আওয়ামীলীগ---জনগন কঠিন বন্ধনে আবদ্ধ--সরকার --জনগনের অঘোষিত জাতীয় ঐক্য দৃশ্যমান।

আওয়ামীলীগ-জনগন কঠিন বন্ধন--অঘোষিত জাতীয় ঐক্য অনেক আগেই দৃশ্যমান।
____________________________________________

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  বঙ্গরত্ম শেখ হাসিনা 'আসেম সম্মেলন' থেকে ফিরে এসে অদ্য সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, 'জাতিয় ঐক্য যাদের সাথে হওয়ার দরকার তাঁদের সাথে হয়ে গেছে।'তিনি অত্যান্ত সুস্পষ্ট ভাবে সত্য কথাটি উচ্চারন করতে দ্বিধা করেননি।আমি এর আগেও বার কয়েক বলার চেষ্টা করেছি বাংলাদেশে উন্নয়ন অগ্রগতি এবং জঙ্গী দমনে অঘোষিত জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি হয়েছে। গত ১৪/০৬ ইং তারিখের একটি লেখায়ও বলেছিলাম জাতিয় ঐক্য যেখানে হওয়ার প্রয়োজন সেখানে অনেক আগে থেকেই  জাতীয় ঐক্যের সুস্পষ্ট লক্ষন সমুহ দৃশ্যমান। "যাদের চোখ নাকের উপরে তাঁরা দেখছে-নাকের নীছে যাদের তাঁরা দেখছে না।"

    ভারতকে বিশ্বের গনতান্ত্রিক দেশ সমুহের মধ্যে অন্যতম একটি এবং আমেরিকা, বৃটেন, ফ্রান্স যেহেতু উন্নত দেশ সেহেতু ধরে নিতেই পারি গনতান্ত্রিক দেশ। নিশ্চয়ই ঐ সমস্ত দেশে বিরুধী দলের সাথে বাংলাদেশের ন্যায় আচরন করা হয়না। তবে কেন জঙ্গীরা টুইন টাওয়ার গুড়িয়ে দিল? ফ্রান্সে কেন লক্ষ মানুষের আনন্দ মিছিলে জঙ্গীরা ট্রাক উঠিয়ে দিল? ভারতে কেন বার বার জঙ্গী হামলা হচ্ছে? ভারত কেন বীরীভাপান্ন হওয়া সত্বেও যুগান্তরের সমস্যা সমাধান করে আওয়ামী সরকারের সঙ্গে তাঁদের বন্ধুত্বের নিদর্শন রাখতে সচেষ্ট হ'ল?

    অথর্ব বুদ্ধিজীবি এবং তাঁদের অনুসরনকৃত অযোগ্য বিরুধী দল বিএনপি জামায়াত গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে বলছে জঙ্গী হামলা রোধ করার জন্য তাঁদের সংগে আলোচনায় বসে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। সুশাষন পিরিয়ে আনতে হলে তাঁদের সাথে সকাঝোতা করতে হবে। সুশাষন এবং গনতন্ত্রের অভাবে জঙ্গী হামলা হচ্ছে !! তাঁদের সাথে আলোচনা ছাড়া জঙ্গী হামলা রোধ সম্ভব হবেনা !! উল্লেখীত দেশেও কি সুশাষন এবং গনতন্ত্রের অভাব !!  শেষের বিবৃতির  জন্য উন্নত দেশ সমুহে এমনই "গনতন্ত্র" অবশ্যই বিবৃতিদাতাকে জেলখানায় যেতে হত। যেহেতু প্রকাশ্য বিবৃতির মাধ্যমে স্পষ্টভাবে বিএনপির নেতারা প্রকাশ করেছেন জঙ্গী হামলাকারীরা তাঁদেরই দলীয় আস্থাভাজন নেতাকর্মী। তাঁদের নির্দেশে জঙ্গী হামলা গুলী হচ্ছে। তাঁদের সাথে আলোচনা ফলপ্রসু হলে-তাঁরা তাঁদের নিয়ন্ত্রন করবেন !! তাঁদের বিবৃতির ধরন পয্যালোচনা করলে একটা পথশিশুও এই কথাটিই বলতে বাধ্য হবে।

    মাঠে নামার সাহষ নেই, আন্দোলনের যোগ্যতা নেই, জম্ম ষড়যন্ত্রে, খমতা গ্রহন পিছনের দরজা দিয়ে--তাঁরা কিভাবে বুঝবে জনগনের নাড়ীর খবর? জম্মিতে কেউ পাঁপি হয়না, কর্মেই পাঁপ নির্ধারীত হয়। অতীতের ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা বর্তমানেও বহমান রেখে ক্ষমতা পাওয়ার ষড়যন্ত্রে ব্যার্থ্য হয়েছেন। এখন একবার বলেন সরকারের পদত্যাগ আবার চাইতেছেন জাতীয় ঐক্য !! ভোট বিহীন অবৈধ সরকারের নিকট কিসের জাতীয় ঐক্য চান আপনারা !!  সরকার স্বীকার না করে সরকারের নিকট আবদার করা কতটুকু জ্ঞান সমৃদ্ধ বিবৃতি আপনারাই চিন্তা করে দেখুন।

  '৭৫ এ বঙ্গবন্ধুকে নির্মভাবে হত্যা করার আগে '৭৩ এর সধারন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে ৯৫/শতাংশেরও বেশী জনসমর্থন ছিল। তারপরও দীর্ঘ একুশ বছর রাজপথে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেননি। এমন কোন নেতাকর্মী অবশিষ্ট ছিলনা একবারও জেলের ভাত খায়নি,একবারও আপনাদের লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসীদের হাতে লাঞ্চিত হয়নি। একুশ বছর পর ১৯৯৬ইং সালে ভোটার বিহীন ৫ই ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনের বিরুদ্ধে গনভ্যুত্থান ঘটিয়ে ১৫দিনের মাথায় আপনাদেরকে ক্ষমতাচ্যুত করে ৪২/শতাংশ ভোটে জীতে সরকার গঠন করেছিল আওয়ামীলীগ। দেশীয় ও আন্তজাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সংবিধান অনুযায়ী সরকার পদত্যাগের আধা ঘন্টার ব্যবধানে সারাদেশ আওয়ামী শুন্য করে অনুষ্ঠিত সাধারন নির্বাচনে মাত্র ৩৩/শতাংশ ভোটে জিতে আপনারা খমতা দখল করেছিলেন। তারপরের ইতিহাস আওয়ামী লীগের প্রত্যেক নেতাকর্মীর জন্য প্রত্যেকটা দিন কি নির্মম, নিষ্ঠুর, বিভৎস ছিল-একমাত্র ভুক্তভোগী ছাড়া কারো অনুমেয় হওয়ার কথা নয়। আপনাদের ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চক্রান্তের খেসারৎ জাতি দুটি বছর অনির্বাচিত সরকারের অধীনে থেকে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। ২০০৮ইং সালের সাধারন নির্বাচনে ৫৩/শতাংশ জনসমর্থন নিয়ে আবারও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি তথা মহাজোট সরকার গঠন করে। আপনাদের জনসমর্থন নেমে দাঁড়িয়েছিল মাত্র ২৭/শতাংশে। ৯৫/শতাংশের উপরে জনসমর্থন থাকার পরেও আপনারা আওয়ামী লীগকে নি:শেষ করে দেয়ার চক্রান্তে ২১ বছর লিপ্ত ছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ জনগনের মনে জাগরুক থাকার কারনে সফল হতে পারেননি।
    মাত্র ২৭শতাংশ জনসমর্থন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদীতা করে, স্বাধীনতার বিরুদীতা করে ৭/৮ বছরে ঘুরে দাড়ানোর সাহষ কোত্থেকে পান?  কার আদর্শ লালন করেন আপনারা ?-ষড়যন্ত্র? জয়কে হত্যা? অরাজগতা? জঙ্গী ?   অশুভশক্তি ? জামায়াত শিবির ? ধর্ম ? সেনাবাহিনী ? গুজব ?অপ্প্রচার ?  কি  ভাবে ??

     এখনও বিবৃতি দিয়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে টিকে আছেন ইহাই যথেষ্ট। জনগন জানে আপনারা আছেন।  ইহাও সম্ভব হচ্ছে একমাত্র জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা, গনতন্ত্রের মানসকন্যা, দেশরত্ম শেখহাসিনার অপরিসীম বদন্যতায়। অন্য কোন দল খমতায় থাকলে শাফলা চত্বরের তথাকথিত মাওলানাদের মদদ দেয়ার অপরাধে আপনাদের রাজনীতি করার অধিকার বাতিল হ'ত।তার চেয়ে বড় অপরাধ আদালত কতৃক ঘোষিত যুদ্ধপরাধী দল জামায়াতের সঙ্গে জোট রক্ষার অপরাধে আপনাদের দলকেও নিষিদ্ধ করা হ'ত। জননেত্রীর সরকার গনতন্ত্রের স্বার্থে, শক্তিশালী বিরুদী দলের অস্তিত্ব দেশের গনতন্ত্র বিকাসের স্বার্থে এখনও রাজনীতি করার অপরাধে আপনাদের দলকে তাঁর সরকার নিষিদ্ধ করেনি। আপনাদের উত্থান, বিকাশ এর বিরুদ্ধে সর্ব উচ্চ আদালতের রায়কেও বঙ্গবন্ধুর কন্যা কায্যকর করেনি। উক্ত রায় কায্যকর হলেও আপনাদের অস্তিত্ব থাকেনা। সেনাবাহিনীকে উস্কে দেয়া, জঙ্গী লালন, আগুন সন্ত্রাসের ন্যায় শত ঘটনা নাইবা বললাম। আপনাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নেয়ার একমাত্র কারন-দেশে অন্যকোন শক্তিশালী বিরুদী দলের অস্তিত্ব নেই। উন্নয়ন অগ্রগতির চাকা সঠিক রাস্তায় প্রবাহিত করার জন্য বিরুদী দলের প্রয়োজন অপরিহায্য, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  ভাল ভাবেই জানেন।  
 
  গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় জাতীয় ইস্যুতে আপোষ হতে পারে। রাজপথ দখলে তুলে দেয়ার আপোষ হতে পারেনা। এই সামান্য ব্যাপারটি বঙ্গনেত্রী বুঝেনা যারা ভাবতে পারে তাঁরা কি আহম্মক, অথর্ব নয়? আন্দোলনের নামে জনগনকে আগুন বোমায় হত্যা, সম্পদ বিনষ্ট, লুটপাট, পবিত্র কোরান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার অপরাধে জনগন  তাঁদেরকে রাজপথে নামতে দিচ্ছেনা। শত শত জাতীয় ইস্যু সৃষ্টি হয়ে বিলীন হয়ে গেল-রাজপথে নামার সাহষ দেখাতে পারেনি।এই ঈদ না সেই ঈদ বলতে বলতে আটটি ঈদ কেটে গেল। কোন ঈদে রাজপ্রাসাদের বাহিরে যে রাজনৈতিক দল এবং তাঁর নেত্রীকে জনগন দেখেনি-সেই রাজনৈতিক দলের সাথে সমাঝোতা করতে হবে !! এত দৈন্যতায়ও কি আওয়ামী লীগ ভুগছে !!
সমমনা দল, ব্যাক্তির সাথে সমঝোতা হয়,ঐক্য হয়, সরকার পরিচালনা, আন্দোলন সংগ্রাম সব কিছুই হওয়া সম্ভব। দুই মেরুর দুই দলের মধ্যে সমঝোতা হতে পারে-যারা চিন্তা করেন তাঁরা সুযোগ সন্ধানী মোনাফেক। দুর্বলতার সুযোগে বুক মিলিয়ে পিঠে চুরি মারার জন্য সুযোগের অন্বেশন কারি তাঁরা। অতীত ইতিহাসে তাঁদের মোনাফেকির হাজারো উদাহরন আছে।

  বর্তমান সময়ে জনগনের মনের আক্ষাংকা-হয় স্বাধীনতার জন্য যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছে তাঁরা এই দেশে থাকবে, নয়তো যারা বিরুধীতা করেছে তাঁরা থাকবে। যারা স্বাধীনতার পক্ষশক্তি তাঁরা রাজনৈতিক দল গঠনে মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গিকার বর্তমান রাষ্ট্রীয় ভিত্তি দলীয় গঠনতন্ত্র, ঘোষনাপত্রে সংযোজন করে রাজনীতি করবে। যারা স্বাধীনতার বিপক্ষে তাঁরা মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গিকার এবং রাষ্ট্রীয় মুলভিত্তির অবজ্ঞা করবে-ইহাই স্বাভাবিক। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি নিয়ে ১৪ দল গঠন করে বঙ্গনেত্রী সমাঝোতার ভিত্তিতে সরকার পরিচালনা করছে। মহাজোটের অন্যান্নদের জাতীয় ইস্যুতে সমাঝোতা করেছে কিন্তু সরকারে অংশগ্রহনের সুযোগ দেয়নি।
আপনাদের সাথেও তদ্রুপ সমঝোতা, জাতীয় ঐক্য, প্রয়োজনে সরকারের অংশগ্রহনের সুযোগও দেয়া হতে পারে--তার আগে আপনাদের অনেক গুলী কাজ করতে হবে। দলীয় গঠনতন্ত্র সংশোধন করে রাষ্ট্রীয় ভিত্তি অনুযায়ী দলীয় মুলনীতি প্রনয়ন করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করে যুদ্ধপরাধীদের বিচার চাইতে হবে। রাজাকার আলবদর, যুদ্ধপরাধীদের সরকারে অংশগ্রহন করার সুযোগ দেয়ার অপরাধে জাতির নিকট ক্ষমা চাইতে হবে। সর্বপ্রথম দেশ এবং বিদেশের অনুরুধের মুল্যায়ন করে আদালত কতৃক স্বীকৃত যুদ্ধাপরাধী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ কে চারদলীয় জোট থেকে বের করে দিতে হবে। তবেই ১৪ দলকে সমন্বয় করে যেহারে সরকারে অংশগ্রহন করার সুযোগ দেয়া হয়েছে,ঠিক সেই হারে আপনাদেরকেও দেয়া যেতে পারে।

১৪ দলের শরিক কোন রাজনৈতিক দলের আন্দোলন সংগ্রাম, সরকার গঠন করার যোগ্যতা নেই কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল।তাঁদেরও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা উপভোগের ইচ্ছা আছে। জাতির জনকের কন্যা তাঁদের সেই ইচ্ছাটাই পুরন করেছেন।আপনাদেরও আন্দোলন সংগ্রাম,নির্বাচন করে সরকার গঠন করার আর কোন যোগ্যতা অবশিষ্ট নেই। কিন্তু আপনারাও বাংলাদেশের অধিবাসী এবং এদেশেরই রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশকে স্বীকার করতে অসুবিধা কোথায়? জনগনের চাওয়া পাওয়ার প্রতি সাড়া দিন, সমঝোতার আহব্বান  আপনাদের জানাতে হবেনা, জনগনই বাধ্য করবে আপনাদের সংঙ্গে সরকারকে সমঝোতা করতে।

জননেত্রী খোলামনেই বলে দিয়েছেন-যাদের সাথে ঐক্য হওয়ার তাঁদের সাথে হয়েছে। এই বক্তব্য জনগনের মনের মণিকোঠায় লালিত বক্তব্য। যেহেতু সংখ্যা গরিষ্ট জনগন বর্তমান সরকারের  উন্নয়ন, অগ্রগতি, চলমান জঙ্গী উত্থানরোধ, যুদ্ধপরাধীর বিচারের প্রতি আন্তরীকতায় ইতিমধ্যে বিমুগ্ধ। জনগন  জনগনের মধ্যেই অঘোষিত জাতীয় ঐক্য পরিলক্ষিত হচ্ছে। জনগনের মধ্যে সৃষ্ট জাতীয় ঐক্যের বলে বলিয়ান হয়ে জাতির জনকের কন্যা দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন। দেশপ্রেমের বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে যেভাবে উন্নয়ন অগ্রগতির বিশ্ব রোল মডেলে পরিনত করেছেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশকে সেই একই আন্তরীকতা ও দেশপ্রেমে জঙ্গী দমন করেও সমসাময়িক বিশ্ববাসীর আতংক দূর করে- বাংলাদেশকে বিশ্বের অনুসরনীয়, অনুকরনীয়  রোল মডেলে পরিনত করতে পারবেন, 'ইনশাল্লাহ।'
দেশরত্ম জাতির জনকের কন্যার ইচ্ছা শতভাগ সফল করতে হলে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের কিছু বাড়তি কাজ করতে হবে।
      সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা দলীয় নেতাকর্মীরা প্রচার করতে হবে। জঙ্গীবাদের কুফল সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে হবে। প্রচারে প্রসার -এই নীতি ধারন করে প্রত্যেক নেতাকর্মী যথাযথ ভূমিকা পালন করতে পারলে অবশ্যই জঙ্গীরোধ হবে। শহর, নগর গ্রাম,পাড়া মহল্লায় সর্বত্র সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে দলীয় নেতৃবৃন্দ সদাসতর্ক  এবং যে কোনো স্থানে জঙ্গীদের বা কোনো দুর্বৃত্তের সন্ধান পেলে দ্রুত আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে জানাতে পারলে জঙ্গীর উত্থান রোধ অসম্ভব হবেনা বলে বিশ্বাস করি।

  আওয়ামী লীগ যে দেশের একটি বড় রাজনৈতিক দল সেটা মানুষ বুঝে। দলের নিয়মিত সাংগঠনিক তৎপরতা জঙ্গী নিয়ন্ত্রনে কুইনিনের কাজ করতে পারে। দলের অভ্যন্তরে সৃষ্টি হওয়া প্রভুত্ববাদি মানসিকতা পরিহার করে নেতাদের দলীয় সহকর্মী, সহযোদ্ধার মানসিকতা লালনে অভ্যস্ত হওয়া জরুরী। ব্যাক্তি লীগ, ভাই লীগ, বস লীগের মানসিকতা ত্যাগ করে সর্বস্তরে আওয়ামী লীগের মন্ত্রে উজ্জিবীত হতে হবে।

   ব্যাক্তিগত ইমেজ সৃষ্টি জন্য নয়, দলীয় ইমেজ সৃষ্টির দিকে নজর দিতে হবে। আওয়ামীলীগকে জনগনের সঙ্গে দলগতভাবে  যোগাযোগ রাখতে হবে। দল ক্ষমতায় থাকায় মুষ্টিমেয় কিছু সংখ্যক নেতা-কর্মী আখের গুছিয়েছে। বেশিরভাগ ত্যাগি নেতাকর্মী বঞ্চিত হয়েছে। পাওয়া না পাওয়ার দ্বন্দ্ব-বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। দলের আদর্শবাদী ও ত্যাগী নেতা-কর্মীরা হতাশ হয়ে রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ের কিছু কিছু নেতা সম্পর্কে মানুষের মধ্যে বড় রকমের বিরূপ মনোভাব তৈরি হয়েছে। আগামী সম্মেলনে এই বিষয়গুলীর প্রতি দল মনোযোগী হতে পারলে বঙ্গনেত্রীর কথা ও কাজে শতভাগ মিল খুঁজে পাবে দল এবং জনগন। দলের নেতাকর্মীদের উৎসাহের চঞ্চলতায় জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দলসমুহের দাম্ভিকতা তিরুহীত হতে বাধ্য হবে-- ইনশাল্লাহ।

    জনগনের আস্থা-বিশ্বাস-ভরসা শেখ হাসিনার উপর। কিন্তু আওয়ামী নৌকার সব ভার শেখ হাসিনার উপর চাপিয়ে দিয়ে আওয়ামী লীগের অন্যসব নেতারা নির্ভার থাকা কখনই যুক্তিযুক্ত হতে পারেনা। আসন্ন কাউন্সিলে  দলের মধ্যে সদ্য আক্রান্ত ভাইরাস সমুহ সঠিকভাবে নির্ণয় করে নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্র দিতে পারলে '২১ নয় ৪১সালেও আওয়ামীলীগকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করিনা।
        জনগনের আস্থা ও বিশ্বাসের মুল্য রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামীলীগকে দিতেই হবে। জাতির জনকের প্রতিষ্ঠিত দলের নিকট সঙ্গত কারনে নেতাকর্মী ও জনগনের চাওয়া পাওয়ার অধিকার এবং ইচ্ছা বেশীই থাকবে--ইহাই স্বাভাবিক এবং সঙ্গত। আগামী কাউন্সিলে সেই ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে -আমি মনে করি -ইনশাল্লাহ।

           'জয়বাংলা    জয়বঙ্গবন্ধু'

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg