ষড়যন্ত্র কারীরা থেমে নেই,একই সুতায় গাঁথা। ==================>===========   ১৯৭২/৭৫--২০১৩/১৫ বৈশিষ্ট এক ও অভিন্ন। ____ গণফোরাম সভাপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন বলেছেন, দেশে এখন একদলীয় শাসন চলছে। দেশের মানুষ অতীতে কখনো একদলীয় শাসন মেনে নেয়নি, ভবিষ্যতেও মেনে নেবে না। তিনি বলেন, গায়ের জোরে দেশ থেকে গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন জোরদার করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।     বঙবধুর আদর্শ অনুস্মরন করলে দেশ আরো আগেই, মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত হত।শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ড, কামাল হোসেন।    তত্বাবধায়ক  সরকার ছাড়া কোন নির্বাচন করতে দেয়া হবে না।বেগম খালেদা জিয়া,।   অবিলম্বে যে কোন নামে নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে মধ্যবর্তি নির্বাচনের  ব্যবস্থা করার জন্য আমি আহব্বান জানাচ্ছি।খালেদা জিয়া।   এই সরকার কোন উন্নয়ন করতে পারেনি,আইন শৃংখলার চরম অবনতি দেশের মানুষ উদ্বিগ্ন।উন্নয়ন জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় যখন ছিল,তখন হয়েছে। হোসেইন মোহাম্মদ  এরশাদ।   আমি যাহা পারিনি,হাসিনা তা পেরেছে।তিস্তার বুকে আর গরুর গাড়ী চলবে না। কোরান ও সুন্নার বিরুদ্ধে আইন করে এই সরকার মসুলমানের কলিজায় আঘাত দিয়েছে,এই নাস্তিক,ইসলাম বিদ্বেশি সরকার পদ ত্যাগ করতে হবে। সফি হুজুর    ছাত্র লীগ যুব লীগ আমাদের শত্রু নয়।আমরা তাঁদের সাথে মিলে মিশে থাকতে কোন আপত্তি নেই। সফি হুজুর।      জাতির জনক বঙ্গবন্ধু আমার বাবা।আমাকে তিনি নতুন জীবন দান করেছেন।বেগম খালেদা জিয়া(১৯৭২)   ১৫ই আগষ্ট আমার জম্ম দিন আড়ম্বরতার সহিত পালন করা হবে। খালেদা জিয়া (১৯৯৬)    জাতির জনকের জম্ম না হলে স্বাধীন বাংলা দেশের উদ্ভব হত না।,জনাব মওদুদ আহম্মদ।   মেজর জিয়া স্বাধিনতার ঘোষনা না দিলে,দেশ স্বাধীন হত না।মওদুদ আহম্মদ।    স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে বঙ্গ বন্ধু ১৯৬৬ সালেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি কেন্দ্রিক নিউক্লিয়াস   গঠন করে দিয়েছেন।আর তখন থেকেই মুলত আমাদের প্রস্তুতি  শেখ মনির নেতৃত্বে শুরু করি। আ,স,ম,আবদুর রব।   ৭ই মার্চের ভাষন বঙ্গবন্ধু ৩২নং বাড়ীর লনে হাঁটতে হাঁটতে মুখস্ত করেছিলেন। আ,স,ম,আবদুর রব সাম্প্রতিক।     ১৯৭২ /৭৫ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান,দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে,দেশের আর্থসামজিক উন্নয়নের জন্য বাকশাল পদক্ষেপ। সেনাবাহীনির পক্ষ থেকে আমি সর্বান্তকরনে সমর্থন করছি।আপনিও এই মহতি উদ্যোগের সাথে সংহতি প্রকাশ করার জন্য অনুরুধ জানাচ্ছি।জি,ও সি জিয়াউর রহমান,সিভিল কর্মকর্তাদের লিখিত চিঠিতে ১৯৭৫.ইং সালে।   শেখ মজিবের একদলীয় শাষন থেকে উত্তরনের জন্য শিঘ্রই হাঁ-না ভোটের আয়োজন করব। মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ইং।     আমার বাবা কে কবরে রেখে আমি উপরে গিয়ে কি করবো,তোমরা আমারে সহ মাটি চাপা দিয়ে দাও।জাতির জনকের পিতা মারা গেলে কবর থেকে উঠতে বললে খোন্দকার মোস্তাক আহম্মদ।     গনতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় শাষন কায়েম করার জন্য দেশপ্রেমিক সেনা বাহিনি শেখ মজিবকে হত্যা করেছে।আজ থেকে  বাংলা দেশ ইসলামী  প্রজাতন্ত্র  হবে। খোন্দকার মোস্তাক আহম্মদ ১৯৭৫ ইং।      ১৯৭২ ইং সালের আগষ্ট/সেপ্টেম্বর হতে ১৯৭৪ইং সালের নভেম্বর /ডিসেম্বর পয্যন্ত দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্য যে সমস্ত পদক্ষেপ জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দল ও নিষিদ্ধ ঘোষিত দল সমুহ করেছিল ঠিক ২০১৩ইং সালের জুন/জুলাই থেকে আজ পয্যন্ত একই কায়দায় বর্তমানের বিরুদীদল ও নিষিদ্ধ ঘোষিত দল সমুহ করে, একই পরিবেশ  সৃষ্টি করার আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছে।তখন বিরুধী দল যে কায়দায় অরাজগতা সৃষ্টির প্রয়াস পেয়েছিল ঠিক একই কায়দায় বর্তমানের বিরুধি দল থেকেও লক্ষ করা যাচ্ছে।   তখন যেমন একশ্রেনীর আওয়ামী লীগ নেতা ধরা কে স্বরাজ্ঞান মনে করে যা ইচ্ছে তাই করেছে,এখনও তদ্রুপ একশ্রেনীর আওয়ামী লীগ নেতা ধরাকে স্ব্ররাজ্ঞান  ভেবে যা মন চাইছে তাই করে যাচ্ছে।    তখন যেমন বঙ্গবন্ধুর একান্ত আপঞ্জনকে মন্ত্রী পরিষদ থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল, ঠিক একই কায়দায় দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতাকে এবং নেত্রীর একান্ত আপঞ্জনকে মন্ত্রী পরিষদ থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল।    তখন যেমন একশ্রেনীর আওয়ামী লীগের মন্ত্রী জাতির জনকের পিতার জন্য  কেঁদে বুক ভাসিয়ে দিয়েছিলেন,এখন ও একশ্রেনীর মন্ত্রী নেতারা জননেত্রীর বাবার জন্য কেঁদে কেঁদে বুক ভাসিয়ে দিচ্ছেন।    তখন যেমন বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হিড়িক পড়েছিল,এখন ও ডিজিটাল বাংলা দেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য দলে দলে আওয়ামী লীগে যোগ দেয়ার হিড়িক পড়েছে।   তখন ও দলের অভ্যন্তর থেকে বাকশালের স্বপ্ন বাস্তবায়নের তেমন বিরুধিতা হয়নি,এখনও ডিজিটাল বাংলা দেশ গড়ার  স্বপ্নের তেমন বিরুধিতা হয়েছে বা হচ্ছে  শুনা যায়নি।   তখন যেমন ত্যাগি নেতাকর্মিদের কোন মুল্যায়ন ছিল না,এখনও তথৈবচ।তখন যেমন বঙ্গবন্ধু নেতাদের উপর বিরক্ত হয়ে হুমকি দিতেন কিন্তু ব্যবস্থা নিতেন না।এখনও জননেত্রী প্রত্যহ হুমকি দিয়েই যাচ্ছেন,কোন  দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে  দেখা যায়নি।তখনও নেতাদের খাবি খাবি ভাব,এখনও তেমনি ভাব রয়েছে আগের তুলনায় আরও বেশি।    তখনও অর্ধ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত রক্ষী বাহিনী মুক্তিযোদ্ধা নেতাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বহু নেতাকে পঙ্গু করে দিয়েছিলেন,এখনও তাঁর ব্যাতিক্রম হচ্ছে বলে মনে হয় না।তখনও রক্ষি বাহিনী থেকে বাঁচাতে বঙ্গবন্ধুর নিকট ধরনা দিতে হয়েছে,অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে ত্যাগী আওয়ামী লীগের নেতা কর্মি,সাহিত্যিক সাংবাদিকদের র‍্যাব এরং ডি,বির হাত হতে বাঁচাতে জননেত্রীর নিকট ধরনার প্রয়োজন হতে পারে। তখন কেবিনেট মন্ত্রীদের চাইতে অন-অনুমোদিত কিচেন মিনিষ্টারদের দাপট অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়েছিল,এখন ও জননেত্রীর কিচেন কেবিনেটের দাপুটে মন্ত্রীদের নিকট--,প্রজাতন্ত্রের মন্ত্রীরা জিম্মি বলে অনুমেয়। জাতির পিতাকে যেমনিভাবে চাটুকারেরা ঘেরাও করে প্রকৃত অবস্থা জানার সুযোগ দেয়নি,এখন তা আরও তিব্র আকার ধারন করেছে বলেই মনে হয়।জাতির জনক প্রকাশ্য জনসভায় তাঁদের ব্যাঙ্গ করে হাজার কথা বলেও পিছু হঠাতে না পেরে, শ্রেষ্ঠ চাটুকারের মুল ষড়যন্ত্রে প্রান দিতে হয়েছে,বর্তমানে জননেত্রীও প্রকাশ্যে বহু কথাই বলছেন,ফললাভ হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না। '৭৩এর নির্বাচনেও বঙ্গবন্ধুর ইমেজে বহু অপদার্থ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে গিয়েছিলেন,বর্তমানেও বহু সন্ত্রাসী, মাস্তান,অপদার্থ জননেত্রীর কৌশলে নির্বাচিত হয়ে গেছেন। জাতির পিতার সময়েও বহু বাংলাদেশের বিরুদিতা কারী রাজাকার দালাল বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিল,বর্তমানেও লুটপাট,বোমা হামলা, মানবতা বিরুধি বিচারের সম্মুখিন হওয়ার ভয়ে, বহু নেতাকর্মি বাংলাদেশের শত্রু দেশ সমুহে পালিয়ে আছে।তখন তাঁরা যেমন বিদেশী রাষ্ট্রে লবিস্ট নিয়োগ করে বিরুধিতা করেছে এখন ও তাঁরা একই কায়দায় ঠিকই লবিস্ট নিয়োগ করে বিরুধিতার পথ বেঁচে নিয়েছে।তখন কো -অডিনেটরের দায়িত্ব পালন করেছেন গোলাম আযম,এখন সেই দায়িত্ব পালন করছেন ড,ইউনূস সাহেব। জাতির জনক ও খড়া,অতিবৃষ্টি অনাবৃস্টি,দুর্ভিক্ষের চোঁবল থেকে রক্ষা করে দেশকে স্থিতাবস্থায় এনে দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন,বর্তমানেও মানব সৃষ্ট দুর্ভিপাক থেকে জননেত্রী দৃডতা, অসীম সাহস,প্রখর রাজনৈতিক জ্ঞান, দৃশ্যত বিচক্ষনতা দিয়ে দেশের সার্বিক অবস্থা স্বাবাবিক পয্যায় নিয়ে এসেছেন,তখন প্রভাব শালী মন্ত্রী এম,পিরা পরিক্ষিত ত্যাগী নেতাদের নিগৃহিত করার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন। '৭২ থেকে ৭৫ পয্যন্ত যেমন দায়িত্বশিল দেশপ্রেমিক বিরুধিদলের অভাব জাতি তিব্র ভাবে অনুভব করেছে, বর্তমানেও জাতি শক্তিশালি, দায়িত্ব শীল,দেশপ্রেমিক বিরুধি দলের তিব্র প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে। বিরুধীদলের সংকটের কারনে জাতীর জনককে দেশ হারিয়েছে,রক্ষীবাহিনী যথেচ্ছ ভাবে পরিক্ষিত,ত্যাগি মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামীলীগের নেতা কর্মিদের উপর অকথ্য নিয্যাতন করার সুযোগ পেয়েছিল,এখন ও শক্তিশালী বিরুধী দল না থাকার কারনে,বিরুধী দল দায়িত্ব শীল ভুমিকা পালন না করার কারনে, বদির মত অপদার্থ অনেক এমপি নির্বাচিত হয়ে,কোথাও কোথাও রাজাকারের বংশদবদ কুলংগার নির্বাচিত হয়ে, প্রবীর শিকদারের মত পরিক্ষিত নেতা, ,যুদ্ধে যার একটি পাও হারিয়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলেন,যার পরিবার থেকে একক ভাবে ১৪জন শহিদ হয়েছেন, একজন প্রতিষ্ঠিত কলম সৈনিক কে; ,রাজাকারের নির্দেশে চোরের মত হাত কড়া পড়িয়ে পুলিশ নিয়ে এসেছে, তাঁর প্রতি ঘৃনা, ধিক্কার জানানোর ভাষা খুঁজে পাচ্ছিনা।! যদি কোন নেতা জনগনের সমালোচনা সহ্য করতে না পারেন,তিনি বহু দলীয় গনতন্ত্রে রাজনীতি করার জন্য এলেন কেন? এতক্ষমতার উৎস কোথায় মানুষ জানে।এখন তথ্যপ্রযুক্তির যোগ,এমন কোন বিষয় নেই যাহা ম্মানুষ জানবে না।জ্ঞানবিজ্ঞানের যখন উন্নিতিও হয়নি, রঙিন ছবি কি জানতো না, তখন ও সচিত্র রঙিন ছবি সহ বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জিবনের, বহু ছবি ও ভিডি,ও ক্লিপ ফ্রান্স,জার্মানী,আমেরীকায় পাওয়া গেছে।আরও বহু তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। উপরে স্বাধীনতার পরের এবং বর্তমানের বিরুধীতা করার ধরন,চারিত্রিক বৈশিষ্ট,উদ্দেশ্য আদর্শ,বৈদিশিক সংযোগ,অর্থ যোগান দাতা,প্রভৃতি বিষয়ে আপাত কোন পরিবর্তন হয়েছে বলে ধারনা করার কোন সুযোগ নেই।জাতীর পিতার সময়ে,দলে যেমন দুষ্টচক্রের আধিপত্য দেখা যেত,শেষ পয্যন্ত জীবন দিয়ে সত্যতা প্রমান করতে হয়েছে,তদ্রুপ বর্তমানেও ধারনা করা যায়,নেত্রীর মৃত্যু ছাড়া প্রমান করা যাবে না,নেত্রীকে দুষ্ট চক্র ঘেরাও করে রেখেছে। ভারতে ১৯৭৪ইংরেজীতে, নকশালদের উৎপাত বৃদ্ধি পেলে,রাজনৈতিক দল সমুহের মধ্যেও দুরত্ব সৃষ্টি হলে,কুচক্রি মহল জরুরী অবস্থা জারী করায়।উক্ত ষড়যন্ত্রে তাঁরই পুত্র সঞ্জয় গান্ধী সরাসরি জড়িত ছিলেন।জরুরী অবস্থায় দুই বছরে, নীজ দলের যুব কংগ্রেসের নেতাদের এতবেশী নিপিড়ন করা হয়,অনেকেই মারা যায়,বহু নেতা(--সকল অংগ সংগঠনের) পুঙ্গুত্ব বরন করে।বহু ব্যবসায়ী চাঁদার দাবি পরিশোধ করতে না পেরে' বিদেশে পাড়ি জমায়।সমস্ত অঘটন তাঁর আপন পরিবারের সদস্যের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়।সংঙ্গত কারনে গান্ধী পরিবারের মুল নেতৃত্ব দুইজনেই আততায়ীর হাতে নিহত হন।সর্বভারতীয় দল আঞ্চলিক দলের পয্যায় থেকেও খারাপ অবস্থায় নিপতিত হয়।কংগ্রেস ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্ব দানকারী একক দল ছিল।সেখানেও দায়িত্বশীল সর্বভারতীয় বিরুধীদলের অনুপস্তিতির কারনেই,শীর্ষ তিন নেতা শুধু গান্ধী পরিবার থেকেই প্রান দিতে হয়। ভারতের রাজনৈরিক ধারা আর আমাদের রাজনৈতিক ধারায় বিস্তর ফারাক আছে।তাঁরা মুলত পশ্চিমা গনতন্ত্রের বহুদলীয় পদ্ধতি অনুস্মরন করে বিভিন্ন জাতিগোষ্টিকে শাষন শোষন অব্যাহত ভাবে চালিয়ে যাওয়ার জন্য।অন্য কোন প্রচলিত পদ্ধতিতে ভারত শাষন করা যেতনা।গনতন্ত্র, বহুদলীয় ধারনা স্বাধীনতা কামি আন্দোলন দমন করার মোক্ষম হাতিয়ার।সৌভিয়েত ইউনিয়ন সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে রাজ্যগুলিকে একত্রে ধরে রাখতে পারেনি।চিনে একই জাতি গোষ্টির দেশ বিধায় এখন ও টিকে আছে। সাম্রাজ্যবাদের পরোক্ষ শাষন অব্যাহত রাখার জন্য স্বাধিনতার পর যেই নিয়ম রীতি নীতি অনুস্মরন করে জাতির জনকের পরিবার সহ হত্যা করেছে,এখন সেই একই কায়দায় তাঁর কন্যাকেও হত্যার পরিকল্পনায় দলের ভিতরে শতশত মোস্তাক টাকা দিয়ে ভাড়া করে রেখেছে।তাঁরাই মুলত বিরুধি দলে গেলে রাজপথে,সরকারী দলে এলে দলের অভ্যন্তর, সেনাসদস্য,জঙ্গির মাধ্যমে হত্যার চক বাস্তবায়নের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।সবকিছুই কাকতালিয় ভাবে মিলে যাওয়ার অন্য কোন কারন আছে বলে আমি মনে করি না। ইন্দিরা গান্ধির মত দিনের পর দিন সত্য জানানোর থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারলে, তাঁদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের পথ আর ও সাবলিল হবে অসুবিধা কি।১৪/১৫ জন জলজ্যন্ত মানুষ দেশ প্রেমে উদ্ভুদ্ধ হয়ে যে পরিবার থেকে জীবন দিতে পারে,সেই পরিবারের একজন সদস্য ফৌজদারী অপরাধেও হাতকড়া পরাতে হবে কেন?পঙ্গু সাংবাদিক কি দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল?নিজামি দেলুরা ভাল পা নিয়েও বুঝি দৌড়াতে পারেনা? সকল সচেতন মানুষকে আহব্বান জানাব এই পরিস্থিতির কঠোর ধৈয্যের সংগে মোকাবেলা করতে হবে,সামান্য ভুলের কারনে জননেত্রীর প্রান সংহারের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।অনলাইন অপ-লাইনের সকল সচেতন ভাইদের স্ব-স্ব অবস্থান থেকে সোচ্ছার হওয়ার আহব্বান জানাই।ইনশাল্লা প্রবীর দাদার কিছুই হবে না।লাখো লাখো মুক্তিকামি জনতার দোয়া তাঁর প্রতি থাকবে।এই জনতাকে যেদিন সংগঠিত করা যাবে ,সেই দিন গলা ধাক্কা দিয়ে সুদাসদন,বঙ্গভবন,ধানমন্ডি, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ থেকে মোস্তাক চক্রকে বের করে দিয়ে, জননেত্রীকে প্রগতির চালিকাশক্তির নেতৃত্ব দেয়ার জন্য জীবন রক্ষা করা হবে।ঠিক ২১শে আগষ্ট যেভাবে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছিল। "" জয়বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশ্রত্ম শেখ হাসিনা"          

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg