মুসলিম বিশ্বের শত্রু ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থার সংঙ্গে বিএনপির চুক্তি-- সরকার উৎখাত, জনকের পরিবার বিনাশ। _____________________________________ দেশ বিদেশের অনেকে, সরকার, জনগন,বিদেশী বন্ধু রাষ্ট্রসমুহ,তাঁদের জনগন-সবাই কিংকর্তব্যবিমূড় হয়েছেন বিএনপি জামায়াতের ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা "মোসাদের" সাথে সংযোগ দেখে,শুনে। বৈঠকের সচিত্র প্রতিবেদন ইলেকট্রোনিক মিডিয়ায় ইতিমধ্যে প্রকাশিত হচ্ছে। সারা দেশ আশ্চায্য হলেও আমি নগন্য ব্যাক্তি মোটেও হইনি। তাঁরা তাঁদের স্বার্থে পারেনা -এমন কোন কাজ নেই। তাঁদের উত্থানের অতীতের ইতিহাসের দিকে তাকালে স্পষ্ট দেখা যায়। মেজর জিয়ার দিকে নজর দিয়ে দেখুন-কোন মুক্তিযুদ্ধার পরিবার তৎসময়ের পুর্ব পাকিস্তানের কোন পর্বত, বন, জঙ্গলে পালিয়ে বাঁচতে পারেনি। পাঠান- পাঞ্জাবী সেনাদের নিয্যাতনের স্বীকার হতে হয়েছে, অনেকে জীবন দিতে হয়েছে।জিয়া সাহেব মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, তাঁর পরিবার পাঞ্জাবীদের আবাসস্থল সেনাছাউনিতে দিব্যি আরাম আয়েশে ছিলেন।তিনি মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস সেখানেই কাটিয়ে দিয়েছেন। নিজের ব্যক্তিস্বার্থে স্ত্রীকে যে দলের প্রতিষ্ঠাতা শত্রু সেনার মনোরঞ্জনে রেখে দিতে পারেন,তিনি বা তাঁর দল অন্যকোন কিছু পারবেনা যারা ভাবেন-তাঁরা বোকার সস্বর্গে আছেন। মেজর জিয়ার সিআইএ কানেকশান, মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তির উত্থানে সর্বাত্মক রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতা, সরকারের সর্বচ্ছ নির্বাহী পদে রাজাকারের আসনের ব্যবস্থা, রাজাকার আলবদর সহ জোট গঠন, জাতির জনকের পরিবার হত্যাকারিদের ক্যন্টনমেন্টে সরকারি চাকুরীরত: অবস্থায় নেতৃত্বদান, পরবর্তীতে সরকার গঠন ও পরিচালনা, ইসলামকে ব্যবহার করে সর্বত্র অনৈসলামিক কর্মকান্ড পরিচালনা, পরাজিত পাকিস্তানের সঙ্গে দহরম মহরম,ক্ষমতা নিস্কটক করার জন্য সাজানো অভ্যুত্থানের নামে মুক্তিযুদ্ধা সামরিক অফিসার হত্যা-কি বাকি ছিল? পরবর্তিতে খালেদা জিয়া কতৃক যুদ্ধপরাধীদের সহ জোট গঠন,জঙ্গী উত্থানে পৃষ্টপোষকতা, আলবদর, রাজাকারদের মন্ত্রীত্ব প্রদান,আই এস আই কানেকশান, পেট্রোল বোমার আগুনে জ্যন্তমানুষ দগ্ধ করে দেয়া, মতিঝিলে আলেম উলামাদের এনে পবিত্র কোরানে আগুন-এমন কি কাজ বাকি রেখেছে যা করেনি? তাঁর পরবর্তিতে তাঁর বরপুত্র বীর তারেক বঙ্গবন্ধু এভ্যিনিউতে বোমা গুলী বৃষ্টি বর্ষন করে জাতির জনকের কন্যাকে হত্যা প্রচেষ্টা,সেনাবিদ্রোহের একাধিকবার চেষ্টা, ভারতে শ্রেষ্ঠ সন্ত্রাসী দাউদ ইব্রাহীমের সাথে একাধিক বৈঠক, বিদেশের মাটিতে বসে বাংলাদেশের লুটের টাকা খরছ করে আন্তজাতিক লবিষ্ট ফার্ম নিয়োগ সরকার উৎখাতে,আই এস আই এর সাথে চুক্তি কি বাকি রেখেছে? মুক্তিযুদ্ধে স্বজাতি মা-বোনদের ভীনজাতির সেনাকর্ম কর্তাদের মনোরঞ্জনের জন্য তুলে দেয়া, প্রয়োজন মাফিক ধর্মের ফতোয়া দান, জঙ্গিপনা, হত্যা, সন্ত্রাস, রাহাজানী, লুটপাট, ধর্মের অপব্যাখ্যা এমন কি কাজ বাকি আছে যা জামায়াত শিবির করেনি? শেষাবদি সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর, মুসলিম বিশ্বকতৃক নিষিদ্ধ ইসরালের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সরকার উৎখাতের চুক্তি!!!এতে আশ্চায্য হওয়ার কি আছে? তাঁদের এই সমস্ত কাজ রাজনীতির জন্য প্রযোজ্য - তাঁদের নেতাই একাধিকবার বলে গেছেন! আরো বলেছিলেন রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছুই নেই।আমাদের আবাল নেতারাও অনেকে বলতে আমি শুনেছি, মেজর জিয়ার এই অমৃত বচনটি।যদিও রাজনীতির কোন সুত্রেই এই বচনটি পড়ে না।বচনটির প্রচলনই করেছিল তাঁরা এই সমস্ত আকাম-কুকাম করে জায়েজ করার জন্য।রীতি নীতি বহির্ভুত কর্মকান্ড করে জনগনের দৃষ্টিকে হালকা করার জন্য।তাঁদের নীতিতে তাঁরা অটল আছেন,আমরাই বরং নীতিভ্রষ্ট হয়েছি তুলনামুলক বেশি।তাঁদের জম্ম বিদেশী শক্তির ষড়যন্ত্রের ফসল, তাঁরা কি জম্মদাতা ভুলে যেতে পারে? তাঁদের জম্ম হত্যা, খুনের মধ্য দিয়ে-তাঁরা কি ভুলে যেতে পারে হত্যা - খুন ? বরঞ্চ আওয়ামী লীগ রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে জম্ম নেয়া জাতির জনকের আদর্শের অনুসারী দল।বর্তমানে আওয়ামী লীগ রাজপথেও নেই, আন্দোলন বা সংগ্রামেও নেই। যাঁর আদর্শকে ধারন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বার বার ফিরে আসছে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান- তাঁর দৌহিত্র জনাব সজিব ওয়াজেদ জয়ের চরিত্র হনন করা হচ্ছে বিগত আট বছর ব্যাপি।অথছ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ প্রতিরোধের কোন কর্মসূচি আজও নেয়া হয়নি, সবাই যেন নির্লিপ্ত। ষড়যন্ত্রকারিদের সর্বাত্মক চেষ্টা জম্মসুত্রের অঙ্গিকার পুরনের স্বার্থে অব্যাহত রেখেছে।, অপর পক্ষে আওয়ামী লীগ রাজপথে জম্ম নেয়ার অঙ্গিকার পুরনে সর্বদাই ব্যার্থ্য হচ্ছে। রাজনীতি দিয়ে হত্যা চক্রান্ত রুখতে - রাজপথে প্রতিরোধের কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। অঙ্গিকার ভঙ্গকারী ষড়যন্ত্রকারিরা-নাকি বর্তমান ক্ষমতাসীন গনতান্ত্রিক দল আওয়ামী লীগ? জয়কে হত্যা পরিকল্পনা জানাজানি হয়েছে ২০১১ ইং সালে। মার্কিন আদালতে বিচার হয়েছে ষড়যন্ত্র কারিদের। তাঁরা এখন জেখানায় আছে সেই দেশের।বাংলাদেশে যারা জড়িত ছিল তাঁদেরকে সবেমাত্র দুইজনকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ রাজ পথে না গিয়ে- নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে। জয়ের বিরুদ্ধে টাকা হ্যকিং করে চুরির অভিযোগ উত্থাপন করা হল, আওয়ামী লীগ কুম্ভঘুমেই রয়ে গেল। হ্যকিং চুরি ধরা পড়েছে ফিলিফিন্সে-তাঁদের বিচার করার জন্য জেলখানায় রাখা হয়েছে সেই দেশের। ,মিথ্যা অভিযোগ আনা হল আইসিটি বিশেষজ্ঞ প্রধানমন্ত্রী পুত্র জয়ের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদ প্রতিরোধ দুরের কথা- মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপনের বিরুদ্ধে কোন জেলা- উপজেলায় একটি মামলাও হয়নি। এই সেইদিন জয়ের আমেরিকান ব্যাংকের একাউন্টে আড়াই হাজার কোটি টাকা জমা আছে চেলেঞ্জ দিলেন খালেদা জিয়া।তিনি আরও বললেন এই টাকা বাংলাদেশ থেকে লুট করে নিয়ে গেছে। তাঁরা সবাই জানেন, আমেরিকার কোন ব্যাংকে টাকা রাখতে গেলে সেই টাকা বৈধ পথে আয়ের টাকা হতে হয়। জনমনে জয়ের চরিত্র হনন করার প্রয়োজন তাঁদের-সত্যতার কোন প্রয়োজন নেই।এতবড় অভিযোগ আওয়ামী লীগের ভবিষ্যত কান্ডারির বিরুদ্ধে উত্থাপন করা হল আনুষ্ঠানিক ভাবে-অথছ আওয়ামী লীগ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঘুম যেন ভাংছেইনা।কোথাও কোন প্রতিবাদ,সড়ক অবরোধ,আগুন, গাড়ী ভাংচুর নিদেন পক্ষে একটা খড়ের স্তুপে আগুন দিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করার প্রয়োজন অনুভব করেনি আওয়ামী লীগ। বিএনপি-জামায়াতের সম্যক উপলব্ধিতে এসেছে- রাজনৈতিক কর্মসূচি, আন্দোলন, সংগ্রাম, কৌশল -কূটকৌশলে তারা পেরে উঠবে না। গত সাত বছরের ইতিহাস পর্যালোচনা করে তারা দেখেছে, আন্তজাতিক জরিপ সমুহ লক্ষ করেছে- আওয়ামী লীগের ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি বিশাল আকার ধারণ করেছে।শেখ হাসিনার ভাবমুর্তি দেশ ছেড়ে আন্তজাতিক পয্যায় পৌঁচেছে। তিনি এখন শুধু বাংলাদেশ এবং বাঙ্গালী জাতির গর্ব নন, সারা বিশ্বের গর্ব, এটা আমার কথা নয়-মার্কিন কংগ্রেসম্যানের কথা। একদা গরীব ভিক্ষুক দেশ মধ্য আয়ের দেশে রুপান্তরীত হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপি-জামায়াত ক্ষুদ্রকায় এবং ভগ্ন দেহের ন্যায় ক্রমাবনতিতে নিচে নামতে নামতে শক্তিশালী আওয়ামী লীগের অত্যাচার, নিয্যাতন এবং বিনোদনের উপকরণে পরিণত হয়েছে।তাঁদের সাবেক মন্ত্রীর মুখেই শুনা গেছে-- বিএনপির কথা বলতে গেলে মানুষ হাসাহাসি করে,। তাঁর এখনও লালা পড়ে মুখের- কথা বলার সময়।অথছ তিনি নাকি উচ্চশিক্ষিত মন্ত্রী ছিলেন বিএনপি সরকারের!! বৃটিশ পার্লামেন্ট তাঁদের বার্ষিক রিপোর্টে বলেছে-"শেখ হাসিনার রাজ নৈতিক কৌশলের কাছে বিএনপি বিলুপ্তির পথে।, খালেদা জিয়া রাজনীতি বিচ্যুত হয়ে জেলখানায় বাকি জীবন অতিবাহিত করতে হবে।" এমনিতর অবস্থায় জম্মসুত্রের অঙ্গিকারের দিকেই দলটি যাবে ইহাই স্বাভাবিক।মোসাদের সাথে চুক্তি শুধু সরকার উৎখাত নয়,জাতির জনকের পরিবারকে সমূলে বিনাশ ও বটে। জাতির জনকের অবশিষ্ট সদস্যদের হত্যা করার পর আওয়ামী লীগের শীর্ষনেতারা কিভাবে বেঁচে থাকবেন চিন্তা করেন?তাঁদের মধ্যে কি মোস্তাকের দলের ভুমিকায় একাধিক নেতা রয়েছেন?তাঁরপরেও কেউ যে তাজউদ্দিন গং হবেনা তাঁর গ্যারান্টি কি ভাবে পেলেন সবাই? প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের কর্ম রাজপথ।রাজনৈতিক দলের একমাত্র ধর্ম - আন্দোলন, সংগ্রাম। সরকার গঠন, ক্ষমতা উপভোগ করা রাজনৈতিক দলের জন্য দুনিয়াবি বেহেস্ত। আওয়ামী লীগ নেতারা এক ও দুই বাদ দিয়ে তিনে ব্যস্ত। সুতারাং ষড়যন্ত্রকারিরা সবে 'মোসাদের' সাথে চুক্তি করেছে-সুযোগ পেলে মঙ্গল গ্রহের এলিয়েনের সাথে চুক্তি করে আওয়ামী নেতাদের নির্লিপ্ততা ভাঙ্গাবে। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে সে সময় বেশি দূরে নয়। আল্লাহ সহায় ' জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু'

আওয়ামী লীগ রাজপথে না নামলে আরো অনেক বড় বড় ষড়যন্ত্র হতে পারে।তাঁরা অস্তিত্ব রক্ষার্থে দুই চার'শ নেতাকর্মী কোরবান দিতেও দ্বিধা করবেনা।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg