lবসুর হাটের দুরন্ত বালক----বাংলাদেশের জননন্দিত জননেতা"----

"বসুর হাটের দুরন্ত বালক--বাংলাদেশের জন নন্দিত জননেতা"

--------------------------------------------------------------------------------------------------------

         ওবায়দুল কাদের। তিক্ষন মেধাসম্পন্ন সজ্জন মানুষ। তাঁর সবচেয়ে বড় গুন-'যে কোন নেতাকর্মীর সঙ্গে-যে কোন স্থানে-একবার পরিচিত হ'লে- দশ বছর পরেও চলন্ত পথে বা রাস্তায় দেখা হলে 'নামে-স্থানে' চিনতে পারা"। তিনি অত্যান্ত প্রখর 'স্মরণশক্তি' সম্পন্ন  মেধাবী নেতা। সর্বপয্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে  অন্তরঙ্গ ভাববিনিময় করার পারঙ্গমতা তাঁকে শীর্ষে যেতে বহুলাংশে সাহায্য করেছে। ভাবটা যেন এমন-"কোন কালে বা কোন সময়ে একসাথে ছিলেন বহুবছর,  বহুযুগ'। দক্ষ রাজনীতিবীদের প্রথম এবং প্রধান বৈশিষ্টই হচ্ছে স্মরণ শক্তির প্রখরতা বিদ্যমান থাকা-"রাজনীতির যে গুনটি নেতাকর্মীদের কাছে টানতে, অনুগত রাখতে সাহায্য করে"।এই গুনটি বিদ্যমান থাকার কারনে তিনি রাজনীতিতে অগ্রসরমান ছিলেন  বসুরহাট স্কুলের কিশোর ছাত্রলীগের নেতৃত্ব থাকার প্রথমাবস্থা থেকে।
   অন্য আর একটি গুন তাঁর রাজনৈতিক জীবনেকে সামনে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে-" দৈব দুর্বিপাকেও  তাঁর রাজনীতির গতিধারায় ছেদ পড়েনি।ছাত্র রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার আগ পয্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ   'ফোর্থপোলিউ' বহন করেই রাজনীতি করেছেন।বাংলার বাণী পত্রিকার সহ-সম্পাদক ব্যতিত উল্লেখযোগ্য কোন 'ব্যবসাবানিজ্যে'ও তিনি জড়িত হননি। সাংবাদিকতা, রাজনীতি, লেখালেখি এই তিন জ্ঞানের আবর্তে ছিল তাঁর জীবন চলার পাথেয়।
 ব্যাক্তিজীবনে তিনি অত্যান্ত মিতব্যায়ি,বন্ধুবৎসল, কর্মীবান্ধব, জননন্দিত, কর্মঠ, বিচক্ষন, উন্নত নৈতিক চরিত্রের অধিকারি একজন সজ্জন ব্যাক্তি।কর্মের প্রতি নিষ্ঠাবান, পরিশ্রমি, বিচক্ষন, প্রাজ্ঞ, মেধা সম্পন্ন রাজনীতিবীদ। আমি মনে করি জীবনের প্রারম্ভিকতা থেকে অদ্যাবদি তিনিই একমাত্র 'অর্থসম্পদহীন' জনগনের প্রিয় নেতা। তাঁর নেতৃত্বের বৈশিষ্টে বহুবীদ গুনাবলী লক্ষ করা যায়, যেমন--'তিনি অন্তরঙ্গ ব্যবহারে কর্মীদের  কাদের ভাই হতে পেরেছেন।' মেধা এবং প্রাজ্ঞতায়-- ''শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবীদ হিসেবে নীজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।" দলের প্রতি ত্যাগ এবং চারিত্রিক সততার গুনে--"বাংলাদেশ  সরকারের মন্ত্রী' পরিষদে ঠাঁই নিতে পেরেছেন"। অনলবর্ষী বক্তা, ব্যাতিক্রমি বাচনভঙ্গি-- জনপ্রীয় রাজনীতিবীদে পরিণত হতে পেরেছেন"। সুমধুর বক্তব্য, কঠিন রাজনৈতিক ভাষাকে সাধারনের বোধগম্য ভাষায় উপস্থাপন করার পারমঙ্গতায়-"শ্রোতাদের  বিমুগ্ধ করে উপরে উঠার সিঁড়ি তৈরী করতে পেরেছেন।"
   নেতৃত্বের মুল গুনাবলী গুলীর মধ্যেও কোন ঘাটতি নেই, যেমন-- 'শারিরীক সৌষ্ঠবতা',  চেহারাগত সৌন্দয্যের আকর্ষনীয়তা, অগ্রসরমান চিন্তাচেতনা ধারন, নীজের কর্মগুলী পরিস্ফুটনে  দুরদর্শীতা" মানসম্মত পরিধেয়" নিয়মিত জনসংযোগ"  নিয়মিত কর্মী সংযোগ " ব্যাতিক্রমি আচার আচরন"  সর্বোপরি বিচক্ষন নেতৃত্ব, আদর্শ লালনে একাগ্রতা, নেতৃত্বের প্রতি সদা আনুগত্যতা  ইত্যাদি পজেটিভ গুনাবলী জনগনের নিকট দৃশ্যমান হয়ে ফুটে উঠেছে বলেই বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল ''বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের "সাধারন সম্পদকে"র পদ অলংকৃত করতে পেরেছেন।"
    জনাব ওবায়দুল কাদের "সাধারন সম্পাদক" নির্বাচিত হওয়ায় "বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ" এই প্রথমবারের মত তৃনমুল থেকে উঠে আসা এবং জনগনের আশা আখাংকার প্রতি শ্রদ্ধা,দলীয় তৃনমুলের নেতাকর্মীদের যথাযথ মুল্যায়ন করা হল। প্রথম কোন সরকারের মন্ত্রী পরিষদেও জনপ্রিয়তার শীর্ষে, দলীয় নেতৃত্বে" ও জনপ্রীয়তায় শীর্ষে থাকা তৃনমুল থেকে উঠে আসা প্রত্যান্ত গ্রামের একজন "সাধারন সম্পাদক"  নির্বাচিত হল। এতে দেশে বিদেশে প্রমানীত হল "বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ" এবং তাঁর নেত্রী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী  দলে এবং দেশে আন্তরীক ভাবেই গনতন্ত্র চান। দেশ এবং দল গনতন্ত্রের  চর্চায় কয়েক ধাপ এগিয়ে গেল।
      এর আগে জাতির জনকের সঙ্গীয় স্নেহধন্য, সিনিয়র অথবা জাতীয় চার নেতার পরিবার উক্ত পদ বহন করেছেন। দল ও সরকার অগনিতবার বিব্রতকর পরিস্থীতি মোকাবেলা করা সত্বেও  জাতীয় চার নেতার প্রতি কৃতজ্ঞ "বঙ্গবন্ধু কন্যা"  দুই মেয়াদ সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন শেষে আরও 'বড় দায়িত্ব ' দেয়ার মানষীকতায় "জনাব আশ্রাফ"কে প্রেসিডিয়ামে অন্তভুক্ত করেছেন। "বঙ্গতাজ" পুত্র জনাব "সোহেল তাজে"র অপেক্ষায় "মন্ত্রীত্ব ও দলীয় পদ" দুই বছরের অধিক সময় শুন্য রেখে দল ও সরকার পরিচালনা করেছেন।'সোহেল তাজে'র শুন্য আসনে "বঙ্গতাজের তনয়া সীমিন হোসেন রীমি"কে মনোনয়ন দেয়ার জন্য "বঙ্গবন্ধু কন্যা" জননেত্রী "শেখ হাসিনা" তাঁদের বাসায় গমন করেন এবং মনোনয়ন প্রদান করেন।যদিও "বঙ্গবন্ধু হত্যা"র পর সীমিন হোসেন রিমি"র কিছু বিতর্কিত বক্তব্য এখনও বিভিন্ন পত্রিকায় চাপাতে দেখা যায়।
 
    স্বাধীনতার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে যুক্ত হন। পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দমন-পীড়নের মুখে পড়েন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকারিরা ছিন্নভিন্ন করে দেয় ছাত্র রাজনীতির সুতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি। দায়িত্বরত ছাত্রনেতাদের অনেকেই জেলখানায় বা বিদেশে পালায়নরত অনেকেই হত্যাকারীদের সঙ্গে আপোষ করে পাঠভ্যাসে ব্রতি হন। বসুরহাটের ছাত্রনেতা পালিয়ে যাননি, আপোষ ও করেননি। ছিন্নভিন্ন ছাত্রলীগকে সংগঠিত করার জন্য ঢাকায় অবস্থানকালে ধৃত হন এবং কারাবন্দি হন। কারাবন্দি ওবায়দুল কাদের সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠিত হ'তে  যাবতীয় নির্দেশনা দিতে থাকেন "জেলখানা" থেকেই। তাঁর অসীম সাহষীকতার পুরষ্কার জেলে থেকেই "সভাপতি নির্বাচিত হন ওবায়দুল কাদের"। '১৯৭৮ সালে সামরিক শাষনের বিরুপ পরিস্থীতিতে ছাত্রলীগ রাজনীতি নিয়মিত করনের সম্মেলনে পুনর্নির্বাচিত হন তিনি।ঐ সময়কালের ছাত্ররাজনীতিতে যারা জড়িত ছিলেন তারাই বলতে পারবেন দলের প্রতি কেমন কমিটমেন্ট থাকলে ছাত্র রাজনীতি করা সম্ভব ছিল।বর্তমানের স্বর্গ সুখের ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে তখনকার নরকের ছাত্ররাজনীতির তুলনা চলেনা। বঙ্গবন্ধু সরকারের সময়ে কিছু ভুল ক্রুটি থাকা সত্বেও ঢাকা ইউনিভারসিটির তৎসময়ের সাহষী ছাত্র নেতা জনাব ওবাদুল কাদের পর পর দুইবার একই পদে নির্বাচিত হন।
    ছাত্রজীবন শেষে আওয়ামী লীগে যোগ দেন ওবায়দুল কাদের। নব্বইয়ের দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ছিলেন সক্রিয়। ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে হেরে গেলেও রাজনীতিতে ছিলেন সরব। ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।আওয়ামী রাজনীতিতে উত্থানপর্ব শুরু হয় তাঁর। ঐ বছরই নবনির্বাচিত সাংসদ শেখ হাসিনার প্রথম মন্ত্রিসভায় ক্রীড়া, যুব ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। নতুন শতকের প্রারম্ভে ২০০০ সালের জাতীয় কাউন্সেলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঠাঁই পান। প্রথম ধাক্কায় সম্পাদক মন্ডলীর "সংস্কৃতি ও শিক্ষা সম্পাদক হিসেবে"।
২০০২ সালের ২৬ ডিসেস্বর আওয়ামী লীগের ১৭তম সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের সাধারন সম্পাদকের নিকটতম  "যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকে"র দায়িত্ব পান। ভাগ্যবিড়ম্বিত ওবায়দুল কাদের "২০০৭ ইং সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় কারাবন্দি হন। শারীরিক, মানষীক নিয্যাতনের শিকার হয়ে তিনি বর্তমানেও সোজা হয়ে চলতে পারেন না।
 
      ২০০৯ ইং সালে ১৮তম কাউন্সিলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন ওবায়দুল কাদের। পরবর্তী ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে প্রেসিডিয়াম  পদে আবার অধিষ্ঠিত হন, যদিও চতুর্দিক থেকে দাবী ছিল "সাধারন সম্পাদক" পদে অধিষ্ঠিত করার জন্য। নেত্রী চারনেতার পরিবার কে কৃতজ্ঞতা জানাতে সকলের দাবী প্রত্যাখ্যান করে "কাদের সাহেব"কে প্রেসিডিয়ামের মত গুরুত্বপুর্ণ নীতিনির্ধারনী পরিষদে অধিষ্ঠিত করে অধিবেশনের ইতি টানেন। ২০১২ সালে দ্বিতীয়বারের মতো মন্ত্রী হন ওবায়দুল কাদের।

"মন্ত্রী পরিষদের পরিচ্ছন্ন মন্ত্রী, সরকারের জনপ্রিয় মন্ত্রী, জনগনের নন্দিত মন্ত্রী, জাতির জনকের কন্যার বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন মন্ত্রী ২০১৪ সালে তৃতীয়বারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। পাশাপাশি তৃতীয় দফায় মন্ত্রী হন। সততা, নিষ্ঠা, পরিশ্রম সর্বোপরি কর্মগুনে 'পদ্মা সেতুর' ন্যায় দেশে বিদেশে বিতর্কীত কাজটি সমাপনের জন্যে সেতু মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়।অদ্য পয্যন্ত কোনরুপ কেলেংকারি ছাড়াই উক্ত কাজটি নির্দিষ্ট সময় সমাপ্ত করার কাজে লিপ্ত রয়েছেন।জাতির জনকের কন্যার দেশে বিদেশে সম্মান রক্ষার দায়িত্ব নিয়ে তিনি কাজটির দায়িত্ব নিয়েছিলেন, কথাটি আমাদের মনে রাখতে হবে। এখন পয্যন্ত জাতির জনকের কন্যার ললাটে তিল পরিমান কেলেংকারীর বদনাম কোন শত্রুও দিতে পারেনি, পারবেও না ইনশাল্লাহ।

 তৃনমুলের একজন নিবেদিত মুজিব আদর্শের লড়াকু সৈনীককে "বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক" নির্বাচিত করায় দেশব্যাপি শুভেচ্ছার সাগরে ডুব দিয়ে 'আমি জানাই কৃতজ্ঞতা,অভিনন্দন, শুভেচ্ছা, সালাম।


                     ruhulaminmujumder27@gmail.com

                     "জয়বাংলা                      জয়বঙ্গবন্ধু"
                          জয় জাতির  জনকের  কন্যা
                               প্রধান মন্ত্রী   শেখ  হাসিনা--

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg