সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
ষড়যন্ত্র কারীরা থেমে নেই,একই সুতায় গাঁথা।
==================>===========
১৯৭২/৭৫--২০১৩/১৫ বৈশিষ্ট এক ও অভিন্ন।
____
গণফোরাম সভাপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন বলেছেন, দেশে এখন একদলীয় শাসন চলছে। দেশের মানুষ অতীতে কখনো একদলীয় শাসন মেনে নেয়নি, ভবিষ্যতেও মেনে নেবে না। তিনি বলেন, গায়ের জোরে দেশ থেকে গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন জোরদার করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
বঙবধুর আদর্শ অনুস্মরন করলে দেশ আরো আগেই, মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত হত।শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ড, কামাল হোসেন।
তত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোন নির্বাচন করতে দেয়া হবে না।বেগম খালেদা জিয়া,।
অবিলম্বে যে কোন নামে নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে মধ্যবর্তি নির্বাচনের ব্যবস্থা করার জন্য আমি আহব্বান জানাচ্ছি।খালেদা জিয়া।
এই সরকার কোন উন্নয়ন করতে পারেনি,আইন শৃংখলার চরম অবনতি দেশের মানুষ উদ্বিগ্ন।উন্নয়ন জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় যখন ছিল,তখন হয়েছে। হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদ।
আমি যাহা পারিনি,হাসিনা তা পেরেছে।তিস্তার বুকে আর গরুর গাড়ী চলবে না।
কোরান ও সুন্নার বিরুদ্ধে আইন করে এই সরকার মসুলমানের কলিজায় আঘাত দিয়েছে,এই নাস্তিক,ইসলাম বিদ্বেশি সরকার পদ ত্যাগ করতে হবে। সফি হুজুর
ছাত্র লীগ যুব লীগ আমাদের শত্রু নয়।আমরা তাঁদের সাথে মিলে মিশে থাকতে কোন আপত্তি নেই। সফি হুজুর।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু আমার বাবা।আমাকে তিনি নতুন জীবন দান করেছেন।বেগম খালেদা জিয়া(১৯৭২)
১৫ই আগষ্ট আমার জম্ম দিন আড়ম্বরতার সহিত পালন করা হবে। খালেদা জিয়া (১৯৯৬)
জাতির জনকের জম্ম না হলে স্বাধীন বাংলা দেশের উদ্ভব হত না।,জনাব মওদুদ আহম্মদ।
মেজর জিয়া স্বাধিনতার ঘোষনা না দিলে,দেশ স্বাধীন হত না।মওদুদ আহম্মদ।
স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে বঙ্গ বন্ধু ১৯৬৬ সালেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি কেন্দ্রিক নিউক্লিয়াস গঠন করে দিয়েছেন।আর তখন থেকেই মুলত আমাদের প্রস্তুতি শেখ মনির নেতৃত্বে শুরু করি। আ,স,ম,আবদুর রব।
৭ই মার্চের ভাষন বঙ্গবন্ধু ৩২নং বাড়ীর লনে হাঁটতে হাঁটতে মুখস্ত করেছিলেন। আ,স,ম,আবদুর রব সাম্প্রতিক।
১৯৭২ /৭৫ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান,দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে,দেশের আর্থসামজিক উন্নয়নের জন্য বাকশাল পদক্ষেপ। সেনাবাহীনির পক্ষ থেকে আমি সর্বান্তকরনে সমর্থন করছি।আপনিও এই মহতি উদ্যোগের সাথে সংহতি প্রকাশ করার জন্য অনুরুধ জানাচ্ছি।জি,ও সি জিয়াউর রহমান,সিভিল কর্মকর্তাদের লিখিত চিঠিতে ১৯৭৫.ইং সালে।
শেখ মজিবের একদলীয় শাষন থেকে উত্তরনের জন্য শিঘ্রই হাঁ-না ভোটের আয়োজন করব। মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ইং।
আমার বাবা কে কবরে রেখে আমি উপরে গিয়ে কি করবো,তোমরা আমারে সহ মাটি চাপা দিয়ে দাও।জাতির জনকের পিতা মারা গেলে কবর থেকে উঠতে বললে খোন্দকার মোস্তাক আহম্মদ।
গনতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় শাষন কায়েম করার জন্য দেশপ্রেমিক সেনা বাহিনি শেখ মজিবকে হত্যা করেছে।আজ থেকে বাংলা দেশ ইসলামী প্রজাতন্ত্র হবে। খোন্দকার মোস্তাক আহম্মদ ১৯৭৫ ইং।
১৯৭২ ইং সালের আগষ্ট/সেপ্টেম্বর হতে ১৯৭৪ইং সালের নভেম্বর /ডিসেম্বর পয্যন্ত দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্য যে সমস্ত পদক্ষেপ জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দল ও নিষিদ্ধ ঘোষিত দল সমুহ করেছিল ঠিক ২০১৩ইং সালের জুন/জুলাই থেকে আজ পয্যন্ত একই কায়দায় বর্তমানের বিরুদীদল ও নিষিদ্ধ ঘোষিত দল সমুহ করে, একই পরিবেশ সৃষ্টি করার আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছে।তখন বিরুধী দল যে কায়দায় অরাজগতা সৃষ্টির প্রয়াস পেয়েছিল ঠিক একই কায়দায় বর্তমানের বিরুধি দল থেকেও লক্ষ করা যাচ্ছে।
তখন যেমন একশ্রেনীর আওয়ামী লীগ নেতা ধরা কে স্বরাজ্ঞান মনে করে যা ইচ্ছে তাই করেছে,এখনও তদ্রুপ একশ্রেনীর আওয়ামী লীগ নেতা ধরাকে স্ব্ররাজ্ঞান ভেবে যা মন চাইছে তাই করে যাচ্ছে।
তখন যেমন বঙ্গবন্ধুর একান্ত আপঞ্জনকে মন্ত্রী পরিষদ থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল, ঠিক একই কায়দায় দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতাকে এবং নেত্রীর একান্ত আপঞ্জনকে মন্ত্রী পরিষদ থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল।
তখন যেমন একশ্রেনীর আওয়ামী লীগের মন্ত্রী জাতির জনকের পিতার জন্য কেঁদে বুক ভাসিয়ে দিয়েছিলেন,এখন ও একশ্রেনীর মন্ত্রী নেতারা জননেত্রীর বাবার জন্য কেঁদে কেঁদে বুক ভাসিয়ে দিচ্ছেন।
তখন যেমন বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হিড়িক পড়েছিল,এখন ও ডিজিটাল বাংলা দেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য দলে দলে আওয়ামী লীগে যোগ দেয়ার হিড়িক পড়েছে।
তখন ও দলের অভ্যন্তর থেকে বাকশালের স্বপ্ন বাস্তবায়নের তেমন বিরুধিতা হয়নি,এখনও ডিজিটাল বাংলা দেশ গড়ার স্বপ্নের তেমন বিরুধিতা হয়েছে বা হচ্ছে শুনা যায়নি।
তখন যেমন ত্যাগি নেতাকর্মিদের কোন মুল্যায়ন ছিল না,এখনও তথৈবচ।তখন যেমন বঙ্গবন্ধু নেতাদের উপর বিরক্ত হয়ে হুমকি দিতেন কিন্তু ব্যবস্থা নিতেন না।এখনও জননেত্রী প্রত্যহ হুমকি দিয়েই যাচ্ছেন,কোন দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।তখনও নেতাদের খাবি খাবি ভাব,এখনও তেমনি ভাব রয়েছে আগের তুলনায় আরও বেশি।
তখনও অর্ধ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত রক্ষী বাহিনী মুক্তিযোদ্ধা নেতাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বহু নেতাকে পঙ্গু করে দিয়েছিলেন,এখনও তাঁর ব্যাতিক্রম হচ্ছে বলে মনে হয় না।তখনও রক্ষি বাহিনী থেকে বাঁচাতে বঙ্গবন্ধুর নিকট ধরনা দিতে হয়েছে,অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে ত্যাগী আওয়ামী লীগের নেতা কর্মি,সাহিত্যিক সাংবাদিকদের র্যাব এরং ডি,বির হাত হতে বাঁচাতে জননেত্রীর নিকট ধরনার প্রয়োজন হতে পারে।
তখন কেবিনেট মন্ত্রীদের চাইতে অন-অনুমোদিত কিচেন মিনিষ্টারদের দাপট অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়েছিল,এখন ও জননেত্রীর কিচেন কেবিনেটের দাপুটে মন্ত্রীদের নিকট--,প্রজাতন্ত্রের মন্ত্রীরা জিম্মি বলে অনুমেয়।
জাতির পিতাকে যেমনিভাবে চাটুকারেরা ঘেরাও করে প্রকৃত অবস্থা জানার সুযোগ দেয়নি,এখন তা আরও তিব্র আকার ধারন করেছে বলেই মনে হয়।জাতির জনক প্রকাশ্য জনসভায় তাঁদের ব্যাঙ্গ করে হাজার কথা বলেও পিছু হঠাতে না পেরে, শ্রেষ্ঠ চাটুকারের মুল ষড়যন্ত্রে প্রান দিতে হয়েছে,বর্তমানে জননেত্রীও প্রকাশ্যে বহু কথাই বলছেন,ফললাভ হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না।
'৭৩এর নির্বাচনেও বঙ্গবন্ধুর ইমেজে বহু অপদার্থ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে গিয়েছিলেন,বর্তমানেও বহু সন্ত্রাসী, মাস্তান,অপদার্থ জননেত্রীর কৌশলে নির্বাচিত হয়ে গেছেন।
জাতির পিতার সময়েও বহু বাংলাদেশের বিরুদিতা কারী রাজাকার দালাল বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিল,বর্তমানেও লুটপাট,বোমা হামলা, মানবতা বিরুধি বিচারের সম্মুখিন হওয়ার ভয়ে, বহু নেতাকর্মি বাংলাদেশের শত্রু দেশ সমুহে পালিয়ে আছে।তখন তাঁরা যেমন বিদেশী রাষ্ট্রে লবিস্ট নিয়োগ করে বিরুধিতা করেছে এখন ও তাঁরা একই কায়দায় ঠিকই লবিস্ট নিয়োগ করে বিরুধিতার পথ বেঁচে নিয়েছে।তখন কো -অডিনেটরের দায়িত্ব পালন করেছেন গোলাম আযম,এখন সেই দায়িত্ব পালন করছেন ড,ইউনূস সাহেব।
জাতির জনক ও খড়া,অতিবৃষ্টি অনাবৃস্টি,দুর্ভিক্ষের চোঁবল থেকে রক্ষা করে দেশকে স্থিতাবস্থায় এনে দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন,বর্তমানেও মানব সৃষ্ট দুর্ভিপাক থেকে জননেত্রী দৃডতা, অসীম সাহস,প্রখর রাজনৈতিক জ্ঞান, দৃশ্যত বিচক্ষনতা দিয়ে দেশের সার্বিক অবস্থা স্বাবাবিক পয্যায় নিয়ে এসেছেন,তখন প্রভাব শালী মন্ত্রী এম,পিরা পরিক্ষিত ত্যাগী নেতাদের নিগৃহিত করার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন।
'৭২ থেকে ৭৫ পয্যন্ত যেমন দায়িত্বশিল দেশপ্রেমিক বিরুধিদলের অভাব জাতি তিব্র ভাবে অনুভব করেছে, বর্তমানেও জাতি শক্তিশালি, দায়িত্ব শীল,দেশপ্রেমিক বিরুধি দলের তিব্র প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে।
বিরুধীদলের সংকটের কারনে জাতীর জনককে দেশ হারিয়েছে,রক্ষীবাহিনী যথেচ্ছ ভাবে পরিক্ষিত,ত্যাগি মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামীলীগের নেতা কর্মিদের উপর অকথ্য নিয্যাতন করার সুযোগ পেয়েছিল,এখন ও শক্তিশালী বিরুধী দল না থাকার কারনে,বিরুধী দল দায়িত্ব শীল ভুমিকা পালন না করার কারনে, বদির মত অপদার্থ অনেক এমপি নির্বাচিত হয়ে,কোথাও কোথাও রাজাকারের বংশদবদ কুলংগার নির্বাচিত হয়ে, প্রবীর শিকদারের মত পরিক্ষিত নেতা, ,যুদ্ধে যার একটি পাও হারিয়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলেন,যার পরিবার থেকে একক ভাবে ১৪জন শহিদ হয়েছেন, একজন প্রতিষ্ঠিত কলম সৈনিক কে; ,রাজাকারের নির্দেশে চোরের মত হাত কড়া পড়িয়ে পুলিশ নিয়ে এসেছে, তাঁর প্রতি ঘৃনা, ধিক্কার জানানোর ভাষা খুঁজে পাচ্ছিনা।!
যদি কোন নেতা জনগনের সমালোচনা সহ্য করতে না পারেন,তিনি বহু দলীয় গনতন্ত্রে রাজনীতি করার জন্য এলেন কেন? এতক্ষমতার উৎস কোথায় মানুষ জানে।এখন তথ্যপ্রযুক্তির যোগ,এমন কোন বিষয় নেই যাহা ম্মানুষ জানবে না।জ্ঞানবিজ্ঞানের যখন উন্নিতিও হয়নি, রঙিন ছবি কি জানতো না, তখন ও সচিত্র রঙিন ছবি সহ বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জিবনের, বহু ছবি ও ভিডি,ও ক্লিপ ফ্রান্স,জার্মানী,আমেরীকায় পাওয়া গেছে।আরও বহু তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
উপরে স্বাধীনতার পরের এবং বর্তমানের বিরুধীতা করার ধরন,চারিত্রিক বৈশিষ্ট,উদ্দেশ্য আদর্শ,বৈদিশিক সংযোগ,অর্থ যোগান দাতা,প্রভৃতি বিষয়ে আপাত কোন পরিবর্তন হয়েছে বলে ধারনা করার কোন সুযোগ নেই।জাতীর পিতার সময়ে,দলে যেমন দুষ্টচক্রের আধিপত্য দেখা যেত,শেষ পয্যন্ত জীবন দিয়ে সত্যতা প্রমান করতে হয়েছে,তদ্রুপ বর্তমানেও ধারনা করা যায়,নেত্রীর মৃত্যু ছাড়া প্রমান করা যাবে না,নেত্রীকে দুষ্ট চক্র ঘেরাও করে রেখেছে।
ভারতে ১৯৭৪ইংরেজীতে, নকশালদের উৎপাত বৃদ্ধি পেলে,রাজনৈতিক দল সমুহের মধ্যেও দুরত্ব সৃষ্টি হলে,কুচক্রি মহল জরুরী অবস্থা জারী করায়।উক্ত ষড়যন্ত্রে তাঁরই পুত্র সঞ্জয় গান্ধী সরাসরি জড়িত ছিলেন।জরুরী অবস্থায় দুই বছরে, নীজ দলের যুব কংগ্রেসের নেতাদের এতবেশী নিপিড়ন করা হয়,অনেকেই মারা যায়,বহু নেতা(--সকল অংগ সংগঠনের) পুঙ্গুত্ব বরন করে।বহু ব্যবসায়ী চাঁদার দাবি পরিশোধ করতে না পেরে' বিদেশে পাড়ি জমায়।সমস্ত অঘটন তাঁর আপন পরিবারের সদস্যের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়।সংঙ্গত কারনে গান্ধী পরিবারের মুল নেতৃত্ব দুইজনেই আততায়ীর হাতে নিহত হন।সর্বভারতীয় দল আঞ্চলিক দলের পয্যায় থেকেও খারাপ অবস্থায় নিপতিত হয়।কংগ্রেস ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্ব দানকারী একক দল ছিল।সেখানেও দায়িত্বশীল সর্বভারতীয় বিরুধীদলের অনুপস্তিতির কারনেই,শীর্ষ তিন নেতা শুধু গান্ধী পরিবার থেকেই প্রান দিতে হয়।
ভারতের রাজনৈরিক ধারা আর আমাদের রাজনৈতিক ধারায় বিস্তর ফারাক আছে।তাঁরা মুলত পশ্চিমা গনতন্ত্রের বহুদলীয় পদ্ধতি অনুস্মরন করে বিভিন্ন জাতিগোষ্টিকে শাষন শোষন অব্যাহত ভাবে চালিয়ে যাওয়ার জন্য।অন্য কোন প্রচলিত পদ্ধতিতে ভারত শাষন করা যেতনা।গনতন্ত্র, বহুদলীয় ধারনা স্বাধীনতা কামি আন্দোলন দমন করার মোক্ষম হাতিয়ার।সৌভিয়েত ইউনিয়ন সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে রাজ্যগুলিকে একত্রে ধরে রাখতে পারেনি।চিনে একই জাতি গোষ্টির দেশ বিধায় এখন ও টিকে আছে।
সাম্রাজ্যবাদের পরোক্ষ শাষন অব্যাহত রাখার জন্য স্বাধিনতার পর যেই নিয়ম রীতি নীতি অনুস্মরন করে জাতির জনকের পরিবার সহ হত্যা করেছে,এখন সেই একই কায়দায় তাঁর কন্যাকেও হত্যার পরিকল্পনায় দলের ভিতরে শতশত মোস্তাক টাকা দিয়ে ভাড়া করে রেখেছে।তাঁরাই মুলত বিরুধি দলে গেলে রাজপথে,সরকারী দলে এলে দলের অভ্যন্তর, সেনাসদস্য,জঙ্গির মাধ্যমে হত্যার চক বাস্তবায়নের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।সবকিছুই কাকতালিয় ভাবে মিলে যাওয়ার অন্য কোন কারন আছে বলে আমি মনে করি না।
ইন্দিরা গান্ধির মত দিনের পর দিন সত্য জানানোর থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারলে, তাঁদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের পথ আর ও সাবলিল হবে অসুবিধা কি।১৪/১৫ জন জলজ্যন্ত মানুষ দেশ প্রেমে উদ্ভুদ্ধ হয়ে যে পরিবার থেকে জীবন দিতে পারে,সেই পরিবারের একজন সদস্য ফৌজদারী অপরাধেও হাতকড়া পরাতে হবে কেন?পঙ্গু সাংবাদিক কি দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল?নিজামি দেলুরা ভাল পা নিয়েও বুঝি দৌড়াতে পারেনা? সকল সচেতন মানুষকে আহব্বান জানাব এই পরিস্থিতির কঠোর ধৈয্যের সংগে মোকাবেলা করতে হবে,সামান্য ভুলের কারনে জননেত্রীর প্রান সংহারের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।অনলাইন অপ-লাইনের সকল সচেতন ভাইদের স্ব-স্ব অবস্থান থেকে সোচ্ছার হওয়ার আহব্বান জানাই।ইনশাল্লা প্রবীর দাদার কিছুই হবে না।লাখো লাখো মুক্তিকামি জনতার দোয়া তাঁর প্রতি থাকবে।এই জনতাকে যেদিন সংগঠিত করা যাবে ,সেই দিন গলা ধাক্কা দিয়ে সুদাসদন,বঙ্গভবন,ধানমন্ডি, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ থেকে মোস্তাক চক্রকে বের করে দিয়ে, জননেত্রীকে প্রগতির চালিকাশক্তির নেতৃত্ব দেয়ার জন্য জীবন রক্ষা করা হবে।ঠিক ২১শে আগষ্ট যেভাবে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছিল।
"" জয়বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
জয়তু দেশ্রত্ম শেখ হাসিনা"
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন