বঙ্গবন্ধু , আওয়ামীলীগ, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ।
লিখেছেন--Shahalam Sajeeb
____________________________________
★ ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন : ঢাকার কে.এম দাস লেনের কে.এম বশির হুমায়নের বাসভবন ‘রোজ গার্ডেন’- এ পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন
★ ২৪ জুন : সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন
আরমানিটোলা মাঠে দলের প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
★ ১৫ আগস্ট : দলের প্রথম সাপ্তাহিক মুখপত্র ইত্তেফাক প্রকাশিত হয়।
★ ১৯৫০- ০১ জানুয়ারি : শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার।
★ ২৪ জানুয়ারি : হোসেন সোহরাওয়ার্দীর
উদ্যোগে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা। সভাপতি মানকি শরীফের পীর এবং সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক ওসমানী।
★ ১৯৫২-২৬ জানুয়ারি : নাজিমুদ্দিনের ঘোষণা উর্দুই হবে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। কারাবন্দী শেখ মুজিব ১৯৫২ সালের ৮
ফেব্রুয়ারি চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হন। মেডিকেলে প্রিজন সেলে থাকা অবস্থায় বাইরের নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে আন্দোলন এগিয়ে
নেওয়ার দিক-নির্দেশনা দেন।
★ ৩১ জানুয়ারি : তৎকালীন আওয়ামী লীগ সভাপতি মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে ঢাকা বার লাইব্রেরি হলে অনুষ্ঠিত সভায় ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি’ গঠিত।
★ ১৬ ফেব্রুয়ারি : শেখ মুজিবকে ঢাকা
থেকে ফরিদপুর জেলে হস্তান্তর।
★ ২১ ফেব্রুয়ারি : ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের মিছিলে গুলি। রফিক, সালাম, জব্বার, বরকত ও অহিউল্লাহ শহীদ।
★ ২২ ফেব্রুয়ারি : প্রতিবাদ মিছিলে আবার গুলি, সফিকুর রহমান শহীদ।
★ ১৯৫৩-০৯ জুলাই : ময়মনসিংহে আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠার পর প্রথম কাউন্সিল অধিবেশন।
ভাসানী সভাপতি, শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত।
★ ১৪ নভেম্বর : ঢাকায় আওয়ামী লীগের
কাউন্সিল অধিবেশনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের
সিদ্ধান্ত এবং ২১ দফার খসড়া গৃহীত।
★ ০৪ ডিসেম্বর : যুক্তফ্রন্ট গঠিত।
স্বায়ত্তশাসন, ভাষা এবং বাঙালি অধিকার আদায়ের জন্য ঐতিহাসিক ২১ দফা ঘোষণা করা হয়।
★ ১৯৫৪- ০৮ মার্চ : প্রাদেশিক আইন সভার নির্বাচনে ২১-দফার পক্ষে নিরঙ্কুশ রায়, যুক্তফ্রন্টের বিপুল বিজয়। মুসলিমলীগের ভরাডুবি।
★ ১৯ এপ্রিল : পাকিস্তান গণপরিষদ কর্তৃক বাংলা ও উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা।
★ ১৯৫৫- ২১-২৩ অক্টোবর : পূর্ব পাকিস্তান
আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে
দলের নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
★ ১৯৫৬-০২ মার্চ : গণপরিষদে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান পাস।
★ ৬ সেপ্টেম্বর : পূর্ব বাংলার এবং ১১
সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের মন্ত্রিসভা গঠন।
★ ১৯৫৭- ১৮ মার্চ : আওয়ামী লীগ থেকে
মওলানা ভাসানীর পদত্যাগ।
★ ৩১ মে : মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করে শেখ মুজিব
সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আওয়ামীলীগকে সংগঠিত করার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
★ ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ অক্টোবর
: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে কোয়ালিশন সরকার।
★ ১৯৫৮- ০৭ অক্টোবর : পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি, সংবিধান বাতিল। শেখ মুজিবসহ বহু নেতা গ্রেফতার।
রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ।
★ ১৯৫৯-৭ ডিসেম্বর : শেখ মুজিবের
মুক্তিলাভ। গোপনে সহকর্মীদের কাছে
স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা প্রকাশ।
★ ১৯৬২- স্বাধীনতার লক্ষ্যে শেখ
মুজিবের রাজনৈতিক-সাংগঠনিক প্রস্তুতির সূচনা। এ লক্ষ্যে ছাত্র-যুব নেতাদের নিয়ে গোপন নিউক্লিয়াস গঠন।
★ ৩০ জানুয়ারি : সোহরাওয়ার্দী
গ্রেফতার। প্রতিবাদে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনের সূচনা।
★ ০৭ ফেব্রুয়ারি : শেখ মুজিবসহ
আওয়ামীলীগ নেতাদের ধরপাকড়।
★ ২৪ জুন : আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্র প্রত্যাখ্যান করে ৯ নেতার ঐতিহাসিক বিবৃতি।
★ ১৭ সেপ্টেম্বর : শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট-বিরোধী আন্দোলন, দুজন নিহত।
★ ০৪ অক্টোবর : রাজনৈতিক দল
পুনরুজ্জীবিত না করে আওয়ামী লীগ,
ন্যাপ, কেএসপি প্রভৃতি দল মিলে এনডিএফ বা জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট গঠন।
★ ১৯৬৩- ০৫ ডিসেম্বর : বৈরুতে
সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যু।
★ ১৯৬৪- ১৪ জানুয়ারি : সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা।
★ ১৬ জানুয়ারি : শেখ মুজিবের নেতৃত্বে
দাঙ্গাবিরোধী প্রতিরোধ। ‘পূর্ব পাকিস্তান
রুখিয়া দাঁড়াও’ ইশতেহার প্রচার।
★ ২৫ জানুয়ারি : এনডিএফ ত্যাগ করে আওয়ামীলীগ পুনরুজ্জীবন। শেখ মুজিব মূল উদ্যোক্তা। এনডিএফ-পন্থিদের দল ত্যাগ।
★ ১৯৬৬- ০৫ ফেব্রুয়ারি : লাহোরে শেখ
মুজিবের ৬-দফা দাবি উত্থাপন।
★ ১৮ মার্চ : আওয়ামী লীগ কাউন্সিলে
‘আমাদের বাঁচার দাবি ৬-দফা কর্মসূচি’
অনুমোদন। শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামীলীগের সভাপতি ও তাজউদ্দিন আহমদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত।
★ ২০ মার্চ : আইয়ুব খানের হুমকি : ৬-দফা নিয়ে চাপাচাপি করলে অস্ত্রের ভাষায় জবাব দেওয়া হবে, গৃহযুদ্ধ হবে।
★ ০৮ মে : শেখ মুজিব ও তাজউদ্দিনসহ
আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার।
★ ০৭ জুন : ৬-দফা ও বন্দী মুক্তির দাবিতে আওয়ামী লীগের দেশব্যাপী হরতাল। ১০ জন নিহত।
★ ১৭ জুন : ইত্তেফাক পত্রিকা নিষিদ্ধ ঘোষিত।
★ ১৯৬৭- ২২ জুন : রেডিওতে সরকারের
রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ ঘোষণা।
★ ১৯৬৮- ১৭ জানুয়ারি : ১৯৬৬ সালের ৮ মে কারাবন্দী শেখ মুজিবকে ঢাকা জেল
থেকে মুক্তি দিয়ে জেলগেটে আবার
গ্রেফতার করে ঢাকা সেনানিবাসে আটক।
★ ১৮ জানুয়ারি : শেখ মুজিবকে ১নং আসামি করে ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিব এবং অন্যান্য’ মামলা দায়ের। এ মামলাটিই ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র’ মামলা হিসেবে পরিচিত।
★ ১৯ জুন : আগরতলা মামলার আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু।
♦ ডিসেম্বর : ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন (দুই
গ্রুপ), এনএসএস (একাংশ) ও ডাকসুর নেতৃত্বে আন্দোলনের লক্ষ্যে ‘কেন্দ্রীয় ছাত্র
সংগ্রাম পরিষদ’ গঠনের উদ্যোগ।
★ ১৯৬৯-০৮ জানুয়ারি : গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও
আইয়ুব শাহীর পতনের লক্ষ্যে আওয়ামী
লীগসহ ৮টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে
ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন কমিটি (ডাক) গঠন।
★ ১০ জানুয়ারি : ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক ৬-দফাভিত্তিক ১১-দফা কর্মসূচি প্রণয়ন ও আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা।
★ ১৭-২০ জানুয়ারি : ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্রদের প্রথম বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল। পুলিশি হামলা। ২০ জানুয়ারি ছাত্রনেতা আসাদ নিহত।
★ ২৪ জানুয়ারি : ছাত্র গণ-অভ্যুত্থান। স্কুলছাত্র মতিউরসহ কয়েকজন নিহত। কারফিউ ভঙ্গ।
♦ জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি : শেখ মুজিবের মুক্তি, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বাতিল ও ১১-দফা দাবিতে সারাদেশে গণ-অভ্যুত্থানের বিস্তৃতি।
★ ২২ ফেব্রুয়ারি : শেখ মুজিবের নিঃশর্ত
মুক্তি, আগরতলা মামলা প্রত্যাহার।
★ ২৩ ফেব্রুয়ারি : রেসকোর্স ময়দানের
লক্ষ লক্ষ মানুষের গণসংবর্ধনায় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক শেখ মুজিব ‘বঙ্গবন্ধু’
অভিধায় ভূষিত।
★ ২৫ মার্চ : আইয়ুব খানের পতন।
জেনারেল ইয়াহিয়া খানের ক্ষমতা গ্রহণ,
সামরিক আইন জারি।
★০৫ ডিসেম্বর : সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যু
দিবসে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা, ‘এখন থেকে
পূর্ব পাকিস্তানের নাম হবে #বাংলাদেশ ’।
★ ১৯৭০- ০৭ ডিসেম্বর : পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন। ৩০০ আসনের জাতীয় পরিষদে পূর্ব বাংলার ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামীলীগের ১৬৭টি আসনে জয়লাভ।
★ ১৭ ডিসেম্বর : পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক
পরিষদের নির্বাচন। ৩০০ আসনে আওয়ামীলীগের ২৮৮ আসন লাভ।
★ ০৩ জানুয়ারি : রেসকোর্স ময়দানের বিশাল জনসভায় জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের (এমএনএ ও এমপিএ) ৬-দফা ও স্বাধিকারের নামে শপথ গ্রহণ। এই শপথ অনুষ্ঠানে ‘আমার সোনার বাংলা’ গাওয়া হয়।
★ ১৯৭১- ০১ থেকে ২৫ মার্চ : বাংলাদেশের।প্রশাসন, বিচার বিভাগ, ব্যবসা- বাণিজ্য, ব্যাংক শিল্প-কারখানা, পরিবহন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব কিছু
পরিচালিত হয় বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে। এই
সময়কালে বঙ্গবন্ধু ৩৫-দফা নির্দেশনা প্রদান করেন।
( বঙ্গবন্ধু অহিংস অসহযোগ আন্দোলনের
১০-দফা কর্মসূচী )
★ ০১ মার্চ : ইয়াহিয়া কর্তৃক ৩ মার্চ ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা।ইয়াহিয়ার ঘোষণার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দাবিতে সমগ্র
বাংলাদেশে স্বতঃস্ফূর্ত গণবিস্ফোরণ। ‘জয়
বাংলা, বীর বাঙালি অস্ত্র ধর- বাংলাদেশ স্বাধীন কর, তোমার আমার ঠিকানা- পদ্মা মেঘনা যমুনা, জাগো জাগো বাঙালি জাগো’ প্রভৃতি স্লোগানে সারাদেশ আন্দোলিত। কারফিউ জারি।
★ ০২ মার্চ : বঙ্গবন্ধুর হরতাল-ধর্মঘট আহ্বান।
♦ ৩ মার্চ জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক প্রথম ‘জাতীয় পতাকা’ উত্তোলন।
★ ০৩ মার্চ : পল্টন ময়দানে বঙ্গবন্ধুর
উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের জনসভায় ‘স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার’ ঘোষণাপত্র পাঠ, জাতীয় পতাকা প্রদর্শন ও জাতীয় সংগীত হিসেবে ‘আমার সোনার বাংলা’ পরিবেশন।
★ ০৭ মার্চ : রেসকোর্স ময়দানের ১০ লাখ
লোকের সমাবেশে বঙ্গবন্ধু কার্যত
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’।
(বঙ্গবন্ধু অহিংস অসহযোগ আন্দোলনের
১০-দফা কর্মসূচি ঘোষণা)
★ ১৬ মার্চ : ইয়াহিয়া খানের সাথে বঙ্গবন্ধুর আলোচনা শুরু। আলোচনার নামে কালক্ষেপণের কৌশল নিয়ে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ প্রস্তুতি গ্রহণ করে।
★ ২৩ মার্চ : আলোচনা কার্যত ভেঙে যায়।
বঙ্গবন্ধু ৩২নং বাসভবনে নিজ হাতে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।
★ ২৫ মার্চ : রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে নিরস্ত্র বাঙালি জাতির ওপর সামরিক অভিযান এবং রাজধানী ঢাকায় গণহত্যা শুরু করে।
★ ২৬ মার্চ : পঁচিশে মার্চ রাত ১২টার কিছু পরে অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে গ্রেফতার
হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তৎকালীন ইপিআরের ওয়ারলেসযোগে বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণা চট্টগ্রামসহ সারাদেশে প্রচারিত হয়।
চট্টগ্রামসহ সারাদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা
ঘোষণা মাইকিং করে এবং লিফলেট আকারে বিতরণ করা হয়।
-বেলা সোয়া ২টায় চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে গমন করেন এবং সেখান থেকে সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা পাঠ করেন।
জাতির জনক,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠবাঙ্গালী, বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু মুজিবের রাজনৈতিক জীবনের খন্ডিতাংশ বিধৃত করার ক্ষুদ্র চেষ্টামাত্র। আগামী প্রজম্মের নিকট সত্যিকারের বঙ্গবন্ধুকে তুলে ধরার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য বোধের প্রচেষ্টা মাত্র।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন