বিরুপ পরিস্থীতিতেও গনতন্ত্রের অভিযাত্রা এবং সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় বিরল দৃষ্টান্তই স্থাপন করেছেন জাতির জনকের কন্যা----________________________________________________ বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয়ের পর থেকে সামরিক বেসামরিক, স্বৈরশাষন, অপশাষন,গনতান্ত্রিক শাষন অগনতান্ত্রিক শাষন সহ বহুবিদ শাষন, জনগনের সৌভাগ্য বলি আর দুর্ভাগ্য বলি, দেখার সুযোগ হয়েছে। আওয়ামী লীগ এর আগেও তিনবার দেশ শাষন করার সুযোগ পেয়েছিল। কেউ স্বীকার করুক বা না করুক-এবারকার বিরুধী দলের ভুমিকাহীন শাষনে গনতন্ত্রের অভিযাত্রাকে জাতির জনকের কন্যা-যে স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা, সংশ্লিষ্টদের অংশিদারিত্ব নিশ্চিত, জন আকাংক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে এগিয়ে নিচ্ছেন- এমনতর অন্যদল বা জোটের শাষনে বিরুধীদলের অস্তিত্ব জোরালো থাকা সত্বেও দেখা যায়নি। 'অর্থাৎ রাষ্ট্রের কাঠামোগুলিকে সর্বক্ষেত্রে গনতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় রেখে জবাবদিহীতা নিশ্চিতে বর্তমান সরকারের যে আন্তরিকতার বহি:প্রকাশ ঘটছে তেমনটি অতীতে দেখা যায়নি।' উদাহরন হিসেবে চলমান ইউপি নির্বাচনের কথাই বলতে পারি-বিএনপি জামায়াতকে সরকার, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন সর্বাত্মক চেষ্টা করেও সার্বিক প্রতিযোগিতায় নামাতে পারেনি।বিরুধিদলের ভোট যুদ্ধে অনেক ক্ষেত্রে নামমাত্র অংশ গ্রহন, কোন কোন ইউপিতে হালছেড়ে বসে পড়া, অনেক ইউপিতে অংশ গ্রহন করার দলীয় নেতাকর্মী না পাওয়া সত্বেও সত্তর শতাংশ ইউপিতে ভোট সুষ্ঠ অবাধ,নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপি জামায়াতের এত বেশী দুর্ভাগ্য বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর চাইতেও অনেক কম ইউপিতে তাঁরা বিজয়ী হতে পেরেছে। বিরুধীদের প্রতিরোধ, প্রতিযোগিতা, প্রচার-প্রচারনা ব্যতিরেকে সংখ্যাগরিষ্ট ইউপিতে সুষ্ঠ নির্বাচন নিশ্চিত করা সরকারের আন্তরিকতা,গনতন্ত্রের প্রতি একাগ্রতার বহি:প্রকাশ ছাড়া কোনভাবেই সম্ভব ছিলনা। এবারের নির্বাচন ব্যাক্তির নয়, প্রতিকেরও ছিল। নৌকা এবং ধানের শীষের তৃনমুলে মায্যদার লড়াই বটে। এই মায্যদার লড়াইতে বিএনপি এবং তাঁর জোট গোহারা হেরেছে।অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছিল দুই দলের বিদ্রোহী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নেয়ার আইনগত সরকারি বাধা থাকলে জনগন জানতেই পারতেন না দেশে সবচেয়ে জনপ্রীয় এবং জনসম্পৃত্ত একটা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশের কোন কোন অঞ্চলে লুটেরা আওয়ামী নেতাদের ভোটকারচুপি, বাধাপ্রদান, জোরজবরদস্তি না থাকলে বিএনপি জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে তল্পিতল্পা সহ চিরতরে জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া সম্ভব ছিল। অঞ্চলবেদে কারচুপির কারনে কর্মীদের মনে আশা জাগানো ইস্যু পেয়ে বিএনপি জামায়াত আরও কিছু দিন মরে মরেও বেঁচে থাকার সিঁড়ি পেয়ে গেল। গত সাত বছরের শাষনে সংসদ এবং জনমতকে প্রাধান্য দিয়ে দেশ শাষনের বিরল উদাহরন সৃষ্টি করে যাচ্ছেন জাতির জনকের কন্যা। শক্তিহীন বিরুধীদলের অস্তিত্ব সত্বেও বিগত সরকার সমুহের ন্যায় সংসদকে পাস কাটিয়ে প্রেসিডেন্ট অর্ডিনেন্স এর মাধ্যমে গনবিরুধী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কোন নজির অদ্যাবদি স্থাপিত হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর,সৃজিত চুক্তি, সমঝোতা স্মারক,গৃহিত পদক্ষেপ যথারীতি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জনগনকে জানাচ্ছেন, সংসদ সচল থাকা অবস্থায় সংসদকে অবহিত করছেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করে তাঁকেও ফলাফল রীতিমত অবহিত করছেন। স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা ও গনতন্ত্রকে লালন ও বিকশিত করার ক্ষেত্রে জাতির জনকের কন্যার বিরল দৃষ্টান্ত প্রতিনিয়ত স্থাপন করে চলেছেন।পুর্বের সরকার সমুহ সংসদের কায্যক্রম চলাবস্থায়ও প্রেসিডেন্ট অর্ডিনেন্সের মাধ্যমে বহু রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত নিতে দেখা গেছে।এমনও দেখা গেছে সরকার প্রধান বিদেশ সফর করে এসে গৃহিত কায্যক্রম এবং সুচিত চুক্তিপত্র সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জনগনকে অবহিত দুরের কথা- সংসদ এবং মন্ত্রীপরিষদ এবং কি প্রেসিডেন্টকেও অবহিত করার কোন নজির ছিলনা। সরকার অর্থনৈতিক কর্মকান্ডেও অনেকটা স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহীতা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন। শেয়ার মার্কেটে লুটপাট, ব্যাংকের অর্থ লোপাট, পদ্মা সেতুর কথিত দুর্নীতির অভিযোগ, রেলওয়ের দুর্নীতি ইত্যাদি ঘটনা সমুহ পত্র পপত্রিকায় প্রকাশের সাথে সাথে বিরুধীদলের আন্দোলন বা দাবি উত্থাপনের আগেই মুর্খ্যব্যাক্তিকে সরিয়ে তদন্ত অনুষ্ঠান, জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা, দোষ প্রমানে যথারীতি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করে সরকার আর্থিকক্ষেত্রেও শৃংখলা, স্বচ্ছতা ও জবাব দিহীতার রীতি প্রতিষ্ঠা করতে চেষ্ঠা অব্যাহত রেখেছেন এবং কোন কোন ক্ষেত্রে সক্ষমও হচ্ছেন। অন্যকোন দল বা জোটের শাষনে আর্থীক কেলেংকারী, অব্যবস্থাপনার জন্য শক্তিশালী বিরুধীদলের আন্দোলন ও দাবির প্রতি বা জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে কোন মন্ত্রী বা আমলার বিরুদ্ধে নিদেনপক্ষে বিভাগীয় তদন্তের ব্যবস্থা বা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনেরও কোন উদাহরন নেই। অনেক ক্ষেত্রে চাপের মুখে তদন্ত হলেও সেই তদন্ত কোনদিন আলোর মুখ দেখেনি। বর্তমান সরকার চলতি অর্থবছরের বাজেট দেয়ার ক্ষেত্রেও জনমত, স্বচ্ছতা, জবাবদীহীতা ও গনতন্ত্রের প্রতি অনন্য এক উদাহরন তুলে ধরেছেন।বিগত সাতবছরে সাতবার ( মাননীয় অর্থমন্ত্রীর দশম বাজেট) ঘোষনার আগে-পরে দ্রব্যমুল্যের দাম উঠানামা করেনি।অতীতের ন্যায় বাজেট মানিনা,গনবিরুধী বাজেট প্রত্যাখ্যান করে রাজপথে জনগন, পেশাজীবি বা কোন রাজনৈতিক দলের মিছিল মিটিং দেখা যায়নি, প্রতিবাদ প্রত্যাখ্যানের অপমানজনক কোন বিবৃতি বক্তব্য চোখে পড়েনি।অর্থ্যাৎ জনগনের চাহিদামাপিক, শ্রেনীপেশার মানুষের আগাম মতামতের প্রাধান্য, জন আখাংকার মুল্যায়ন ,অধিকতর সহজ, স্বচ্ছতার রীতি অনুসরন, সাধারনের বোধগম্যতার নিরিখে বাজেট ঘোষনার ফলেই কোন অপ্রীতিকর পরিস্থীতির সৃষ্টি এযাবৎ হয়নি, দ্রব্যমুল্যের দাম উঠানামা করেনি, জনভোগান্তির কোন কারন সৃষ্টি হয়নি।গনতন্ত্র, স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা, অংশীদারিত্বের নীতি অনুসরন করার কারনেই এমন সুখকর সেবা উপহার দিতে সক্ষম হচ্ছেন। অতীতে যেসব দল সরকারে থেকে বছরের পর বছর বাজেট দিয়েছে, তারা জন আকাংখাকে বিবেচনা বা উপলব্ধিতে নেননি। জনগণের ভাগ্যোন্নয়নের বিষয় জনগণকে বুঝতে হবে এবং বুঝেই জনগণ জনগণের জন্য বাজেট বাস্তবায়নে কাজ করবে- এই উপলব্ধিটুকু ইতোপূর্বে কোনো ক্ষমতাসীন সরকারপ্রধান কিংবা ৭ বার বাজেট দিয়েছেন বলে যে অর্থমন্ত্রী গর্বে গদগদ হতেন, তারা জন আকাঙ্ক্ষা উপলব্দি করেননি এবং কি করার চেষ্টাও করেননি।ফলে বাজেটের পর দ্রব্যমুল্য লাগামহীনভাবে বেড়ে যেত।প্রতিবাদে বাজেট ঘোষনার পরের দিন হরতাল অবরোধসহ বিভিন্ন আন্দোলনে সম্পৃত্ত হয়েছে রাজনৈতিক দল,শ্রেনী পেশার সংগঠন এবং জনগন। আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক ও ভাবাদর্শগত অবস্থানের কারণে বিরুপ পরিস্থীতির সৃষ্টি হয়নি।দলটির নীতি আদর্শের প্রতি আনুগত্যের কারনে, জাতির জনকের কন্যার গনতন্ত্রের প্রতি অবিচল আস্থা, জনগনের প্রতি আন্তরিকতা, দেশপ্রেম থাকার কারনে । দলটির জন্ম, অর্জন ও বিকাশ হচ্ছে এই উপলব্ধির জন্মদাত্রী। 'সরকার বাই দ্য পিপল অব দ্য পিপল ফর দ্য পিপল- গণতন্ত্রের এই অমর বাণী আওয়ামী লীগ লালন-ধারণ-বহন করে' বলেই এই ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তনের চিন্তা লালন করতে পেরেছে। আগামী বাজেট এভাবে পরিবর্তিত হোক জনগণ তা কামনা করে। গণতন্ত্রের এই মর্মবাণী বাজেট ঘোষণার ভেতর দিয়ে তুলে ধরার জন্য নিঃসন্দেহে জনগণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাবে। উপসংহারে বলতে চাই- গণতন্ত্রের রয়েছে দুটো দিক। একটি রাজনৈতিক আর অপরটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক। প্রথমটি ভোট, সংসদ, সরকার ও বিচার বিভাগের কাজের ভেতর দিয়ে প্রতিভাত হয়। আর দ্বিতীয়টি জনগণের অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা বাসস্থানের মৌলিক চাহিদা পুরণ এবং কাজের নিশ্চয়তা ও পরিবেশ সুরক্ষা, সামাজিক বেষ্টনীর পরিধি প্রভৃতির ভেতর দিয়ে কার্যকর হয়। এ দুটি পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একটির জন্য অপরটি যেমন বাধাগ্রস্ত হয়, তেমনি একটি অপরটির বাধা দূর করে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে। তবে দুটি সমান তালে অগ্রসর হওয়া যে কোনো দেশ ও জাতির জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। আমাদের দুর্ভাগ্য হচ্ছে, প্রথমটি অর্থাৎ গণতন্ত্রের রাজনৈতিক দিকটি রয়েছে এক জটিলতা ও বিপদের মধ্যে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মৎস্য শিকার করার জন্য বিএনপি-জামায়াত জোটের বয়কট ও অগ্নি সন্ত্রাস,রাজপথে সৃষ্ট রাজনৈতিক দলের অভাব, রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরে গনতন্ত্রের চর্চার অভাব এমন হয়েছে।আমাদের রাজনৈতিক দলসমুহের প্রাজ্ঞ রাজনীতি বীদগন নীজ দলের কর্মী সমর্থক ও জনগনকে শুধুমাত্র রাষ্ট্রের একটি অঙ্গ-নির্বাচনকেই গনতন্ত্রের মুল হিসেবে শিক্ষা দিয়ে থাকে এবং বলতে স্বাচ্ছন্দবোধ করে। গনতন্ত্রের বিবিধ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ রয়েছে সেই সমস্তকে গুরুত্ব দেয়না। রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে গনতন্ত্র, জবাবদিহীতা,স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠিত না হলে, নির্বাচনী কাঠামোতে গনতন্ত্র,স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা না থাকলে, নির্বাচন কিভাবে সুষ্ঠ হবে আমার বোধগম্যতায় আসেনা।নির্বাচন নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি করা যায়, রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অন্যসব গনতান্ত্রিকতার ছোঁয়া না থাকলে রাজনীতিতে শক্তিশালী জনসম্পৃত্ত,আদর্শিক দলের উপস্থীতি না থাকলে নির্বাচন ফেরস্তায়ও সুষ্ঠ করতে পারবেনা। পরিশেষে বলতে চাই জাতির জনকের কন্যার অসীম ধৈয্য, সহনশীলতা, পরমত সহিঞ্চুতার কারনে এখনও মন্দের মধ্যে এটাই ভালো বলতে হবে--দেশ ও জাতি এখন পয্যন্ত সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার মধ্যেই রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক গণতন্ত্রের যতটুকু অভাব, সেই অভাবকে সামাজিক-অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের বিকাশের মাধ্যমে পুরন করার সর্বাত্মক চেষ্টা সরকার করে যাচ্ছে।গনতন্ত্র, আইনের শাষনের নিয়ন্তর সংগ্রামের পথে বিরুপ পরিস্থীতি মোকাবেলা করে কাংখীত সাফল্য ধরে রাখায় তাঁর সুফল আসতে শুরু করেছে। 'জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু'

গনতন্ত্রকে বিকশিত করার জন্য গতান্তন্ত্রমনা নেতার যেমন প্রয়োজন তেমিনি প্রয়োজন গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg