প্রথম দিন বলেছিলাম এর দায় আগামী কাল যা হবে, তা সহ্য করার ক্ষমতা ঐ ক্ষমতাধর মহামান্য ব্যাক্তি মহোদয়ের নেই।হয়েছেও তাই।অক্ষরে অক্ষরে ঘটে গেল,আমি ভীষন খুশী। আই,সি,টি,আইনে সীমাবদ্ধতা দূর করা প্রয়োজন।আইনটির ফাঁক ফোঁকরে কারোরই সাজা সঠিক ভাবে হচ্ছে না।ডিজিটাল যুগের অপরাধ এনালগ যুগের আইন দিয়ে চালানো যাবে না।দেশ যতদুর অগ্রসর হচ্ছে অপরাধ প্রবনতার ধরন তাঁর চাইতে দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে।ইতিমধ্যে বাহাত্তরে সংবিধানে দেশ প্রবেশ করেছে।বাহাত্তরের সংবিধানে অনেক বিষয় বর্তমানে অচল।ঐ সমস্ত অচল দিক গুলী সচল করার জন্য কমিশন গঠন হয়েছে।আর যাতে কোন অপশক্তি সংবিধান কাঁটাচেড়া করতে না পারে তাঁর ও গ্যারান্টিক্লজ সংযুক্ত করা হোক। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বলেছেন,গনতন্ত্রের বা স্বাধীনতার স্বাধ পুরাপুরী উপভোগ করতে হলে, আইনের মাধ্যমে তাঁদের বেষ্টনী করে দিতে হবে।যুগ উপযোগী আইন না হলে এবং আইনের সঠিক ব্যবহার না হলে স্বাধীনতার স্বাধ অপূর্ণই থেকে যাবে।দেশের সার্বিক উন্নতির ধারার সাথে সংগতি রেখে আইনের পরিবর্তন পরিবর্ধন,সংযোজন বিয়োজন,প্রয়োগের সীমা,অপপ্রয়োগের শাস্তি নির্ধারন করা প্রয়োজন।গনন্ত্রের, স্বাধীনতার,অর্থনোতিক মুক্তির স্বাধ বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়ে জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। মাথা ব্যাথার জন্য মাথা কেটে ফেলা সমাধান নয়,বরঞ্চ সঠিক কারন নির্নয় পুর্বক যথাযথ চিকিৎসাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।সামাজিক মাধ্যম ফেইজ বুকের প্রতি তরুন সমাজ যে হারে আকৃষ্ট হচ্ছে,আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই মাধ্যমটি হবে রাজনীতির মুল প্লাটফরম।সুতারাং কি ভাবে এই মাধ্যমকে সঠিক ভাবে ব্যাবহার করা যেতে পারে, তাই নিয়ে আলোছনা প্রয়োজন আছে।আমি লক্ষ করে দেখেছি, এই মাধ্যমটি কে স্বাধীনতা বিরুদীরা যে হারে অপব্যাবহার শুরু করেছে,যে হারে আজগুবী খবর ও তথ্য প্রতিনিয়ত সরবরাহ করা হচ্ছে,এতে একশ্রেনীর রুচিশীল তরুন নীজকে সরিয়ে নিয়ে আপাত সম্মান রক্ষা করা শ্রেয় মনে করবে।অসংখ্য পেইজ দেশের বাহির থেকে তাঁরা চালু করেছে,সেখানে শুধুই আজগুবী সব খবর আর রগরগে সব পর্ণ ছবি ছাড়া আর কিছুই নেই।সুতারাং এই সমস্ত পেইজ কিভাবে বন্ধ করা যায় সেই চেষ্টাই করা উচিৎ। প্রগতিশীল চিন্তাধারার অধিকারীরা তাঁদের প্রচারনা থেকে অনেক পিছনে পড়ে আছে।তাছাড়া ও জ্ঞানী ছেলে মেয়েরা সময় নষ্ট মনে করে অনেকে দূরে সরে রয়েছে।তুলনা মুলক জ্ঞান আহরনের মুর্খ স্থান পেইজ বুক হতে পারে, এই ধারনা টুকু আমরা তাদের দিতে অপরাগ। জামাত শিবিরের এমন কোন পরিবার নেই যেই পরিবারে সদস্য সংখ্যার চাইতে নামে বেনামে দ্বিগুন আই,ডি নেই।সর্বক্ষন মেয়েরা প্রগতিশীল ছেলেদের ,যারা কিছু কিছু লিখা লিখি করে, তাঁদের সাথে মিথ্যে প্রেমের অভিনয় করে অযথা চ্যাটিং এ ব্যাস্ত রাখে,এক সময় মগজ ধোলাই করে প্রগতির ধারা থেকে বিচ্যুত করার প্রয়াস চালায়।অনেক ক্ষেত্রে সফল আবার অনেক ক্ষেত্রে বিফল হয়।তাতে তাদের চেষ্টায় কোন ঘাটতি দেখা যায়না। সুতারাং পরিশেষে বলতে চাই, এক বা একাদিক উদাহরনকে সামনে রেখে কুচক্রি মহলের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে যখন তখন যে কোন দাবী উত্থাপন থেকে বিরত থাকুন,অপপ্রয়োগ কারীদের প্রতি নিন্দা জানান,আইনী ব্যাবস্থা গ্রহনের দাবী জানান,বাতিলের দাবী করা সমচিন নহে। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা""

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg