সাফাদীর নতুন প্রেম রক্ষায় মরিয়া প্রচেষ্টা অব্যাহত-- ________________________________________ হাজারো মিথ্যা দিয়ে একটি সত্যকে ঢাকা যায়না,প্রবাদটি ইসলামের শত্রু ইহুদীদের ক্ষেত্রে প্রজোয্য হয়না।মিথ্যা,ষড়যন্ত্র, অবিশ্বাস দিয়ে ইসলামের প্রাথমিক যুগে নবী (স)এর বিরুদ্ধে যে শত্রুতা আরাম্ভ করেছিল তাঁর ধারাবাহিকতা তাঁরা হারাননি--হারিয়েছে সত্য, ন্যায়, সমতা ও সার্বজনীন ধর্ম ইসলামের অনুসারী মসুলমানদের বিশ্বাসের।মুসলিম বিশ্বের একটি দেশও বাকী নেই যে দেশটিতে হানাহানি,মারামারি নেই।ইহুদীরাই সমস্ত হানাহানীর মুলকারিগর তবে ইসলামের অনুসারী সেই দেশের নাগরীকদের মাধ্যমেই তাঁরা অপ-কর্মকান্ড গুলী বাস্তবায়ন করে।তদ্রুপ বাংলাদেশেও তাঁদের এজেন্ট রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপিকেই মিত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে।যে ব্যাক্তির মাধ্যমে মহৎ ইসলাম বিরুধী কর্মটি সম্পাদন করার জন্য বিএনপি ইজরাইলের মত শক্তিশালী মুসলিম বিদ্বেসী রাষ্ট্রের সাথে সংযোগ রক্ষা করতে পেরেছে, সেই অচেনা অজানা,অরাজনৈতিক, ব্যবসায়ী ব্যাক্তিটিকে প্রাথমিক পয্যায় উপহার হিসেবে দলের অত্যান্ত গুরুত্বপুর্ণ পদ 'যুগ্ম মহাসচিবের' দায়িত্ব প্রদান করেছে খালেদা জিয়া। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে,'তাঁর ষড়যন্ত্র বাস্তবায়িত হলে ঢাকার পথকলিদের কুখ্যাত সন্ত্রাসী জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বাবরের চাইতে আরো গুরুত্বপুর্ণ অবস্থানেই রাখা হত।' মহান আল্লাহর অশেষ কৃপায় অন্য শত ষড়যন্ত্রের ন্যায় বাংলাদেশের সরল্প্রান মসুলমানদেরকে- ইহুদীদের ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রাথমিক পয্যায়ে গোয়েন্দাদের নজরে এনে দিয়েছেন। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ,বাংলাদেশের ইসলামধর্মের অনুসারীদের কড়া সমালোচনার মুখে অতীতের ন্যায় সেই ইহুদী একের পর এক মিথ্যে সাজানো নাটকের পর্ব মঞ্চস্ত করে যাচ্ছেন তাঁদের বন্ধু রাজনৈতিক দল 'বিএনপিকে'রক্ষা করার মানসে। সুপ্রীয় পাঠক,সাফাদী অদ্যকার সাক্ষাতকারে একটি গুরুত্ব পুর্ন তথ্য তুলে ধরেছেন,"জনাব সজীব ওয়াজেদ জয়ের একান্ত অনুরুধে তাঁদের দুই জনের অনুষ্ঠিত বৈঠকটি একান্ত গোপনীয় কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছিল,এবং সেখানে কোন ছবি ধারন করার কোন সুযোগ ছিলনা।" সুপ্রীয় বন্ধুগন, সাফাদীর বক্তব্য যদি এই হয়,তাহলে প্রচারীত ইউটিউব কি মিথ্যা?নাকি সাফাদীর আজকের বক্তব্য মিথ্যা? বিচারের ভার আপনাদের হাতে দিলাম-- _____________________________ (কপি পেষ্ট--আমাদের সময়.কম)০১/০৬/২১৬ তারিখে প্রকাশিত পত্রিকা থেকে নিম্নের অংশটি __________ __________ শামস সয়ূজ : বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে করা বৈঠকটি তার অনুরোধেই অত্যন্ত গোপনে করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির নেতা মেন্দি এন সাফাদি। আর সেকারণে বৈঠকের কোনো ছবিও তোলা হয়নি বলে দাবি তার। এ বৈঠক হয়েছে তাদের দুজনের এক বন্ধুর মাধ্যমে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি পক্ষপাতিত্ব নেই বলেও দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে মি. রহমান নামে এক বাংলাদেশির সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে বলে আগে জানিয়েছিলেন সাফাদি। তবে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সেই ব্যক্তি নন বলে নিশ্চিত করেছেন সাফাদি। তিনি জানান, তারেক রহমানের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়নি। সাফাদির সঙ্গে ই-মেইলে নেয়া সাক্ষাৎকারে দৈনিক আমাদের অর্থনীতির পক্ষ থেকে তাকে তিনটি প্রশ্ন করা হয়। সাক্ষাৎকারটি অনুবাদ করেছেন মমিনুল ইসলাম। পুরো সাক্ষাৎকারটি হুবহু তুলে ধরা হলো। প্রশ্ন : খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা জাহিদ এফ সর্দার সাদী ইউটিউব চ্যানেলে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকার পোস্ট করেছেন, যেখানে আপনি ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পুত্র এবং তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে বৈঠক করার দাবি করেছেন। জয় এ দাবিকে জঘন্য অভিহিত করে তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। জয় ২৯ মে ফেসবুক পোস্টে বৈঠকের সঠিক ঠিকানা দেয়ার জন্য চ্যালেঞ্জ করেছেন। এ বিষয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী? মেন্দি এন সাফাদি : এটা স্পষ্ট যে, সজীব ওয়াজেদ জয় আমাদের ওয়াশিংটনের বৈঠকের কথা অস্বীকার করেছেন। তার অনুরোধেই বৈঠকটি অত্যন্ত গোপনে করা হয়েছে। [ কিন্তু সাফাদি কথিত গোপনীয়তা রক্ষা তো করলেন না Ñসম্পাদক ] সে কারণেই বৈঠকের কোনো ছবি তোলা হয়নি। আমাদের দুজনের পারষ্পরিক এক বন্ধুর অফিসে এ বৈঠক হয়েছে। তার (বন্ধু) অনুরোধের কারণে নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছি না। কারণ সে আমাকে বলেছে, তার নাম প্রকাশ করা হলে মার্কিন প্রশাসনে তার অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রশ্ন : চলতি মাসের শুরুর দিকে দৈনিক আমাদের অর্থনীতির এক সাক্ষাৎকারে আপনি বলেছিলেন, মি. রহমান নামে বিএনপির কোনো নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন কি না তা স্মরণ করতে পারছেন না। মেইলে তারেক রহমানের ছবি সংযুক্ত করা হলো। ইনি কি সেই রহমান? মেন্দি এন সাফাদি : আমি রহমানের পূর্ণ নাম জানি না। তিনি আমাকে তার পুরো নাম বলেননি। কেবলমাত্র বাংলাদেশ থেকে মি. রহমান হিসেবে পরিচয় দেয়া হয়। তবে কোনো ধরনের কথোপকথন বা বৈঠক, এর পেছনে করমর্দন ও আশীর্বাদ কামনা ছাড়া অন্য কিছু ছিল না। যে ছবিটি সংযুক্ত করা হয়েছে তার সঙ্গে আমি সাক্ষাৎ করিনি। প্রশ্ন : আপনার সাম্প্রতিক মন্তব্য ও সাক্ষাৎকার বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের অধিকার ও গণতন্ত্রায়নের স্বার্থের চেয়ে রাজনৈতিক অবস্থার প্রতি আপনার আগ্রহ বেশি। সেই সঙ্গে এটাকে বিএনপির দাবির প্রতি সমর্থন হিসেবে দেখা হয়। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী? মেন্দি এন সাফাদি : বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যাপারে আমার কোনো পক্ষপাতিত্ব নেই। ‘পিএনবি’র (বিএনপি) একজন নেতার সঙ্গেও আমার সরাসরি যোগাযোগ হয়নি। আমি পূর্বেই বলেছি, আমি যখন আসলাম চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেছি, তখন তাকে ‘পিএনবি’র একজন সিনিয়র ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় করনো হয়নি। তবে সংখ্যালঘু অধিকারের সমর্থক হিসেবে পরিচয় করানো হয়। আমাদের কথোপকথন মোটের ওপরে ৫-৬ মিনিটের মতো সংক্ষিপ্ত ছিল। এতে দলীয় বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। আমরা কেবলমাত্র সব সংখ্যালঘুর সহাবস্থানে রাখা নিয়ে আলোচনা করি। ফেসবুকে নেওয়া ইংরেজী সাক্ষাৎকারটি আমাদেরসময়.কমের পাঠকদের জন্য নিচে দেওয়া হলো- Q 1 : In a recent interview posted on the you tube channel of F R Sadi, you claimed you have had a meeting with Mr. Sajeeb Wazed Joy in Washington DC. However, Mr. Wazed has vehemently denied such an outrageous claim. In a Facebook post on 29 May, 2016, Sajeeb Wazed Joy challenged you to provide evidence regarding the exact location of your “meeting” with him. What would be your response to Mr. Sajeeb Wazed Joy’s recent Facebook post? Q. 2 In an interview taken by Daily Amader Orthoneeti earlier this month you said, you could not remember any BNP leader named Mr. Rahman with whom you talked. Please have a look at the attached picture of Mr. Tareq Rahman along with this message, and tell us, if this was the person you talked to? Q 3 It has been argued that from your recent comments and interviews it seems you are more inclined to supporting BNP’s claims and interests regarding Bangladesh’s political situation than ensuring the rights and interests of the minorities and democratization of Bangladesh society. What would be your response regarding this allegation? Hope to get from you very soon. Thanks in advance. 1, it was clear that Mr. Sajeeb Wazed Joy deny our meeting in Washington, the meeting was highly secret at his request, so no pictures from the meeting, the meeting was held in the office of a mutual friend that I did not want to reveal his name because he asked because revealing his name could harm his standing in the American administration. 2 The answer to question who it Rahman, I said that I do not know what the full name of Rahman because did not tell me his full name, just was introduced as Mr. Rahman from Bangladesh, shaken hands and blessings It was not beyond that any kind of conversation or meeting, and about the picture attached it’s not the guy I met . 3- I have no preference about the political parties in Bangladesh, and had no direct contact with any one of the leaders of the at PNB, and as I said before when I met Mr. Aslam Chaudhry and not treated presented to me as a senior figure at PNB party, but as a supporter of the rights of minorities, and our conversations were short a total of 5-6 minutes and not treated the subject of parties, we treated only for the purposes of keeping all minorities and to coexist.

সাফাদী প্রথম সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন," জয়ের নিউইয়র্কের অফিসে জয়ের সাথে সাক্ষাৎ হয়েছিল,অফিস কোথায় জয়ের প্রশ্নের জবাব না দিতে পেরে অদ্য নতুন করে বলছেন," তাঁর এক বন্ধুর অফিসে সাক্ষাৎ হয়েছিল।"তিনি আরো বলেন জয়ের অনুরুধে সেখানে কোন ছবি বা ভিডিও আপলোড করা হয়নি-তবে ইউটিউবে প্রচারীত ভিডিও কি মিথ্যা?

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg