শেখ হাসিনা সরকারের দেসজ উন্নয়নের অভুতপুর্ব উন্নতি ও অগ্রগতি------------
==============================
জিইডি সদস্য জনাব সামছুল আলম সাহেবের তথ্য থেকে---
----------------
সাত বছরে জিডিপির গড় প্রবৃদ্ধি ৬.৩১ শতাংশ
-----------------------------------
১ কোটি ৩ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
-----------------------------------
সাত বছরে জিডিপির গড় প্রবৃদ্ধি ৬.৩১ শতাংশ।
-------------------------------------
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ৭ বছরে দেশে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ৩১ শতাংশ। এ সময়ে বাজেটে সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ১ কোটিরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনিক ও আইনি সংস্কারের ফলে রাজস্ব আহরণ তিন গুণ হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) গত সাত বছরের অর্থনৈতিকবিষয়ক এক মূল্যায়নে চিত্রটি উঠে এসেছে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে তথ্য প্রেরন করেছেন।
গত সাত বছরের সরকারের উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্র
-------------------------------------------
৭ বছরে দেশজ আয় ও প্রবৃদ্ধি অর্জনে সরকার অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে।
-------------------------------
বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণকালে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫.১ শতাংশ, যা ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৬.৫১-এ উন্নীত হয়।
গত সাত অর্থবছরের গড় প্রবৃদ্ধির হার ৬.৩১ শতাংশ। ইতিপূর্বে মাথাপিছু জিডিপি দ্বিগুণ হতে * ২০ বছর * অপেক্ষা করতে হলেও বর্তমানে মাত্র ৭ বছরে তা দ্বিগুণ করা সম্ভব হয়েছে।
বর্তমানে মাথাপিছু আয় হয়েছে ১ হাজার ৩১৪ মার্কিন ডলারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন বাজেটে সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে উন্নয়ন বাজেট ছিল মাত্র ২৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
২০১৫-১৬ অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়ে ৯৭ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।
সরকারি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রাধান্য পেয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, যোগাযোগ এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মতো ভৌত ও সামাজিক অবকাঠামো বিনির্মাণের বিষয়গুলো।
বেসরকারি বিনিয়োগও প্রায় ৩ গুণ বেড়েছে। ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৯৯ হাজার ২৭১ কোটি টাকা,
'২০১৪-১৫ অর্থবছরে ২ লাখ ৮৮ হাজার ৯১১ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।
এতে বলা হয়, আলোচ্য সময়ে মোট রাজস্ব ও কর রাজস্ব তিন গুণের বেশি হয়েছে। মোট রাজস্ব আয় ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে ৪২ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা হতে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকায় উন্নীত হয়।
এতে বলা হয়, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও আলোচ্য সময়ের মধ্যে ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার ৩৪৮ কর্মীর বৈদেশিক কর্মসংস্থান হয়েছে। প্রতি ১ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির ফলে আড়াই লাখ দেশীয় কর্মসংস্থান বৃদ্ধি হয়।
দেশে ও বিদেশে মিলে প্রায় ১ কোটি ৩ লাখ নতুন কর্মসংস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এত কর্মসংস্থান আর অতীতে কখনও হয়নি।
দারিদ্র্য নিরসন এ সরকারের এক অন্যতম সাফল্য। ২০০৫ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ৪০ শতাংশ যা ২০১৫ সালে নেমে আসে ২৪.৮ শতাংশে (প্রাক্কলিত)। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এ সরকারের আর এক অন্যতম সাফল্য। ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে দেশে চালের উৎপাদন হয় ২৬.৫ মিলিয়ন টন। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে চাল উৎপন্ন হয়েছে ৩৪.৪ লাখ টন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
বর্তমান সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশ্বব্যাপী প্রশংসা অর্জন করেছে।
অবকাঠামো উন্নয়ন বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার আর্থসামাজিক উন্নয়নের অনুকূলে সড়ক অবকাঠামো নির্মাণে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ৭৫০ মিটার দীর্ঘ দ্বিতীয় তিস্তা সেতু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ৪ লেনে উন্নীতকরণ, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে ফ্লাইওভার নির্মাণসহ উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
নি:সন্দেহে বলা যায়, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কায্যক্রম ব্যাপৃত ও চতুর্মুখী।রাষ্ট্রের প্রত্যেক সেক্টরে সমভাবে উন্নয়ন অগ্রগতির এক মহা কর্মযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।দেশরত্ম শেখ হাসিনার লক্ষ আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত বিশ্বের সাথে সামিল করা।এরই মধ্যে বিশ্বব্যাংক ও জাতি সংঘ কতৃক বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে পয্যবেক্ষনে রাখার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষনা করেছে।আগামী ২০২১ সালের আগেই কাংক্ষীত লক্ষ অর্জন করা যাবে বলে আন্তজাতিক মহল মনে করেন।
দেশ ও জাতি এগিয়ে যাচ্ছে গানিতিক হারে, অভ্যন্তরীন রাজনীতি এগুচ্ছে জ্যামিতিক হারে। দেশরত্ম শেখ হাসিনা তাঁর প্রচেষ্টার শতভাগ উজাড় করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন জাতির জনকের আরধ্য স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার অভিপ্রায়ে।যেখানে থাকবেনা ক্ষুদা,দারিদ্র,অশিক্ষা,হানাহানি,বিদ্বেষ।এমন সমাজ ব্যবস্থা গড়ার লক্ষে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন,যে সমাজে একজন মা,বোন শিশু বিনা চিকিৎসায় মারা যাবেনা।এমন সমাজ কায়েমের লক্ষ নিয়ে দেশরত্ম অকালান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন,যে সমাজে কোন নাগরীক শিক্ষাহীন থাকবেনা।যে সমাজ নির্মানের জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সারা জীবন সংগ্রাম করে গেছেন।
জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার নিমিত্তে তাঁরই জৈষ্ঠ কন্যা বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী পায়ে পায়ে এগিয়ে যাচ্ছেন।গতি কোন অবস্থায় ধীর নহে,লক্ষ ও স্থীর। আধুনিক,বিজ্ঞান মনস্ক,প্রযুক্তি নির্ভর,শিল্প সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ।জাতির জনকের স্বপ্নের বাংলাদেশ।
জয়বাংলা বলে আগে বাড়ো---
জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু
জয়তু দেশরত্ম। শেখ হাসিনা
সাত পার্সেন্ট প্রবৃদ্ধি অর্জনকে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ বিস্ময়ের চোখেই অবলোকন করছে।জাতির জনকের কন্যার ডায়ামেটিক নেতৃত্ব বিশ্বব্যাপি প্রসংশিত হচ্ছে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন