'২১শে আগষ্টের হামলার পরিকল্পনা সাত গম্ভুজ মসজিদে--পরিকল্পনায় ""তারেক জিয়া সরাসরি জড়িত""---!!

‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা হয় সাত গম্বুজ মসজিদে’--"তারেক পরিকল্পনায় সরাসরি জড়িত"----!!!!!

______________________________________________________
______________________________________________________

   খালেদা জিয়া কি কারনে ১/১১ এর সেনা শাষিত তত্বাবধায়ক সরকারের সঙ্গে ন্যাক্কারজনক শর্তে দুই ছেলেকে দেশের বাহিরে পাঠিয়ে দিতে রাজি হলেন--দিন যতই গড়াচ্ছে গোপন রহস্য সমুহ ততই পরিস্কার হচ্ছে।তারেক বিদেশে চিকিৎসার জন্য গিয়ে ফিরে আসার চিন্তা কেন করে নাই--তার হদিসও প্রকাশ শুরু হয়েছে।খালেদা জিয়া সংক্ষিপ্ত  পথে ক্ষমতা পাওয়ার জন্য কেন এত ব্যাকুল পাগলপ্রায় ছিলেন--তাও দিনের আলোর ন্যায় পরিস্কার হওয়া শুরু হয়েছে।
     "ব্যাক্তিগত ভাবে আমি খুবই আশ্চায্য ছিলাম এই ভেবে-'হেফাজতের শাফলাচত্বরে অবস্থানের প্রেক্ষিতে খালেদা জিয়া দলীয় নেতাকর্মীদের তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ'এবং ঢাকায় বসবাসরত: 'জনতাকে রাজপথে নেমে আসার আহব্বান' শর্তেও উভয়ের কেউই তাঁর ডাকে সাড়া দেয়নি কেন? তাঁর বাসার সামনে বালির ট্রাক ও পুলিশী ব্যারিকেটের কারনে তিনি বাসার ফটকে গাড়ীতে দুপুর দ'টা থেকে সন্ধা সাতটা পয্যন্ত অপেক্ষার পরও দশ/বিশ হাজার নেতাকর্মীর মিছিল ব্যারিকেট সরিয়ে নেত্রীর পথ পরিস্কার করার জন্য কেন আসেনি ?"
       অনেকেই বলতে চেষ্টা করবেন পুলিশী বাধার কারনে বা পুলিশি অভিযানের ভয়ে হেফাজতের সাথে একাত্ম হতে যায়নি। ঢাকার অবস্থা ভাল ছিলনা বলে কেউ নেত্রীকে উদ্ধার করার জন্য আগ্রহি হয়নি।আমি তাঁদের শুধু বলব ভারতীয় উপমহাদেশ পরবর্তি পাকিস্তান সর্বশেষ বাংলাদেশের কোন আন্দোলনে পুলিশী ব্যারিকেট ছিলনা? কোন আন্দোলন বিনা রক্তপাতে সফল হয়েছে? জনগনের স্বত:স্ফুর্ত অংশগ্রহন ছাড়া কোন আন্দোলন গতিপথ পেয়েছে? বিগত আন্দোলনে মিছিল মিটিং, হরতাল অবরোধে সরাসরি সম্পৃত্ত কোন কর্মী নিহত হয়েছিল কি?
তবে হ্যা অনেকেই হত্যার শিকার হয়েছেন আমি স্বিকার করি- তবে সেই হত্যা নাশকতা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, আগুনবোমা নিক্ষেপ করার সময় পুলিশের গুলিতে।  নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে নয়।নাশকতা কি আন্দোলনের অংশ? যদি তাই মনে করেন তবে অনেকেই মারা গেছে সত্য।
রাজনীতির দু'টি বাঁকের একটিতেও যদি নেতাকর্মীদের সাড়া পাওয়া যেত তবে বাংলাদেশের রাজনীতির প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হ'ত কিনা জানিনা-তবে 'বিএনপি এবং তাঁদের জোটের রাজনীতির এই দুরবস্থা হ'তনা'--আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি।
উপরের কথাগুলি বললাম এই কারনে-নিম্নের ঘটনাটি পড়ে আমি নিজেও সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের ন্যায় নষ্টালিজিয়ায় আবর্তে ঘুরপাক খাওয়া শুরু করেছি। আমার কেন জানি বার বার মনে হচ্ছে "চার দলীয় জোট, হেফাজত এবং এরশাদের" রাজনীতির এই করুন দশার জন্য "মহান আল্লাহর সরাসরি হস্তক্ষেপ আছে।"

হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানের নেতৃত্বে একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা হয় ঢাকার সাত গম্বুজ মসজিদে বসে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জঙ্গি নেতারা হাওয়া ভবনে তারেক রহমানের সঙ্গেও বৈঠক করে।আদালতে দেয়া সাক্ষ্যে ওই ষড়যন্ত্রের বিস্তারিত জানিয়েছেন মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল কাহার আকন্দ।

একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার সর্বশেষ সাক্ষী ও তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাহার আকন্দ আদালতে সাক্ষ্য দেয়া শুরু করেছিলেন গত সপ্তাহের শুরুতে।

ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সোমবারও সাক্ষ্য দেন তিনি। সাক্ষীর জবানবন্দিতে গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনায় জড়িতদের বিষয়ে তথ্য দেন আব্দুল কাহার আকন্দ। গ্রেনেড হামলার উদ্দেশ্য নিয়েও কথা বলেন সিআইডির এ কর্মকর্তা।

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার তদন্ত ভিন্ন পথে নিতে সিআইডির দুই তদন্ত কর্মকর্তা ও একজন তদন্ত তদারকি কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজশে জজ মিয়া কাহিনী সাজিয়েছিল, দোষ স্বীকার করা সত্ত্বেও মুফতি হান্নানকে আসামি করা হয়নি। আদালতে দেয়া সাক্ষ্যে এসব জানান মামলার সর্বশেষ সাক্ষী ও তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাহার আকন্দ।

একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার সর্বশেষ সাক্ষী তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ। ওয়ান ইলেভেনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মামলার তদন্ত সঠিক গতিপথ পেলেও গ্রেনেডের উৎস ও হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে কিছু না থাকায় তাকে সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগাারের পাশে স্থাপিত ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিশেষ এজলাসে শনিবার সাক্ষ্য দেয়া শুরু করেন তিনি। চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে ওই মামলার তদন্তের নানা দিক তুলে ধরেন তিনি।রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেন, তার সাক্ষীতে মূলত যে বিষয় উঠে এসেছে তিনজন তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ, মুন্সি আতিকুর রহমান এবং বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন। তারা এই মামলা দু’টি তদন্ত ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। ১৬৪ ধারা জবানবন্দিতে জজ মিয়া নাটক কিভাবে সৃষ্টি করেছেন সেটাও তিনি উল্লেখ করেছেন।

আব্দুল কাহার আকন্দ বলেন, মূল অপরাধীদের আড়াল করতে যা যা করনীয় সবই করেছেন সেই সময়ের তদন্ত কর্মকর্তারা।এ প্রসঙ্গে অবশ্য আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেন, সংঘটিত এই জঘন্য অপরাধে যারা সম্পৃক্ত এবং যারা নির্দেশ দাতা, সহায়তা প্রদানকারী, পরিকল্পকারী তাদের আড়ালকারী কি করেছেন, কিভাবে করেছেন সেটাও তিনি উল্লেখ করেছেন। তাদের তদন্তকালে মুফতি অাব্দুল হান্নান গ্রেফতার ছিলো অন্য মামলায় সেটা জানার পরও তাকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি এবং গ্রেফতারও দেখানো হয়নি।ইহাও কি সম্ভব?
খালেদা জিয়া এবং চার দলীয় জোটকে স্ব-রাষ্ট্র মন্ত্রনালয় সহ নির্বাচন সংযুক্ত অন্য সকল মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব দিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাব দিয়েছিলেন।খালেদা প্রধান মন্ত্রীর সাথে রুঢ আচরনের মাধ্যমে উক্ত প্রস্তাব প্রত্যাক্ষান করেন। তিনি নাশকতা অরাজগতা সৃষ্টি করে সংক্ষিপ্ত পথে ক্ষমতায় আসতে চেয়েছিলেন। তার অনেক কারনের মধ্যে অন্যতম একটি কারন '২১শে আগষ্টের বর্বর হত্যাকান্ড'। ২১ শে আগষ্টের বোমা হামলায় তারেক সরাসরি জডিত ছিলেন মা খালেদা ভালভাবেই জানতেন।সাধারন নির্বাচনে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় গেলেও "২১ আগষ্ট সহ আরো কতিপয় মামলা স্বাভাবিক আইনের গতিতেই চলবে।" শেখ হাসিনা ২০০৮ইং সরকার গঠন করেই চাঞ্চল্যকর কয়েকটি মামলার স্বাভাবিক গতিপথে আনায়নে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়ে ততদিনে কায্যকর করে রেখেছিলেন।ইচ্ছা করেও মামলা গুলী স্বাভাবিক ভাবে 'নির্বাচিত সরকার' গতিপথ পরিবর্তন করতে পারতেন না। যেমন পারেনি চার দলীয় জোট পাঁছ বছর ক্ষমতায় থেকেও "বঙ্গবন্ধু হত্যার" বিচার বাতিল বা রহিত করতে।
অস্বাভাবিক সরকার গঠন খালেদার একান্ত মনোকামনাই ছিল।সেই সরকার যে কোন শক্তির হলেও আপত্তি ছিলনা তাঁর।প্রয়োজনে সেই সরকারের সঙ্গে যে কোন শর্তে  আপোষ করারও পক্ষপাতি ছিলেন তিনি। শুধু মাত্র তাঁর পরিবারের "লুটপাট এবং ২১শে আগষ্টের হত্যা পরিকল্পনা" থেকে রক্ষা পাওয়ার মনোবাসনা পুরণ খলেই তিনি রাজি হয়ে যেতেন।
"আল্লাহ সর্বশক্তিমান, তিনি সব জানেন, দেখেন-অত্যাচার্য্য হলেও সবাই দেখেছেন "জামায়াত,হেফাজত, এরশাদ,চারদল,বিএনপি সহ সকল 'শক্তি ধর্মীয় উম্মাদনা ' সৃষ্ট্রি করেও শেখ 'হাসিনার সরকারকে সামান্যতম টলাতে পারেন নাই'-কোথায় পেলেন শেখ হাসিনা এই মনোবল? একাদা ভিখারীর দেশ, পাঁছ বারের দুর্নীতিতে শীর্ষ দেশ মাত্র পাঁছ বছরের মধ্যে 'নিম্নমধ্য আয়ের' দেশে রুপান্তরীত হল-কোথায় পেলেন শেখ হাসিনা এই যাদুর কাঠি?গ্রাম্য একটা 'কালভার্টের' টাকা যে দেশটি ঋন করে আনতে হ'য়েছে- সেই দেশটি সাত বছরের মাথায় পদ্মাসেতু বানায়-কোথায় পেলেন শেখ হাসিনা এর যোগান? সবই মহান সৃষ্টি কর্তার ইচ্ছা-আল্লাহ শেখ হাসিনাকে বাংলার জনগনের মন জয় করে ক্ষমতায় থাকার জন্যই  তিনি অসম্ভবকে সম্ভব করে নিচ্ছেন-এতে কোন সন্দেহ নেই।"

     " জয়বাংলা         জয়বঙ্গবন্ধু"

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg