বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অনেক দেশে জঙ্গী উত্থানের অন্যতম কারন নিয়ন্ত্রনহীন অন-লাইন।

বাংলাদেশ সহ বিশ্বব্যাপি চলমান অস্থিরতা,উৎকণ্ঠা, জঙ্গীপনার মুলভিত্তি অন-লাইন--
_______________________________________________

 
     সদুর অতীত থেকে দেখা যায়,নতুন কোন দর্শন হোক বা আবিস্কারই হোক,তরুন প্রজম্ম সে দিকে ঝুকে পড়ার প্রবনতা।সে দর্শন বা আবিস্কার কতটুকু মানব কল্যানে অবদান রাখতে পারবে তাঁর বাছ বিচার নেহায়তই কম সংখ্যক তরুনের বিচার করার ক্ষমতা থাকে। যেমন মার্কসইজম-শুধুমাত্র রুশ তরুনদের আকৃষ্ট করেছিল তাই নয়, বিশ্বের প্রায় সকল তরুনদের আকর্ষন করেছিল এই আধুনিক সমাজতান্ত্রিক দর্শন। কালের প্রবাহে রুশ দেশেই কালজয়ী এই দর্শন বাতিল করে গনতন্ত্রের পথে তাঁদের উন্নয়ন অগ্রগতি নিশ্চিত করছে। চিনের মাও সেতুং এবং তাঁর কালজয়ী দর্শন চীনের প্রাচির ডিঙ্গিয়ে বিশ্বজুড়ে তরুন সমাজের মধ্যে বিপ্লবের আগুন জ্বালিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল। সেই দর্শন অনেকটাই পরিবর্তন পরিবর্ধন করে বর্তমান বিশ্বায়নের যুগেও মাও সসেতুং এএর দর্শন চীনের ররাষ্ট্রীয় বব্যবস্থায় টিকে আছে।

   এই যুগে এসে আবিস্কারের স্থান দখল করে নিয়েছে প্রযুক্তি।এমনি প্রযুক্তির এক নব সংযোজন ইন্টারনেট। তাঁরই অঙ্গিভুত অনলাইন মিডিয়া- ইলেকট্রোনিক মিডিয়া, অপলাইনের খবরের কাগজ ইত্যাদিকে পেছনে পেলে দ্রুত দখল করে নিয়েছে তথ্য আদান প্রদানের গুরুত্বপুর্ণ মাধ্যমটিকে।

     অনলাইন মিডিয়া জগতের মধ্যে পেইজবুক নতুন হয়েও গুগুলের মত প্রতিষ্ঠিত মিডিয়াকে অনেক পেছনে পেলে জনপ্রিয়তার শীর্ষস্থানটি দখল করে নিয়েছে।মুলত: এনড্রয়েড ফোন এবং বিভিন্ন কোম্পানীর সীমকার্ডের সহজলভ্যতার কারনে পেইজবুক সহ অন্যান্য অন-লাইন মিডিয়াগুলী দ্রুত এগোতে সক্ষম হয়েছে। সারা বিশ্বকে প্রযুক্তির এই নব ধারনা পরিবর্তন করে দিয়েছে।তাঁর ঢেউ টর্নেডোর চেয়ে দ্রুত বাংলাদেশের মানুষকে আকৃষ্ট করেছে।

   বাংলাদেশেও অনলাইনের তথা পেইজবুক, টুইটার, গুগুল ব্যবহাকারি খুব দ্রুত বেড়ে অপলাইন পত্রিকা, ইলেকট্রোনিক মিডিয়া গুলীকে যাদুঘরে পাঠানোর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এই প্রযুক্তি যথাযথ রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে বর্তমান সময়ে বিপদের কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
         
    প্রযুক্তির কারনে দুনিয়া বদলে গেছে সত্য। বাংলাদেশের মত উন্নয়নকামি দেশের সবকিছু নিজেদের মতো করে চিন্তা করা উচিৎ। একটা বিষয় মনে রাখা জরুরি, আবিষ্কার মেধা, প্রগতির যুগ এটা নয়। মানুষের যা কিছু অর্জন যা কিছু সভ্যতা তার পায়ে ভর দিয়ে সে এখন আকাশ ছুঁতে চাইছে। বর্তমান সময় চটজলদি পাওয়ার সময়। প্রযুক্তি দখল করে নিয়েছে আবিষ্কারের জায়গা। প্রযুক্তি দৈনন্দিন জীবনের অনেককিছু সহজ সরল করে দিয়েছে সত্য-অপরদিকে রয়েছে সমুহ বিপদের সম্ভাবনা।

    বিশ্বব্যাপি প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারনে সরকার, রাষ্ট্র, চলমান ব্যবস্থাকে পরোয়া না করে গড়ে উঠছে বিকল্প জনমত।বিশ্বের চলমান ব্যাবস্থায় ধস নামিয়ে প্রযুক্তি কত দেশ ও সমাজের চেহারায় আমূল পরিবর্তন এনে দিচ্ছে  ভবিষ্যত প্রজম্ম এই সমস্ত পরিবর্তন সম্পর্কে জানতেও পারবেনা। এই সমস্ত কিছুতে সবকিছুই দরকারি বা প্রয়োজনীয় ছিল তা কিন্তু নয়।  হুজুগের পরিবর্তনে ভেসে যাওয়া অনেক কিছুই ভবিষ্যতে হারানোর বেদনার কারণ হবে-এতে কোন সন্দেহ নেই। উল্লেখ্য বাংলাদেশও তার বাইরে যেতে পারবেনা।
   
  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে এই কিছুদিন আগেও ব্যাক্তিগত ভাবে আমি শক্তিশালী একটি মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করতাম। বিবেচনা করার অন্যতম কারন ছিল প্রচলিত গনমাধ্যমগুলি সর্ববিষয়ে অনেকটা কেন্দ্রিকতার আবরনে আচ্ছাদিত--প্রকারান্তরে সামাজিক মাধ্যম অনেক বেশী বহি:রাবরনে বিশ্বাসী। সর্ব সাধারনের অবাধ বিচরন এবং অংশগ্রহনের কারনে মাধ্যমটি সার্বজনীন মাধ্যমের রুপ পরিগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে।এই সার্বজনীনতা  যতই দিন গড়াচ্ছে ততই আমার ধারনায় চিড়ের পরিমান বাড়িয়ে দিচ্ছে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে এখন আমি আর মিডিয়া মনে করতে পারিনা। মিডিয়া মনে হতেই অজানা এক আশংকায় বুকে কাঁপন ধরে।  অসম্পাদিত  মিডিয়া বিপদের কারন বয়ে আনতে পারে আমার ধারনায় ছিলনা। সামাজিক মাধ্যম এডিট করার কোন ব্যবস্থা না থাকায় যত্রতত্র ভাবে এই গুরুত্বপুর্ণ মাধ্যমকে একশ্রেনীর দুষ্ট প্রকৃতির অশুভ শক্তি ব্যবহার করে রাষ্ট্র, সরকার, দেশ ও জাতির উৎকন্ঠার কারন সৃষ্টি করেছে।
   
    মতপ্রকাশের নীতিমালা, নিয়ন্ত্রন, সংশোধন, সংযোজন থাকবেনা অথছ--রাষ্ট্র, আইন, কাঠামো সবকিছু বলবৎ থাকবে, এটা হতে পারে না।রাষ্ট্রে বসবাসের জন্য নাগরিক থাকবে অথছ তাঁদের নিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা থাকবেনা, খেয়ালখুশী মর্জিমাপিক মতবাদ প্রচার করার সুযোগ থাকবে-- তা কি হয়?’ আমি স্বীকার করি সোশ্যাল মিডিয়া নামে পরিচিত মাধ্যমগুলো জনমত তৈরি শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। রাজপথের জনসভা, মিছিল, মিটিংয়ে জনমত তৈরীর  স্থান দখল করে নিয়েছে সামাজিক মাধ্যম। কিন্তু এগুলো যে আসলে ব্রেকহীন গাড়ির মতো তা চিন্তা করেছে কেউ কোন দিন? কখন কোথায় ধাক্কা মারে তার কোন ইয়ত্তা আছে??
   
      কবিতা পদ্য-গদ্য লেখা সব ঠিক আছে কিন্তু সমস্যা হচ্ছে রাজনীতি এবং সামাজিক বিষয় সমুহ নিয়ে। সর্ববস্থায়  এগুলোর নেগেটিভ প্রচারনায় সমুহ বিপদের কারন হতে পারে। যেকোন দেশের রাজনৈতিক দলের নিজস্ব দর্শন থাকে, নীতি থাকে, প্রতিশ্রুতি থাকে।এই সমস্ত নীতি আদর্শ জনগনের নিকট তুলে ধরে জনমত সংঘটিত করে-জনগনের রায় নিয়ে সরকার গঠন করে। সঙ্গত কারনে সেই নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের নীতি আদর্শ সরকারের দৈনন্দিন কাজে প্রভাব পড়বে।সরকার গঠন করা রাজনৈতিক দলকে তাঁর দর্শন বাস্তবায়নের সুযোগ না দিয়ে পরাজিত রাজনৈতিক দলের আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য অনৈতিক চাপ দেয়া কি অন্যায় নয়?, অগনতান্ত্রিক নয়?
    রাষ্ট্র কতৃক নিষিদ্ধ কোন দলের আদর্শ বা দর্শন অপ-লাইনের গনমাধ্যমে প্রকাশের কোন সুযোগ নেই, গনমাধ্যম জবাব দিহীতার আওতায় থাকার কারনে। সামাজিক মাধ্যমে সেই রীতিনীতি কিছুই না থাকার কারনে অবাধে তাঁদের আদর্শ প্রচার করে যাচ্ছে, শুধু তাই নয়- কল্পনার রঙ মিশিয়ে, ছবি এডিট করে, এমনসব মিথ্যা আর আজগুবী তথ্যের প্রকাশ ঘটাবে, সাধারনত যে কোন মহুর্তেই তাঁর বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়া অসম্ভব নয়।
   
    বাংলাদেশে সামাজিক মাধ্যমে যেমনটি যা ইচ্ছা তা প্রকাশ করা সম্ভব হয় অন্যকোন দেশে সেইভাবে সম্ভব হয়না। গনতন্ত্রেরও সীমাবদ্ধতা আছে, স্বাধীনতারতো বটেই। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অর্থ এই নয়-যা ইচ্ছে তাই লিখে ফেলা যায় বা বলে দেয়া যায়। রাষ্ট্র কাঠামোর অভ্যন্তরে থেকে মতপ্রকাশ করাকে প্রকৃত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বলে। গনতন্ত্র, স্বাধীনতা, তথ্য আদান প্রদানের স্বাধীনতা যাই বলিনা কেন-কেন্দ্রিকতা অনিবায্য।সেই কেন্দ্রিকতাই হচ্ছে রাষ্ট্রীয় পয্যায় রাষ্ট্র কাঠামো। রাজনৈতিক দলের নেতা নির্বাচন বা সিদ্ধান্ত গ্রহনে যেমন গনতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাকে অনুসরন করা হয়-রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রেও--রাষ্ট্রীয় কাঠামো অনুসরন অপরিহায্য। গনতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতা যেমন দল,  সংগঠন ক্লাব বা পরিবার, সমাজকে বাঁচিয়ে রাখে তেমনি রাষ্ট্রীয় কাঠামো- সরকার, দেশ, জাতিকে বাঁচিয়ে রাখে। নচেৎ কিছুই স্থায়িত্ত্ব পেতনা, পাওয়ার কোন কারনই ছিলনা।
   
      বাংলাদেশে যে কোনো বিষয়ে উস্কানি আর যা খুশি বলা বা লেখাটা অভ্যাসের পর্যায় পৌঁছে গেছে। রীতিমতো ভয়ঙ্কর এক পরিবেশ বিরাজমান চতুর্দিকে। কেউ খুন হলে বা কেউ গুম হলে বা কোনো অঘটন ঘটলে সামাজিক মিডিয়া নামে পরিচিত পেইজবুক টুইটার, গুগুল  সবকিছুতে প্রবল উত্তেজনার ঢেউ বয়ে যায়। সত্য মিথ্যা বা ঘটনার ভেতরে যাওয়ার পরিবর্তে গুজবের ঢেউ ভাসিয়ে নিয়ে যায় প্রত্যেক নাগরিককে। যেহেতু প্রত্যেক নাগরিকের হাতে এন্ড্রয়েড ফোন সেহেতু প্রত্যেকের কোন না কোন সামাজিক মাধ্যমে নিজস্ব আই,ডি আছে,তাঁর নিজস্ব বিচরন ক্ষেত্র আছে।প্রত্যেক নাগরিক নিজস্ব মতামত ব্যাক্ততো করেই আবার অন্যের মতামতে নীজস্ব মত সংযোজন করার বা  ব্যাক্ত করার পথও অবারিত। যে কোন নাগরিক তৎক্ষনাৎ যে কোন বিষয়ে জানার, উপলব্দি করার, প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করার, অন্যের মতামত জানার বুঝার সুযোগ আছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে উদ্ভট গুজব ছড়িয়ে যে কোন মহুর্তেই অঘটন ঘটানো কোন ব্যপারই নয়।
     যেমন সাঈদীকে চাঁন্দে দেখা যায়- এমনটি কোন সচেতন নাগরিক চিন্তা করে নাই, নবী করিম (স:) কে জলে স্থলে অন্তরিক্ষে এযাবৎ দেখা গেলনা অথছ সাঈদীর মত একজন খুনীকে কোন মাজেজায় চান্দে দেখা যায়। মাছের গায়ে নিজামি,গরুর পেটে মোজাহীদ ইত্যাদি কত যে মিথ্যে অপপ্রচার তাঁর কোন ইয়ত্তা আছে? সাঈদীর চাঁদ কতজনের জীবন কেড়ে নিল,কত সম্পদ ধ্বংস হল, তাঁর কি কোন হিসেব এই পয্যন্ত কেউ পেয়েছে?
   ঘুম, হত্যা, হামলা ইত্যাদির কথা আর কি বলব, রীতিমত সামাজিক বিপ্লব ঘটে যায়। সত্য মিথ্যা যাচাইয়ের কোন প্রয়োজন পড়ে না!! প্রত্যান্ত নিবিড় পল্লির কোন সংবাদ বাদ যায় না--যা সামাজিক মাধ্যমে আসেনা।খবরটি প্রকাশে রাষ্ট্রের বা ভুক্তভুগি পরিবারের বড় কোন ক্ষতির সম্ভাবনা আছে কিনা তাও চিন্তার প্রয়োজন পড়েনা। এইধরনের উলঙ্গ স্বাধীনতা পৃথিবীর কোন সভ্য গনতান্ত্রিক দেশে আছে কিনা আমার জানা নেই।
  গত বছর বাংলাদেশ এবং ফ্রান্সে জঙ্গী হামলা হয়েছিল। এবারও দুর্ভাগ্যগুনে হোক আর সুভাগ্যগুনে হোক প্রায় একই সময়ে দুই দেশেই হামলা  হয়েছে। তাঁরাও সামাজিক মাধ্যমের উপর নিষেদাজ্ঞা জারি করেছিল--আমাদের দেশেও নিষেদাজ্ঞা জারি করেছিল।রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য বিশ্বের সকল দেশেই এই ধরনের নিষেদাজ্ঞা জারির নিয়মরীতি বলবৎ আছে। ফ্রান্সের জনগনের মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায়নি বরঞ্চ সরকারকে সহযোগিতা করেছে। বাংলাদেশে সহযোগিতা দূরে থাকুক বিদেশী এপস ব্যবহার করে পেইজবুকে সরকারের বিরুদ্ধে যা ইচ্ছে তাই সমালোচনাতো করেছেই ব্যঙ্গ চিত্র একে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছিল-- যেন দেশের বড় কোন ক্ষতি সরকার করে ফেলেছে।অথছ আমাদের দেশে কিছু দিন পর খুলে দিলেও তাঁদের দেশে এখনও জনগন সামাজিক মাধ্যমটি বন্ধ রেখেছে। কই কেউতো বাংলাদেশ সরকারকে সাধুবাদ জানালো না!!

      বিশ্বায়নের নামে খুলে যাওয়া সামাজিক মিডিয়া পরিণত হয়েছে গুজব চড়ানো এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের বিচরনের প্রাণকেন্দ্রে। এটাকে নিয়ন্ত্রণ করার কথা উঠলে একশ্রেণির সামাজিক সুশীল ও বুদ্ধিবৃত্তির চেলারা গলা ফাটিয়ে বলেন কন্ঠরোধ করছে সরকার।  তাঁদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই--"তোমার কন্ঠ কি আমার ঘুম ভাঙ্গাতে পারে? তোমার যেমন কন্ঠবাজি করার স্বাধীনতা আছে আমারও ঘুমের স্বাধীনতা আছে। তোমার স্বাধীনতা কি আমার স্বাধীনতা বিপন্ন করতে পারে? আমার ঘুম ভাঙ্গাবার অধিকার কে দিয়েছে তোমাকে?
তারচেয়ে ভয়াবহ খবর হচ্ছে অনলাইনের বিভিন্ন পাবলিক গ্রুপের মাধ্যমে জঙ্গী সংগ্রহ করার খবর।পত্রিকায় প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়-জঙ্গীনেতারা বিভিন্ন নামে (সন্দেহের বাহিরে) যেমন প্রেমসংক্রান্ত, রক্তদান সংক্রান্ত, অথবা সুন্দরী মেয়ের ছবি আপলোডের মাধ্যমে যৌন সুড়সুড়ি জাগানিয়া গ্রুপের মাধ্যমে প্রথমিক কাজ শুরু করে।অন-লাইনে তদারকির তেমন কড়াকড়ি না থাকার সুযোগে এই সামাজিক সাইট সমুহকে তাঁরা কাজে লাগাচ্ছে অশুভ শক্তির নিয়োগের প্রাথমিক স্তরের ভুমিকায়।
 সামাজিক সাইটগুলী বিকাশের প্রাথমিক পয্যায় তাঁরা তাঁদের অবস্থান সুদৃড করে নেয়। কিশোর বয়সীরা  ‘ডেসপারেটলি’ সরকারের বা রাষ্ট্রের সমালোচনা করছে কিনা, তারা অন্যধর্মের প্রতি কী ধরনের মন্তব্য করছে, এসব দেখতে ফেসবুক বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রুপ খুলে, সমসাময়িক ইস্যুতে নানা পোস্ট দিয়ে ওঁত পেতে বসে থাকে ধর্মাশ্রয়ী উগ্র ও নিষিদ্ধ সংগঠনগুলো। তাছাড়াও  বিভিন্ন জনপ্রীয় পাবলিক গ্রুপের সদস্য হয়েও চুপ করে বসে থাকে।কে কি পোষ্ট দিল,পোষ্টের উপর কে কি মন্তব্য করছে তা লক্ষ করে অগোচরে,নিজেরা মন্তব্য থেকে বিরত থাকে।পরবর্তিতে ঐ পোষ্ট দাতার প্রোফাইল দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় সে আস্তিক নাকি নাস্তিক। ধর্ম বিষয়ে দুর্বলতার সুযোগে তাঁদের সাথে শুরু করে ম্যাসেজ বিনিময়। শুরু হয় ব্যক্তিগত আলাপ। ফাঁদে ফেলতে শুরুতে স্টাডি সার্কেল এবং তারপর রয়েছে দ্বীনের দাওয়াত। একটা সমমনা গোষ্ঠী তৈরি হওয়ার পর সেখান থেকে বেছে অল্পসংখ্যক ব্যক্তিকে মূল গ্রুপ থেকে সরিয়ে অপারেশনের জন্য প্রস্তুত করা হয়। একসঙ্গে ওঠবস করলেও অপারেশনের জন্য যাদের বেছে নেওয়া হল, তাদের কোনও কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তখন আর ওই পুরো সার্কেলের কেউ কিছু জানতে পারেন না। পুরো প্রক্রিয়াটার জন্য একজনের পেছনে  জঙ্গীনেতাদের সময় দিতে হয় কম করে দেড় দুইবছর।
     উপসংহারে বলতে চাই--গনতন্ত্রকে সুসংহত এবং কষ্টার্জিত স্বাধীনতাকে সর্বস্তরে উপভোগ্য করার লক্ষে নতুন প্রজম্মের বিচরন ক্ষেত্র "সামাজিক মাধ্যম সমুহ" ব্যবহারের নীতিমালা ঢেলে সাজানো সময়ের দাবি।
  পেইজবুকে আই,ডি খুলার জন্য নাম, ঠিকানা সঠিকভাবে উল্লেখ করার কৌশল আবিস্কার করতে হবে সরকারকে। অন-লাইনের ব্যাঙ্গের ছাতার মত গজিয়ে উঠা সংবাদ পোর্টাল গুলিকে অনলাইন পত্রিকার আওতা ভুক্ত করে অপ-লাইনের সংবাদ পত্রের ন্যায় রেজি: আওতায় নেয়া জরুরী প্রয়োজোন। বিভিন্ন নামে গড়ে উঠা পাবলিক গ্রুপ সমুহকে সংবাদ পোর্টালের আওতায় নিয়ে রেজি: বাধ্যতামুলক করা প্রয়োজন।( কারন পাবলিক গ্রুপ জনপ্রিয় পত্রিকার পাঠক, লেখক, সংবাদ পরিবেশন ইত্যাদি দিকগুলি বিবেচনায় নিলে পত্রিকার চেয়ে কোন অংশে কম নয়।) পেইজবুক পেইজ/ ওয়েব খুলার ক্ষেত্রে মুল আই,ডি সংযোগ অথবা আইডির  নিয়ম কানুন প্রয়োগ অপরিহায্য।
     গুজবের উৎসস্থল চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া গ্রহন করে আইনের আওতায় নিতে হবে। রাষ্ট্র কাঠামো বহির্ভূত মতামত প্রকাশের ফৌজদারি শাস্তির বিধান করতে হবে। প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য ভিন্ন ভিন্ন শাস্তির বিধান রেখে  প্রচলিত সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রন আইন সংশোধন বর্তমান  সময়ের দাবী।
   গুরুত্বপুর্ণ সামাজিক মাধ্যমটি সর্বস্তরে ভীতিহীন উপভোগ্, স্বাধীনভাবে সর্বস্তরের নাগরিকদের বিচরন  করার পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষে অশুভ শক্তির বিতাড়ন অপরিহায্য। গুরুত্ব পুর্ন মিডিয়া হিসেবে উহার  ব্যবহারে রাষ্ট্রীয় আইনী বেস্টনী থাকা একান্ত প্রয়োজন। এই প্রজম্মের বিচরনক্ষেত্র কন্টকমুক্ত রাখতে পারলেই আগামী প্রজম্মের সুনাগরিক সৃষ্টির  আশা করা যেতে পারে।
     
                'জয়বাংলা    জয়বঙ্গবন্ধু'

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg