"বেগম জিয়া শিমুল বিশ্বাসে"র "অনৈতিক সম্পর্ক" জনমনে প্রভাব বিস্তার শুরু ; অতীতে ঘটে যাওয়া ঘটনা সমুহ বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছে"---

      "বেগম জিয়া শিমুল বিশ্বাসে"র 'অনৈতিক' সম্পর্ক জনমনে প্রভাব বিস্তার শুরু ; অতীতে ঘটে যাওয়া ঘটনা সমুহ  বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছে" ! -----
"রুহুল আমিন মজুমদার"
            _____________________________
            ______________________________
রাজনীতিতে ব্যাক্তিগত অভ্যেস বা বদভ্যেস খুব বেশী ধর্তব্যের মধ্যে আসেনা। বেশীর ভাগ আঞ্চলিক নেতাদের সুনাম -দুর্নামের মুখরোচক  কাহিনী লোকের মুখে মুখে আলোচনার খোরাক হয়ে নির্বাচনের মাঠে ঘুরে বেড়ায়।জনগন খুব বেশী আমলে নেয় বলে মনে হয়না। নানেয়ার বহুবীদ কারনও আছে।দুর্নাম যদিও বা একাধিক থাকে সুনাম থাকে আকাশ চোঁয়া।জনগনের দরজায় তাঁর যাতায়াত সময়ে অসময়ে ঘটে বিধায় সম্পর্ক থাকে বন্ধু ভাইয়ের অধিক।ফলে তাঁর দুর্নামকে পেছনে পেলে সুনামগুলী নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারে গুরুত্বপুর্ণ হয়ে উঠে।
জাতীয় রাজনীতি আঞ্চলিক রাজনীতি একনয়।জাতীয় রাজনীতি আঞ্চলিক রাজনীতিকে প্রভাবিত করে; আঞ্চলিক রাজনীতি জাতীয় রাজনীতিকে প্রভাবিত করতে পারেনা। জাতীয় রাজনীতিতে যে সমস্ত নেতা দেশে বিদেশে পরিচিত বা প্রভাব প্রতিপত্তি নিয়ে অবস্থান করেন তাঁদেরকে আমরা বলি "শীর্ষ নেতা" বা "জাতীয় নেতা"।  শীর্ষনেতাদের ভালমন্দ আন্তজাতিক মহল পয্যবেক্ষনে রাখেন; কারন দেশের শীর্ষ নেতাদের রাজনৈতিক অবস্থানের উপর আন্তজাতিক মহলের স্বার্থ জড়িত থাকে।দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধারার রাজনীতি প্রচলিত থাকে-যেমন ডান, বাম মধ্যপন্থি, সাম্প্রদায়িক, অসাম্প্রয়িক, একনায়কতান্ত্রিক,ফ্যাসিবাদি ইত্যাদি। আন্তজাতিক মহলের মধ্যেও এইরুপ বিভাজন স্পষ্ট।প্রত্যেক ক্ষমতাধর রাষ্ট্র চায় তাঁর প্রতিবেশী বন্ধুরাষ্ট্র তাঁদের আদর্শের অনুরুপ আদর্শের রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় বসুক।
ভারতের জাতীয় নির্বাচনে কংগ্রেসের ভরাডুবি এবং বর্তমান মৌদি নেতৃত্বে বিজেপি দল একক সংখ্যাগরিষ্টতায় সরকার গঠন করার সম্ভাবনা দেখা দিলে বাংলাদেশের অনুরুপ সাম্প্রদায়িক শিবিরে আনন্দের বন্যা দেখা দেয়; চারিদকে মিষ্টি বিতরনের হিড়িক পড়ে।বিএনপি এবং তাঁর শীর্ষনেত্রী খালেদা জিয়াও দলীয় অফিসে মিষ্টিমুখ, মিষ্টি বিতরন করে উল্লাসে ফেটে পড়েছিল।বর্তমানে আমেরিকা যুক্ত রাষ্ট্রের নির্বাচনেও 'হিলারী ক্লিনটনে'র অগ্রগামিতায় বিএনপি শিবিরে আনন্দের  ধারা প্রবাহমান দেখা যাচ্ছে। ট্রাম্পের মুসলিম বিদ্বেসী মনোভাব, নারীর প্রতি বিদ্বেস বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয় বস্তুতে পরিনত হয়েছে।
বাংলাদেশ একটি শক্তিহীন, দুর্নীতিপ্রবন, প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবন,মনুষ্যসৃষ্ট সমস্যা সংকুল ছোট দেশ। শক্তিশালী দেশের নির্বাচন নিয়ে বিশ্বব্যাপী যত বেশী আলোচনা হয় ততবেশী না হলেও ভৌগলিক অবস্থানের কারনে কেবল কমও হয়না।আন্তজাতিক মিডিয়া বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপ্রকৃতি নিয়ে যতবেশী উৎসাহী অন্য কোন দেশ নিয়ে ততবেশী আলোচনা করতে দেখা যায়না।ক্ষমতাধর প্রত্যেক রাষ্ট্রের মিডিয়া গুলীতে বাংলাদেশের খবর প্রচারে 'বাংলা অনুষ্ঠান' বিশেষ করে খবর এবং 'খবরের পয্যালোচনা'র জন্য দুই তিন ঘন্টারও বেশী সময় বরাদ্ধ রাখতে দেখা যায়। এমন কিছু সংবাদ বাংলাদেশের মানুষ জানার আগে বিদেশী মিডিয়ায় একাধিকবার প্রকাশ হতে অতীতে আমরা দেখেছি।
আন্তজাতিক অঙ্গনে এমন একটি দেশের শীর্ষনেতার প্রকাশ্য বেলাল্লাপনা বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে-শুসিল মহলের মনে চিন্তার উদ্রেক করেছে।বিএনপি নেত্রীর গোপন সম্পর্ককে সত্যে পরিনত করার একাধিক তৎসম্পকীত ঘটনা আগে থেকেই ঘটে চলেছে।যে সমস্ত ঘটনা যে কারো বেলায় উল্লেখীত বেহায়াপনার নিমিত্তে-যে কোন ব্যাক্তির পারিবারিক,সামাজিক, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ঘটা একান্তই স্বাভাবিক। এইরুপ কতিপয় ঘটনা আপনাদের স্মরণ করে দিতে চাই--
   "মোসাদ্দেক আলী ফালু বিএনপি'র কেন্দ্রীয় কমিটির লোভনীয় পদ ত্যাগ করেছেন। অফিস কর্মচারী শিমূল বিশ্বাসের স্ত্রী তাঁদের দাম্পত্য জীবনের কলহ শেষ পয্যন্ত থানা কোর্ট পয্যন্ত গড়িয়েছে। শিমূল বিশ্বাসের নামে চল্লিশ/বিয়াল্লিশ টি মামলা চলমান রয়েছে। উক্ত মামলা মাথায় নিয়ে খালেদা জিয়ার বাসভবনে বছরব্যাপি আত্মগোপনে রয়েছেন। যেহেতু সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে পুলিষী তল্লাসি করার আগাম হাইকোর্টের আদেশের প্রয়োজন সেহেতু উক্ত বাসভবন পলাতক আসামীর নিসন্দেহে  নিরাপদ আবাস। বেতনভোগী অফিস কর্মচারি হয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের পাত্তা দিয়ে কথা বলেন না। অনেক আগে থেকে বিএনপি নেতাদের অভিযোগ 'শিমুল বিশ্বাসে'র আদেশ নির্দেশে বিএনপি দল পরিচালিত হয়; এবং কি নেতারাও মেনে চলতে বাধ্য হন। হাই প্রোফাইল চৈনিক রাষ্ট্র প্রধানের সঙ্গে খালেদা জিয়া এবং বিএনপি নেতৃবৃন্দের আলোচনায় অনুপস্থীত নেতার চেয়ারে বসে (তালিকায় নাম না থাকা সত্বেও) তালিকায় থাকা নেতাদের চেয়ে আরো কয়েকধাপ সমুজ্জল ব্যাক্তিত্বে সদর্পে আলোচনায় অংশ গ্রহন করা ; যদিও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ছাড়া অফিস কর্মচারী বা ব্যাক্তিগত কর্মচারি/কর্মকর্তার "দলীয় আলোচনায় অংশগ্রহন কোন রাজনৈতিক দলের বিধানে নেই"--"বিদেশী রাষ্ট্রের রাষ্ট্র প্রধান বা দুতাবাস প্রধানের" সাথে বৈঠকে অংশ নেয়ার প্রশ্নই আসেনা।
       আগুন সন্ত্রাস,লুটপাট, অরাজকতা সৃষ্টির আন্দোলনের ফাঁদে পড়ে দেশব্যাপি আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ এবং কি তৃনমুলের নেতারাও যেখানে মামলার খেসারত দিতে দিতে নিস্তেজ হয়ে আন্দোলন সংগ্রাম বিমুখ হয়ে অনেকে  বিদেশ পাড়ি দিয়েছেন অনেকে দেয়ার সুযোগ খুঁচ্ছেন; সেখানে এতগুলী মামলায় জড়িত থাকার পরেও এবং কি রাজনৈতিক পদ পদবী বহন না করা সত্বেও শিমুল বিশ্বাসের গাঁয়ে অদ্যাবদি আইন তাঁর লম্বা হাতের সামান্যতম চোঁয়াও লাগাতে পারেনি ---!!!!
       উপরে উল্লেখিত ঘটনা সমুহ বিশ্লেষন করে ধারনা করা যায় "খালেদা জিয়া ফালুকে ত্যাগ করে অধিকতর কম বয়সের শিমুল বিশ্বাসের প্রতি ঝুঁকে পড়েছেন"। ইহা অত্যান্ত ভাল একটি ব্যবস্থা "জৈবিক তাড়না" নিরাময়ের জন্য তিনি "গোপন সম্পর্ক" করে নিয়েছেন।আরো ভাল করেছেন "বৃদ্ধ ফালু"কে ত্যাগ করে "যুবক শিমুল"কে গ্রহন করেছেন।
          কিন্তু তাঁর মনে রাখা প্রয়োজন ছিল তিনি বাংলাদেশের সাবেক প্রধান মন্ত্রী এবং বিএনপি দলের প্রধান নেত্রী। এই দেশটি মুসলিম প্রধান দেশ।ইসলামে বেলেল্লাপনার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। তাছাড়া বর্তমান যুগ গনতান্ত্রীক যুগ-দলীয় সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে বলতে হয় অদ্য সভায় কি সিদ্ধান্ত নেয়া হল। রাজা বাদশাহর যুগ শেষ হয়ে গেছে অনেক আগেই-তাঁদের শাষনামলে রঙ মহল, বাঈজী মহল,সুরা মহল, দাস দাসীর নানাহ কাহিনী ইতিহাসে পাওয়া যায়। রাজা, বাদশাহদের শৌয্য বিয্য প্রদর্শনের নিমিত্তে প্রচলনও ছিল সেই আমলে।সেই যুগের পতন ঘটিয়ে জনগন আরো আধুনিক শাষন ব্যবস্থা কায়েমের লক্ষে তাঁদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতেও কুন্ঠাবোধ করেনি। গনতান্ত্রীক দেশের নেতা নেত্রীদের খাওয়া দাওয়া, চলাফেরা, দৈনন্দিন জীবনাচার পয্যবেক্ষনে থাকে সর্বক্ষন জনগনের। সংবাদ কর্মীরা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করার স্বাধীনতা আছে ;এবং কি বিদেশী দুতাবাস সমুহের ও নজরদারি থাকায় কোনপ্রকার বাধা নেই।
     রাতের অন্ধকারের গোপন সম্পর্ককে প্রকাশ্যে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসার কারনে এই মহুর্তে "দেশব্যাপি আলোচনার সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে খালেদা জিয়া এবং শিমুল বিশ্বাসের সম্পর্ক আদৌ কর্মচারি মণিবের সম্পর্ক না অন্য কিছু"। "ফালু এবং খালেদার সম্পর্ক নিয়ে  মুখরোচক আলোচনার রেশ কাটতে  না কাটতে শিমুল বিশ্বাসের সঙ্গে তদ্রুপ সম্পর্কের বিষয়টি জনগন মেনে নিবে কিনা এই মহুর্তে বুঝা না গেলেও বিএনপি নেতারা যে শংকিত তা সম্যক ভাবে উপলব্দি করার যথেষ্ট উপকরন পাওয়া যাচ্ছে।"
     বিএনপি দলের মহাসচিব জনাব ফকরুল ইসলাম আলমগীর এক সভায় প্রকাশ্য বক্তব্যে শংকা প্রকাশ করে বলেন- "এই অবস্থায় চলতে থাকলে বিএনপি ৫/৭ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে "। আক্তারুজ্জমান বলেছেন- খালেদা  নাবালকের পরামর্শে দলকে ডুবিয়ে দিচ্ছেন"।গায়েশ্বর একাধিকবার বিরুপ মন্তব্য করে বলেছেন-বর্তমান বিএনপি নেত্রী কার পরামর্শে দল পরিচালনা করেন জানিনা"।
ইতিমধ্যে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে--"তারেক -খালেদা টেলিফোনে হটটক বিনিময়, আন্দোলন সংগ্রামে কোন কেন্দ্রীয় নেতার অংশগ্রহন না করা ইত্যাদির হেতু কি শিমুল বিশ্বাস? বয়োজৈষ্ঠ নেতাদের পদত্যাগ, দলের একাধিক ড্রেসিং হিরুইনের দলত্যাগ, জেলা উপজেলা নেতাদের নিস্ক্রিয়তা, কেন্দ্রীয় নেতাদের খালেদার বাসভবন বিমুখ, তারেক জিয়ার নিস্ক্রিয়তা ইত্যাদি "অধিক বয়সের নেত্রী খালেদা জিয়ার যুবতী মেয়ে তুল্য" প্রকাশ্যে বেলাল্লাপনার হেতু?
       তবে কি "বাংলাদেশের বিরুধী দলের রাজনীতি শেষ পয্যন্ত ধর্ষনের শিকার? জৈবিক সুখানুভুতিতে মগ্ন? প্রেমের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে? পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়েছে? আদিম যুগের বহু বিবাহের নীতিতে ফিরে গেছে? পতিতাবৃত্তিতে জড়িয়ে গেছে? পতিতালয়ে চলে গেছে? প্রকাশ্য বেলাল্লাপনায় জড়িয়ে গেছে? আদি যুগের হেরেম, রঙ্গ মহলের চেতনায় ফিরে গেছে?""
          বই পুস্তকে দেখেছিলাম 'বাঙ্গালী'মেয়েরা কুড়িতে বুড়ি।সাধারনত: চল্লিশ বছর বয়সের পর সন্তান ধারনের  ক্ষমতা থাকে না। পরিবেশ, পুষ্টিসমৃদ্ধ আহারের গুনে আরো দশ বছর বোনাস দেয়া হলেও খালেদা জিয়া অনেক বেশী বয়সের অধিকারি। তবে কি খালেদা "বাঙ্গালী" পিতার জম্ম নয়?
       "বাংলাদেশের সংবিধানে স্পষ্ট উল্লেখ আছে, কোন সংখ্যালুঘু,বিজাতীয় ব্যাক্তি রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্ছ পদে অধিষ্ঠিত হইতে পারিবেনা।সচেতন মহল থেকে ইতিমধ্যে দাবী উঠেছে -" অবিলম্ভে খালেদা জিয়ার ডি, এন এ টেষ্ট করা হোক।তার জম্ম কোন 'জাতির পুরুষের' দ্বারা সংঘঠিত হয়েছিল  নির্ণয় করা হোক। একজন বিরুধীদলীয় নেত্রীর ব্যভিচারের কারনে বাংলাদেশ বিরুধীদল শুন্য থাকুক, জনগনের ন্যায্য সংগ্রাম বিচ্যুত থাকুক -- কোন সচেতন নাগরীক চাইতে পারেনা।"
       উল্লেখিত দেশকাঁপানো বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগের কোন স্তরের নেতৃবৃন্দ অদ্য পয্যন্ত মুখ খোলেনি। হয়ত বা তাঁদের রুচিতে আসেনা মন্তব্য করা; তাই বিরত রয়েছেন মন্তব্য  থেকে। তাঁদের জানা উচিৎ দেশ ও জাতির জন্য ইহা অত্যান্ত গুরুত্বপুর্ন বিষয়।জনগন ভাবতে শুরু করেছে "উপরের তলায় যাই ঘটুক প্রকাশ হলেও আইনের চোখ বন্ধ থাকে।নিছু তলায় যাই ঘটুক মানুষ জানার আগে আইনের চোখে দেখা যায়। শতকরা নব্বইজন বাঙ্গালী মুসলিম অধ্যুষীত বাংলাদেশের শাষক শ্রেনীর "প্রকাশ্য বেলেল্লাপনা" মেনে নিবে কিনা চিরবিদ্রোহী বাঙ্গালী মুসলমান সমাজ আগামীতে দেখার অপেক্ষায় রইলাম"।
             "খালেদা জিয়ার বারংবার যৌনসম্পর্কের ঘটনা সমুহ নি:সন্দেহে জাতী হিসেবে আমাদের মান সম্মান ধূলায় লুটিয়ে দেয়ার সমতুল্য।সুতারাং দেশ, জনগন, জাতীর "মান ইজ্জত"  বিবেচনায় 'খালেদা জিয়া'র ডিএনএ টেষ্ট করা অভিলম্ভে রাষ্ট্রের কর্তব্য বলে মনে করে"।
                  ruhulaminmujumder27@gmail.com
                             " জয়বাংলা      জয়বঙ্গবন্ধু"

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg