চক্রান্তের বেড়াজালে বাংলাদেশ সরকার--মুল লক্ষ সজিব ওয়াজেদ (জয়)------ ___________________________________________ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। সরকার প্রধান জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। সরকার প্রধানের অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক অবৈতনিক উপদেষ্টা হচ্ছেন তাঁরই একমাত্র পুত্র আই সি টি বিশেষজ্ঞ জনাব সজীব ওয়াজেদ (জয়)। তিনি ভবিষ্যতে রাজনীতি করবেন কিনা এখনও জনসমক্ষে কিছুই বলেননি, তাঁর 'মা' মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, 'তিনি পুত্রকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন,তাঁর পেশা বেচে নেয়ার যথেষ্ট জ্ঞান আছে,সুতারাং সে কি করবে-তাঁর নিজস্ব ব্যাপার।তবে আমি নীজেও তাঁর নিকট থেকে অনেক কিছুই শিখছি।' সুহৃদ পাঠকবৃন্দ, অতীতের হাজারো মিথ্যে ষড়যন্ত্রের ন্যায় গত ১৫ দিনের ব্যবধানে দুইটি ষড়যন্ত্র সর্বমহলে, আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ, দেশ বিদেশের সচেতন মহলের বিবেকে নাড়া দিয়েছে। (এক) বেগম খালেদা জিয়া এক অনুষ্ঠানে বলেছেন,' জয়ের একাউন্টে আমেরিকার ব্যাংকে বাংলাদেশ থেকে লুট করা আড়াই হাজার কোটি টাকা জমা আছে'। (দুই) ইজরাইলের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের মুখপাত্র সাফাদির সাথে ধৃত আসলামের আগে সাক্ষাৎ ঘটেছিল নিউইয়র্কে সজিব সাহেবের অফিস কক্ষে। উল্লেখিত দুটি ঘটনার প্রেক্ষাপট রচিত হয় জয়কে হত্যা প্রচেষ্টায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১১ ইং সালে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বাংলাদেশী বংশদ্ভোত একজন সহ বিদেশে কয়জন ব্যাক্তির সাজা হওয়ার পর। ঐ মামলার শুনানীতে বাংলাদেশে অবস্থানরত: একজন সাংবাদিক এবং এক জন পত্রিকা সম্পাদকের নাম উঠে আসে।বাংলাদেশে জড়িত সাংবাদিক শফিক রেহমানকে সরকার আইনের আওতায় নিয়ে আসে।, কারাগারে আগে থেকে আটক আমার দেশ সম্পাদক সাহেবকেও অত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।অত্র মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার প্রথমিক চেষ্টার ফসল "জয়ের একাউন্টে গচ্ছিত বাংলাদেশের লুটের টাকা।"যাহা বাংলাদেশের সাবেক আড়াইবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কতৃক উত্থাপিত হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি প্রকাশ পায়--বিএনপি দলের নতুন সংযোজিত অচেনা অজানা ব্যবসায়ী আসলাম চৌধুরীর ইজরাইলের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রতিনীধি সাফাদির সাথে একাধিক বৈঠকের সচিত্র প্রতিবেদন পত্রিকায় প্রকাশের পর। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকে উক্ত ইহুদী রাষ্ট্রের সাথে কোন প্রকার কুটনৈতিক,ব্যবসায়িক সম্পর্ক নাই বিধায় আসলামকে আইনের আওতায় আনায়ন করেছে সরকার। গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে যা প্রকাশ করেছেন আসলাম,' তাতে প্রত্যেক সচেতন নাগরিক উদ্ভিগ্ন না হয়ে পারেন না।' সুহৃদ পাঠক বন্ধুগন, এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করে রাখতে চাই,' গ্রপ্তার ও রিমান্ডের পর দুই ঘটনার দুই ব্যাক্তিই জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং আরও অনেকের জড়িত থাকার ব্যাপারেও সুস্পষ্ট ধারনা দিয়েছেন বাংলাদেশী গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে।' পাঠকবর্গ লক্ষ করুন, ক্ষমতার কেন্দ্র বিন্দুতে সজিব ওয়াজেদ জয় নেই, আগামীতে আসবেন-তাঁর আবাস ইঙ্গিতও দেননি। সরকারের বিরুদ্ধে এবং সরকার প্রধানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার না করে কুচক্রিমহল জাতির জনকের দৌহিত্রের বিরুদ্ধে কেন হঠাৎ একের পর এক ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তারে মরিয়া? সুপ্রীয় পাঠক,৭২-৭৫ ইং সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে কোন অপ-প্রচার হয়নি,যা হয়েছে শেখ কামাল এবং শেখ মনির বিরুদ্ধে। দুইজনই ছিলেন জাতির জনকের পরিবারের উজ্বল নক্ষত্র। দুইজনের চরিত্র হনন করা হয়েছে উলঙ্গচিত্তে।আওয়ামী লীগের নেতারা তখন নাকে তৈল দিয়ে অপ-প্রচারের রসালো কাহিনী শুনেছেন আর হাসাহাসি করেছেন।ভিত্তিহীন খবর নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন আছে বলেই মনে করেননি।ফলত: মুখরোচক আলোচনা মানুষের মনে দিব্যি সত্যি হয়ে অন্তরে গেথে গেছে পয্যায়ক্রমে। বর্তমানেও শেখ হাসিনার সরকার এবং শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে উল্লেখীত ষড়যন্ত্র না করে- কুচক্রিমহল জাতির জনকের পরিবারের জৈষ্ঠকন্যা বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রীর একমাত্র সুশিক্ষিত পুত্র জনাব জয়ের বিরুদ্ধেই একে একে ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে যাচ্ছে। প্রকাশিত ষড়যন্ত্রের দিকগুলো নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ শেষে দেখা যায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন আবার নতুন করে আলোড়িত হচ্ছে। কারণ গোয়েন্দা সংস্থার কল্যাণে পত্র-পত্রিকায় কিছুদিন আগে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, বাংলাদেশের সরকার উৎখাত ষড়যন্ত্রে আসলাম চৌধুরী নামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের এক নেতা ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের একজন সাবেক এজেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের রূপরেখা রূপায়িত হয়েছে এ সংবাদও গোপন নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোয়েন্দা সংস্থার উল্লেখ দিয়ে আরো জানিয়েছেন- কেবল জাতীয়তা বাদী দল নয়, অপর কয়েকটি দলের নামও জড়িয়ে গেছে এই সুগভীর চক্রান্তের রূপায়ণকারী হিসেবে। উল্লেখিত ষড়যন্ত্রকারীরা সরকারের বিরুদ্ধে নিয়মাতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রাম বাদ দিয়ে একক ভাবে সজিব ওয়াজেদ জয় এবং বর্তমান সরকারকে অগনতান্ত্রিকভাবে উৎখাতের দুইটি কারন থাকতে পারে--- (১) বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করে, বিগত দিনের লুটপাটের ইতিহাস, আগুন সন্ত্রাসের ইতিহাস, ষড়যন্ত্রের ইতিহাস নিয়ে খমতায় যাওয়ার স্বপ্ন পুরন না হওয়ার আশংকা। (২) শেখ হাসিনার অবর্তমানে সজিব ওয়াজেদ জয়ের আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসার সমুহ সম্ভাবনা। খালেদা জিয়ার অবর্তমানে যেহেতু তারেকের বিএনপি দলের নেতৃত্ব পাওয়ার নিশ্চয়তা ইতিমধ্যে স্থীর হয়েছে সুতারাং তাঁর ইমেজ সংকট দুরিভূত করার নিমিত্তে জয়ের ইমেজে কালিমালিপ্ত করার অপকৌশল প্রয়োগ। সুপ্রীয় বন্ধুগন, এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই--মুক্তিযুদ্ধের পর থেকেই এদেশের বুদ্ধিজীবি সমাজ তাদের লেখনিতে, আলোচনায়, সেমিনারে বিদেশী রাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুঁজে বেড়ান।বিদেশী রাষ্ট্র সমুহের ষড়যন্ত্র অবশ্যই আছে,তবে তাঁদের স্বার্থ রক্ষার স্বার্থে। তাঁরা সহায়ক শক্তি হিসেবে সহযোগিতা করেন, আশ্রয়- প্রশ্রয় দেন কিন্তু এদেশীয় ষড়যন্ত্রকারিরাই মুল কাজটি ঘটান।এ দেশীয় ষড়যন্ত্রকারীদের কথা আমাদের বুদ্ধিজীবি সমাজ মুখে আনেন না। যেন ভাঁসুরের নাম মুখে নেয়া যায়না, তবে কেহ কেহ আচার আচরনে, ইঙ্গিতে ঈশারায় বলতে চেষ্টা করেন।স্পষ্ট ভাষায় ষড়যন্ত্রকারীদের তথ্য তাঁদের আলোচনায় আসলে হয়তোবা অনেক হত্যা, হত্যা প্রচেষ্টা থেকে দেশের অনেক প্রথিতযষা লেখক, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবি, রাজনীতিক রক্ষা পেতেন।বিদেশীদের সাথে সম্পর্ক যারা তৈরী করেন, এদেশে প্রগতিমনাদের হত্যা করতে, প্রগতিশীল রাজনীতিবীদদের হত্যা করতে- তারা মঙ্গল গ্রহের মানুষ নন, তাঁরা বাংলাদেশেরই অধিবাসি। উল্লেখিত ষড়যন্ত্র প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জনাব সজিব ওয়াজেদ জয় তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করে পালটা চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন প্রমানের জন্য।এরই মধ্যে মিডিয়া ষড়যন্ত্রের উৎসস্থল আবিস্কার করে পত্র পত্রিকায় প্রমান সহ উল্লেখ করেছেন। মুল ষড়যন্ত্রকারী খালেদা জিয়া, তারেক গং ফুঁটা বেলুনের মত চুপসে গেছেন। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী একপয্যায় খালেদার প্রতি আহব্বান জানিয়েছেন জয়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য। ইতিমধ্যে অপ-প্রচারের লক্ষন লক্ষ করলে একটা বিষয় পরিস্কার ধারনা পাওয়া যায়-তাঁরা মুলত সত্যতা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য উল্লেখিত ষড়যন্ত্রগুলী করেন না। জনমানসে তাঁদের ধারনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্যই অপপ্রচারের ডালা মেলে দেন।দীর্ঘ শাষনে তাঁদের যে প্রেতাত্বার ছায়া স্থাপন করতে পেরেছেন- তাঁদের মানসিক যন্ত্রনা লাঘবের নিমিত্তেই অপ-প্রচার গুলী নিত্য বাজারে গুজবকারে প্রকাশ করেন। মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে হাজারো ষড়যন্ত্র হয়েছে।হাজার হাজার প্রগতিশীল মানুষ জীবন দিয়েছে।পক্ষান্তরে সাম্প্রদায়িক শক্তির উৎসস্থল সম্পর্কে সকলেরই কমবেশী জানা আছে,কিন্তু তাঁদের উৎসস্থলে একটি বোমার আঘাতও কোন দিন পড়েছে কেউ বলতে পারবেনা।একজন সাম্প্রদায়িক শক্তির প্রতিভু প্রগতিশীল সংগঠনের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে- এমন নজীর নেই। খালেদা জিয়ার জনসভায় একটি বোমা ফুটেছে চরম শত্রুও স্বাক্ষী দিতে পারবেনা। আমি বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই-এদেশীয় অশুভ চক্রের বিদেশী রাষ্ট্র সমুহের সাথে সম্পর্কসূত্রের কারণেই সত্তরের দশকে সপরিবারে জাতির জনককে গণতান্ত্রিক আদর্শ প্রতিষ্ঠার শুভস্বপ্ন অপূর্ণ রেখে নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডে নিহত হতে হয়েছে। প্রাণ দিতে হয়েছে সুরক্ষিত জেলখানার অভ্যন্তরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক বাহক জাতীয় চার নেতাকে। ইদানীং এসব ষড়যন্ত্রের সাগরে বহতা নদীর স্রোতের মতোই যুক্ত হয়েছে হরেক প্রকার স্বার্থান্বেষী মানুষের উদ্দেশ্য আর অভিপ্রায়। কারণ দেশের সর্বস্তরেই কিছু মানুষের নৈতিক অধঃপতন এতটাই তীব্র হয়েছে যে, নাগরিক হিসেবে দায়িত্ববোধ কিংবা কর্তব্য পালনের কোনো তাগিদই তাদের মধ্যে অবশিষ্ট নেই। বাংলাদেশের বড় দুর্ভাগ্য, এদেশে অসাম্প্রদায়িক গণতন্ত্রমনা সম্প্রদায়ের অবস্থান থাকা সত্ত্বেও অগণতান্ত্রিক সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তিগুলো দীর্ঘকাল গায়ের জোরে,ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে,হত্যার মাধ্যমে জয়ের মুকুট মাথায় পরেছে। মিথ্যা, কুপন্ডতার অলীক গল্প শুনিয়ে জনতার মনের অধীশ্বর হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা হস্তগত করেছে। রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রেই তার অশুভ শক্তির বিস্তার ঘটিয়েছে। অশুভ শক্তি ক্ষমতার বিস্তার ঘটিয়ে অধিকাংশ মানুষের মনে এমন এক অপরিচ্ছন্ন, অসুস্থ মানসিকতা সৃষ্টি করেছে যা থেকে সহজে উত্তরন হয়তোবা অচিরেই সম্ভব নয়। তারই ফল দেখা যায় আসলাম চৌধুরীর ষড়যন্ত্রের খবর নিয়ে যখন টেলিভিশন চ্যানেলে আলাপ আলোচনার ঝড় ঊঠে, তখনো বহু শিক্ষিত জনের মুখেই কোমল কণ্ঠে উচ্চারিত হয়- আসলাম চৌধুরীর সঙ্গে ওই গোয়েন্দা ব্যক্তির সাক্ষাৎ হয়েছে তো ভারতের মাটিতে বসে। ভারত কি ইসরায়েলকে বাংলাদেশে এমন ঘটনা ঘটাতে দিবে?তাও আবার আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে? খোদ বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখেও শুনা গেছে এমন বাক্য। তাদের ধারনার ধরনখানা এমন, যেন পুরো ভারতবাসী এবং ভারত সরকার জানেন, সেই দেশের গোপন কোন এক প্রান্তে বসে বাংলাদেশের কুচক্রিমহল, চক্রান্তকারীরা- নিজ দেশের সরকার উৎখাতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন! ঠিক এই ধরনের সমাজতাত্বিক এবং মনস্তাত্বিক কারণেই দেশের বরেণ্য প্রবীণ সাংবাদিকও নিজ দেশের প্রধানমন্ত্রীর ছেলের বিরুদ্ধে বিদেশের মাটিতে বসে জঘন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে দ্বিধাগ্রস্ত হন না! নারায়ণগঞ্জে শ্রদ্ধেয় প্রধান শিক্ষক শ্যামলবাবুর বিরুদ্ধে পবিত্র ধর্ম অবমাননার মিথ্যে অজুহাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে তাঁকে উন্মত্ত জনতার হাতে তুলে দিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া হয়। একুশে আগস্ট ভয়ঙ্কর গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয় বিরোধী দলের নেত্রী শেখ হাসিনার বিশাল সমাবেশে।একই মানসিকতা থেকেই মন্দিরের পুরোহিতের গলা কাটা হয়! অসাম্প্রদায়িক বৌদ্ধ ভিক্ষুকে জবাই হতে হয় অকারণ নিষ্ঠুরতায়! খ্রিস্টানের গির্জায় বিশাল আকারের বোমা ফাটে! জজ মিয়ার নাটক তৈরি হয়। নিরীহ তরুণ পার্থ সাহাকে--পুলিশি নির্যাতনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা দেহমনে ধারণ করে হতে হয় স্বদেশছাড়া। সংখ্যালঘু উৎপাটনের নিরন্তর চেষ্টা চলে-- সমাজের, রাষ্ট্রের অনুকুল্যে। অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক বাহকদের লুলোপ দৃষ্টি থেকে রক্ষা পায়না সংখ্যা লুঘুদের বাড়ীঘর,জায়গা জমি।অসাম্প্রদায়িক ছাত্র সংগঠনের কিরিচের কোপে ক্ষতবিক্ষত হয় সংখ্যালুঘুর যুবকের দেহ। মুক্তমনা, প্রগতিমনা, কবি সাহিত্যিক, রাজনীতির মানুষগুলোর হত্যাকাণ্ড ঘটে অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায়। সুপ্রীয় বন্ধুরা, উল্লেখীত ষড়যন্ত্র সর্বতো মিথ্যা প্রমানীত হওয়ার পরও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং তাঁর অঙ্গ সংগঠন সমুহ নির্বিকার।দেশের কোথাও রাজনৈতিক কোন কর্মসুচি নেই,প্রতিরোধের কোন লক্ষন নেই।আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় মুখপাত্র মাঝেমধ্যে বিবৃতি দেয়া ছাড়া কায্যত আর কোন প্রতিরোধের লক্ষন নেই।কিন্তু কেন? রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করার পদক্ষেপ নিচ্ছেনা কেন আওয়ামী লীগ? যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে মি:ত্রাম্পকে সভাসমাবেশ করতে দিচ্ছেনা সে দেশের জনগন তাঁর অসংলগ্ন বক্তব্যের কারনে।বাংলাদেশে কি এত ষড়যন্ত্রের পরেও তদ্রুপ কোন ব্যবস্থা নেয়া যায়না? অবশ্যই যায়। প্রতিরোধ করা গনতন্ত্রের অংশ, গনতন্ত্রের সংজ্ঞার মধ্যেই প্রতিরোধের মর্মবানী নিহিত। এই বিষয়ে দুইটি কারন অনুধাবন করা যেতে পারে-- (১) রাজনৈতিক কর্মসুচিতে না গিয়ে রাজনৈতিক পরিবেশ বর্তমানের সংঘাতহীন রেখে দেশকে উন্নতির শীখরে নিয়ে যাওয়া। (২) রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে ষড়যন্ত্রের মুল উৎপাটন করা। আমরা জানি, জাতির জনকের কন্যা প্রধান অশুভ শক্তি জামায়াতে ইসলামীর সাথে লড়াইরত: রয়েছেন। ইতিমধ্যে সর্ব উচ্চ দলীয় ঝুঁকিকে জিম্মি করে লড়াইতে জেতার দ্বারপ্রান্তে উপনীত। বৃহৎ সন্ত্রাসী শক্তির বিনাসের পর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অশুভ শক্তির পতন অনিবায্য ধরে নিয়েছেন জাতির জনকের কন্যা। ইতিমধ্যে ষড়যন্ত্রের গর্ভে জম্ম নেয়া বিএনপির বিরুদ্ধে লড়াই করার সরঞ্জাম প্রস্তুতি পর্ব সমাপন করে লস্কর নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছেন।সুতাররাং কৌশলেই যদি কপোকাত করা যায়, হানাহানির প্রয়োজনীয়তা কি? 'জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু'

  অশুভ শক্তির চক্রান্ত ফাঁস।রাজনৈতিক প্রতিরোধের ভাবনা বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় শক্তিতে সকল ষড়যন্ত্রের মূলৎপাটনের সরকারি কৌশল।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg