অনুপ্রবেশকারিদের কারনে আওয়ামীলীগ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হোক-'ত্যাগী নিবেদিত কর্মীরা মেনে নিতে পারেনা'----_______________________________________ অবশেষে আমাদের ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির কুম্ভকর্ণের ঘুম ভেঙ্গেছে।জাতিয় নেতাদেরও কিছুটা বোধদয় হচ্ছে,রাজনীতিতে কিছুটা স্থবিরতা এসেছে, অনুপ্রবেশকারি ডুকে পড়েছে,ফ্রাংকেস্টাইলে কোথাও কোথাও রাজনীতির গতিধারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে, প্রভুত্বের রাজনীতির চর্চা হচ্ছে। যত্রতত্র ছাত্রলীগ, যুবলীগকে ব্যবহার করা হচ্ছে, নেতাদের ব্যাক্তিগত স্বার্থ্য হাসিলে-ছাত্রলীগের কর্মীরা ক্ষেত্রবিশেষ জীবনও বিলিয়ে দিচ্ছে।দুইদিনব্যাপী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বর্ধিত সভা ও কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন-প্রধান অতিথি সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি জনাব ওবায়দুল কাদের একই সুরে- 'একই উপদেশ দিয়ে বলেন, 'ভাই লীগ ত্যাগ করে ছাত্র লীগ করার জন্য।" বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় একটা কলাম পড়ে ছিলাম গত কয়মাস আগে। সেখানে আওয়ামী লীগ নেতাদের নানাহ কায্যকলাপের বিষয়-সুনির্দিষ্ট ব্যাক্তি, স্থান উল্লেখ করে বিস্তারীত আলোচনা দেখতে পেয়েছিলাম। পত্রিকায় যা এসেছে তা হয়তবা শতভাগ সত্য অথবা মিথ্যা ,কম বেশি হতে পারে।পত্রিকার আংশিক আমি নিম্নে তুলে ধরা বাঞ্চনীয় মনে করি।পত্রিকাটি লিখেছে-'এক সময় আওয়ামী লীগের জেলা পয্যায়ের নেতারা ছিল ঐজেলায় সর্বজন শ্রদ্ধেয়। নির্লোভ সেই নেতারা রাজনীতির জন্য শুধু ত্যাগই করেছেন। কালক্রমে পাল্টে গেছে সেই রাজনীতির চিত্র। সর্বশেষ টানা সাত বছর দল ক্ষমতায়, তাই আওয়ামী লীগের জেলা নেতাদের সংগঠনের চেয়ে অন্যদিকেই মনোযোগ বেশি। কমপক্ষে দুই ডজন নেতা ক্ষমতা ভাগাভাগি ও নিজেদের আখের গোছানোয় ব্যস্ত। সরকারি-বেসরকারি জমি দখল থেকে শুরু করে জেলার সব ব্যবসা-বাণিজ্য ও নিয়োগের একচ্ছত্র আধিপত্য নিজেদের মধ্যে করে নিয়েছেন ভাগবাটোয়ারা। অন্যগুলোতে এ দুই পদের রাজনীতিকদের নাম ব্যবহার করে অহরহই হচ্ছে দখল, তদবির, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজি। টানা দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর এসব ক্ষেত্রে এসেছে বেপরোয়া ভাব। দেখে বা শুনেও তারা কিছু বলছেন না বা বলতে পারছেন না। অবশ্য বেশকিছু জেলায় সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের চেয়ে ক্ষমতাসীন হয়ে বসেছেন হাইব্রিড নেতারা। তারা নিজেদের মতো করে চলছেন। তোয়াক্কা করছেন না ত্যাগী রাজনীতি-বীদদের। বেশির ভাগ জেলায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চেয়ে এখন কদর বেশি সুযোগসন্ধানীদেরই। এমপিদের মাধ্যমে তারাই ছড়ি ঘোরাচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ওপর। প্রতিবেদনটি হাজার হাজার আওয়ামী লীগ কর্মীর অন্ত: দহনের কথাই বলেছে।যে সমস্ত নেতাকর্মী বিশেষ করে-"যারা জাতির জনকের আদর্শকে আঁকড়ে ধরে সারাটি জীবন শুধু মাঠে ময়দানে আন্দোলন সংগ্রামই করেছেন-বিনিময় কখনই দলের নিকট কিছুই চাননি তাঁদের।এমন অনেক নেতাকর্মী আমার জানামতে এখনও কোনমতে বেঁচে আছেন-যাঁরা দলের দুর্দিনে পৈতৃক সম্পদ বিক্রি করে দলীয় কর্মী লালন করতে গিয়ে ভুমিহীনের খাতায় নাম লিখিয়েছেন।সম্মান জনক চাকুরী হারিয়ে বাদবাকী জীবন বেকারের খাতায় নাম লিখিয়ে বৃদ্ধাবস্থায় মানবেতর জীবন যাপনের ঝুঁকিতে আছেন। এখনও দিনের ১৮/২০ ঘন্টা সময়-সবার অগোচরে দলের আদর্শ প্রচার ও প্রসারে নিবেদিত রেখেছেন। অনেকেই স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে প্রতিনিয়ত দলের মঙ্গলে নীজকে রেখেছেন ব্যপৃত। মিথ্যা মামলা জেল জুলুম সহ্য করেও আদর্শচ্যুত হননি কখনও।সারা দেশে এমন লাখ লাখ নেতাকর্মী বুকের অন্তদহনে জ্বলে পুড়ে চারখার হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এমন নেতাকর্মী আছে আমি জানি চিনি, ভাল সম্পর্কে সম্পর্কিত আছি বহু আগে থেকে। ২০০৮ইং সালে নতুন প্রজম্মের উত্থান লক্ষ করে আত্মতৃপ্তিতে তাঁদের বসার জায়গা দিয়ে নীজে রাজনীতি থেকে স্বেচ্চায় অবসর নিয়ে প্রতিনিয়ত দলের মঙ্গল কামনায় সময় কাটান।" আমি স্বীকার করি আওয়ামী লীগ বুর্জোয়া সংগঠন। জেলা উপজেলার নেতা হলে ব্যাবসা করা যাবেনা তাও নয়। দল ব্যাবসা করার জন্য অনুপ্রেরনা দেয়। স্বাবলম্বী না হয়ে রাজনীতি করা বা সমাজ সেবা করা যায়না সত্য কথা। তবে সেই ব্যবসা কোন অবস্থায় অবৈধ পথে, জোর করে, জবরদখল করে নয়।দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এমন কোন কাজে জেলা উপজেলার নেতারা জড়াতে পারেন না- কোন অবস্থাতেই। রাজনীতির ধ্যানধারনার মধ্যে পার্থক্য এসেছে ইহা বাস্তব।বর্তমানের কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রায় সব নেতাই কোননা কোন ব্যবসা বানিজ্যের সাথে সম্পৃত্ত রয়েছেন।সার্বক্ষনিক রাজনীতি করেন এমন নেতা কোন দলেই খুঁজে পাওয়া যাবেনা।অথছ বেশীর ভাগ নেতাই সার্বক্ষনিক রাজনীতিতে থাকার কথা ছিল।'৭৫এর পট পরিবর্তনের আগেকার সময় সার্বক্ষনিক নেতাদের বিচরন রাজনীতিকে মুখরীত করে রেখেছিল।সম্মান শ্রদ্ধাও ছিল অন্য যে কোন পেশার চাইতে অনেক বেশী। কালচশমাধারী,তথাকথিত মেজর জিয়ার-- "রাজনীতিবীদদের জন্য রাজনীতি কঠিন করে দেব" জতীয় কর্মসুচী সূক্ষভাবে পরিচালনা করা হয়। সার্বক্ষনিক রাজনীতি এবং রাজনীতিবীদদের কবর রচনা করে পুর্নজম্ম ঘটিয়েছে রাজাকার, আলবদর, সেনাকর্মকর্তা, ব্যবসায়ী টাউট, বাটপার, কালোবাজারি নানান শ্রেনীর পঁচাগন্ধময় সমাজের কাল কীটপতঙ্গ গুলীর। এই অরাজনৈতিক ব্যাক্তিরাই রাজনীতিকে বিনিয়োগে পরিনত করেছে।তাঁদের মুখরোচক কথারঢালি বিমুগ্ধ করেছে আমজনতাকে।তাঁরাই আমদানী ঘটিয়েছে রাজনীতিতে পেশী শক্তির,কালো টাকার, অস্ত্র, মাস্তান, হোন্ডাগুন্ডার।তাঁরাই রাজনীতিতে কায়েম করেছে প্রভুত্বতন্ত্রের।রাজনীতির সিনিয়র নেতা হয়ে গেছে রাতারাতি বস। আওয়ামী লীগের লাখ লাখ ত্যাগী নিবেদিত কর্মীরা জানে বর্তমানের উত্থিত হাইব্রিড,তথাকথিত লুটেরা শ্রনীকে স্বল্প সময়ে নিয়ন্ত্রন করা যাবেনা। ৪০বছর আগে রুপিত বীজ- সুক্ষাতিসুক্ষ পরিচর্য্যায়, বিদেশী মদদের প্রলোভন, শক্তিধর ভিটামীনের অবাধ ব্যবহারে বটবৃক্ষ আকার ধারন করেছে, শীকড় অনেক গভীরে পৌঁছে গেছে। ইচ্ছা করলেই জাতির জনকের কন্যা অল্প সময়ে শিকড় উপড়ে ফেলতে পারবেন না। আশার কথা হচ্ছে-'সবমহলে তৃনমুল হতে গনতন্ত্র চর্চার লক্ষন ইতিমধ্যে ফুটে উঠেছে। এই ধারাবাহিকতা যদি নিদেনপক্ষে ২০/২৫ বছর সচল থাকে, তবেই তাঁদের শিকড় উপড়ানো সম্ভব হতে পারে।' বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন রাজনীতিবীদদের হাতে রাজনীতির চাবি তুলে দেয়ার লক্ষে।(১)স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ও তৃনমুলের কর্মীদের কতৃক প্রার্থী বাছাই, মনোনয়ন বোর্ড কতৃক মনোনয়ন দান।(২)আওয়ামী লীগে বহিরাগত সন্ত্রাসী মাস্তান লুটেরাদের অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর নিষেদাজ্ঞা জারী। (৩) নির্বাচনে পেশীশক্তি, কালটাকার ব্যবহার রোধে নির্বাচন কমিশনকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করে আইন পাশ। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থীদের নির্বাচনে মাস্তানী প্রতিরোধে যথাযথ কায্যকর ভুমিকা নিয়েও প্রতিরোধ করা কোন কোন বিশেষ এলাকায় সম্ভব হয়নি।ঐ সমস্ত এলাকায় না পারার বহুবিধ কারনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারন আমি মনে করি তিনটি--(১) বিএনপি জামায়াত জোটের তৃনমুলে শক্তিহীনতা। (২) দুর্বল প্রতিদ্বন্ধির প্রতিরোধহীন প্রচার প্রচারনা।(৩) ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের আন্তরীকতার অভাব বা স্বেচ্ছায় নেয়া কৌশল।" যাহোক--'আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের সাত্বনা দেয়ার মানসে আমার এই লেখনি নয়।আমার লেখনি তাঁদের জন্য,'যারা ফসল রোপন না করে জোর পুর্বক রোপিত ফসল নিয়ে যাচ্ছেন-তাঁদের উদ্দেশ্যে। তাঁদের প্রতি অনুরুধ থাকবে, "আমার ভুমিতে এসেছেন, প্রয়োজনে আমার ঘরেও বসেন আপত্তি নেই বরং খুশী হব -- কিছু নিয়ম কানুন যে ভাই আগে থেকে আমি পালন করি, তা যে আপনাকেও কঠোর ভাবে মেনে চলতে হবে ---" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা

  কেন্দ্র থেকে তৃনমুল পয্যন্ত সর্বস্তরে শুদ্ধি অভিযান চালিয়ে দুবৃত্ত নেতা, সন্ত্রাসি, লুটেরাদের দল থেকে বের করে দেয়ার এখনই সময়।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg