চক্রান্তের বেড়াজালে বাংলাদেশ সরকার--মুল লক্ষ সজিব ওয়াজেদ (জয়)------ ___________________________________________ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। সরকার প্রধান জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। সরকার প্রধানের অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক অবৈতনিক উপদেষ্টা হচ্ছেন তাঁরই একমাত্র পুত্র আই সি টি বিশেষজ্ঞ জনাব সজীব ওয়াজেদ (জয়)। তিনি ভবিষ্যতে রাজনীতি করবেন কিনা এখনও জনসমক্ষে কিছুই বলেননি, তাঁর 'মা' মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, 'তিনি পুত্রকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন,তাঁর পেশা বেচে নেয়ার যথেষ্ট জ্ঞান আছে,সুতারাং সে কি করবে-তাঁর নিজস্ব ব্যাপার।তবে আমি নীজেও তাঁর নিকট থেকে অনেক কিছুই শিখছি।' সুহৃদ পাঠকবৃন্দ, অতীতের হাজারো মিথ্যে ষড়যন্ত্রের ন্যায় গত ১৫ দিনের ব্যবধানে দুইটি ষড়যন্ত্র সর্বমহলে, আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ, দেশ বিদেশের সচেতন মহলের বিবেকে নাড়া দিয়েছে। (এক) বেগম খালেদা জিয়া এক অনুষ্ঠানে বলেছেন,' জয়ের একাউন্টে আমেরিকার ব্যাংকে বাংলাদেশ থেকে লুট করা আড়াই হাজার কোটি টাকা জমা আছে'। (দুই) ইজরাইলের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের মুখপাত্র সাফাদির সাথে ধৃত আসলামের আগে সাক্ষাৎ ঘটেছিল নিউইয়র্কে সজিব সাহেবের অফিস কক্ষে। উল্লেখিত দুটি ঘটনার প্রেক্ষাপট রচিত হয় জয়কে হত্যা প্রচেষ্টায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১১ ইং সালে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বাংলাদেশী বংশদ্ভোত একজন সহ বিদেশে কয়জন ব্যাক্তির সাজা হওয়ার পর। ঐ মামলার শুনানীতে বাংলাদেশে অবস্থানরত: একজন সাংবাদিক এবং এক জন পত্রিকা সম্পাদকের নাম উঠে আসে।বাংলাদেশে জড়িত সাংবাদিক শফিক রেহমানকে সরকার আইনের আওতায় নিয়ে আসে।, কারাগারে আগে থেকে আটক আমার দেশ সম্পাদক সাহেবকেও অত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।অত্র মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার প্রথমিক চেষ্টার ফসল "জয়ের একাউন্টে গচ্ছিত বাংলাদেশের লুটের টাকা।"যাহা বাংলাদেশের সাবেক আড়াইবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কতৃক উত্থাপিত হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি প্রকাশ পায়--বিএনপি দলের নতুন সংযোজিত অচেনা অজানা ব্যবসায়ী আসলাম চৌধুরীর ইজরাইলের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রতিনীধি সাফাদির সাথে একাধিক বৈঠকের সচিত্র প্রতিবেদন পত্রিকায় প্রকাশের পর। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকে উক্ত ইহুদী রাষ্ট্রের সাথে কোন প্রকার কুটনৈতিক,ব্যবসায়িক সম্পর্ক নাই বিধায় আসলামকে আইনের আওতায় আনায়ন করেছে সরকার। গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে যা প্রকাশ করেছেন আসলাম,' তাতে প্রত্যেক সচেতন নাগরিক উদ্ভিগ্ন না হয়ে পারেন না।' সুহৃদ পাঠক বন্ধুগন, এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করে রাখতে চাই,' গ্রপ্তার ও রিমান্ডের পর দুই ঘটনার দুই ব্যাক্তিই জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং আরও অনেকের জড়িত থাকার ব্যাপারেও সুস্পষ্ট ধারনা দিয়েছেন বাংলাদেশী গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে।' পাঠকবর্গ লক্ষ করুন, ক্ষমতার কেন্দ্র বিন্দুতে সজিব ওয়াজেদ জয় নেই, আগামীতে আসবেন-তাঁর আবাস ইঙ্গিতও দেননি। সরকারের বিরুদ্ধে এবং সরকার প্রধানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার না করে কুচক্রিমহল জাতির জনকের দৌহিত্রের বিরুদ্ধে কেন হঠাৎ একের পর এক ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তারে মরিয়া? সুপ্রীয় পাঠক,৭২-৭৫ ইং সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে কোন অপ-প্রচার হয়নি,যা হয়েছে শেখ কামাল এবং শেখ মনির বিরুদ্ধে। দুইজনই ছিলেন জাতির জনকের পরিবারের উজ্বল নক্ষত্র। দুইজনের চরিত্র হনন করা হয়েছে উলঙ্গচিত্তে।আওয়ামী লীগের নেতারা তখন নাকে তৈল দিয়ে অপ-প্রচারের রসালো কাহিনী শুনেছেন আর হাসাহাসি করেছেন।ভিত্তিহীন খবর নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন আছে বলেই মনে করেননি।ফলত: মুখরোচক আলোচনা মানুষের মনে দিব্যি সত্যি হয়ে অন্তরে গেথে গেছে পয্যায়ক্রমে। বর্তমানেও শেখ হাসিনার সরকার এবং শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে উল্লেখীত ষড়যন্ত্র না করে- কুচক্রিমহল জাতির জনকের পরিবারের জৈষ্ঠকন্যা বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রীর একমাত্র সুশিক্ষিত পুত্র জনাব জয়ের বিরুদ্ধেই একে একে ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে যাচ্ছে। প্রকাশিত ষড়যন্ত্রের দিকগুলো নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ শেষে দেখা যায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন আবার নতুন করে আলোড়িত হচ্ছে। কারণ গোয়েন্দা সংস্থার কল্যাণে পত্র-পত্রিকায় কিছুদিন আগে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, বাংলাদেশের সরকার উৎখাত ষড়যন্ত্রে আসলাম চৌধুরী নামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের এক নেতা ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের একজন সাবেক এজেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের রূপরেখা রূপায়িত হয়েছে এ সংবাদও গোপন নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোয়েন্দা সংস্থার উল্লেখ দিয়ে আরো জানিয়েছেন- কেবল জাতীয়তা বাদী দল নয়, অপর কয়েকটি দলের নামও জড়িয়ে গেছে এই সুগভীর চক্রান্তের রূপায়ণকারী হিসেবে। উল্লেখিত ষড়যন্ত্রকারীরা সরকারের বিরুদ্ধে নিয়মাতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রাম বাদ দিয়ে একক ভাবে সজিব ওয়াজেদ জয় এবং বর্তমান সরকারকে অগনতান্ত্রিকভাবে উৎখাতের দুইটি কারন থাকতে পারে--- (১) বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করে, বিগত দিনের লুটপাটের ইতিহাস, আগুন সন্ত্রাসের ইতিহাস, ষড়যন্ত্রের ইতিহাস নিয়ে খমতায় যাওয়ার স্বপ্ন পুরন না হওয়ার আশংকা। (২) শেখ হাসিনার অবর্তমানে সজিব ওয়াজেদ জয়ের আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসার সমুহ সম্ভাবনা। খালেদা জিয়ার অবর্তমানে যেহেতু তারেকের বিএনপি দলের নেতৃত্ব পাওয়ার নিশ্চয়তা ইতিমধ্যে স্থীর হয়েছে সুতারাং তাঁর ইমেজ সংকট দুরিভূত করার নিমিত্তে জয়ের ইমেজে কালিমালিপ্ত করার অপকৌশল প্রয়োগ। সুপ্রীয় বন্ধুগন, এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই--মুক্তিযুদ্ধের পর থেকেই এদেশের বুদ্ধিজীবি সমাজ তাদের লেখনিতে, আলোচনায়, সেমিনারে বিদেশী রাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুঁজে বেড়ান।বিদেশী রাষ্ট্র সমুহের ষড়যন্ত্র অবশ্যই আছে,তবে তাঁদের স্বার্থ রক্ষার স্বার্থে। তাঁরা সহায়ক শক্তি হিসেবে সহযোগিতা করেন, আশ্রয়- প্রশ্রয় দেন কিন্তু এদেশীয় ষড়যন্ত্রকারিরাই মুল কাজটি ঘটান।এ দেশীয় ষড়যন্ত্রকারীদের কথা আমাদের বুদ্ধিজীবি সমাজ মুখে আনেন না। যেন ভাঁসুরের নাম মুখে নেয়া যায়না, তবে কেহ কেহ আচার আচরনে, ইঙ্গিতে ঈশারায় বলতে চেষ্টা করেন।স্পষ্ট ভাষায় ষড়যন্ত্রকারীদের তথ্য তাঁদের আলোচনায় আসলে হয়তোবা অনেক হত্যা, হত্যা প্রচেষ্টা থেকে দেশের অনেক প্রথিতযষা লেখক, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবি, রাজনীতিক রক্ষা পেতেন।বিদেশীদের সাথে সম্পর্ক যারা তৈরী করেন, এদেশে প্রগতিমনাদের হত্যা করতে, প্রগতিশীল রাজনীতিবীদদের হত্যা করতে- তারা মঙ্গল গ্রহের মানুষ নন, তাঁরা বাংলাদেশেরই অধিবাসি। উল্লেখিত ষড়যন্ত্র প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জনাব সজিব ওয়াজেদ জয় তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করে পালটা চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন প্রমানের জন্য।এরই মধ্যে মিডিয়া ষড়যন্ত্রের উৎসস্থল আবিস্কার করে পত্র পত্রিকায় প্রমান সহ উল্লেখ করেছেন। মুল ষড়যন্ত্রকারী খালেদা জিয়া, তারেক গং ফুঁটা বেলুনের মত চুপসে গেছেন। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী একপয্যায় খালেদার প্রতি আহব্বান জানিয়েছেন জয়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য। ইতিমধ্যে অপ-প্রচারের লক্ষন লক্ষ করলে একটা বিষয় পরিস্কার ধারনা পাওয়া যায়-তাঁরা মুলত সত্যতা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য উল্লেখিত ষড়যন্ত্রগুলী করেন না। জনমানসে তাঁদের ধারনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্যই অপপ্রচারের ডালা মেলে দেন।দীর্ঘ শাষনে তাঁদের যে প্রেতাত্বার ছায়া স্থাপন করতে পেরেছেন- তাঁদের মানসিক যন্ত্রনা লাঘবের নিমিত্তেই অপ-প্রচার গুলী নিত্য বাজারে গুজবকারে প্রকাশ করেন। মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে হাজারো ষড়যন্ত্র হয়েছে।হাজার হাজার প্রগতিশীল মানুষ জীবন দিয়েছে।পক্ষান্তরে সাম্প্রদায়িক শক্তির উৎসস্থল সম্পর্কে সকলেরই কমবেশী জানা আছে,কিন্তু তাঁদের উৎসস্থলে একটি বোমার আঘাতও কোন দিন পড়েছে কেউ বলতে পারবেনা।একজন সাম্প্রদায়িক শক্তির প্রতিভু প্রগতিশীল সংগঠনের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে- এমন নজীর নেই। খালেদা জিয়ার জনসভায় একটি বোমা ফুটেছে চরম শত্রুও স্বাক্ষী দিতে পারবেনা। আমি বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই-এদেশীয় অশুভ চক্রের বিদেশী রাষ্ট্র সমুহের সাথে সম্পর্কসূত্রের কারণেই সত্তরের দশকে সপরিবারে জাতির জনককে গণতান্ত্রিক আদর্শ প্রতিষ্ঠার শুভস্বপ্ন অপূর্ণ রেখে নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডে নিহত হতে হয়েছে। প্রাণ দিতে হয়েছে সুরক্ষিত জেলখানার অভ্যন্তরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক বাহক জাতীয় চার নেতাকে। ইদানীং এসব ষড়যন্ত্রের সাগরে বহতা নদীর স্রোতের মতোই যুক্ত হয়েছে হরেক প্রকার স্বার্থান্বেষী মানুষের উদ্দেশ্য আর অভিপ্রায়। কারণ দেশের সর্বস্তরেই কিছু মানুষের নৈতিক অধঃপতন এতটাই তীব্র হয়েছে যে, নাগরিক হিসেবে দায়িত্ববোধ কিংবা কর্তব্য পালনের কোনো তাগিদই তাদের মধ্যে অবশিষ্ট নেই। বাংলাদেশের বড় দুর্ভাগ্য, এদেশে অসাম্প্রদায়িক গণতন্ত্রমনা সম্প্রদায়ের অবস্থান থাকা সত্ত্বেও অগণতান্ত্রিক সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তিগুলো দীর্ঘকাল গায়ের জোরে,ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে,হত্যার মাধ্যমে জয়ের মুকুট মাথায় পরেছে। মিথ্যা, কুপন্ডতার অলীক গল্প শুনিয়ে জনতার মনের অধীশ্বর হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা হস্তগত করেছে। রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রেই তার অশুভ শক্তির বিস্তার ঘটিয়েছে। অশুভ শক্তি ক্ষমতার বিস্তার ঘটিয়ে অধিকাংশ মানুষের মনে এমন এক অপরিচ্ছন্ন, অসুস্থ মানসিকতা সৃষ্টি করেছে যা থেকে সহজে উত্তরন হয়তোবা অচিরেই সম্ভব নয়। তারই ফল দেখা যায় আসলাম চৌধুরীর ষড়যন্ত্রের খবর নিয়ে যখন টেলিভিশন চ্যানেলে আলাপ আলোচনার ঝড় ঊঠে, তখনো বহু শিক্ষিত জনের মুখেই কোমল কণ্ঠে উচ্চারিত হয়- আসলাম চৌধুরীর সঙ্গে ওই গোয়েন্দা ব্যক্তির সাক্ষাৎ হয়েছে তো ভারতের মাটিতে বসে। ভারত কি ইসরায়েলকে বাংলাদেশে এমন ঘটনা ঘটাতে দিবে?তাও আবার আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে? খোদ বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখেও শুনা গেছে এমন বাক্য। তাদের ধারনার ধরনখানা এমন, যেন পুরো ভারতবাসী এবং ভারত সরকার জানেন, সেই দেশের গোপন কোন এক প্রান্তে বসে বাংলাদেশের কুচক্রিমহল, চক্রান্তকারীরা- নিজ দেশের সরকার উৎখাতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন! ঠিক এই ধরনের সমাজতাত্বিক এবং মনস্তাত্বিক কারণেই দেশের বরেণ্য প্রবীণ সাংবাদিকও নিজ দেশের প্রধানমন্ত্রীর ছেলের বিরুদ্ধে বিদেশের মাটিতে বসে জঘন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে দ্বিধাগ্রস্ত হন না! নারায়ণগঞ্জে শ্রদ্ধেয় প্রধান শিক্ষক শ্যামলবাবুর বিরুদ্ধে পবিত্র ধর্ম অবমাননার মিথ্যে অজুহাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে তাঁকে উন্মত্ত জনতার হাতে তুলে দিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া হয়। একুশে আগস্ট ভয়ঙ্কর গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয় বিরোধী দলের নেত্রী শেখ হাসিনার বিশাল সমাবেশে।একই মানসিকতা থেকেই মন্দিরের পুরোহিতের গলা কাটা হয়! অসাম্প্রদায়িক বৌদ্ধ ভিক্ষুকে জবাই হতে হয় অকারণ নিষ্ঠুরতায়! খ্রিস্টানের গির্জায় বিশাল আকারের বোমা ফাটে! জজ মিয়ার নাটক তৈরি হয়। নিরীহ তরুণ পার্থ সাহাকে--পুলিশি নির্যাতনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা দেহমনে ধারণ করে হতে হয় স্বদেশছাড়া। সংখ্যালঘু উৎপাটনের নিরন্তর চেষ্টা চলে-- সমাজের, রাষ্ট্রের অনুকুল্যে। অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক বাহকদের লুলোপ দৃষ্টি থেকে রক্ষা পায়না সংখ্যা লুঘুদের বাড়ীঘর,জায়গা জমি।অসাম্প্রদায়িক ছাত্র সংগঠনের কিরিচের কোপে ক্ষতবিক্ষত হয় সংখ্যালুঘুর যুবকের দেহ। মুক্তমনা, প্রগতিমনা, কবি সাহিত্যিক, রাজনীতির মানুষগুলোর হত্যাকাণ্ড ঘটে অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায়। সুপ্রীয় বন্ধুরা, উল্লেখীত ষড়যন্ত্র সর্বতো মিথ্যা প্রমানীত হওয়ার পরও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং তাঁর অঙ্গ সংগঠন সমুহ নির্বিকার।দেশের কোথাও রাজনৈতিক কোন কর্মসুচি নেই,প্রতিরোধের কোন লক্ষন নেই।আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় মুখপাত্র মাঝেমধ্যে বিবৃতি দেয়া ছাড়া কায্যত আর কোন প্রতিরোধের লক্ষন নেই।কিন্তু কেন? রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করার পদক্ষেপ নিচ্ছেনা কেন আওয়ামী লীগ? যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে মি:ত্রাম্পকে সভাসমাবেশ করতে দিচ্ছেনা সে দেশের জনগন তাঁর অসংলগ্ন বক্তব্যের কারনে।বাংলাদেশে কি এত ষড়যন্ত্রের পরেও তদ্রুপ কোন ব্যবস্থা নেয়া যায়না? অবশ্যই যায়। প্রতিরোধ করা গনতন্ত্রের অংশ, গনতন্ত্রের সংজ্ঞার মধ্যেই প্রতিরোধের মর্মবানী নিহিত। এই বিষয়ে দুইটি কারন অনুধাবন করা যেতে পারে-- (১) রাজনৈতিক কর্মসুচিতে না গিয়ে রাজনৈতিক পরিবেশ বর্তমানের সংঘাতহীন রেখে দেশকে উন্নতির শীখরে নিয়ে যাওয়া। (২) রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে ষড়যন্ত্রের মুল উৎপাটন করা। আমরা জানি, জাতির জনকের কন্যা প্রধান অশুভ শক্তি জামায়াতে ইসলামীর সাথে লড়াইরত: রয়েছেন। ইতিমধ্যে সর্ব উচ্চ দলীয় ঝুঁকিকে জিম্মি করে লড়াইতে জেতার দ্বারপ্রান্তে উপনীত। বৃহৎ সন্ত্রাসী শক্তির বিনাসের পর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অশুভ শক্তির পতন অনিবায্য ধরে নিয়েছেন জাতির জনকের কন্যা। ইতিমধ্যে ষড়যন্ত্রের গর্ভে জম্ম নেয়া বিএনপির বিরুদ্ধে লড়াই করার সরঞ্জাম প্রস্তুতি পর্ব সমাপন করে লস্কর নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছেন।সুতাররাং কৌশলেই যদি কপোকাত করা যায়, হানাহানির প্রয়োজনীয়তা কি? 'জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু'

  অশুভ শক্তির চক্রান্ত ফাঁস।রাজনৈতিক প্রতিরোধের ভাবনা বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় শক্তিতে সকল ষড়যন্ত্রের মূলৎপাটনের সরকারি কৌশল।

মন্তব্যসমূহ