খালেদা পরিবারের জাতির জনক, মুক্তিযুদ্ধ, বাঙ্গালী জাতিকে নিয়ে কটুক্তি ---মৃত্যুর আগে বাঁচার শেষ শক্তি প্রদর্শন। ___________________________________________________ মেজর জিয়া স্বরুপে আত্মপ্রকাশ করে ক্ষমতাগ্রহন করেছিলেন,জাতির জনকের পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপবাদ ছড়িয়ে চিটিয়ে দিয়েছিলেন,কোন অপবাদ নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করেননি,অসত্য বিকৃত সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।কিন্তু জিয়া সাহেব বক্তৃতা, বিবৃতি আচর-আচরন দিয়ে জাতির জনকের পরিবারের মহিমা ক্ষুন্ন করেনি। জিয়ার মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী খালেদা রাজনীতিতে আসেন।দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে ১৯৯১ ইং সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংখ্যাগরিষ্টতা পান এবং জামায়াতের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেন।জামায়াতকে সরকারের অংশিদারিত্ব দেয়নি।সরকারে থেকে আওয়ামী লীগ বিদ্বেষী মনোভাবের বহি:প্রকাশ ঘটিয়েছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে, কিন্তু জাতির জনকের পরিবারকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে বক্তব্য,বিবৃতি দেননি।স্বাধীনতার ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিকৃত কোন মন্তব্য করেনি।স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদের সংখ্যা বিতর্ক উত্থাপন করেনি।জিয়া স্বাধীনতার ঘোষনাকারি বলেছেন- কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব অস্বিকার করেনি।১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবসে তাঁর নীজের জম্ম দিন পালন করে উল্লাস করার ক্ষেত্র তৈরি করেছেন কিন্তু বিবৃতি দিয়ে, বক্তব্য দিয়ে জাতির জনকের ত্যাগের মহিমা ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করেনি। একবার কোন একটা পত্রিকায় দেখেছিলাম তারেককে জিয়ার প্যান্ট কেটে সেলাই করে দেয়া হয়েছে,বিদ্যালয়ে যাওয়া আসায় সরকারি গাড়ী ব্যবহার করতে দেয়নি জিয়া।ব্যক্তিগত বা পারিবারিক গাড়ী ছিলনা জিয়া পরিবারের।জিয়ার মৃত্যুর পর তাঁর সত্যতা পেয়েছিলাম বাসা তল্লাসি করে যখন একটা ভাঙ্গা স্যুটকেস এবং তাঁর ভেতরে ছেঁড়া একটিমাত্র গেঞ্জী পাওয়া গিয়েছিল। আমরা হুজুগের বাঙ্গালীরা সে দিন চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।আভেগের বসে জাতি দুই ছেলের লেখাপড়া,ভরনপোষনের ভার নিয়েছিল।তাঁদের থাকার জন্য ঢাকায় সরকার একটা বাড়ী বরাদ্ধ দিয়েছিল। খালেদা জিয়া বরাদ্ধকৃত বাড়ী ভাড়া দিয়ে ক্যান্টনমেন্টে মেজর জিয়ার জন্য বরাদ্ধকৃত বাড়িতে ববসবাস করতেন। সরকারে এসে বিধি লঙন করে সেনানিবাসের বাড়ী নিজের নামে বরাদ্ধ করে নিতে ভুল করেননি। যদিও সেনানিবাসে পাবলিকের কোন বাড়ী বরাদ্ধ নেয়ার বিধান আগেও ছিলনা এখনও নেই। জাতি তাঁর দুই ছেলের ভরন পোষন, লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছিল, মাসে মাসে সরকারি বরাদ্ধ উত্তোলন করেছেন খালেদা জিয়া,প্রধানমন্ত্রী হয়ে সরকার গঠন করার পরেও উক্ত বরাদ্ধ তুলে নিতে ভুল করেননি ঠিকই কিন্তু লেখাপড়া করিয়েছেন কিনা, কতটুকু করিয়েছেন, সেই লেখাপড়া জাতির কোন উপকারে আসবে কিনা - উক্ত বিষয়গুলি জাতিকে অদ্যাবদি জানানো হয়নি। ভাবচক্করে অনুমান করা যায় খালেদা ছেলেকে বাংলাদেশের ইতিহাস বিষয়ে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিতই করেছেন।খালেদা জিয়ার নষ্টামীর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সে শিক্ষা দিয়েছেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ের চেন্সেলর মি: ফালু সাহেব।প্রফেসর, লেকচারারের সংখ্যা গুনে দেয়া যাবেনা।অন্ধকার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা অন্ধকারই হয়,সময় সময় তা প্রকাশ করতে হয়।জিয়া পরিবার যা আগে প্রকাশ করেনি এখন তা প্রকাশ করছে। ‘যোগ্য পুত্র’-এর পথেই হাঁটছেন ‘যোগ্য মাতা’। যদি তা না হয়, তবে ষোলকলা পূর্ণ হবে কিভাবে! প্রবাদ বলে, অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী। অল্প বিদ্যা! ছোটবেলার কোনো গণ্ডমূর্খ কোনো মতে ম্যাট্রিক পাস করে যদি হাবভাবে নিজেকে জাহির করতে যেত; তবে আমরা মজা করে বলতাম, ডিগ্রি হচ্ছে টি.টি.এম.পি অর্থাৎ টেনে টুনে ম্যাট্রিক পাস। পুত্র তেমন ডিগ্রিপ্রাপ্ত। আর মাতা বর্তমান সরকারের শিক্ষানীতি অনুযায়ী প্রাথমিক স্তর শেষ করেছেন।এমন যাদের শিক্ষা এবং শিক্ষালয়, ইতিহাস জানা সম্পর্কে তারা কতটুকু যোগ্য তা সহজেই অনুমেয়। বিদ্যার এই জাহাজের মধ্যে যদি থাকে প্রচণ্ড লোভ লালসা, প্রতিহিংসা, তবে তা হয় সোনায় সোহাগা। লোভ ও প্রতিহিংসাজাত নিজ স্বার্থ প্রতিষ্ঠার জন্য তখন ভয়ঙ্কররা দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য ‘আপসহীন’ হয়ে ওঠে। ভয়ঙ্কর হওয়াটা তখন পৌঁছে চরমে। বলাই বাহুল্য, এই ধরনের গণ্ডমূর্খ, অতি লোভী ও প্রতিহিংসাপরায়ণ ব্যক্তিরা যত থাকে রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনের উচ্চাসনে, ততই তা প্রকাশিত হয় সর্বনাশা রূপ নিয়ে। খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার ক্ষেত্রে তেমনটাই হয়েছে এবং আরো হবে বলে ধারণা করা চলে। খালেদা জিয়া সম্যক বুঝতে পেরেছেন জামায়াত ইস্যু শেষ হওয়ার সাথে সাথে জিয়া পরিবারের উপর চড়াও হবে সরকার।তাঁর একাধিক প্রমান ইতিমধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে। আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে গৃহযুদ্ধ বাঁধানোর পরিকল্পনা, সেনাবিদ্বেষ ঘটিয়ে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটানোর একাধিক চেষ্টা, সুদুর আমেরিকায় জয়কে হত্যা করার পরিকল্পনা, সরকার উৎখাতে ইসরাইলের সাথে চুক্তি,জাতির জনকের পরিবার বিনাশ করার একাধিক ষড়যন্ত্র ফাঁস, দুর্নীতির মামলা সমুহ সহ চলমান সরকার উৎখাতে একাধিক চেষ্টার বিচার শুরু হওয়া সময়ের ব্যাপার। খালেদা জিয়া সম্যক উপলব্দি করতে পেরেছেন, তাঁর নীজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ ডিগ্রিপ্রাপ্ত যোগ্য ছেলে ইসরাইল কানেকশান সহ অতীতের একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্তি সময়ের ব্যাপার।তাঁর নীজেরও একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্তি সময়ের ব্যাপার। মামলাগুলী এমন স্পর্ষকাতর- একটা মামলার অজুহাতেও রাজপথে আন্দোলন গড়ে তোলার উপযুক্ত নহে। দুর্নীতির মামলার অজুহাতে দেশ এবং বিদেশী বন্ধুরাষ্ট্র সমুহের সহানুভুতি পাওয়ার মত অবস্থাও নেই। এমনতর পরিস্থীতিতে রাজবন্দি হিসেবে ভাবমুর্তি নিয়ে জেলে যাওয়ার পরিবেশ করাই মুল লক্ষ, অন্তত সেই পরিবেশটাই চাইতেছেন মানষিক ভাবে খালেদা গং। রাজবন্দির মায্যদা নিয়ে জেলে যেতে হলে জাতির জনক, মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধে শহিদের সংখ্যা ইত্যকার বিষয়ে তাঁর লাগাতার মন্তব্য করতেই হবে-যাতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তির মানষিক আঘাতপ্রাপ্তি ঘটে এবং জাতির জনকের কন্যারও আঁতে ঘা লাগে। সরকার অবশ্যই সেন্টিমেন্ট হবে,মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তি রাজপথে নামবে, তাঁকে প্রতিরোধ করবে। তাঁরা দেশে বিদেশে মিথ্যে প্রচার করবে খালেদা জিয়াকে রাজপথে প্রতিরোধ করছে সরকারি দল। সরকার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটাক্ষ করার কারনে তাঁকে জেলহাজতে প্রেরন করেছে।অন্তত আর যাই হোক তাঁর দুর্নীতির কারনে জেলখানায় যাওয়ার বদনাম ঘোচাতে পারবে। , যেভাবেই খালেদা জিয়া অগ্রসর হোক না কেন, জনতার আদালতে এসব উক্তি ও এতদ্সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য খালেদা জিয়া কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েই আছেন। জনতার আদালতের বিচারে খালেদার শাস্তি হচ্ছে ও হতেই থাকবে। প্রবাদ বলে, প্রদীপ নেভার আগে জ্বলে বেশি। ক্ষমতা হাতছাড়া হতে থাকায় তিনি জ্বলছেন এবং নিজের আগুনে দেশ ও মানুষকে জ্বালিয়ে মারতে চাইছেন। কিছুদিন আগেও খালেদা জিয়া পাকিস্তানের মুসলিম লীগের মতো ‘ভারত’ জুজু দেখিয়ে মানুষকে মাত করতে চাইতেন। এখন সেই পথ খালেদা জিয়ার জন্য বন্ধ। এখন আছে পাকিস্তান আমলের মতোই কেবল ধর্মের জুজু। এটাও ভোঁতা হতে বসেছে। ইসলামের শত্রু ইহুদি এবং আরবদের রাষ্ট্রীয় শত্রু ইসরাইলের সঙ্গে সখ্যতা করতে গিয়ে সেই পথও রুদ্ধ করেছে।তাছাড়া জাতির জনকের কন্যা মুসলিম দেশ সমুহের সন্ত্রাস বিরুধীজোটে যোগ দিয়ে এবং আরব বিশ্বের দেশ সমুহের দীর্ঘদিনের বৈরিতাহেতু বন্ধ হওয়া শ্রমবাজার খুলে যাওয়ায় আওয়ামী লীগের উপর ধর্মবিদ্বেষী মনোভাবেও পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেন।সুতারাং ধর্মের তাবিজে উলটা কাজ করার কারনে খালেদা জিয়া রাজনৈতিক ভাবে মরতে বসেছেন।এমন পরিস্থীতিতে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া ছাড়া তাঁর কোন গত্যান্তর আছে বলে আমিও মনে করিনা। বাজারে প্রবলভাবে প্রচারিত বিষয়টি হচ্ছে খালেদা জিয়ার ব্যাক্তিগত জীবনাচারন বিষয়টি। মানুষ বলে, খালেদার জীবনাচরণ ধর্মের সঙ্গে যায় না। আর ভারসাম্য বজায় না রাখতে পারায় জাতিকে আর সেই সঙ্গে আওয়ামী লীগকে অনেক মূল্য দিতে হলেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে ধর্ম যাবে, এটাও মিথ্যা প্রমাণিত হতে বসেছে। এই অবস্থায় বিএনপির প্রদীপ নিভে যাওয়া ছাড়া আর উপায় কোথায়।মৃত্যুর আগে প্রতিটি জীবই শক্তির মহরৎ করে বাঁচার তাগিদে,খালেদা পরিবারের অবস্থাটাও তথৈবচ ছাড়া আর কিছুই নয়। ' জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু'

বিএনপি নেত্রীর একান্ত চেষ্টা যে কোন ভাবে পরিবেশ সৃষ্টি করা অন্তত রাজনৈতিক একটি মামলা নিয়ে হলেও জেলখানায় যাওয়া।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg