মহান স্বাধীনতা ও গৌরবের বিজয়--- ========================= বাংলাদেশের অকৃত্তিম বন্ধু ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরাগান্ধী এবং ভারতের জনগন বাঙালির দু:সময়ে যদি সহযোগিতার হাত না বাড়াতেন তাহলে ইতিহাস অন্য কোন ভাবে তাঁর গতিপথ নির্ণয় করতে বাধ্য হত। জর্জ হ্যারিসন,বাংলাদেশের মানুষের মনের মধ্যে নামটি চিরজাগরুক হয়ে আছে,থাকবেন অনন্তকাল।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এই গুনী শিল্পি সাহায্যের হাত প্রসারীত করেছিলেন,তাঁর নিজস্ব সম্পদ কণ্ঠকে ব্যাবহার করে।তাঁর অবদান বাঙালীর দু:সময়ে মুক্তিযুদ্ধাদের মনে প্রেরনা জুগিয়েছিল নি:সন্দেহে।বৃহৎ শক্তিধর রাষ্ট্র সমুহের প্রধানগন যদিও মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন,কিন্তু তাঁদের মুক্তিকামি প্রজাসাধারন, মুক্তিকামী বাঙ্গালীর পক্ষেই ছিল উহাই প্রমানীত হয় ওবালের সেদিনের টিকেট বিক্রির হারের দিকে তাকালেই।বিজয়ের মাসে সেইসব বন্ধুদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই,যারা আমাদের পাশে এসে বিভিন্ন উপায়ে সহযোগিতার হাত প্রসারীত করেছিলেন। জর্জ হ্যারিসনের বিখ্যাত "কনসার্ট ফর বাংলাদশ"-এর কথা আমরা সবাই জানি, কিন্তু ওভালের ‘গুডবাই সামার’ কনসার্টের কথা আমাদের অনেকেরই জানা নাই। সেই কনসার্টের পোস্টার এটি। কি দারুণ এক পোস্টার...বাংলাদেশের শরণার্থীদের সাহায্যে ১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ওভালে ‘গুডবাই সামার’ নামের এই কনসার্ট এর আয়োজন করা হয়েছিলো। সেদিন সেই কনসার্টের টিকেটের দাম ধরা হয়েছিলো সোয়া এক পাউন্ড করে। বিজ্ঞাপনে স্পষ্ট করে লেখা ছিলো বাংলাদেশের শরণার্থীদের কথা। অফিসিয়ালি ৩১,০০০ দর্শক থাকলেও আয়োজকদের মতে সংখ্যাটা ৩৫,০০০ ছাড়িয়ে যায়। সেই কনসার্ট থেকে আয় হয়েছিলো ১৫,০০০ পাউন্ড!! আমরা পরিষ্কারভাবে আমাদের মনের গহীন থেকে তাঁদের কে বার্তা পৌঁছে দিতে চাই,হ্যাঁ বন্ধুরা আপনাদের সেই উদার মনের আন্তরীক সমর্থন বৃথা যায়নি।যাদের কাছ থেকে আমরা বাঙ্গালীরা স্বাধীনতা অর্জনের লড়াইয়ে ব্যাপৃত ছিলাম-যাদের অত্যাচার,অনাচার, জুলুমের চিত্র দেখে আপনাদের বিবেক নাড়া দিয়েছিল।হাজার মাইল দূরে থেকেও সমর্থন দিয়েছিলেন, সাহায্য করেছিলেন,ব্যাথায় আপনাদের মন কুঁকড়ে গিয়েছিল।সেই বর্বর পাকিরা আজও বর্বরই রয়ে গেছে।তাঁরা এখনও বলতে চায় তাঁরা আমাদের উপর কোন অন্যায় করেনি-,তবে আমাদের যুদ্ধ কার সাথে হল,কারা আমাদের মা বোন নির্য্যাতন করলো। কারা আমাদের বাবা,ভাই,বন্ধুদের নির্বিচারে হত্যা করেছিল??? অসভ্য,বর্বর চাড়া কেউ কি মিথ্যা, চলচাতুরী আর উগ্রতার এমন পরাকাষ্টা দেখাতে পারে?? আমাদের সম্পদে পোদ্দারী করেছিল তাঁরা --তার প্রমান বাংলাদেশ মাত্র ৪৪ বছরে মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরীত হয়ে প্রমান করেছে বিশ্বদরবারে।তাঁরা তখন যেখানে ছিল এখন তাঁর চেয়ে আরো অনেক পিছনে চলে গেছে।আমরা সাহায্যকারি দেশে রুপান্তরীত হয়েছি,তাঁরা এখনও ভিক্ষার জন্য আমেরীকার দালালি করে।ভিক্ষা করে বোমা বানায়,সন্ত্রাসি লালন করে, বিশ্ব মুসলিম দেশ সমুহের কপালে কলংকের তিলক পরায়।আমরা গনতন্ত্রের চর্চায় অনেক দূর এগিয়ে গেছি,আমাদের স্কুল, কলেজ পাড়া মহল্লার ক্লাবেও গনতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত প্রতিনীধিরা নেতৃত্ব করে। প্রকারান্তরে তাঁদের দেশে এখনও জংলী কাপড় পরা কিছু লোক আছে,যাঁদের ভরন পোষন করে জনগন নীজেদের পাহারা দেয়ার জন্য,তাঁরাই কর্তা সেজে এখনও সেই জনগনকে শাষন করে,সামান্য অজুহাতে ক্ষমতার মসনদ দখল করে বসে থাকে। তাঁদের পালিত কুকুরের দল এখনও গৌরবের মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে মাঝে মাঝে অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা করে।মাঝখানে ৭৫ থেকে ১৯৯১ ইং সাল- তাঁদের প্রেতাত্বারা আমাদের মহান নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছিল। তাঁদের নির্দেশীত পথে দেশ পরিচালনা করে আমাদের অর্জিত গৌরবকে ম্লান করার জন্য।, জাতিকে তাঁদের মত বর্বর জাতিতে রুপান্তরীত করার জন্য।তাঁরা আমাদের পবিত্র সংবিধানকে চিন্নভীন্ন করে দিয়ে গেছে। দেশকে প্রগতির ধারা থেকে অনেক দূরে সরিয়ে নিয়ে গেছে।তাঁরা রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুন্টন করে এখন অনেক সম্পদের মালিক হয়ে গেছে।তাঁরা এখন দেশে বিদেশে ষড়যন্ত্র করার মত স্বাবলম্বিতা অর্জন করেছে।তোমরাতো শুনেছ,তোমাদের মিডিয়ায় তোমরাই প্রচার করেছিলে,ষড়যন্ত্রকারি প্রধান ব্যাক্তি, মেজর জিয়া, যিনি ক্ষমতায় থাকাকালিন তাঁর নীজ গোত্রের- তাঁর মত অসভ্য কিছু উর্দি পরা লোক, তাঁকে নির্মম ভাবে হত্যা করেছিল।কথিত আছে,তাঁর কোন হাঁড়-মাংস পাওয়া যায়নি। তোমরাই বেশি করে প্রচার করেছিলে তাঁর কোন সঞ্চিত সম্পদ ছিলনা।অথছ তাঁর পরিবার এখন কত সম্পদের মালিক হয়েছে,হিসেব করার জন্য তোমাদের দেশের নামকরা চাটার্ড একাউন্টস ফার্মকে নিয়োগ দিলেও সঠিকভাবে নির্নয় করতে পারবে কিনা সন্দেহ। তাঁরা বাংলাদেশের মানুষের সম্পদ লুট করে তোমাদের দেশে বাড়ী ভাড়া করে বিলাসী জীবনযাপন করছে।তোমাদের দেশের ল'ফার্মকে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করে ভাড়া করেছে--বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করার জন্য।,বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সর্বক্ষন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে, শুধু মাত্র আমার দেশের আইনের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য।তোমাদের বিশ্ব ব্যাংক তাঁদের পাঁছ বছরের শাষন পাঁছ বার জরিপ করে পাঁছ বারই শীর্ষস্থানে নির্ধারন করে "দুর্নীতির আখড়া"বলে আমাদের লজ্জা দিয়েছিল। বিশ্বের একনম্বরের দুর্নীতির দেশ বলা কতযে অপমানজনক তা তোমরা বুঝবেনা।কারন তোমদের দেশ এই অখ্যাতি কোনদিন অর্জন করেনি। আমাদের দেশকে আখ্যা দিয়েছিল কি কারনে জান,তাঁদের ইউনিয়ন লেভেল থেকে প্রধান মন্ত্রীর পরিবার পয্যন্ত, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত,এই দেশকে লুটপাটের স্বর্গ রাজ্যে পরিনত করেছিল।"দুর্নীতিই একমাত্র নীতি" এই বিশ্বাস মানুষের মনে গেঁথে দিয়েছিল।বিশ্বাস করবে কিনা জানিনা,তখন আমার দেশের মানুষের মাথা হেট হয়ে যেত,মনে মনে নীজকে অভিসম্পাত করতো- কেন এমন একটা চোরের দেশে মহান আল্লাহ আমাদের জম্ম নিতে বাধ্য করেছেন।তাঁরা রাজনীতিকে জনসেবার অন্যতম মাধ্যম এই ধারনাকে অসার প্রমান করার জন্য রাজনীতিতে দুর্নীতির অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছেন।,তাঁদের মরহুম নেতার আদর্শ "রাজনীতিকে আমি রাজনীতিবীদদের জন্য কঠিন করে দেব" এই নীতিকে সর্বস্তরে প্রতিপলিত করার জন্য,যাতে রাজনীতি বিদদের জনগন ঘৃনা করে,তাঁদের কাছ থেকে মুখ পিরিয়ে নেয়।জংলিরা সব সময় তাঁদের মুরুব্বিদেশ পাকিস্তানের আদলে আমার সোনার বাংলাকে শাষন শোষন করতে পারে।সাধারন মানুষকে ধোঁকা দেয়ার জন্য তাঁরা ঘন ঘন আমাদের পবিত্র ধর্ম ইসলামকে ব্যাবহার করে।অথছ ব্যাক্তি জীবনেও তাঁরা কেহই ইসলামের অনুশাষন মেনে চলেনা।রাষ্ট্রীয় ভাবে ইসলামের জন্য কোন স্থাপনা এই পয্যন্ত আদৌ নির্মান করেনি। তোমরাতো অবগত আছ, মাত্র পাঁছ বছরের মধ্যে আমাদের মহান নেতার জৈষ্ঠ কন্যা দেশরত্ম শেখ হাসিনা খমতায় আরোহন করেছে।এরই মধ্যে দুর্নীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বের নামকরা উন্নত দেশ সমুহের অনেক পিছনে ১৫৯তম অবস্থানে নিয়ে গেছে।সবাইকে খাওয়া পরার ব্যাবস্থা করে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরীত করতে সক্ষম হয়েছে।তোমাদের বিশ্বব্যাংক ষড়যন্ত্র করে আমার দেশের পদ্মা সেতুর টাকা দুর্নীতির কারন দেখিয়ে ফেরৎ নিয়ে গেছে,তোমরাই বল টাকা দেয়ার আগে কিভাবে টাকা চুরি হয়? অথছ সেই পদ্মা সেতু আমার দেশের মহান নেতার কন্যা নীজ অর্থে করার জন্য উদ্যোগ নিয়ে সফলতার সংজ্ঞে এগিয়ে যাচ্ছে।অথছ তোমরাই ভয় দেখিয়েছিলে বিদেশি ঋন ছাড়া বাংলাদেশ এত বিশাল প্রজেক্ট করার কথা চিন্তাও করতে পারবেনা।বাঙ্গালী বীরের জাতি, পারেনা এমন কোন অসাধ্য কাজ নেই।তোমরাতো জান, মাত্র নয়মাসে খালী হাতে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল বাঙ্গালি।পাকি ৯৩ হাজার সুসর্জ্জিত সেনাবাহিনীকে নাস্তানাবুদ করে মাত্র নয় মাসে অর্থাৎ এই মাসেই আমাদের পায়ের নীছে অস্ত্র সমর্পন করে, মাথা নীছু করে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করেছিল। তাঁরা এতই বেলাজ জাতি এখন আবার আমাদের সাথে উদ্যত, উগ্র মেজাজে কথা বলার চেষ্টা করে।তাঁরা এতই বেয়াদপ জাতি, আমাদের রাজদুতকে ডেকে নিয়ে বলে তাঁদের পরম বন্ধুকে ফাঁসী দেয়ায় তাঁরা নাকি দু:খ্য পেয়েছে,বিব্রত বোধ করছে।কত বেয়াদপ দেখ, প্রকাশ্য স্বীকার করে বলে দন্ডপ্রাপ্ত ব্যাক্তিরা নাকি তাঁদের পরম বন্ধু। তোমরাই বল তাহলে,তাঁদের যারা বন্ধু নিশ্চয়ই স্বাধীন দেশের জনগনের তাঁরাইতো শত্রু। আমাদের দেশের বিচার শতভাগ সঠিক, তাঁদের উদ্যত আচরনেইতো প্রমান করে !! দেখ বন্ধুরা আমাদের সম্পদের লোভ ৪৪বছরেও তাঁরা ভুলতে পারেনি।আমাদের শোষন করে তিনবার রাজধানী পরিবর্তনের নামে নীজেদের শহরগুলী সাজিয়ে নিয়েছে। তাঁদের তিন শহরের মোট ব্যায়ায়ীত টাকার তিনগুন টাকা ব্যয় করে বাংলাদেশ পদ্মাসেতুর মত বিশাল ব্যায়বহুল সেতু নির্মান করার যোগ্যতা অর্জন করেছে তাও শতভাগ নীজের দেশের উপার্জিত অর্থে। তাইতো বিজয়ের এই মাসে বারবার তোমাদের ঋনের কথাগুলি মনে পড়ে।তোমাদের ঋন বাঙ্গালি কোনদিন ভুলে যাবেনা।তোমরা কখনও, কস্মিনকালেও ভেবনা বাঙালি অকৃতজ্ঞ জাতি। জয়বাঙলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা।

আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বিদেশী বন্ধু রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের পাশাপাশি নাগরিকেরাও বহুবিদ উপায়ে সাহায্যের হাত প্রসারিত করেছিলেন।মহান স্বাধীনতা ও বিজয়ের এই গৌরবের মাসে তাঁদের জানাচ্ছি আন্তরীক অভিনন্দন ও নিয়ন্তর শুভেচ্ছা।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg