ত্রিদেশীয় জোট-- বাংলাদেশের সরকার উৎখাত এবং জাতির জনকের পরিবারকে বিনাশ করতে চায়-- ____________________________________________ বিএনপির ভিতরে বাইরে কম্পন শুরু হয়ে গেছে, খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হলে সারা দেশে আগুন জ্বলবে ইত্যাদি হুমকি ধমকি শুরু হয়েছে।একের পর এক ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ার পর নিশ্চিত ধরে নিয়েছে দলটি - এবার তাঁদের আর রক্ষা নেই।দুই দুই বার জনসম্পৃত্ত আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে সহিংসতার পথ বেঁচে নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। সকল ষড়যন্ত্র, নাশকতা, ব্যর্থ আন্দোলন জিয়া পরিবারকে রক্ষা করার জন্যই অনুষ্ঠিত হয়েছে, ইহা দিবালোকের মতই সত্যে পরিনত হল। মামলাগুলি রায়ের পয্যায় এখনও যায়নি, অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পয্যায় রয়েছে। তাঁরা নিশ্চিত জানে বিচারে জিয়া পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের শাস্তি অনিবায্য।পাঁপি জানে সে কতটুকু পাঁপ করেছে। জিয়া পরিবারের ষড়যন্ত্রের গর্ব থেকে জম্ম নিয়েছিল বিএনপি। সেই জিয়া পরিবারের পাঁপের ভারেই দলটি বর্তমানে অস্তিত্বহীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। পাঁপের ভারে ন্যুজ দলটি প্রথম থেকেই চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে, যে কোন উপায় বিচার প্রক্রিয়া থেকে জিয়া পরিবারকে রক্ষা করার জন্য। সেই হৃদকম্পন থেকেই আগে ভাগে অরাজগতা সৃষ্টি করে সরকার পতনের একাধিক চেষ্টা ও করেছিল দলটি। দলটি মহাগুরু কিসিঞ্জারের আদিনিবাস মেজর জিয়ার অকৃত্তিম বন্ধু বিশ্বমোড়ল আমেরিকার একান্ত বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশে রাজনীতি দাপটের সঙ্গেই করে আসছিল এযাবৎকাল। আমেরিকার দুই বিশ্বস্ত বন্ধু রাষ্ট্র পাকিস্তান এবং ইজরাইলের সাথেও যে সখ্যতা ছিল- এখন তা আর উদাহরন দিয়ে বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনা। বিপদেই বন্ধুর পরিচয় -প্রবাদটির যথাযথ মার্য্যদা দিতে কার্পন্য করেছে ত্রিদেশ এমন কথা চরম শত্রুরাষ্ট্রও বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলতে পারবেনা। তাঁরা তাঁদের সর্বস্ব দিয়েই চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে শুরু থেকে অদ্যাবদি- বিএনপিকে টেনে টুনে কোন রকমে দলীয় অস্তিত্ব রক্ষা করে রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য। এবারও তাঁদের দরবারে যেতে ভুল করেনি দলটি। তবে এবারের যাওয়ার মধ্যে অস্থিরতা, ভীতি, আশংকা যে কাজ করছে বিএনপি নেতাদের বিবৃতি থেকেই তা স্পষ্ট। খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারের কোন আলোচনা বা সমালোচনা সরকারে বা দেশে বিদেশে না থাকলেও দলটির নেতারা ইদানিং এমন ভাষায় বিবৃতি দেয়া শুরু করেছে-মনে হয় যেন তাঁদের নেত্রীকে আজ রাতেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। প্রবনতাটির মাত্রাতিরিক্ত প্রকাশ শুরু হয়েছে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া স্টিফেন্স্ ব্লুম বার্নিকাটের বাসভবনে দীর্ঘ বৈঠক শুরু হওয়ার পর থেকে। বি এন পির কূটনীতিক উইংয়ের নেতারা গত সোমবার থেকে মার্কিন যুক্ত রাষ্ট্রের বাংলাদেশ দুতাবাসে লাগাতার আলোচনা,বৈঠক শুরু করেছেন। গত সোমবার সকাল ৮টায় শুরু হওয়া বৈঠক বিরামহীন ভাবে কখনও টেলিফোনে কখনও অনুষ্ঠানিক বৈঠকে কখনও চা-চক্রের মধ্য দিয়ে চলছেই। ঐ সমস্ত আলোচনা,বৈঠক, পরামর্শ সভায় যুক্ত আছেন বি এন পির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, এনাম আহমেদ চৌধুরী ও রিয়াজ রহমান প্রমুখ। ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক উপ-সহকারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম ই-টোডও ক্ষনে ক্ষনে উপস্থিত হচ্ছেন। বি এন পির অন্যতম থিংকট্যাঙ্ক প্রবীণ সাংবাদিক শফিক রেহমান, ‘আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদর রহমান 'সজীব ওয়াজেদ জয় হত্যা'র পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে এখন কারাগারে আছেন। এ সংক্রান্ত অভিযোগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচারিক আদালতে কয়েকজন বাংলাদেশি সহ সেই দেশের নাগরিক- বিচারে শাস্তি ভোগরত: আছেন। বিষয়টি ২০০১১ সালে এফবি আইয়ের নজরে এলে তাঁদের গ্রেপ্তার করে-সেই দেশে বিচারের আওতায় নেয়া হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ বিচারে দুষি প্রমানীত হয়ে শাস্তিভোগের নিমিত্তে জেলখানায় যাওয়ার পর- বাংলাদেশ থেকে জড়িতদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা গ্রহন করার উদ্যোগ নেয়। অতি সম্প্রতি খালেদা জিয়া 'জয়ের একাউন্ট এ ২৫০০ কোটি টাকা জমা আছে- এইরুপ মনগড়া কথা বলে বিপাকে পড়েছেন। এ বক্তব্য নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত হচ্ছে। খালেদা জিয়াকেও তথ্য দেয়ার এবং জয়ের চেলেঞ্জ মোকাবেলা করার আহব্বান জানিয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। '৭৪-'৭৫ এর ন্যায় জাতির জনকের পরিবারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে রটানো কল্পকাহিনীকে মাথায় রেখে তদ্রুপ কালিমালিপ্ত করার ষড়যন্ত্রকে এবার শক্তহাতেই মোকাবেলা করার পরিকল্পনা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই সরকারি তদন্তের পাশাপাশি অভিযোগ উত্থাপনকারি খালেদা জিয়া, আমেরিকান সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কতৃপক্ষ এবং এফবিআইকেও তথ্য দেয়ার অনুরুধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকার। উল্লেখিত ঘটনা- তদন্তে মিথ্যা প্রমানীত হলে বড়ধরনের ব্যবস্থা গ্রহনের উদ্যোগ নিতে পারেন বাংলাদেশ সরকার।অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে ঘটনা সত্যতার কাছাকাছি হলেও জয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করতে পিছপা হবেনা সরকার। সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারি ঘটনা হচ্ছে ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মো'সাদের সঙ্গে বিএনপির যুগ্মমহা সচিব আসলাম চৌধুরী দিল্লিতে বৈঠক। আসলাম চৌধুরী সরকারকে উৎখাত করতে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ইজরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মো'সাদের প্রতিনিধির সঙ্গে হোটেল এবং হোটেলের বাহিরে একাধিক গোপন বৈঠক করেন। গত মার্চে মোসাদের সঙ্গে বৈঠক করলে ইত্তেফাক পত্রিকায় সম্প্রতি সে ষড়যন্ত্রের খবর ফাঁস হয়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে সরকারি পয্যায় এবং দেশে বিদেশে ব্যপক আলোচনা শুরু হয়। ইতোমধ্যে মোসাদ প্রতিনিধির সঙ্গে আসলাম চৌধুরীর গোপন বৈঠকের বেশ কয়েকটি ছবি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা নড়েচড়ে বসে এবং সেই বৈঠকগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ খবর নেয়া শুরু করে। প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর গোয়েন্দা সংস্থা সমুহ নিশ্চিত হন উল্লেখিত বৈঠক বাংলাদেশের বর্তমান সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের বৈঠক।শুধু তাই নয়- সাথে জাতির জনকের জীবিত সদস্যদের প্রান বিনাস করার বিষয়টিও প্রকাশ পায়। সাফাদি ও আসলাম চৌধুরীর এক সঙ্গে বৈঠক করার অনেকগুলি ছবি ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। ফেসবুক পেইজেও মেন্দির সঙ্গে আসলামের বৈঠক, আলাপ-আলোচনাও খাওয়া-দাওয়ার একাধিক ছবি প্রকাশ পায়। এ সম্পর্কে ইজরায়েল ভিত্তিক অনলাইন সংবাদ মাধ্যম, জেরুজালেম অনলাইন ডটকম সংবাদ প্রকাশ করে মেন্দি এন সাফাদি সম্প্রতি ভারত সফর করেছেন। সেখানে বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক করেছেন তিনি। সেখানে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। নতুন সরকার ইজরাইলের সঙ্গে পূর্ণ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলবে। গত সম্মেলনে চেয়ার পার্সন খালেদা জিয়া আলোচনার মুল ব্যাক্তি আসলাম চৌধুরীকে বি এন পির যুগ্ম মহাসচিব ঘোষনা করেছে। আসলাম চৌধুরী খবরটি অস্বীকার করেননি যে তিনি সাফাদের সঙ্গে কোনপ্রকার আলোচনা বা বৈঠক করেনি। অন্যদিকে, ইজরায়েলের কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি বা দলের সঙ্গে বন্ধুত্বকে প্রকারন্তরে ‘রাজনৈতিক আত্মহত্যা’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় ফিলিস্তিনি দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ইউসুফ এস রামাদান। ইউসূফ এস রামাদান 'রাজনৈতিক আত্মহত্যা'উক্তিটি প্রমান করে বিএনপি আরব বিশ্বের সাথে প্রতারনার আশ্রয় গ্রহন করেছে এবং কুফরী করেছে। দুতাবাসের বিবৃতির পরেই বিএনপির সকল পয্যায় চরম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। বি এন পি নিঃসন্দেহে একটি জনসমর্থিত বড় দল, ইসলামী অনেকগুলী দল তাঁদের জোটেও আছে। অনেকেই বিএনপিকে ইসলামের রক্ষক হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দবোধও করেন।যদিও খালেদা জিয়ার জীবনাচারনের সাথে এর কোন সত্যতা বা কোন মিল খুঁজে পাওয়া যায়না। ফিলিস্তিনী দুতাবাসের বিবৃতির পর বিএনপি দলের অভ্যন্তরে ফণা তুলেছে নানা প্রশ্ন-আসলাম চৌধুরীকে নিয়ে। বিএনপি দলের অভ্যন্তরে উঠেছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। সাথে যুক্ত হয়েছে খালেদা জিয়ার জাজ্যল্যমান মিথ্যার বেসাতি। আসলাম চৌধুরীর গ্রেফতারের পর দলটির চেয়ার পার্সন খালেদা জিয়া মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বলেন 'আসলাম চোধুরী'কে তিনি চিনেন না বা জানেন না। বড়ই হাস্যকর উক্তি,প্রকাশিত খবর অনুযায়ী আসলাম চৌধুরী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব, সাংবাদিকদের সরবরাহ করা তালিকা ভুল? নাকি সাংবাদিক ভুল?নাকি চোখের বিভ্রাট। মিথ্যাটিই প্রমান করে জিয়া পরিবার মো'সাদ কাহিনীর সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। দলের নেতারাই বলছেন, আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর পরই দলীয় ব্যবস্থা নেয়া দরকার ছিলো। তিনি নিজেও সংবাদ সম্মেলন ডেকে বিষয়টি পরিষ্কার করতে পারতেন। ইজরাইল কানেকশান ইতিমধ্যে দলের তৃনমুল পয্যায় প্রভাব বিস্তার শুরু করেছে।এই প্রভাব ধীরে ধীরে উধ্বমুখি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।কারন বাংলাদেশের কোন মসুলমান চায়না কোন ইহুদী রাষ্ট্রের সাথে বা আরব বিশ্বের শত্রুর সাথে বাংলাদেশে বিদ্যমান কোন রাজনৈতিক দলের বা ব্যক্তির সু-সম্পর্ক থাকুক।ইহুদীরা আমাদের প্রীয় নবীকে কষ্ট দিয়েছে ,ইসলামকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে, বর্তমানেও আরব বিশ্বের মুসলিম ভাইদের সাথে বহুযুগ যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে। বি এন পির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রামানিত অভিযোগ গুলী অত্যন্ত মারাত্মক এবং দেশদ্রুহীতা মুলক। বিদেশী কোন বন্ধুরাষ্ট্রের সহযোগিতা পাওয়ার মত একটি অভিযোগও নহে। বাংলাদেশের ধর্মভীরু জনগনের সহানুভুতি পাওয়া অলিক কল্পনা মাত্র। অস্থিরতা, শংকা, ভয়ভীতি সেখানেই তাঁদের কাঁতর করছে খুব বেশি মাত্রায়। নিম্নে একান্ত ক্ষমা অযোগ্য কিছু কর্মকান্ড তুলে ধরার চেষ্টা করছি------ (ক) ২০০৮ইং সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহন করার তিনমাসের মাথায় বিডিআর বিদ্রোহের সঙ্গে বি এন পি-জামাত জোটের সম্পৃক্ততার খবর দেশ-বিদেশের পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। (খ) এর পর পরই একটি আর্মিক্যু করার চেষ্টা প্রাথমিক পয্যায় সরকারের নজরে আসে। গোলাম আযমের ছেলে অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে ছিল। তাঁকে সেনাবাহিনী থেকে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া হয়। বিদেশী সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে প্রাশিত হয়েছে বি এন পির জড়িত থাকার বিষয়। (গ) বি এন পির উত্থান কালে একাধিক সামরিক অভ্যুত্থান, শত শত মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তা হত্যা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে হত্যা, জেল চার জাতিয় নেতা হত্যা, কর্ণেল তাহের হত্যা, বিগ্রেডিয়ার খালেদ মোশারফকে হত্যার অভিযোগ আগে থেকেই বিদ্যমান। (ঘ) গত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বি এন পি জাতীয় নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে লাগাতার অবরোধ, হরতাল, জ্বালাও পোড়াও, ঘেরাও করে দেশে চরম অস্থিরতা তৈরি করে।নিম্ন আয়ের মানুষ, পেশাজীবী, শ্রমজীবী নরনারীরা বিপুল আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়। লুটপাট,অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাস, সৃষ্টি করে দেশব্যাপি অরাজক পরিস্থীতি সৃষ্টি করে। (ঙ) রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অগ্নিবোমার আমদানী করে দলটি। শত শত মানুষকে অগ্নিদগ্ধ করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। অনেকের চেহারা বিভৎস করে দেয়,সারা অঙ্গে ক্ষত নিয়ে পঙ্গুত্ব বরন করে শত শত মানুষ। (চ) কোটি কোটি টাকার সম্পদ ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে স্বর্ণদোকান লুট, পবিত্র কোরানে আগুন, বিদ্যুতের পিলার উপড়ে ফেলে দেশকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করন, ব্যাংক বীমা লুটপাট অগ্নিদংযোগ, প্রাইমারি স্কুলে আগুন ,যানবাহনে আগুন, রেললাইন উপড়ে ফেলা, রেলে আগুন ধরিয়ে শত শত যাত্রীর জীবন হানী করার একাধিক পরিকল্পনা। (ছ) পাকিস্তানের ভয়ঙ্কর গোয়েন্দা সংস্থা আই এস আইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ওপেন সিক্রেট। তাদের নির্দেশে জামাত-শিবিরিকে দিয়ে বাংলাদেশে সহিংস ঘটনা ঘটিয়ে আই এসের অস্তিত্ব প্রমান করার একাধিক ষড়যন্ত্র। (জ) খালেদা জিয়া বিদেশি পত্রিকায় প্রতিবেদন লিখে ইঙ্গো-মার্কিন শক্তিকে আহ্বান জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ আক্রমন করে সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে উচ্চেদ করার জন্য। (ঝ) সর্বশেষ মানবতা বিরুধী অপরাধে নিজামীর ফাঁসি কায্যকর হলে ইজরাইল, তুরস্ক ও পাকিস্তানকে বাংলাদেশ আক্রমনের উস্কানী দেয় খালেদা।বর্তমানে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।নিশ্চিত সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহন করার পক্ষে বাংলাদেশ সরকার। উপসংহারে বলতে চাই, মোসাদ ইজরাইলের মারাত্মক-হিংস্র গোয়েন্দা সংস্থা। বর্তমান শেখ হাসিনার সরকারকে মোসাদ তথা ইজরায়েলের জায়নিস্টরা মোটেই পছন্দ করে না। কারণ, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ফিলিস্তিনের অবিসংবদিত নেতা ইয়াসির আরাফাতের একান্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বঙ্গবন্ধু এবং শেখ হাসিনা দু’জনই প্যালেস্টাইনি মুক্তি সংগ্রামকে জোরালো সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন সরকারে থেকে এবং সরকারের বাহিরে থেকেও। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশের মাটিতে পা রাখার আগেই প্যালেষ্টানী মুসলিম ভাইদের সাহায্যার্থে দুতাবাস খোলার অনুমতি দিয়েছিলেন। শেখ হাসিনাও প্রকাশ্য ঘোষনা দিয়ে প্যালেষ্টাইনী ভাইদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা আরব বিশ্ব কতৃক গঠিত সন্ত্রাস বিরুধি জোটেও যোগ দিয়েছেন । বৃহত্তর মুসলিম জনগোষ্টি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ আরব বিশ্বের সঙ্গে জোটে থাকার অর্থই হচ্ছে ইহুদীদের আস্ফালনের আঁতে প্রচন্ড ঝাঁকুনি। সঙ্গতকারনে "ইজরাইল, আমেরিকা, পাকিস্তান ত্রিদেশীয় জোট " শেখ হাসিনার সরকারকে উচ্ছেদ করতে চায়।জাতির জনকের পরিবারকে বিনাস করতে চায়। এই ক্রদ্ধতা কাজে লাগিয়ে বি এন পি আসলাম চৌধুরীকে ব্যবহার করে-- মোসাদ কানেকশন করেছেন সরকার উৎখাতের তাগিদে। অর্থাৎ মার্কিন, পাকিস্তান ও ইজরাইল- তিন অক্ষ শক্তির সঙ্গে বিএনপি মিত্রতার অর্থই হচ্ছে ইসলামকে চিরতরে ধ্বংস করার চক্রান্ত। জিয়া পরিবারকে প্রচলিত আইন আদালতের শাস্তি থেকে বাঁচাতে প্রয়োজনে-- আরব বিশ্ব, মুসলিম জাহান, পবিত্র কোরান, ইসলামকেও হত্যা করতে তাঁদের বুকে এতটুকু কাঁপন ধরবে না নরপিসাচের দলটির।তাঁর প্রমান পাওয়া গিয়েছিল অনেক আগেই-হেফাজতের শাফলা চত্বরে অবস্থানের দিনটিতে। 'জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু'

জাতির জনকের কন্যা তাঁর একমাত্র পুত্রের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের তদন্ত করার নির্দেশ দিয়ে, লুট করতে আসিনি, দেশের সেবা করতে এসেছি -উক্তির যথার্থ মায্যদা রক্ষা করেছেন।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg