আওয়ামী লীগের কতিপয় দুবৃত্ত বঙ্গরত্মের মানচিত্র পরিবর্তনের সাফল্যকেও ম্লান করে দিল---- _____________________________________________ কোন দেশের জনসম্পৃত্ত রাজনৈতিক দলের একমেয়াদে একটি সাফল্যই দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে যথেষ্ট।অতিব দু:খ্যের বিষয় বর্তমান সরকারের শত সাফল্য জাতির ললাটে যুক্ত করেও জাতির জনকের পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যা চক্রান্ত রুখতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ের হত্যা পরিকল্পনার বিরুদ্ধে জনগনের স্বত:স্ফুর্ত গনজাগরন সৃষ্টি হয়নি , প্রতিবাদ হয়নি, প্রতিরোধ হয়নি। আমি ব্যাক্তিগতভাবে মনে করি- 'তার একমাত্র কারন আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে অতি অল্প সংখ্যক দুবৃত্তের দুবৃত্তায়নে সরকারের সকল সাফল্যকে ম্লান করে দেয়া।' বঙ্গরত্ম শেখ হাসিনার সর্বচ্ছ আন্তরিকতা দিয়ে দেশকে উন্নতি ও অগ্রগতির শীর্ষে নিয়ে গেলেও জনমানসে তাঁর প্রভাব পরিদৃষ্ট হচ্ছেনা-' ঐ সমস্ত জেলা উপজেলায় দায়িত্বরত দলীয় দুবৃত্তদের অপকর্মের কারনে"। জাতির জনকের কন্যার দুরদর্শী নেতৃত্বে তেমনি এক শ্রেষ্ঠ সাফল্য 'মানচিত্র পরিবর্তন'।বিশ্বের একটি দেশও খুঁজে পাওয়া যাবেনা, যে দেশ একটি সাইমানা পিলারের অবস্থান দুই ইঞ্চি পরিবর্তনের জন্যেও যুদ্ধ বিগ্রহ করা লাগেনি।সেই ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বর্তমান সীমারেখার প্রায় সমপরিমান সীমারেখার ভুখন্ড একটি গোলা বারুদের কণা খরছ ব্যতিরেকে শুধুমাত্র দুরদর্শিতা দিয়ে অর্জন করেছেন জাতির জনকের কন্যা। এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি একটি দেশ ও জাতির জন্য আর কি হতে পারে? বাংলাদেশের বর্ধিত ভূখন্ডের নতুন সীমানা অংকিত মানচিত্র সর্বত্র প্রকাশ এবং বহুল প্রচার ও হয়নি।সবাই সবার কাজ নিয়ে ব্যাস্ত,এতবড় সাফল্য তুলে ধরে জনগনকে সংগঠিত করার সময় কোথায়? অথছ বর্তমান সরকারের সাফল্যের এবং নানাবিধ অর্জনের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হল বাংলাদেশের 'নতুন সীমানা' বা সদ্য প্রকাশিত 'নতুন মানচিত্র'। এটা এখন সূর্য্যালোকের মত সত্যি যে, এ অর্জন কোন সাধারণ অর্জন নয়। একটি স্বাধীন দেশের পুরো মানচিত্রে নতুন ভূ-খন্ড এবং জলাভুমি সংযুক্তি সাধারন ব্যাপার নয়। মানচিত্র বদলের সাথে সাথে বদলে গেছে ৪৫ বছরের পুরাতন মানচিত্রের সীমানা রেখা, বদলে গেছে পুরো জাতীর ভবিষ্যৎ। ভারতের সাথে ছিটমহল বিনিময়, অ-দখলীয় জমি একে অপরের কাছে হস্তান্তর, সাড়ে ছয় কিলোমিটার সীমান্ত চিহ্নিত হওয়ার পর এখন দুই দেশের নতুন করে মানচিত্র তৈরি করার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে নব সূচনা। তবে এখনো সর্বত্র প্রকাশ এবং বহুল প্রচারের অভাবে সাধারণ জনগণ জানতে পারেনি সীমানায় নতুন করে পাঁকাপিলার বসানোর ভারত-বাংলাদেশ এর সর্বশেষ সীমান্ত রেখা সম্পর্কে। তেমন ভাবে জানতে পারেনি জমি বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের চার রাজ্য- আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গের সীমানারেখায় পরিবর্তিত সীমারেখা সম্পর্কেও। ১৯৪৭ সালের ভারত ও পাকিস্তানের সীমানার একটি খসড়া দিয়ে বাংলাদেশ তথা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সীমান্তরেখা করা হয়েছিল। এরপর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করে স্বাধীন হওয়ার পরও বাংলাদেশের সীমান্ত সমস্যা রয়েই যায়। এ সমস্যা নিরসনে ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী একটি চুক্তি করেছিলেন।সেই বিখ্যাত চুক্তির নাম ভারত -বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি যাহা 'ইন্দিরা-মুজিব মৈত্রী চুক্তি' হিসেবে খ্যাত। তবে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ওই চুক্তি কার্যকরের সব প্রক্রিয়া সেরে উঠতে পারেনি ভারত কিন্তু ২০১৫ সালে নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরে এ চুক্তি অনুসমর্থনের দলিল হস্তান্তর হয় দুদেশের মধ্যে। এরপর জানানো হয় গত বছর ৩১ জুলাই মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়। যার ফলে বিরাট পরিবর্তন এসেছে দুই দেশের মানচিত্রেও। বাংলাদেশ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অবশ্য এই প্রসঙ্গে ২০১৫ সালে বলেছিলেন , "দুদেশের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি বিনিময়ের ফলে কোথাও ভারতের সীমানারেখা বাংলাদেশের বর্তমান সীমানার ভেতর ঢুকে যাবে। আবার কোথাও বাংলাদেশের আগের জমি ভারতে চলে যাবে। " এবং হয়েছে ও ই, আর এই পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের আয়তন কতটা বৃদ্ধি পেয়েছে এটা এখন কমবেশী সকলেই আন্দাজ করছে। তবে কিছু সংখ্যক সচেতন মানুষ ছাড়া, ব্যাপক প্রচারণার অভাবে এখনো দেশের অনেকেই জানেনা সেই নতুন ভাবে আঁকা মানচিত্রের সম্পর্কে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ইন্দিরা-মুজিব মৈত্রী চুক্তির আলোকে চিটমহল বিনিময় চুক্তি সংগঠিত হয় মৌদি-হাসিনার হাত ধরে।এই মৈত্রী চুক্তি বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশের সর্বমহল হতে দেশরত্ম উপাধি পেলেও মুল কারিগর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা বিরুধীদের অপপ্রচারের শিকার হয়ে স্বপরিবারে নিহত হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সাফল্যগাঁথা, সুদুরপ্রসারি চিন্তা চেতনার ফসল 'মৈত্রীচুক্তি" অংশবিশেষ' চিটমহল বিনিময়'। তারই সুযোগ্য কন্যা বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সাফল্যে রচিত সম্পুর্ণ নতুন করে আঁকা সোনার বাংলার মানচিত্র দেখলে গর্বে বুক ফুলে উঠবেনা এমন বাঙ্গালী একজনও পাওয়া যাবেনা।অতিব দু:খ্যের সংগে বলতে হচ্ছে নিরানব্বই শতাংশ মানুষ এখন পয্যন্ত নতুন অঙ্কিত মানচিত্র দেখেনি, শুনেনি, জানেওনা। শুধু মাত্র ব্যাপক প্রচার প্রচারণার অভাবেই এমনটি হয়েছে মনে করি। বড় একটি অর্জন 'সমুদ্রসীমা' মামলায় নেদারল্যান্ড এর স্থায়ী সালিশি আদালতের রায়ে বঙ্গোপসাগরে ভারতের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ ২৫ হাজার ৬০২ বর্গকিলোমিটার এলাকার মধ্যে ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকা পায় বাংলাদেশ। বাকি ছয় হাজার ১৩৫ বর্গকিলোমিটার পেয়েছে ভারত। গত ২০১৪ সালের ৭ জুলাই এই ঐতিহাসিক রায় পাওয়া যায়।অখন্ড পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশের কোন সরকার আদৌ কোন দিন যা চিন্তাও করেনি সমুদ্রে বাংলাদেশের এত বিশাল পরিমান জলাশয় বেহাত হয়ে আছে যুগের পর যুগ। তার আগে মিয়ানমারের সঙ্গে রায়ে বাংলাদেশ পায় ৭০ হাজার বর্গ কিলোমিটার নতুন জলাশয়। "" সবসাকুল্যে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটার আয়তন সমৃদ্ধ নতুন যুক্ত বাংলাদেশের মানচিত্র।১৯৭১ ইং সালের সার্বভৌম বাংলাদেশের যাহা দ্বিগুনের কাছাকাছি।"" অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশের মানচিত্রে যোগ হয়েছে আরো নীট ১০ হাজার ৫০ একর জমি। বাংলাদেশের নতুন মানচিত্র যুদ্ধবিগ্রহ ছাড়াই অর্জন। এই নতুন মানচিত্র কতবড় বিশাল অর্জন তা সকলের অনুধাবন করার যোগ্যতাও হয়ত নেই। সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের নতুন মানচিত্রের ছবি এবং তথ্য ব্যাপক ভাবে খবরের কাগজ, ইলেকট্রোনিক মিডিয়া এবং অনলাইন মাধ্যমে দেশবাসিকে জানানোর জন্য সদাশয় সরকার, দায়িত্বরত: তথ্য মন্ত্রনালয়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রচার সেলকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। স্বাধীনতার ৪৫ বছর বহু আন্দোলন,সংগ্রাম, অসংখ্য স্বাধীনতা প্রীয় মানুষের আত্মত্যাগের পর আজ বাংলার মানুষের প্রাণের দাবী রাজাকার মুক্ত সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে। নতুন করে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ প্রাপ্তির শুভক্ষনে--নতুন মানচিত্র পাওয়ার আনন্দ নতুন প্রজর্মকে বদলে দিতে পারে তাঁদের ৪৫বছর স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার, জাতির জনকের খুনীচক্রের ধোলাই করা মননকে। অদ্যাবদি যারা বাংলাদেশের সকল মৌলিক সুবিধা গ্রহন করে,সার্বিক নাগরিক সুযোগ গ্রহন করেও প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্রের নতুন নতুন দিক উম্মোচন করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। মুক্তিযুদ্ধের অর্জিত বাংলাদেশের আবহাওয়ায় হৃষ্টতা পেয়ে,স্বাধীন বাংলাদেশের ভাত হজম করে বেড়ে উঠে যাদের পরাজিত করে স্বাধীনতা এনেছিল বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেই পাকিস্তানী হায়নাদের নীতি আদর্শ, স্বপ্ন বাস্তবায়নে এখনও অহরাত্র ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। জাতির পিতার বদন্যতায় মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের সমনাগরিক সুবিদা সহ অন্যান্য সকল প্রকার বাড়তি সুবিধা নিয়েও প্রতি মুহূর্তে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে বাধা সৃষ্টি করে চলেছে।বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে নানা ধরণের অপপ্রচারে সদা সর্বদা লিপ্ত রয়েছে। আজ সময় এসেছে নতুন করে ষড়যন্ত্রকারিদেরকে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ সম্পর্কে অর্জিত তথ্য সহ মানচিত্র সম্পর্কে পরিচয় করিয়ে দেয়ার, নতুন প্রজর্ম্মকে নতুন মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ সম্পর্কে জানানোর। সদাশয় জাতির জনকের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আবেদন থাকবে, 'গুটি কতক দুবৃত্তের কারনে আপনার সরকারের যুগান্তকারি সাফল্য সমুহ বানের জলে ভেসে যাবে,কোনভাবেই মেনে নিতে পারছিনা।বহু রথি মহারথি আওয়ামী লীগ ছেড়ে, আপনাকে একা পেলে চলে গেছে,আপনার অগ্রযাত্রা থেমে থাকেনি।গুটি কতক দুবৃত্তকে দলছাড়া করলেও আপনার সরকারের তেমন কিছুই হবে বলে মনে করিনা।অভিলম্বে অপরাজনীতি, সন্ত্রাস, মাস্তানী, দুবৃত্তায়ন বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহন করুন।বাংলার জনগন আপনার পাশে থাকবে ইনশাল্লাহ। জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg