বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় কাউন্সিল--জনগনের আশা আক্ষাংকার প্রতিফলন ঘটবে কি?? _______________________________________ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ গনতান্ত্রিক রাজনীতির ধারা প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে অনুশীলন করে আসছে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগই একমাত্র দল, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্য পয্যন্ত যা কিছু দেশ ও জাতির জন্য অর্জিত হয়েছে-- সব অর্জনই এই দলটির হাত ধরে এসেছে। যেমন--(১) ছাত্র রাজনীতি :--বঙ্গবন্ধু ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ছাত্রদের সমস্যা নিয়ে আন্দোলন সংগ্রামের সুচনা করেন।(২) ভাষা আন্দোলন--দলটি বাঙলা ভাষা রক্ষার আন্দোলনে সবচেয়ে বড় এবং অগ্রনী ভুমিকা পালন করেছে। (৩) নির্বাচন ও জোটগত রাজনীতি:-- দলটি প্রতিষ্ঠা কালিন সময় থেকে জনগনের উপর নির্ভর শীল। ১৯৫৪ সালের পাকিস্তানের প্রথম সাধারন নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে জোটগত রাজনীতির সুচনা করে। ঐ সময়ে ইস্যুভিত্তিক জোট গঠন ও নির্বাচনে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগই পালন করে। পরবর্তীতে বিদ্যমান সকল রাজনৈতিক দলের মধ্যেই প্রবনতাটি লক্ষনীয় ভাবে অনুসৃত হচ্ছে। (৪) জনগনের উপর নির্ভরতা :-- যে কয়টি সাধারন নির্বচন অনুষ্ঠিত হয়েছে (খালেদার -১৫ই ফেব্রুয়ারীর ভোটার বিহীন নির্বাচন ছাড়া) সব কয়টি নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনগনের উপর নির্ভরশীলতা এবং জনগনের জন্য ররাজনীতি এই ধারনাটি প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।আওয়ামী ললীগকেও তৃনমুল থেকে তুলে আআনতে সক্ষম হয়েছেন। (৫) নির্দিষ্ট ইস্যুভিত্তিক রাজনীতি :--বাংলাদেশ আওয়ামী লীগই একমাত্র দল-জন চাহিদার গুরুত্ব অনুযায়ী দাবি সমুহকে দফাক্রমে সাজিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করার উদাহরন রাখতে পেরেছেন। পরবর্তিতে সকল রাজনৈতিক দল রাজনীতির এই ধারাটি অনুসরন করতে দেখা গেছে।উদাহরন হিসেবে বলা যায় যুক্তপ্রন্টের ২১ দফা, বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা ভিত্তিক আন্দোলন সংগ্রাম। (৬) জনপ্রতিরোধের দৃষ্টান্ত :-- বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ একটি গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল অর্থাৎ গনসংগঠন। বিপ্লবী চেতনা সম্পন্ন বা তৎদ্রুপ কোন আদর্শ বা উদ্দেশ্য দলটি ধারন করে না। তথাপি নেতৃত্বের বলিষ্টতায় একটি জনসম্পৃত্ত রাজনৈতিক গনসংগঠন বা দল সময়ের প্রেক্ষিতে 'স্বসস্ত্র বিপ্লবী' ভুমিকায় অবর্তীন্ন হতে পারে- তাঁর কৃতিত্বও শতভাগ দলটির ঝুড়িতেই রয়েছে। (৭) গনঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব :--৬দফাকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধুকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আসামী করে পাকিস্তান সরকার জেলে নিলে ৬৯এর গন-অভ্যুত্থান সংগঠিত হয়।জনতা শেখ মজিবুর রহমানকে নির্গাত মৃত্যুদন্ড হতে রক্ষা করে তাঁদের মাঝে নিয়ে আসে।জনগনের ইচ্ছার বহি:প্রকাশের নিকট আইনও নত হতে বাধ্য হয়- ইহা তার প্রকৃষ্ট উদাহরন। (৮) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্টতার কৃতিত্ব :--৬৯ এর গনভ্যুত্থানের ফসল ৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একক বিজয়।এই প্রথম কোন রাজনৈতিক দল সাধারন নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ট আসন পাওয়ার উদাহরন সৃষ্টি হল।যারফলে তৎকালিন পুর্বপাকিস্তানের একমাত্র বৈধ নেতৃত্বের অধিকারি রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ এবং তাঁর একক নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান দেশে বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হলেন। (৯) মুক্তিযুদ্ধ :--বিশ্বের খুব কম দেশের রাজনৈতিক দলই আছে তাঁর দেশের জনগনের মুক্তির জন্য স্বসস্ত্র যুদ্ধের নেতৃত্ব দিতে পেরেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঝুড়িতে ১৯৭১ এ বাঙ্গালী জাতির স্বাধীনতার আখাংকা বাস্তবায়নের লড়াইয়ে অনুষ্ঠিত" মহান মুক্তিযুদ্ধের" একক নেতৃত্বের কৃতিত্ব শতভাগ রয়েছে। (১০) স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব :-- অবশ্যম্ভাবি বলা যায়,একটা জাতির পরম চাওয়া পাওয়া তাঁর নিজস্ব জাতিয় স্বাধীনতা এবং ভুখন্ডগত অধিকার। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব দুটি চরম এবং পরম পাওয়াই ঘটেছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এবং তাঁর নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের একক নেতৃত্বে। (১১) তত্বাবধায়ক সরকারের ধারনা:-যদিও বিধানটি অগনতান্ত্রিক এবং চরম লজ্জাকর বিষয় একটা জাতির জন্য। তথাপিও জনগনের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পদ্ধতিটির উদ্ভাবন করে। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে স্বৈরাচার সরকারকে দাবিটি মানতে বাধ্য করে।'৯১ নব্বই এ বিএনপির শাষনামলে উক্ত দাবিটি সংবিধানে সংযোজনেও বাধ্য করার একক কৃতিত্ব আওয়ামী লীগেরই। (১২) তত্ববধায়ক প্রথা বাতিল:-- যদিও সময়ের দাবিতে রাজনীতিবিদ এবং প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের জন্য উক্তরুপ লজ্জাস্কর একটি বিধান প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল,কালের প্রবাহে স্বৈরাচার সামরিক সরকার খমতা দখলের বাস্তবতা তিরূহীত হলে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার বিধানটি বাতিল করে। সুতারাং প্রতিষ্ঠিত করন এবং বাতিলকরন উভয়ের কৃতিত্বই আওয়ামীলীগের ঝুড়িতেই জমা আছে। (১৩) উন্নয়ন অগ্রগতি নির্দিষ্ট করন ও বাস্তবায়ন :--জাতির জনক বঙ্গবন্ধু দেশকে স্বাবলম্ভি করার মানসে তাঁর লালিত স্বপ্নের বহি:প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন তাঁর ঘোষিত দ্বিতীয় বিপ্লবের মাধ্যমে।তাঁর সেই স্বপ্ন অংকুরে বিনষ্ট করে দিয়েছিল দেশীয় এবং আন্তজাতিক ষড়যন্ত্রকারিরা। ১৯৭৫ ইং সালের ১৫ই আগষ্ট স্বপরিবারে তাঁকে হত্যা করে জাতির আশা আখাংকার সমাধি ঘটায় হত্যাকারিরা।দীর্ঘ চড়াই উৎরাই পেরিয়ে তাঁর জৈষ্ঠকন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 'রুপকল্প ২০২১' ঘোষনা করে বাংলাদেশকে নিয়ে যাচ্ছেন 'উন্নয়ন ও অগ্রগতির' শীর্ষ শীখরে।এইরুপ উন্নয়ন ও অগ্রগতির নির্দিষ্টকরনের ধারনা প্রতিষ্ঠিত করন ব্যবস্থা, একমাত্র বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের কন্যার পক্ষেই প্রচলন সম্ভব হয়েছে। ধারনাটি বর্তমানে উন্নয়নকামি তৃতীয় বিশ্বের রোলমডেলে রুপান্তরীত হয়েছে।এই প্রথম বাংলাদেশের কোন সরকার প্রধানের নীতি আদর্শ বিশ্ববাসির প্রশংসার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হল। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের বিরুধী দল সমুহ ইতিমধ্যেই তাঁদের ঘোষিত উন্নয়ন কর্মসূচিতে 'রুপকল্প ৩০'নামে ধারনাটি স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে।অর্থাৎ 'দেশরত্ম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দর্শন' ''জাতীয় ঐক্যমতের দর্শনে'' রুপ পরিগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে"। (১৪) বদ্ধমুল ধারনার যবনিকাপাত:-- বাংলাদেশে একবার যে দল নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় যায় দ্বিতীয়বার তাদের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ- দেশের রাজনীতির ইতিহাসে ধারনাটির মুলে কুঠারাগাত করতে সক্ষম হয়েছে। দ্বিতীয়বারও নিরঙ্কুষ সংখ্যাগরিষ্টতায় নির্বাচিত হয়ে নতুন রেকর্ডটি ঝুড়িতে নিতে সক্ষম হয়েছে। পরপর দুইবার নির্বাচিত হয়ে ধারাবাহিকভাবে দেশ শাসন করছে আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন শেখ হাসিনা।তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নকামী দেশের জন্য ইহা এক বিরল দৃষ্টান্ত।যেখানে প্রতিনিয়ত হাজারো সমস্যায় জির্ণশীর্ণ করে দিতে পারে সরকারের জনপ্রিয়তা। (১৫) বিতর্কিত নির্বাচন :-- যদিও দ্বিতীয় দফার নির্বাচনটি নিয়ে দেশে বিদেশে যথেষ্ট বিতর্ক আছে। ইহা সত্যযে, এই নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেনি। ১৫৩ জন সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। (১৬) অবিতর্কিত দেশশাষন:-- ইহা সত্য যে, এইরুপ নির্বাচন প্রচলিত গণতান্ত্রিক রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় । কিন্তু বিতর্কিত ও অশুদ্ধ নির্বাচনের কোনো বিকল্পও তখন ছিল না। নির্বাচন না হলে অনির্বাচিত কারো না কারো ক্ষমতা গ্রহণের পথ প্রশস্ত হত। গণতান্ত্রিক শাসনের ধারাবাহিকতা অবশ্যই ক্ষুন্ন হত। দেশরত্ম শেখ হাসিনা সেটা হতে দেননি। নির্বাচন একেবারে না হওয়ার চাইতে মন্দের ভাল নির্বাচনকে বেছে নিয়েছেন তিনি। এইক্ষেত্রে তিনি যে দুরদর্শীতার পরিচয় দিয়েছেন এবং ধৈয্যের যে পরাকাষ্টা দেখিয়েছেন আগামীর ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে বিধৃত হবে। দীর্ঘ পয্যবেক্ষনে দেখা যায়, ট্রুটিপুর্ণ নির্বাচন দেশের মানুষের কােছ তেমন অ-গ্রহণযোগ্য হয়নি, তার প্রমাণ শেখ হাসিনার সরকার গত দুই বছরের অধিক সময় আন্দোলন সংগ্রামহীন নির্ভেজাল ভাবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকা। (১৭) ষড়যন্ত্রের জাল চিহ্ন :-- তথাকথিত রাজনীতিক বিশ্লেষকগন ভেবেছিলেন ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর শেখ হাসিনার সরকার বড়জোর মাস কয়েক ক্ষমতায় থাকতে পারবেন। নতুন ভাবে সকল রাজনৈতিক দলের ঐক্যমতে নির্বাচনের জন্য মানুষ রাজপথে নেমে আসবে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধপক্ষ বিরাহীন অপপ্রচার করে আসছে, দেশে গণতন্ত্র নেই এবং এক ধরনের কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মুলত: সত্যটি হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকারকে মোকাবেলা করার অক্ষমতা থেকেই এই ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে তাঁরা। উক্তরুপ অপপ্রচার বিশ্ববাসি এবং দেশবাসির বুঝতে কষ্ট হয়নি।এই প্রথম কোন রাজনৈতিক দলের আহব্বানে রাজপথে জনগন নামেনি, আন্তজাতিক মহল সহযোগীতা বন্ধ করেনি। তৃতীয় বিষ্বের সমস্যা সংকুল একটি দেশের জন্য ইহা এক বড়প্রাপ্তি। তাছাড়াও এই প্রথম বাংলাদেশের কোন সরকারের পক্ষে বিশ্বমোড়লের শতাধিক অনুরুধ প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। (১৮) বিনাযুদ্ধে স্থল ও জলভাগ জয়। :--বিশ্ব ইতিহাসে নজীরবিহীন উদাহরন সৃষ্টি করতে পেরেছেন জাতির জনকের কন্যা, একটি বারুদের কণাও খরছ ব্যাতিরেকে শক্তিধর ভারত এবং ফ্যাসিবাদি মায়ানমার হ'তে বিশাল সমুদ্র এলাকা জয় করে বাংলাদেশের অন্তভুক্ত করে। বিশাল ভারতের সঙ্গে ইন্দিরা -মুজিব মৈত্রী চুক্তির আওতায় চিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে দশ হাজারেরও বেশী একর ভুমিতে বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছেন।সারা পৃথিবী অবাক বিস্ময়ে বঙ্গবন্ধু কন্যার এই গতিশীল নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। বিনাযুদ্ধে ইঞ্চিপরিমান ভুমি অধিকারে নেয়ার উদাহরন বিগত হাজার বছরের বিশ্ব ইতিহাসেও নেই। একমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেই অসম্ভব কে সম্ভব করতে পেরেছেন। (১৭) কাঁটা তুলে মসৃন পথের সৃষ্টি :--বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পথ চলা কখনই মসৃন ছিলনা। প্রতিনিয়ত দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়েছে দলটি.।সরকারে থেকেও হয়েছে, বিরুধীদলে থেকেও হয়েছে।দলের অভ্যন্তর থেকেও হয়েছে, বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক দল সমুহের পক্ষ থেকেও হয়েছে। জাতির জনকের কন্যার অসিম সাহষ, ত্যাগের মনোভাব, চরম ধৈয্যের ফসল আজকের মসৃন পথের সন্ধান পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এই মসৃন পথ সৃষ্টিতে একমাত্র পুত্রের মৃত্যু হুমকিকেও তোয়াক্কা করছেন না তিনি। বঙ্গবন্ধুর ত্যাগে বাংলাদেশের জম্ম, তাঁর জৈষ্ঠ কন্যার ত্যাগের ফসল আজকের উন্নতি, অগ্রগতি, সমৃদ্ধি। তাঁর একমাত্র লক্ষ বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ দেশে রুপান্তর করে তাঁর পিতার আত্মাকে শান্তি দেয়া। আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ৬৭ বছরের ইতিহাসে বর্তমান সময়টাই সবচেয়ে বেশি অনুকূল এবং মসৃন। টানা ৭ বছরের অধিক সময় ক্ষমতায় আছে, ক্ষমতার বর্তমান মেয়াদ পূর্ণ করতে খুব বেশি বেগ পেতে হবে বলে দেশবিদেশের অভিজ্ঞ মহল মনে করেন না। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মনে এই ধারণা চালু আছে যে, শুধু এই মেয়াদ নয়, পরের মেয়াদেও দেশ শাসন করবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। অর্থাৎ ২০২৪ইং সালের আগে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করা যাবে না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবাষির্কী এবং স্বাধীনতার ৫০ বছর উৎযাপনের সময় শেখ হাসিনাই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিকে নেতৃত্ব দিবেন। বিষয়টি পরশ্রিকাতরতার বশে কারো শুনতে খারাপ লাগলেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জন্য অতি আশা বা দুরাশা বলে মনেই হয়না। পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত যা দেখা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগের স্বপ্ন পূরণের আশা দুরশা হবে না। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আগামী জাতীয় কাউন্সিলে কিছু মৌলিক কাজ সম্পন্ন করতে হবে জাতির জনকের কন্যাকে। আওয়ামী লীগ যেহেতু সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক দল। সেহেতু সাধারণ মানুষের মধ্যে দল সম্পর্কে বর্তমান সময়ের ক্রিয়া- প্রতিক্রিয়া বিবেচনায় নিতে হবে। দলের মধ্যে বেড়ে উঠা যে সমস্ত আগাছা তৈরি হয়েছে,সে সমস্ত আগাছা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করাতে হবে। আসন্ন জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে দলের আগাছা, হাইব্রিড নেতা, দুবৃত্ত নেতা, সন্ত্রাসী মাস্তান লালনকারি নেতা, দখলবাজ অবৈধ অর্থ উপার্জনকারী মন্ত্রী নেতাদের নিয়ন্ত্রন করার সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিতে হবে। নচেৎ ৬৭ বছরের উল্লেখীত গৌরবের ইতিহাস মানুষ স্মরন করবে বলে মনে হয় না। উপহংহারে বলতে চাই, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব, বিশেষ করে জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনাকে বুঝতে হবে , দল হিসেবে আওয়ামী লীগের দেশে বিদেশে যতই সুনাম হোক না কেন, অভ্যন্তরে ব্যাপক রোগের আলামত দিনে দিনে স্পষ্ট হচ্ছে। বাইরে থেকে মোটাতাজা দেখা গেলেও ভেতরে ভেতরে তার অনেকটাই ফাঁপা। ক্ষমতায় থাকার কারণে দলের সর্ব অঙ্গে মেদ চর্বি জমেছে। চর্বি মেদ কোন অবস্থায় সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ নয়। অভ্যন্তরীন দুর্বলতা গুলো প্রকট হয়ে বাইরে প্রকাশ না পেলেও দুর্বলতা যে আছে-তা মেনে নিতে হবে এবং সেগুলো দূর করার জন্য আন্তরিকভাবে উদ্যোগ নিতে হবে। বার বার ঘোষনা দিয়ে, দেশব্যাপি দুবৃত্ত নেতাদের তালিকা করে, জনগনের মনের ক্ষোভ দূর করা সম্ভব হবেনা। জনগন চায় ঐ সমস্ত দুবৃত্ত নেতাদের যথোপযুক্ত শাস্তি। জনগন আশা করে আগামী জাতীয় কাউন্সিলে একটা সমম্বিত রুপরেখা প্রনিত হোক, এবং সেই রুপ রেখা যথাযথ বাস্তবায়ন হোক।মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদান কারি দলটি এবং তাঁর বর্তমান নেতৃত্ব অসীম ত্যাগ স্বীকার করেছেন এই জাতির জন্য, সুতারাং তাঁদের শাষনই হবে আন্তরিক এবং দুর্নীতিহীন। 'জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু'

  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে জনগনের আশা আক্ষাংকার প্রতিফলন হবে আশা করা যায়।যেহেতু বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল হিসেবে যতটুকু বাংলাদেশ অর্জন করেছে তাঁর সবটুকু অর্জনের কৃতিত্বই দলটির।সেই ঐতিহ্য ধরে রাখার স্বার্থেই দলকে আগাছামুক্ত রাখা সময়ের দাবি।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg