পোস্টগুলি
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
আমরা মুজিবাদর্শের লড়াকু সৈনিক:--- আদর্শ বিসর্জনে মহাখুশী--------------!! _____________________________ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মধ্যে আদর্শ, দর্শন শিক্ষায় শিক্ষিত, দলের অনুগত নেতাকর্মীর-অভাব প্রচন্ডভাবে অনুভুত হচ্ছে।অতীতে জাতির জনকের আদর্শ ধারন করে এমন অনেক নেতা কর্মী দেখা মিলতো, যারা নীজের জীবন যৌবন কখন হারিয়ে বৃদ্ধের দ্বারপ্রান্তে এসে উপস্থিত হয়েছেন নীজেই জানতেন না। হাজার হাজার নেতাকর্মী চিরকুমারত্বকে সঙ্গে নিয়ে পরপারে চলে গেছেন- অনেক আগেই। উদ্দেশ্য ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের আদর্শকে রাষ্ট্রীয় পয্যায়ে বাস্তবায়ন করে বাঙ্গালী জাতির মধ্যে ধর্মীয় বিভাজনের যে হিংসা বিদ্বেষ প্রোথিত করে দিয়েছিল স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর মুল ঊৎপাটন। ভাষা শহীদের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদ কে আলীঙ্গন। বাঙ্গালীর হাজার বছরের লালিত সংস্কৃতি ও কৃষ্টির মহিমায় গড়ে উঠা জাতি, ধর্ম, বর্ন নির্বিশেষে ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিকে সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠিত করে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে সোনার বাংলা গঠন। ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদের ধারণা উপমহাদেশে ভুল প্রমানীত হয়েছে,জাতিকে হিংসার চরমে নিয়ে গেছে। শতশত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা তাঁর প্রকৃষ্ট প্রমান।আরবের জাতিয়তাবাদও গড়ে উঠেছে ভাষার ভিত্তিতে। ইসলাম ধর্মের বধ্যভুমি হওয়া সত্বেও তাঁরা ধর্মভিত্তিক জাতিয়তাকে প্রশ্রয় দেয়নি।তাঁদের ভাষার জন্য এবং আরবে জম্ম গ্রহন করায় নীজেদের ধন্য মনে করে। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে উঠা জাতীয়তা বোধের উম্মেষের পরিনতি মুক্তিযুদ্ধ।ভাষা আন্দো -লনের মুল চেতনাই ছিল অসাম্প্রদায়িক। মুক্তিযুদ্ধকে মনেপ্রানে ধারন করলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে এসে যায় অসাম্প্রদায়িক সমাজব্যবস্থা তথা ধর্মনিরপেক্ষতা। রাষ্ট্র ভাষা ও সংস্কৃতিক আন্দোলন ভিত্তিক জাতীয়তাবাদকে আলিঙ্গন , বিভাজনমূলক রাজনীতিকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ এবং ঐক্যবদ্ধতামূলক দর্শনকে ধারণ করা ছিল মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অঙ্গিকার। আর তাই বঙ্গবন্ধু মুজিব ১৯৭২ এর সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা এবং বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে সন্নিবেশিত করেন।'৭২ এর সংবিধানই মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গিকারের পুর্ণ প্রতিফলন। সাম্প্রদায়িক রাজনীতির লক্ষ্য হল- রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রকে বিনষ্ট করা এবং ধর্মভিত্তিক বিভাজনকে উস্কে দেয়া। সাম্প্রদায়িক রাজনীতির চর্চা স্পষ্টতই আমাদের স্বাধীনতার মূল্যবোধের পরিপন্থি। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল সংক্রান্ত রিট খারিজের পর মুজিব সেনাদের উল্লাস দেখে আশ্চায্যই হলাম। আওয়ামী লীগের রাজনীতির মুল চালিকাশক্তি 'দর্শন ও 'আদর্শ' বাদ দিয়ে কিসের উপর দাঁড়িয়ে থাকবে দল? আদর্শ, দর্শনের মৃত্যু হলে দলের কি মৃত্যু হয়না? আওয়ামী লীগের মৃত্যু কি অনিবায্য? জাতির জনকের কন্যা জাতির জনকের আদর্শকে নীজ হাতে হত্যা করবেন? আমাদের নেতাকর্মীরা কিভাবে ভাবেন? আওয়ামী লীগ বর্তমান সময় পয্যন্ত-জাতির জনকের আদর্শের বাহিরে এককদম দেয়ার ক্ষমতা অর্জন করেনি। প্রতিনিয়ত বঙ্গবন্ধুর কথা বলেই জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসছে।প্রধান মন্ত্রী নীজেও এখন পয্যন্ত জাতির জনককে স্বরন ব্যতিত তাঁর বক্তব্য শুরু করতে আমি দেখিনি। যে কিংবদন্তি নেতার গুনগান গেয়ে ২১বছর পরেও ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে দল- তাঁর আদর্শকে বর্জন করবে আওয়ামী লীগ? কি করে সম্ভব? কখনও হতে পারেনা! কখনও নয়, আমি বিশ্বাস করিনা। পাকিস্তানের প্রভাবশালী মুসলিম লীগ দলের মৃত্যু হয়েছে ভুল দর্শন গ্রহনের কারনে,পাকিস্তান দ্বিখন্ডিত হয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের উদ্ভব হল ঠিক একই কারনে।আরও বহুধাবিভক্ত হওয়ার প্রহর গুনছে কম করে হলেও তিনটি প্রদেশ। চোখের সামনে একাধিক উদাহরন থাকার পরও মুজিব সৈনিকেরা কি করে উল্লাস করতে পারেন? বর্তমান আওয়ামী লীগ মুজিব আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে?আওয়ামী লীগ এবং মুজিব আদর্শের আওয়ামী লীগের মধ্যে আদর্শগত ও দর্শন ধারনগত মতাদর্শে বড় রকমের শুন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগকে এই শুন্যতা দুরীকরনে অচিরেই পদক্ষেপ না নিলে চরম মুল্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে এই শুন্যতা পুরন করতে হবে। নেতাকর্মীদের মধ্যে রাজনৈতিক "জ্ঞানের পরিধি" শুন্যতার পিছনে আমি 'ঘুরে ফিরে' একটি কারনই উৎঘাটন করতে পেরেছি। আর তা হল,--" জ্ঞানের অভাব,লেখাপড়া না করা,নেতার স্তুতিতে সর্বক্ষন ব্যয়, নেতাদের আমিত্বের অহংবোধ,কর্মিদের ব্যক্তিগতকাজে ব্যবহার, নতুন নেতৃত্ব বিকাশে সর্বক্ষমতা প্রয়োগ করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি।" মহামান্য আদালত 'রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের' রিট খারিজ করেছে।খারিজের অর্থ কি পুর্নবহাল?পঞ্চম সংশোধনী সর্ব উচ্চ আদালত বাতিল করেছে।অষ্টম সংশোধনীও বাতিল করেছে।দুই সামরিক সরকারের করা আইন বিধি শাষন বাতিল বলে রায় দিয়েছে।রিট পিটিশন বাতিল হলে রাষ্ট্র ধর্ম বহাল হবে কোথায়? আদালত পঞ্চম সংশোধনী বাতিল রায় আবার বাতিল করেছে?সংশোধনী থাকলেইতো বহাল হবে,না থাকলে কোথায় হবে? এইখানেই বিষয়টি মহত্ব নিহীত আছে,"আদালত কতৃক ৫ম/৮ম সংশোধনী রায়ের আংশিক কায্যকর করেছে সরকার, "বাদবাকী অংশ গ্রহন বর্জন কিছুই করেনি" -আগামী প্রজম্মের জন্য তুলে রেখেছেন জাতির জনকের কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী" ২০৪১ সালে রুপকল্প" বাস্তবায়িত হয়ে উন্নত,সমৃদ্ধ শিক্ষিত জ্ঞানভিত্তিক জাতিগঠন করে তাঁদের নিকট থেকে রায় নিয়ে বাস্তবায়ন করবে নতুন প্রজম্মের তেজস্বী কোন একনেতা। তাঁর আগে উন্নত,শিল্প সমৃদ্ধ দেশ গঠন করার জন্য যত টুকু ছাড় প্রয়োজন দিয়ে যেতে রাজী আছেন দেশরত্ম। সেই পয্যন্ত মহাখুশী থাকুন মুজিব আদর্শের লড়াকু সৈনীক বন্ধুরা। রাজনীতি শেখার জানার বুঝার সময় এখন কোথায়, ডিজিটাল যুগের ছেলে মেয়েরা এনালগের ইয়া বড় পুস্তক পড়বেইবা কেন? মাঠে ঘাঠে নেতা জনগনের মাঝে বিচরন করে তাদের মনের ভাষা স্লোগানে শ্লোগানে দাবিতে রুপান্তর করতেন। রুপান্তরীত দাবী নেতার মুখে প্রকাশ পেত চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে।বর্তমানের রাজনীতিতে নেতার নির্দেশ তৃনমুলে বাস্তবায়ন করার নিমিত্তে গড়ে তোলা হয় একাধিক সিন্ডিকেট । নিয়ন্ত্রন করা হয় দল ও সরকার। ভাইয়ের জায়গা দখল করেছে বস-নির্দেশনা দাতার পরিচিতি বেড়ে হয়েছে হাই কমান্ড।জনগনের নেতা নিয়ন্ত্রনের ভার -চলে এসেছে নেতায় কর্মী নিয়ন্ত্রনে। ""হতেও পারি আদর্শচ্যুত""------------ _______________________________ জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা, উন্নয়ন, অগ্রগতি, ধৈয্যের চাকায় পৃষ্ট করে----অশুভ শক্তির চক্রান্তের জবাব দিতে চান------ _______________________________ তারেক জিয়ার গোপন রাজনৈতিক আশ্রয়, ২৮বছর পর "রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম" বাতিল রিট শুনানীর জন্য উত্থাপন, শেখ হাসিনা বিহীন নির্বাচনের হুমকি সবকিছুই শক্তিধর রাষ্ট্রের গোপন ষড়যন্ত্রের অংশ। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলাসহ অন্যান্য ১৩টি মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি হওয়ায় গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির জন্য ইন্টারপোলকে অনুরোধ করেছিল বাংলাদেশ পুলিশ। ওই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারপোল সচিবালয় প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দলিলাদি বিশ্লেষণের পর রেড নোটিশ জারি করেছিল। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে জারি করা রেড নোটিশ প্রত্যাহার করেছে ইন্টারপোল।বিষয়টি অত্যান্ত সংগোপনেই করা হয়েছে।এই ধরনের নোটিশ প্রত্যাহার করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশকে জানানোর বিধান থাকলেও সংস্থাটি তা জানায়নি। বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে ইন্টারপোল জানায় তারেক প্রটেকটিব স্ট্যাটাসে আছে। রাজনৈতিক আশ্রয়ের মতোই প্রটেকটিভ স্ট্যাটাসও বিদেশে আশ্রয় গ্রহণের অন্য একটি উপায়, হয়তোবা হতে পারে। কোনো তদন্তাধীন ফৌজদারি মামলায় বা বিচাধীন মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করার বিধান ও দৃষ্টান্ত আছে। তারেক রহমান একাধিক ফৌজদারি মামলার অভিযোগপত্র ভুক্ত আসামি, যা আদালতে বিচারাধীন।এইরুপ ক্ষেত্রে রেড নোটিশ জারি হওয়া কোন ব্যাক্তি কোন দেশের সরকারের অনুমতিতে--সেই দেশে বসবাস করার জন্য বৈধ আশ্রয় নিতে পারে কিনা- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে খতিয়ে দেখছে।এইরুপ আশ্রয়ের ব্যপারটি গোপনীয় হবে কেন? ইন্টারপোলই বা কেন-কোন দেশের প্রটেকটিব স্ট্যাটাস পেয়েছে তারেক--বলতে অপরাগতা প্রকাশ করবে? গত কিছু দিন আগে খালেদা জিয়া প্রকাশ্য তাঁর দলীয় কাউন্সিলে হুমকি দিয়ে বলেছে,বাংলাদেশে নির্বাচন হবে-তবে সেই নির্বাচন হাসিনা মুক্ত হবে। বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গেই নিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার বিস্ময় প্রকাশ করে তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেছেন। প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করতে গিয়ে প্রধান মন্ত্রী অনেকটা তকদির বাদীর মতই বলতে শুনা গেছে, "আল্লাহর হুকুম না থাকলে কেহ-ই মারতে পারবেনা।" '৭৫ এর ১৫ই আগষ্ট জাতির জনকের পরিবার, আত্মীয়স্বজন সহ হত্যা করা হয়েছিল-নিশ্চয়ই সবার মৃত্যু আল্লাহর হুকুমে হয়নি,'অনেকের অকাল মৃত্যুও হয়েছে।'সব আল্লাহর হুকুমে সংঘটিত হলে "অকাল " শব্দটি আদৌ ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ছিলনা। আল্লহর হুকুম অবশ্যই থাকে,সাথে নীজের অসতর্কতার কারনে অকাল মৃত্যুকেও অস্বীকার করার উপায় নেই। অপরদিকে গত ৭/৮বছর উচ্চ আদালতের রায়কে বিদ্রুপ করে বহু বিবৃতি বহুজনেই প্রধান করেছেন। রায়ের বিরুদ্ধে হরতালের প্রকাশ্য ঘোষনাও দিয়েছেন- কোন কোন রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব প্রাপ্ত মুখপাত্র। অনেক বুদ্ধিজীবিকে আদালতের কাঠ গড়ায় হাজির করলেও শাস্তি কাউকেই পেতে হয়নি।প্রকাশ্য রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দেয়া বক্তব্যের জন্য বা হরতাল ডাকার জন্য আদালত কাউকে সুয়োমটোও দেননি, কারো বিরুদ্ধে রুলও জারি করেননি। বাংলাদেশ সরকারের দুইজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এমনতর আদালত অবমাননায় শাস্তি দিতে কার্পন্য করেনি আদালত।একই সময় আদালতে ২৮বছর আগে করা রাষ্ট্র ধর্ম 'ইসলাম' সংযোজনের বিরুদ্ধে করা রিট কোন পক্ষ থেকে শুনানীর আবেদন না করা সত্বেও শুনানীর জন্য উত্থাপন করেছে।খবরটি প্রকাশের পরক্ষনেই মহল বিশেষের পক্ষ হতে বিক্ষোভ সমাবেশ, হরতাল, বিবৃতি ইত্যাদি খুব জোরের সাথেই দেয়া শুরু হয়েছিল।আগের মতই যুক্তি বা প্রসঙ্গ তুলতে গেলেই নাস্তিক, কাফের, মোনাফেক ইত্যাদি বিশেষনের ফুল- জুড়িও যথারীতি শুরু হয়েছিল। ভয়ে দেশের বিশিষ্ট আলেম উলামারা বিষয়টির প্রয়োজন এবং ধর্মের সাথে সম্পর্ক আছে কি নেই--এই সম্পর্কেও ভালমন্দ মুখ খুলতে সাহষ করেনি।এইক্ষেত্রে দেখা গেছে 'আওয়ামী ওলামা লীগ' সবার আগে আগে হাঁটার চেষ্টাও লক্ষনীয়ভাবে ফুটে উঠেছে।এর আগেও তাঁদের কিছু বিতর্কীত ভুমিকা দেশবাসির দৃষ্টিতে সম্যক এসেছে। তবে কি ঘরের মধ্যেও কিছু বীজ '৭৫এর মতই বপন করা আছে ? গতিবিধি, আচার আচরন লক্ষ করলে অনুধাবন করলে বুঝতে কষ্ট হয়না, জাতির জনকের কন্যার দৃষ্টিতে সবকিছুই স্পষ্ট আছে। তিনি ধৈয্য ও সহনশীলতার মাধ্যমে সব কিছুই একের পর এক মোকাবেলা করে যাচ্ছেন। যথাসময়ে যথার্থ্য সিদ্ধান্তটি তাঁর কাছ থেকে জাতি পাচ্ছে। ষড়যন্ত্রকারিরাও ব্যপারটি বুঝতে পেরে প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তের বিরুধীতা করতেও দ্বিধা করছেনা। জনগনকে ধারনা দেয়ার আপ্রান চেষ্টা হচ্ছে -প্রধানমন্ত্রীর নিকট একক ক্ষমতা থাকা উচিৎ নয়।খমতা রাষ্ট্রপতির সাথে কিছুটা ভাগাভাগি করা দরকার। তাঁরা যখন খমতায় ছিলেন তখন ব্যপারটি তাঁদের মনেই ছিলনা-এখন মনে হচ্ছে।মনে হওয়ার মুল কারন বিশেষ বিশেষ মহুর্তে আওয়ামী লীগের অনেক দাপুটে নেতা পালিয়ে গেলেও জাতির জনকের কন্যা একাই যুদ্ধের ময়দানে সেনাপতির ভুমিকায় অবতির্ন্ন হচ্ছেন এবং বিজয় চিনিয়ে আনছেন দল ও দেশের জন্য। অশুভ শক্তির পরাজয়ই ঘটছে শুধু। পরাজিত হতে হতে দলের অস্তিত্ব নিয়েই টানাপোড়ন শুরু হয়েছে। সর্বশেষ পরাজয়টি এত সহজে, অল্পসময়ে ঘটবে অশুভ শক্তি বুঝে উঠতে পারেনি। গত দুই বছরের চেষ্টায় দেশীবিদেশী পরিকল্পনায়, মা-ছেলের একাধিক বৈঠকের সিদ্ধান্তে গড়ে উঠা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ছিল "রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম" রিট। প্রধানমন্ত্রী দলের কিংবা আশেপাশের কারো সাথে কোন পরামর্শ না করে ঠান্ডা মেজাজে দুই বছরের ষড়যন্ত্র মাত্র পাঁছমিনিটের শুনানীতে ব্যার্থ্য করে দিলেন। তিনি তাঁর সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনী লড়াই না করার সিদ্ধান্ত দিয়ে- ষড়যন্ত্রের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিলেন। জাতির জনকের কন্যা সম্যক বুঝতে পেরেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান সাম্প্রদায়িক সংকট, উগ্র জঙ্গীবাদের উত্থান, সামরিক অভ্যুত্থান, মৌলবাদের উত্থান ইত্যাদি অশুভ শক্তির চক্রান্ত আইন করে বা পুলিশী শাষন দিয়ে নির্মুল করা যাবে না। জাতিকে শিক্ষা,সংস্কৃতি, কৃষ্টিতে এগিয়ে নিতে হবে।শিক্ষার আলো প্রতিটি ঘরে ঘরে জ্বালাতে হবে। শিক্ষাকে প্রযুক্তির শিক্ষায় রুপান্তরীত করে বিজ্ঞান ভিত্তিক সমাজ গড়ে দেশকে আলোকীত করতে হবে। স্বল্প সময়ে দারিদ্রতা দূর করতে হবে।কৃষি নির্ভর অর্থিনীতির সাথে শিল্পকে সম্পৃত্ত করে সমান গুরুত্ব দিয়ে দেশকে সমৃদ্ধ-স্বাবলম্ভী করে তুলতে হবে। দেশ ও জাতি সমৃদ্ধশালী হলে স্বয়ংক্রিয় ভাবেই সমাজের বিদ্যমান কুসংস্কার দূর হয়ে যাবে।সুদুরপ্রসারী চিন্তাচেতনার বাস্তবায়ন ঘটাতে তিনি দেশি বিদেশি বর্তমানের চক্রান্ত সমুহ সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা ঠিকই বুঝতে পেরেছেন-প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব হলে তাঁদের খমতার স্বপ্ন-স্বপ্নই থেকে যাবে। মা-ছেলেকে সারা জীবন জেলে রাখার উপকরন সরকারের হাতের মূঠোয়তো আছেই।বাংলাদেশ তাঁর কাংখিত উন্নয়ন অগ্রগতির সোপানে পৌছে গেলে বৃহৎ রাষ্ট্র সমুহের খবরদারিই বা কোথায় থাকবে? এমনিতে বিশেষ ব্যাক্তি ও কয়েক জোটে অংশ না নিতে বিশেষ দুত ও টেলিফোনে অনুরুধ প্রত্যাখ্যাত হয়ে মোড়লগীরি অনেকাংশে কমিয়ে দিতে হয়েছে। উন্নতি অগ্রগতির রেলগাড়ী যে গতিতে চলা শুরু করেছে, একই গতিতে ষড়যন্ত্রের গাড়ী চালাতে না পারাও বিরুধী দলের ব্যর্থতা মনে করে মোড়ল রাষ্ট্র। ফলে মধ্যবর্তি নির্বাচনের জন্য কান্নাকাটিও কানে নিচ্ছেনা আগের মত।তাঁরা চায় শেখ হাসিনাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়া ছাড়া বর্তমান অগ্রগতির চাকা থামানো যাবেনা। সাধারন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও বিপুল সংখ্যা গরিষ্টতা পাবে আওয়ামী লীগ। জনগনের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে আর কোন খবরদারীই মেনে নিবেনা দেশরত্ম শেখ হাসিনা। তারচেয়ে বর্তমান অবস্থায় ইস্যু সৃষ্টি করে অরাজগতা, নাশকতা সৃষ্টি করে জনপ্রিয়তায় ধ্বস নামানোই হবে একমাত্র লক্ষ। পরিকল্পনার প্রথম ধাপ কায্যকর সম্ভব হলে দ্বিতীয় ধাপ তাঁদের-হত্যা মিশনের দিকেও দাবিত করা যাবে- তাঁদের পেইড এজেন্টদের। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ষড়যন্ত্র জাতির জনকের কন্যা কৌশলে এড়িয়ে দেশ ও জাতিকে স্বস্তি দিতে পেরেছেন।সাধারন মানুষের প্রচুর প্রসংশায় মুখরীত সারা বাংলাদেশ। __________________________ জয়বাংলা বলে আগে বাড়ো জয়বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম খমতায় যাওয়ার অস্ত্র--ধর্মীয় কোন বিষয় নয়-------- ___________________________________ ধর্মের যে কোন ইস্যুতে শতকরা একশত ভাগ সমর্থন পাওয়া যায়।ধর্মের সাথে প্রতারনা হচ্ছে এটা একজনও বুঝার মত নেই।কারন বুঝতে গেলে বা বলতে গেলে তাঁকে নাস্তিক উপাদি পেতে হবে। তাই অনেকে জেনেও না জানার ভান করেন।যাহা ইসলামের জন্য, ইসলামী আন্দোলনের জন্য বড় ক্ষতিকর।দুনিয়াবি স্বার্থের জন্য আল্লাহর নির্দেশনার বাইরেও ফতোয়া দেয়া বা রাষ্ট্রকে কোন বিষয়ে বাধ্য করা আর যাই হোক ধর্মের মঙ্গল হতে পারেনা, বা ইসলামের মঙ্গল হতে পারেনা। মাওলানা সাহেবেরা ওয়াজে বলেন নবীকে অনুকরন করতে হবে।তিনি যা বলেছেন এবং যা করেছেন সব কিছুই আল্লাহর হুকুমেই করেছেন।আল্লাহ সর্বজ্ঞানী এবং সর্বজান্তা।আমরা মনে প্রানে বিশ্বাস করি, বিশ্বাস না করলে বা সামান্য সন্দেহ পোষন করলে ইমান থাকেনা । ইমানহীন মানুষ বা ইমানহীন মসুলমান বেহেস্তে যেতে পারবেনা। আল্লাহ,আল্লাহর রাসুল, তাঁর প্রেরিত গ্রন্থ, আল্লাহর নবী রাসুলগনকে মনে- প্রানে বিশ্বাস করাকেই ঈমান বলে। মহান আল্লাহ সর্বযুগের জ্ঞানী করে তাঁর প্রিয় বন্ধু হযরত মোহাম্মদ (স:) কে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন।নবী করিম (স:)রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত করেছেন।তিনি দুনিয়ার মানুষের শিক্ষার জন্য অনুসরন করার জন্য--তিনি সেই রাষ্ট্র পরিচালনাও করেছেন। নবী যে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন সেই রাষ্ট্রেও রাষ্ট্র ধর্ম ছিলনা। মহান আল্লাহ জানতেন রাষ্ট্র -ধর্ম পালন করেনা-রাষ্ট্র একটা জড় পদার্থ্য। রাষ্ট্র এর নাগরিকদের পরিচালনার জন্য যে আইন, নিয়ম বা বিধি তাহা আল্লাহর প্রেরিত শ্রেষ্ঠ কিতাব কোরানে উল্লেখ করে দিয়েছেন। কোরানে ঘোষিত আইন দ্বারা স্ব-স্ব-রাষ্ট্রের নাগরিকদের পরিচালনা করার জন্য বলেছেন। মানুষকেও অর্থাৎ মসুলমানদেরকেও সেই আইন অবশ্যই পালনীয় বলে হুকুম করেছেন। নবী করিম (স:) সেই ভাবেই রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। নবী করিম (স:) এর উফাতের পর তাঁর বিশ্বস্ত সাহাবীরাও তাঁর প্রতিষ্ঠিত খেলাফতের খলিফা নির্বাচিত হয়ে নবীজির রাষ্ট্র পরিচালনাকে অনুসরন করে খেলাফত পরিচালনা করেছেন। খলিফারাও রাষ্ট্র ধর্ম - রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁদের সংবিধানে সংযোজন করেন নাই। সংযোজন করতে পারেন না কারন,-"কোরানের উপর হাত দেয়ার ক্ষমতা আল্লাহ কাউকে দেননি।" কোরান সর্বযুগের শ্রেষ্ঠ সংবিধান করে আল্লাহ নীজে তৈরী করে হযরত মহাম্মদ (স:) এর মাধ্যমে মানবের কল্যানে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। আল্লাহ সব কিছু জানেন- রাষ্ট্র ধর্ম থাকতে হবে এই গুরুত্ব পুর্ন ইস্যুটি কোরানের আয়াতের সংযোজন না করার নিশ্চই কোন যৌক্তিকতা পাননি আল্লাহ। অথবা ভিন্নধর্মী মানুষের বসবাস রাষ্ট্র সমুহে থাকবে এই কারনে ইস্যুটি আল্লাহ কোরানে দেননি, রাসুলকেও বলেননি। ভিন্ন ধর্মের উপর আল্লাহর মনোনীত ধর্মকে চাপিয়ে দিলে(একজন হোক) আল্লহর শ্রেষ্ঠত্ব থাকেনা- তাঁর বন্ধু হযরত মোহাম্মদ (স:) এর মহানুভবতাও প্রশ্নের সম্মুখ্যীন হয়। তাই সর্বজ্ঞানী আল্লাহ মানব জীবনে ধর্ম্ম ধারন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনে জেহাদের নির্দেশ দিয়েছেন। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম " প্রতিষ্ঠিত করতে বলেননি। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম কে সর্বযুগের শ্রেষ্ঠ সংবিধান-আল্লাহর প্রেরীত সংবিধান "আল-কোরানে" অনুমোদন করেনি। নিশ্চয়ই আল্লাহ সে ভাবেই হুকুম করেছিলেন, আল্লহই ভাল জানেন। আরও পরিষ্কার ভাবে বলা যায়, দুনিয়াতে ইসলাম আসার পর থেকে(১৪০০বছর) ইসলাম ধর্মের উপর গভেষনাকারি লক্ষ কোটি আলেম উলামা, বুজর্গ, জ্ঞানী শ্রাদ্ধাবাজন ব্যাক্তি জম্মগ্রহন করেছেন, ইসলাম প্রচার-প্রসারে সারাজীবন উৎসর্গ করেছেন- লক্ষ লক্ষ বুজর্গ, অনেক বুজর্গ রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন, অনেক ইসলামী চিন্তাবীদ ইসলামী শাষন প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন, ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত করেছেন-শাষন করেছেন- কস্মিন কালেও কেউ কোন দিন আন্দোলন সংগ্রাম দূরে থাকুক প্রস্তাবও রাখেনি রাষ্ট্রীয় সংবিধানে"রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম" থাকা বাঞ্চনীয় বা থাকা উচিৎ। এমন একটি বিষয় কোন প্রকার দাবীছাড়া, আন্দোলন ছাড়া, নির্বাচনী ওয়াদা ছাড়া-হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ হঠাৎ করে ১৯৮৮ইং সালে রাষ্ট্রীয় সংবিধানে সংযোজন করেন।আলেম উলামাদের পক্ষ থেকে তেমন কোন প্রতিক্রিয়াও দেখানো হয়নি।ভাল হয়েছে মন্দ হয়েছে তাও বলা হয়নি। রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম সংবিধানে সংযোজনের পর রাষ্ট্রের বিশিষ্ট নাগরিকদের পক্ষ থেকে একটি রিট পিটিশন করা হয়েছিল।সেই রিটের শুনানী করতে ২৮ বছর কোন সরকার সাহষ করেনি।এটা এমন একটা ইস্যু প্রত্যেক মুসলিমের প্রানে আঘাত লাগার মত একটি বিষয় নিশ্চয়ই। আদালতের রায় যদি বিপক্ষে যায় জনগনের বিরুপ প্রতিক্রিয়ার ভয়ে কোন সরকার সে দিকে তাকিয়েও দেখেনি। আজকে যারা হম্বিতম্বি করে জনগনের সহানুভুতি আদায়ের চেষ্টায়রত: ছিলেন-রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম, "ছিল, আছে, থাকবে" বলে রাজপথ কাঁপানোর হুমকি ধমকি দিচ্ছিলেন-তাঁরাও কমপক্ষে দুইবারে দশ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্তু এই রিট নিষ্পত্তির কোন উদ্যোগ নেননি। সুযোগের সদ্বব্যবহার করার জন্য অথর্ব, অযোগ্য রাজনৈতিক দল ও ব্যাক্তি সকলেই কোমরে গামছা বেঁধে লড়াই করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। অযোগ্য বলছি এই কারনে,- আদালতের রায়ের পর সরকারের প্রতিক্রিয়া বা রায় বিপক্ষে গেলে সরকার আপিল করে কিনা বা সরকার মামলায় লড়ার কেমন প্রস্তুতি নিয়েছেন -কোন কিছু বিবেচনা না করেই কোমরে মোটা রশি বেঁধে পেলেছেন নাস্তিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য।" অনৈতিক, অরাজনৈতিক, আইন অমান্যকারিদের দ্বারা আর যাই হোক রাজনীতি হয়না, দেশ শাষনও হয়না। আদালতের বিচারাধীন বিষয় নিয়ে হরতাল, আন্দোলন, মন্তব্য আমাদের দেশে পান্তাভাততুল্য হয়ে গেছে। আদালত না মানার সংস্কৃতি সৃষ্টির আপ্রান চেষ্টা হচ্ছে কোন কোন মহল থেকে, ইহা দিবালোকের মতই সত্য। আমার সহজ সরল প্রশ্ন হচ্ছে, নবীর কর্মে যাহা ছিলনা, হাদিছে যাহার উল্লেখ নাই, সাহাবীদের শাষনে যাহা ছিলনা, আলেম উলামাদের নির্দেশনায় যাহা অতীতে কোন দিন প্রকাশিত হয়নি,সর্বশেষ কোরানে যাহার নির্দেশ নাই।এই বিষয়টি নিয়ে মনের ভিতর উকি দেয়া দুটি প্রশ্ন সকলের উদ্দেশ্যে রেখে যেতে চাই--- (১) মাওলানা সাহেবেরা যে আন্দোলনের হুমকি দিলেন (কোরানের আলোকে) -বিরুদী দলের পক্ষ থেকে প্রকাশ্য যে উস্কানী দিলেন, ইহা কতটুকু শরিয়ত সম্মত হয়েছে। (২) ইহুদিদের রচিত বিধি গনতন্ত্র এবং মানুষের সৃষ্ট সংবিধানে "আল্লাহর ধর্ম ইসলাম" কে সংযোজন কতটুকু শরিয়ত সম্মত হয়েছে? জাতির জনকের কন্যা অত্যান্ত প্রাজ্ঞ রাষ্ট্র নায়ক। তিনি সচতুর ভাবে, মনযোগ সহকারে বিষয়টি পয্যবেক্ষন করেছেন।রাষ্ট্রনায়কোচিত মনোভাবের পরিচয় তুলে ধরেছেন।বিষয়টি যেহেতু ৫ম এবং ৮ম সংশোধনী সম্পৃত্ত সেহেতু আদালত রায় কি দিতে পারেন তিনি জানেন। সুতারাং এখানে বাড়াবাড়ি করে গর্তের শৃগালকে বের হওয়ার সুযোগ দিয়ে লাভ নেই। আদালত আন্দোলনকারিদের মুখে চুনকালি মেখে আবার গর্তেই প্রবেশের রায় দিয়েছে। সংশোধন বাতিল রায় যথারীতি বহালই আছে,ভবিষ্যতেও ইনশাল্লাহ বহাল থাকবে। ------------------------------------ জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম বহাল--সরল্প্রান আল্লাহভক্তরা খুশি হলেও অপমানিত ইসলাম____ ____________________________ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম চ্যালেঞ্জ করে ২৮ বছর আগে করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাঈমা হায়দার, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ আজ সোমবার এ আদেশ দেন। আদেশে বলা হয় আবেদনকারীদের আবেদনের অধিকার (লোকাস স্টান্ডি) নাই। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জগলুল হায়দার আফ্রিক ও সুব্রত চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। বিষয়টি নিয়ে এমন প্রপাগান্ডা চালানো হয়েছে যে, যারা রাষ্ট্রধর্মের পক্ষে তাদের সঙ্গে একমত হবেন না, তারাই ধর্ম বিরোধী বা তারা মুসলমান নন। সরকার হেফাজতকে তুষ্ট রাখতে গিয়ে আইনী লড়াই বন্ধ করে বিরুদ্ধে সহকারি এটর্নিকে আদালতে জেরা করার জন্য তুলে দিল। সরকারের এই আস্কারা পেয়ে হেফাজতিরা ভবিষ্যতেও চুতানাতায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিল।শাফলা চত্বরের ঘটনায় ব্যবস্থা গ্রহন না করায় তাঁরা রাষ্যত্র ধর্ম থাকা না থাকার সাথে ইসলামের কোন সং্যোগ না থাকা সত্বেও হুমকি দিতে পেরেছে।তারা জানে যে সরকার তাদের কিছু বলবে না৷ দেশের প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীদের একটা বড় অংশ সরকারের কাছে নিজেদের বিবেক বিক্রি করে দিয়েছেন৷ হেফাজতের বিরুদ্ধে তারা কোনো কথা বা সমাবেশ করুক, তা সরকার চায় না৷ ফলে বুদ্ধিজীবীরা নিরব থাকছেন৷ সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো সরকারের তল্পিবাহক, তারাও চুপ এক্ষেত্রে মুখে কুলুপ এঁটে বসে ছিলেন। এমন অবস্থায় আদালতের রিটের শুনানীকে কেন্দ্র করে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছিল হেফাজত৷ বিএনপি চাইছিল হেফাজত বিশৃঙ্খলা তৈরি করুক৷ তাহলে সরকার বিপদে পড়বে।সরকার চাইছে, কোনো অবস্থাতেই যেন হেফাজত মাঠে নামার পরিবেশ না পায়। হেফাজতকে তুষ্ট করার এই নীতিতে ২৮ বছর আগে করা রিট আদালত খারিজ করে দিল। এক্ষেত্রে হেফাজত এবং সরকার জিতেছে,হেরেছে মানবতা,অপমানিত হয়েছে ইসলাম ধর্ম।রাষ্ট্রীয় প্রতারনার উজ্বল সাক্ষী হয়ে থাকবে রাষ্ট্র "ধর্ম ইসলাম।" রাষ্ট্রের কোন অঙ্গ প্রত্যঙ্গে ইসলামের ছোয়া না থাকলে ও শুধুমাত্র সংবিধানে রেখে বেহেস্ত পাড়ি দেয়ার মত মুর্খতাও জনগনকে উপহার দিয়ে সন্তুষ্ট করা যায় এই মামলা খারিজ তাই প্রমান করেছে। ও আই সি ভুক্ত ৫৭টি দেশের মধ্যে সবেমাত্র তিনটি দেশ "রাষ্ট্র ধর্ম যুক্ত দেশে"র তালিকায় যুক্ত হল।অন্য দুটি দেশের মতই আগামী দশকের আগেই পাকিস্তানের (গতকাল ৭২জন) বর্তমান পরিস্থীতির মুখামুখি হওয়ার প্রস্তুতি এখন থেকে শুরু করার জন্য পরামর্শ না দিয়ে আদালত রিট খারিজ করে দেশকে অন্ধকারে নিমজ্জিত হতে সাহায্য করেছে। শেষ ভাল যার সব ভাল তার-প্রধানমন্ত্রীর হাজারো সুনামের মধ্যে আর একটি মুর্খ্যদের খুশী রাখার সুনাম যুক্ত হল। ________________________ জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম---জামায়াত থেকে হেফাজত--আন্দোলনের নেতৃত্ব হাইজ্যাক------ ___________________________ ____________________________ অখন্ড ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের উৎপত্তি ধর্মীয় চেতনা "দ্বিজাতি তত্বের" ভিত্তিতে হয়েছিল। পাকিস্তান সৃষ্টির প্রাক্কালে এই ব-দ্বিপের বা পুর্ব পাকিস্তানের ধর্মীয় নেতাদের উল্লেখ যোগ্য কোন ভুমিকা ছিলনা। বরঞ্চ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ সহ বেশ কিছু আলেম ওলেমা অখন্ড ভারতের স্বাধীনতার পক্ষে অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা মহত্মা গান্ধীজির পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিলেন। বৃটিশদের শাষনকাল পুরোটাই বিচ্ছিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম ,বিদ্রোহ হলেও কায্যত: সফলতার ধারেকাছেও উপমহাদেশের আন্দোলনকারিরা বা বিদ্রোহকারিরা যেতে পারেনি। বিশ্বযুদ্ধই শেষ পয্যন্ত ইংরেজদের এদেশ ছাড়তে বাধ্য করে। বিলেতে লেখাপড়া করা জিন্নাহ বিনা আন্দোলন, বিনা রক্তপাতে পাকিস্তানের নেতায় রুপান্তরিত হন এবং নেতৃত্ব প্রদান করেন।বৃটিশ রাজত্বের পুরো সময়কাল ব্যাপি মাওলানা-মৌলবিদের স্বাধীনতার প্রশ্নে উল্লেখ্যোগ্য অবদানের বিষয় ইতিহাসে তেমন খুঁজে পাওয়া যায়না।অসংগঠিত-বিচ্ছিন্ন, অপরিকল্পিত কিছু আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টার- -ব্যাক্তি বিশেষ পাওয়া যায়। পাকিস্তান সৃষ্টির পর অখন্ড পাকিস্তানের ৫৬শতাংশ মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বললেও বাংলাকে উপেক্ষা করে উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা করার পরিকল্পনায় পুর্ব পাকিস্তানে গড়ে উঠা ভাষা রক্ষার লড়াইয়ে কোন আলেম ওলামাকে দেখা যায়নি।এক্ষেত্রেও অনেকেই বাংলা 'বিজাতীয় ভাষা', বাঙ্গলা 'বাঙালী হিন্দুদের' ভাষা অজুহাত দাঁড় করে শাষক শ্রেনীর পক্ষ অবলম্বন করেছিল। অথছ উর্দু পশ্চিম পাকিস্তানের আপামর জনগনের ভাষাও ছিলনা। মাত্র পাকিস্তানের ৫শতাংশ মানুষ কথা বলতেন উর্দুতে। তাঁরা কিন্তু সামরিক, বেসামরিক সরকারের সকল অবস্থায় পাকিস্তানের রাষ্ট্র ক্ষমতা--তাঁদেরই নিয়ন্ত্রনে ছিল। পবিত্র কোরানে স্বয়ং আল্লাহ বার বার প্রত্যেক জাতি গোষ্টির ভাষাকে তাঁদের জাতির জন্য নেয়ামত বলে ঘোষনা করেছেন। তিনি পৃথিবীতে যত আসমানী কিতাব নাজিল করেছেন সব গুলি কিতাবই ভীন্ন ভীন্ন জাতি গোষ্টির নিকট প্রেরন করেছেন এবং তদীয় নবীর ভাষাতেই প্রেরন করেছেন। আমাদের নবী করিম (স:) আরবের সম্ভ্রান্ত কোরাইশ বংশে জম্ম গ্রহন করেছিলেন। তাঁদের ভাষা শুদ্ধ আরবী ভাষা ছিল বিধায় কোরান ভালভাবে হৃদয়ঙ্গম করার জন্য আরবী ভাষায় প্রেরীত হয়েছে। আল্লাহ নীজেই তাঁর পবিত্র কোরানে আরবী ভাষায় কোরা'আন নাজেল করার এই কারনটি ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁরপরও আমাদের আলেম-ওলামাদের বৃহদাংশ ভাষা আন্দোলনে শরিক হতে পারেননি। শুধু বৃহদাংশ নয়-বলতে গেলে এক শতাংশও ভাষার দাবীতে সোচ্ছার হতে পারেননি। পাকিস্তান সৃষ্টির পর-গনতান্ত্রিক আন্দোলনের বিপক্ষে তো ছিলেনই বরং জামায়াতে ইসলামী ছাত্র সংগঠন "ছাত্র সংঘ" সৃষ্টি করে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন সমুহকে নিধনের প্রক্রিয়া গ্রহন করে। আওয়ামী লীগের নেতা শেখ মজিবুর রহমানের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে "ছাত্র লীগ" গঠিত হলে অংকুরেই এই সংগঠনকে ধ্বংসের জন্য এমন কোন হীন কাজ নেই যা তাঁরা করেনি।কত মেধাবী ছাত্রের মৃত্যু হয়েছিল, কত মেধাবী ছাত্র পড়ালেখার পাঠ চুকিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিল তার কোন ইয়ত্তা নেই। স্কুল, কলেজ, বিশ্ব বিদ্যালয়ে প্রভাবশালী সংগঠন ছিল "ছাত্র সংঘ"। বর্তমানে আমরা যেই সংগঠনটি "ছাত্র শিবির" হিসেবে চিনি-জানি। শাষক দল মুসলিম লীগের ছাত্র সংগঠন "এনএসএফ" এর সাথে জোট গঠন করেই তাঁরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে "শ্বেত সন্ত্রাসের" রাজত্ব কায়েম করেছিল। পাকিস্তানের ২৩বছরের শাষনামল সম্পুর্ন সময়কালটাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের "ছাত্রসংসদ" তাঁদেরই নিয়ন্ত্রনে ছিল--হাতে গোনা কয়টি "ছাত্র ইউনিয়নের" নেতৃত্বে প্রগতিশীল ছাত্রদের হাতে ছিল। ছাত্রদের মাঝে ব্যাপক প্রভাব থাকলেও জনগনের মাঝে জামায়াতের বা অন্য ইসলামী দলগুলীর তেমন প্রভাব ছিলনা। তবে বর্তমানের মতই সাংগঠনিক ভাবে সুশৃংখল- শক্তি সামর্থ ছিল। পাকিস্তানের প্রথম পয্যায়ে "কোরান হাদিসের অপব্যাখ্যার" কারনে দলটির নেতা "মাওলানা মওদুদীর মৃত্যু দন্ডের রায়" হওয়ার কারনে পাকিস্তানের পুরো সময়কালটাই জামায়াতের জন্য কঠিন সময় পার করতে হয়েছিল। সৌদী "বাদশাহর" অনুরুধে পাকিস্তান সরকার আদালতের রায় মওদুদীর উপর বাস্তবায়ন থেকে বিরত থাকে। শেখ মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিকল্পিত রাজনৈতিক কর্মসুচি প্রনয়ন, নিখুঁতভাবে কর্মসুচি বাস্তবায়নের কারনে দিন দিন তাঁর গ্রহনযোগ্যতা বৃদ্ধি পেতে থাকলে তথাকথিত "ইসলামী দলগুলী " পাকিস্তানের "শাষক গোষ্টির" সাথে গলা মিলিয়ে "ভারতের দালাল, ভারতের চর, ভারতের নিকট দেশ বিক্রির পায়তারা" ইত্যাদি নানাহ অপ্প্রচারের অপকৌশল গ্রহন করে। শেখ মজিবুর রহমানের রাজনৈতিক কর্মসুচি সমুহ জনগনের নিত্যদিনের সমস্যা-সংকট নিয়ে প্রনীত হওয়ার কারনে এবং প্রনীত কর্মসুচি জনগনের মাঝে ব্যাপক প্রচারের উদ্দেশ্যে তাঁর নিরলস পরিশ্রম,একাগ্রতা, যথাসাধ্য জনসংযোগ, কর্মসুচি বুঝিয়ে বলার পারঙ্গমতা ইত্যাদি কারনে দিনদিন ব্যাপক জনসম্পৃতা গড়ে উঠতে থাকে।ফলত: ষড়যন্ত্র হয়েছে সত্য শেষ পয্যন্ত কোন ষড়যন্ত্রই কায্যকর হয়নি।সংগত কারনে শেখ মজিবুর রহমানের সুপ্ত বাসনা বাঙ্গালী জাতির স্বাতন্ত্রতার দিকে ধীরে ধীরে জাতিকে তিনি নিয়ে যেতে থাকেন,এবং সফলতায় রুপ দিতে পেরেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের মনের সুপ্ত বাসনার বহি:প্রকাশের এক পয্যায়ে পরিকল্পিত পরিকল্পনায় মহান মুক্তিযুদ্ধের অনিবায্যতা ফুটে উঠে।শেষাবদি মুক্তিযুদ্ধের অনিবায্যতা দেখা দেয়ার প্রাক্কালেও এই সমস্ত সম্মানীত মাওলানা মৌলবিদের একশতাংশও ৬৯এর গন অভ্যুত্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধের প্ররম্বিকতায় সম্পৃত্ত হতে পারেননি।বরঞ্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বিভিন্ন বাহিনী গঠন করে মুক্তি যুদ্ধাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে সম্মুখ সমরে লিপ্ত হয়েছিল। জামায়তে ইসলামী সাংগঠনিকভাবে, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েই মুক্তিযুদ্ধের বিরুধীতা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সাহায্য করেছিল। অখন্ড ভারতীয় উপমহাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় থেকে শুরু করে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সকল জনসম্পৃত্ত আন্দোলন সংগ্রামে মাওলানা সাহেবদের বিরুধীতার কারনে সম্প্রদায়টি সম্পুর্ন জনবিচ্ছিন্ন হয়ে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশের জনগনের কোন কল্যানকর, জনহীতকর, রাজনীতি, দেশ শাষন ইত্যাদি কোন কাজেই ভুমিকা রাখতে সক্ষম হয়নি। ফলত: দেখা গেছে অখন্ড পাকিস্তানের স্বাধীনতা ধর্মীয় চেতনায় সংঘঠিত হলেও কোন ধর্মীয় মাওলানার উপস্থিতি নিশ্চিত না হয়ে, পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত আইন বিষয়ে লেখাপড়া করা ব্যরিষ্টার "মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ" সাহেবের নেতৃত্বে সংগঠিত হয়। ফলত: তিনি পাকিস্তানের জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি পান, এবং "কায়েদে আজম" উপাধিতেও ভুষিত হন। বাংলাদেশের রাজনীতিতেও একই অবস্থা বিরাজমান। মাওলানা-মৌলবি সাহেবরা সমাজের সম্মানীত এবং শ্রদ্ধার পাত্র হওয়া সত্বেও রাজনীতিতে জনগনের সম্পৃত্ততা শুন্যের কোঠায়।তাঁদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বাংলায় উচ্চশিক্ষিত গোলাম আজমের নেতৃত্বে "জামায়াতে ইসলাম" -"ইসলাম ধর্মের বিকৃত ব্যাখ্যা করেও শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়। দলটির প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে অদ্যাবদি কোন উচ্চপয্যায়ের ধর্মীয় মাওলানার সমর্থন সংগ্রহ করতে পারেনি।দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতেও কোন মাওলানা বা আরবী শিক্ষায় শিক্ষিত পন্ডিত ব্যক্তির উপস্থীতি দেখা যায়না। শেষ পয্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি সঞ্চয়ের পর "মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে" সামনের কাতারে নিয়ে আসেন এবং ধর্মীয় উম্মাদনা সৃষ্ট্রির অপ-কৌশল গ্রহন করে। একই অবস্থা দেখা যায়১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে বঙ্গবন্ধুকে স্ব-পরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করার পর মেজর ডালিমের কণ্ঠে রাষ্ট্রীয় বেতারে যে ঘোষণাটি প্রচার করা হয় তাতে বলা হয়েছিল, ‘স্বৈরাচারী মুজিবের পতন ঘটানো হয়েছে--"এখন বাংলাদেশ একটি "ইসলামী রাষ্ট্র" হবে।’খমতার মসনদে "খোন্দকার মোসতাক"কে দেখা যায় "জিন্নাহ টুপি" পরিহিত অবস্থায়।ফারুক ডালিম গং "সেনাবাহিনীর বিপদ গামী সদস্য"-"খোন্দকার মোস্তাক" জাতির জনকের মন্ত্রী সভার "প্রভাব শালী মন্ত্রী।"মোস্তাকের সাথে যারা "মিরজাফরী"তে সংযুক্ত ছিলেন তাঁরাও বেশির ভাগ "আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রী অথবা প্রভাশালী" নেতা ছিলেন। উনারা সবাই ছিলেন সামনের সারিতে-- -তখনও "নেপথ্যের নায়ক"দের দেখা মিলে নাই। পরবর্তিতে দেখা যায় সামনের অথবা নেপথ্যের মধ্যে যারাই জড়িত ছিলেন তাঁরা কেউই "ইসলামী জ্ঞান সমৃদ্ধ" ছিলেন না। অথছ "গনপ্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশ" কে "ইসলামী প্রজাতন্ত্র" বানিয়ে রাষ্ট্রীয় উচ্চ পয্যায়ের অনুমোদনে "মুখপাত্র ডালিম" ঘোষনা করে দিয়েছেন। এইক্ষেত্রেও ইসলামকে সুচারুভাবে ব্যবহার করে ন্যাক্কারজনক হত্যাকে ইসলাম রক্ষার নামে চালিয়ে দেয়া হল। অর্থাৎ বাংলাদেশকে একটি "ইসলামী রাষ্ট্র বানানোর জন্য এবং ইসলাম কায়েম" করার জন্য এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে, এমন ধারণাই তুলে ধরা হয়েছিল জাতির সামনে। এই ন্যক্কার জনক হত্যাকে ইসলামের নামে চালিয়ে দেয়ার বিরুদ্ধেও মাওলানা মৌলবি সাহেবেরা টু-শব্দটি পয্যন্ত করেননি। এরপর রেডিও টিভিতে ইসলামী গজল,আরবী সুরা কেরাত জোরেসোরেই প্রচার করা শুরু করেছিলেন। ইসলাম রক্ষার ধুয়া বেশ জোরেশোরেই চালানো হয়েছিল। এই হত্যাকারিদের মধ্যে কেহই মাওলানা-মৌলবী ছিলেন না। অথছ ইসলাম রক্ষা করার মহান দায়িত্ব পালন করার জন্য জাতির জনকের পরিবার সহ হত্যা করে ফেলেছেন। এক্ষেত্রে আমাদের সম্মানীত মাওলানারা খুনীদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে খুঁনীদের তাঁবেদার হিসেবে নীজেদের উপস্থাপন করলেন। ঘৃনা প্রকাশ না করে তাঁদেরকে প্রকাশ্য সহযোগিতা করার উদ্যোগ নিলেন। তাঁরা কি "ইসলামী প্রজাতন্ত্র" করেছিল? নাকি জনরোষ থেকে বাঁচার জন্য ইসলামকে ব্যবহার করা হল? ইসলাম ধর্ম কতখানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা উপলব্ধি করার বা মুল্যায়ন করার প্রয়োজনীয়তাও মাওলানা সাহেবেরা করেছেন বলে মনে হয়না। জাতির পিতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য ইসলাম ধর্মের অপব্যবহার করা হলো, এর খেসারৎ দিতে হল জাতিকে ৪০ বছর। এই পয্যায় পয্যন্ত কিন্তু আজকের হেফাজতিদের উত্থান ঘটেনি। জামায়াতের ধর্ম এবং দেশ বিরুধী কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদি আজকের হেফাজতিরা। মুক্তিযুদ্ধের আগে তাঁদের অস্তিত্ব ছিলনা। মুক্তিযুদ্ধের পর ক্রমশ তাঁরা বাংলাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা শুরু করে। একপয্যায়ে আলিয়া মাদ্রাসা সমুহ এবং জামায়াত কতৃক বাধাপ্রাপ্ত হলেও তাঁদের আচার- আচরন, আমল - আ'কীদা গুনে সাধারন মসুলমানদের মন জয় করতে তাঁরা সমর্থ হয়। স্বল্প সময়ে ব্যাপক প্রভাব প্রতিপত্তি নিয়ে, 'জামায়াতের যুদ্ধপরাধের কারনে রাজনৈতিক কোনঠাসার সুযোগ নিতে "বিভিন্ন আকীদায় বিশ্বাসী " -সবাই মিলে গঠন করে "হেফাজতে ইসলাম"। গঠনের প্রারম্ভেই "অরাজনৈতিক" ব্যাক্তি হওয়ায় রাজনৈতিক অদুরদর্শিতার কারনে বড় রাজনৈতিক দলের প্রলোভনের স্বীকার হয়ে "হঠকারি রাজনৈতিক" সিদ্ধান্ত নিয়ে বসেন। মিথ্যা অজুহাতে সরকার উৎখাতের উদ্দেশ্যে প্রতারনার কৌশল গ্রহন করে। সন্ধ্যা পয্যন্ত "শাপলা চত্বরে" অবস্থানের সরকারি অনুমতি গ্রহন করে লাগাতার অবস্থানের ঘোষনা দিয়ে ঢাকা অচল করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তার পরবর্তি দৃশ্য সবার জানা। ২০১৪--১৫ ইং সালে তাঁদের সম্পুন্ন মুখোশ দেখা গেছে শাফলা চত্বরে অবস্থান নিয়ে ধর্ম রক্ষার নিমিত্তে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, পবিত্র কোরানে আগুন ইত্যাদি অপকর্ম নির্দিদ্বায় চালাতে দেখে।এক্ষেত্রেও নেতৃত্ব মেনে নিয়েছিলেন যে নারী সঠিকভাবে "বিসমিল্লাহ " উচ্চারন করতে পারেননা "বেগম খালেদা জিয়ার।" সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে অবস্থান প্রত্যাহার করে ফিরে যাবেন ওয়াদা করে লাগাতার অবস্থানের ঘোষনা দিয়ে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠলেন। এক্ষেত্রে তাঁদের প্রতারনা, কুপরী সর্বযুগের ইসলামী আন্দোলনকে শুধু কুলসিতই করেনি-সম্মানীত মাওলানাদের উপর সাধারন মানুষের--যে "আস্থা বিশ্বাস ছিল তাঁর মুলেও কুঠারাগাত করেছে।" ভারতীয় উপমহাদেশের পুর্বাঞ্চল, পশ্চিমাঞ্চলে সংখ্যাগরিষ্ট মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী হওয়া সত্বেও ইসলামী দল কোনকালে শক্তি সঞ্চয় করতে পারেনি শুধুমাত্র তাঁদের গোড়ামীর কারনে। তাছাড়া ইসলামের বহুমত ও পথের পার্থক্য তাঁদের শক্তিশালী দলে আত্ব প্রকাশে বাধাগ্রস্ত করেছে। এই অঞ্চলের শতকরা ৯৫শতাংশ মানুষ জাতিগত ভাবে বাঙ্গালী, ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে "ইসলাম ধর্মের অনুসারী" এইটুকু সহজ কথাও তারা বুঝতে চেষ্টা করেনা। আমাদের সম্মানীত ধর্মীয় মাওলানা সাহেবেরা ইসলামের প্রথম যুগের "চার খলিফার শাষন" কালের প্রতিও দৃষ্টি দিতে রাজী নয়। "নবী করিম (স:) এর স্বল্প সময়ের শাষন, বিদায়ী হজ্বের ভাষন, হুদায়বিয়ার সন্ধি, মদিনা সনদের" প্রতিও দৃষ্টি নিবন্ধ করতে চায়না। নবী করীম (স:)এর প্রীয় সাহাবিদের যে শাষন ছিল তাঁকে "খোলাফায়ে রাশেদীনের" শাষন বলে অভিহীত করা হয়।"খোলাফায়ে রাসেদী"নের চার খলিফার মধ্যে তিনজনকেই উগ্র ইসলামী জঙ্গীবাদীরা হত্যা করেছিল। তাঁরা কারা তাও আমাদের দেশের মাওলানা-মৌলবীরা চিহ্নিত করতে রাজী নয়। তাঁরা যে রীতিতে শাষন ব্যবস্থা কায়েম করেছিলেন.,তাঁর ধারেকাছেও যেতে রাজী নয়-আমাদের দেশের ইসলামী দলের ধারক বাহকেরা। ইসলামের আদিভুমি সৌদী আরব, আরবেই ইসলাম ধর্মের জন্য মনোনীত হন আল্লাহর রাসুল হযরত মোহাম্মদ (স:)। তাঁর নিকটই প্রেরন করেন আল্লাহ তাঁর পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল-কোরান। তাঁরা যদি ইসলাম ধর্মের বাইরে তাঁদের নিজস্ব সংস্কৃতি কৃষ্টি লালন করতে পারেন, আমরা বাঙ্গালী মসুলমানেরা বাঙ্গালী সংস্কৃতি কৃষ্টি লালন করতে গেলে নাস্তিক হব কেন? তাঁরা তাঁদের উৎসবে-পার্বনে উলুধ্বনি দিয়ে, ঢাকঢোল-বাজনা বাজিয়ে উৎসব করেন.।আমরা ভাষা শহিদের বিরত্বগাঁথা স্বরনে ফুল দিলে বেদা'আত হবে কেন? যতদিন ইসলামী আন্দোলন বাঙ্গালী সংস্কৃতি-কৃষ্টির সাথে সঙ্গতিপুর্ন হবেনা ততদিন জিয়া-মোস্তাকের মত খুনীরা ইসলামের দোহাই দিয়ে সরল প্রান বাঙ্গালী মসুলমানদের বিভ্রান্ত করতে থাকবে। আমাদের মাওলানা সাহেবেরা তাঁদেরই তাবেদারি করতে থাকবেন। তাঁর কিছু দৃশ্য ইতিমধ্যে আবার দৃশ্যমান হওয়া শুরু হয়েছে। আজকেই ২৭/০৩ ইং "রাষ্ট্রধর্ম" ইসলামের বিরুদ্ধে ২৮ বছর আগে দায়ের করা এক রিট পিটিশনের শুনানী শুরু হওয়ার কথা।এই রিট পিটিশনকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে মিথ্যের বেসাতি। রাষ্ট্র ধর্ম ছিল-আছে থাকবে। "ছিল"মানে কখন থেকে ছিল?কতবড় মিথ্যার আশ্রয় তাঁরা নিল।মুলত:রাষ্ট্র ধর্ম ১৯৮৮ইং এর আগে কখনই ছিলনা। ১৯৮৮ইং হতে এরশাদ "রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম" সংবিধানে সংযোজনকারি। আদালতের সিদ্ধান্ত কি হবে-উকিলের শুনানী বর্তমান সংবিধানের সাথে "রাষ্ট্রধর্ম" কতটুকু সামঞ্জস্য তাঁর উপর রায় নির্ভর করবে। মাঝখানে মিথ্যের আশ্রয় নিয়ে যারা গুনাহর সাগরে ডুবে যাচ্ছেন-তাঁদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী গতবছরই ঘোষনা দিয়ে রেখেছেন।তাঁরা চাইলেই তিনি "খেলাফতের শাষন" প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতেও রাজি আছেন। তারপরেও যেন ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে, ষড়যন্ত্র করে নবী-রাসুল এবং পবিত্রধর্ম ইসলামকে কোন মহল অপব্যাখ্যা না করেন-অপমান না করেন। একবছর গত হয়ে গেছে আমাদের মৌলবী সাহেবেরা কেউই সাড়া দেননি প্রধানমন্ত্রীর আহব্বানে। রাষ্ট্রীয় আইন কোরান ও সুন্নাহ ভিত্তিক করার বিধান কোরান হাদিছে উল্লেখ আছে।সেই মোতাবেক শাষন কালও আমাদের সামনে উদাহরন হয়ে আছে,"খোলাফায়ে রাশেদীনের শাষন কাল। -"রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম" থাকতে হবে এমন কিছু কি কোরানে বা হাদিছে আছে? সাহাবি কতৃক শাষন করা এমন কোন দেশ বা শাষনামলের উদাহরন কেউ কি দিতে পারবে? অত্যান্ত দু:খ্যজনক হলেও সত্য আপাত: জামায়াতের ওয়াহাবি আস্পালন থেকে নিস্তার পেলেও ইয়াজিদের অনুসারীদের কবল থেকে জাতি রক্ষা পাবে কিনা মহান আল্লাহপাকই ভাল জানেন। ______________________________ জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা ♥দেশরত্ম শেখ হাসিনা♥
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম প্রবর্তন---উপমহাদেশের মসুলমান সমাজে ধর্ম পালন---- ___________________________________ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান৷ ১৯৮৮ ইং সালের আগে রাষ্ট্রধর্ম যখন ইসলাম ছিল না, তখনও এ দেশের মানুষ ধর্ম পালন করতেন। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করার পরেও মানুষ ধর্ম পালন করেন৷ ধর্ম পালনে আগেও কোনো সমস্যা ছিল না, এখনও নেই। সব ধর্ম-বর্ণের মানুষকে নিয়ে রাষ্ট্র। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলিম৷ তারা অধিকারও বেশি ভোগ করেন৷ আলাদা করে রাষ্ট্রের কোনো ধর্মীয় পরিচয়ের প্রয়োজন হয় না। রাষ্ট্রের ধর্মীয় পরিচয় না থাকলে, কোনো ক্ষতি হয় না। ধর্মীয় পরিচয় থাকলে, অন্য ধর্মের মানুষ নিজেদের নিরাপত্তাহীন ভাবেন, দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক ভাবেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের দায়িত্ব সংখ্যায় যারা কম তাদের দেখে রাখা--নবীজীর নির্দেশনাও তাই। নিজের অধিকারের নামে তাদের মনে ভীতি তৈরি করা কোন অবস্থায় কাম্য হতে পারেনা। বর্তমানে বাংলাদেশে ভীতি তৈরির সংস্কৃতি চলছে। আদালত, প্রসাশন, রাষ্ট্রীয় কাঠামো ইত্যাদি না মানার সংস্কৃতি চালু করার আপ্রান চেষ্টা চলছে। যুগে যুগে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম ধর্ম পালন করে আসছে,ইসলাম ধর্মের অনুসারিরা। রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম জেনারেল এরশাদ ধর্মীয় নেতাদের আস্ফালন বন্ধ করা বা তাদের টেক্কা দেয়া বা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্যে--- যে কোন কারনেই সংবিধানে সংযোজন করেছেন। ব্যাক্তি জীবনে তিনি কেমন ধর্মপালনকারি বাংলাদেশের মানুষ ভাল করেই জানে।আবহমান কাল থেকে রাষ্ট্র ধর্ম না থাকায় ধর্মপালনে যেমন সমস্যা হয়নি তেমনি রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম হওয়ার পরেও এক রাকাত নামাজ নতুন করে এবাদতে সংযুক্ত হয়নি। মোগল গেল,আফগান গেল,নবাব গেল, বৃটিশ গেল, পাকিস্তান গেল বাংলাদেশের ১৭বছর কেটে গেল ধর্ম পালনে অসুবিধা হলনা---এখন কেন হবে? তথাকথিত ধর্মধারিরা শ্লোগান বের করেছে,"রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম ছিল, থাকবে।"কখন ছিল, কোথায় ছিল,কবে থেকে ছিল,কে সংযোজন করেছিল,কখন করেছিল? এইসব বিষয় তাঁদের লেখনিতে আসেনা, বক্তব্যেও আসেনা,ওয়াজ মাহফিলেও বলেনা। রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম থাকায় কি সুবিধা পেয়েছেন? যুগে যুগে ছিলনা-- কি অসুবিধা ভোগ করেছেন? সুবিধা অনেক ছিল- ২০০১ সালে সংখ্যালুঘু হিন্দুদের উপর অকথ্য নির্য্যাতন, তাঁদের মা বোনদের উপর অত্যাচার, সম্পদ দখল, বাড়ী ঘরে আগুন, পুকুরের মাছ-গোয়ালের গরু লুট, গোলার ধান লুট ইত্যাদি অপকর্ম নির্দিদ্বায় চালাতে বিবেকে বাঁধেনি। কারন আমরা সংখ্যাগুরু মসুলমান। বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ট শুধু নয় প্রায় সব মুসলিম দেশে 'রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম' না থাকার কারনে তাঁদের ধর্ম পালনে কোন সমস্যা হচ্ছে বলেতো শুনিনা। এবার মুল আলোচনায় আসা যাক, "প্রধান মন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা ঘোষনা দিয়ে বলেছেন---""খেলাফতের শাষন চলবে, রাসূলে পা'কের বিদায় হজ্বের ভাষনের আলোকে দেশ পরিচালনা করা হবে"। কি আশ্চার্য্য!! --কোন মাওলানা, কোন ধর্মীয় ব্যাক্তিত্ব, রাজনৈতিক দল, ইসলামী দল সমুহ কেহই আনন্দ মিছিল বের করেনি, ,মিষ্টি বিতরন হয়নি, প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেয়নি, শুকরানা নামাজ আদায় হয়নি, মসজিদে -ওয়াজ মাহফিলে প্রসংশা সুচক বক্তব্য দেয়া হয়নি। কেন? কি কারন? ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হোক -আপনারা চাননা?খোলাফায়ে রাশেদীনের শাষনের আলোকে খেলাফত প্রতিষ্ঠা হোক-নবীর নির্দেশনায় দেশ চলুক আপনাদের কাম্য নয়? কার ইসলাম কাম্য আপনাদের? ইয়াজিদের ইসলাম? আমার নবীর আদরের দৌহিত্রদের যারা হত্যা করেছে, খোলাফায়ে রাশেদীনের তিন খলিফাদের যারা হত্যা করেছিল- তাঁদের ইসলাম? আমি মনে করি বর্তমানের আন্দোলন কারিরা নীজেদের বিশ্বাস, আকীদা নিজেরাই প্রকাশ করে দিচ্ছেন।সাধারন মসুলমানগন তাঁদেরকে ভক্তি শ্রদ্ধা করে অন্তর থেকে।তাঁদের বেসভুষা, আমল, আকীদা ইত্যাদি অনুসরন যোগ্য। তাঁরা কোন আকীদায় বিশ্বাসী সাধারন মানুষের মনে আদৌ কোন প্রশ্ন উত্থিত হয়নি। ধীরে ধীরে জামায়াতে ইসলামীর ন্যায় তাঁদেরও মখোশ উম্মোচন হচ্ছে-- তাঁরা নীজেরাই উম্মোচন করার উদ্যোগ নিয়েছেন। হাস্যকর বটে-রাষ্ট্রের কোন অঙ্গে-প্রত্যঙ্গে ইসলামের ছোঁয়া নেই, সংবিধানে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম থাকলেই চলবে।আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের সাথেও প্রতারনা---!! __________________ জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
জাতির জনকের সাড়ে তিন বছর ধর্মনিরপেক্ষতার শাষন--ইসলাম ধর্ম প্রচার-প্রসারের ভিত্তি রচনার শাষন ___________পুন:প্রকাশ___________________ -- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধর্ম নিরপেক্ষতার আদর্শে বিশ্বাস করে। আমাদের নবী করিম হযরত মোহাম্মদ (স:) নীজেও ধর্ম নিরপেক্ষতার নিদর্শন তাঁর কথা, কাজে, আচার,আচরনে উদাহরন হিসেবে রেখে গেছেন। পৃথিবীর প্রথম লিখিত চুক্তি হযরত মোহাম্মদ (স:) এবং কাফেরদের মধ্যে স্বাক্ষরীত হয়,সেই চুক্তিটিরও কোন ধর্মের মুলবানী শীর্ষে বা পাদদেশে লিখিত করে রাখেননি। ধর্ম নিরপেক্ষতা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় ভাবে কোন ধর্মকে বিশেষ প্রাধান্য না দেয়া,সকলের ধর্ম-কর্ম করার অধিকার সাংবিধানীক ভাবে স্বীকৃতি দেয়া।এই নীতিকে অসৎ ধর্ম ব্যবসায়ী রাজনৈতিক দল ও গোষ্টি সমুহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ধর্মহীন, নাস্তিক্যবাদী ইত্যাদি বলে উপহাস করার চেষ্টা করে। এই প্রসংগে আমার নীজের একটা অভিজ্ঞতা না বলে পারছিনা।হেফাজতীদের শাপলা চত্বরে অবস্থানের প্রাক্কালে এইরুপ এক বিরুপ অবস্থার মুখামুখি আমাকে হতে হয়েছিল। আমার এলাকার মাদ্রাসার কিছু মৌলবী মাদ্রসা অফিসে সভা চলাকালিন কথাটি উত্থাপন করে।উল্লেখ্য ঐ আন্দোলনের প্রাক্কালে সবশ্রেনীর মাওলানা-মৌলবীদের গাঁয়ে একটু আলাদা বাতাসের দাপট লক্ষনীয় ভাবে ফুটে উঠেছিল। আমি একা তাঁদের সাথে কথা বলে সময়ই নষ্ট করা হবে, সংখ্যাধিক্য হুজুরের সাথে তর্ক একেবারে প্রমান উপস্থাপন করা ছাড়া করা আমার বোকামী ছাড়া আর কিছুই হবেনা। আমার হাতের ফোনের মধ্যে নিম্নের পোষ্টারটা ছিল।আমি কোন কথা না বলে পোষ্টারটি বের করে সুপার সাহেবকে দিয়ে বললাম আপনি মরুব্বী মানুষ, এই পোষ্টারটা আপনিই পড়ে আমাদের শুনান। তিনি পড়ে শেষ করার পর জিজ্ঞাসা করলাম, এখানে কোন কিছু কি অতিরঞ্জিত বা ভুল বা মিথ্যা আছে কিনা? হুজুর মহোদয় কোন কথা না বলে এদিক সেদিক কথা ঘুরাতে চাইতেছিল। আমি বললাম মহোদয়গন বিতর্কের বিষয়বস্তু অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করে মুল বিষয়কে আড়াল করার চেষ্টা করবেননা। " চতুর্দিকে তাকিয়ে একটু অনুমান করলাম, মানষিক ভাবে কিছুটা দুর্বল মনে হয় করতে পেরেছি। তাঁর পরতো লম্বা একখান বক্তৃতাই মেরে দিলাম। " আপনাদের সবাইকে আগামী একমাস সময় দিয়ে যাচ্ছি। আপনাদের উধ্বতন যারা আছেন তাঁদের নিকট থেকে হলেও তথ্য সংগ্রহ করবেন। ** বিগত ৩৭/৩৮ বছরের মধ্যে সকল সরকার মিলে (আওয়ামী লীগের ৯৬-২০০১ সহ) এই পোষ্টারের চার ভাগের এক ভাগ কাজও যদি করে থাকে তবে আমি কথা দিচ্ছি আওয়ামী লীগ আর জীবনেও মুখে আনবনা**। আর যদি না করে আপনাদেরকে এই কথাও বলবনা বাজিতে হেরে গেছেন, "সুতারাং আপনারা সবাই আপনাদের আদর্শচ্যুত হতে হবে।" তবে একটা অনুরুধ করব অপপ্রচার করবেন না। শুধু অপপ্রচার নয় মিথ্যা অপপ্রচার করবেন না। মিথ্যা বলা মহাপাপ,আপনারাই ওয়াজ মাহফিলে বলে থাকেন।অযথা মিথ্যা বলে নরক কিনে নিবেন কেন?তাঁর চাইতে ভাল হবে, যদি বলেন--ইসলাম ধর্মের অনুসারী সংখ্যাধিক্যের দেশ হিসেবে খেলাফতের শাষন প্রয়োজন।তাহলেও যুক্তিসংগত দাবি মানা যেতে পারে। আঁচ করলাম মনে হচ্ছে যেন আরও একটু দুর্বল হয়ে গেছে। সুযোগ বুঝে, বলেই ফেললাম--"আজকে যে ভাত বা নাস্তা বাসা থেকে করে এসেছেন তাও আওয়ামী লীগ সরকারের ধর্মভীতির কারনেই করে আসতে পেরেছেন। আওয়ামী লীগ ধর্মভীতু, ধর্ম ধারনকারী দল নাহলে তাও পারতেন না।" যেমন পারেন নাই বিগত ২২/২৩ বছর। অনেক চেষ্টাইতো করেছিলেন, আমাদের চাঁদার টাকা খরছ করে, এমপিও কি করাতে পেরেছিলেন?আপনারা বা আপনাদের আস্তিক সরকারই তো ক্ষমতায় ছিল, কেন পারেননি? শুনেছিলাম বহু টাকা ঘোষ দিয়ে রেখেছিলেন, পারেননি কেন? না পারার একমাত্র কারন,' আপনাদের দল ধর্মের দোহাই দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়, ধর্ম ধারন করেনা। আওয়ামী লীগ ধর্মকে ব্যবহার করে মহান আল্লাহকে নাখোস করে ক্ষমতায় যেতে চায়না, ধর্মকে মাথায় তোলে রাখে, অন্তরে ধারন করে।" আওয়ামী লীগ নাস্তিক সরকার, ঘোষ দিয়েছেন? কেউ কি টাকা চেয়েছে? নাস্তিকেরা ঘুষ খায়না, ধর্মকে ভয় করে, পরকালের ভয় করে, তাই আপনাদের নিকট থেকে একটাকাও কোন আওয়ামী লীগ নেতা দাবী করেনি। প্রীয় বন্ধুগন,বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্র ক্ষমতার বয়স মাত্র সাড়ে তিন বছর।মুক্তিযুদ্ধে বিধস্ত বাংলাদেশ। নেইতো নেই কিছুই নেই। যুদ্ধফেরৎ মুক্তিযোদ্ধা, বিরঙ্গনা মা বোনেরা, খাদ্য নেই, ব্যাংকে জমানো টাকা নেই। রাজাকারের সমস্যা, সবার হাতে অস্ত্র। অতিবিপ্লবী, প্রতিবিপ্লবী--কেউ চায় শ্রেনী শত্রু খতম করে মাওবাদি কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা,কেউ চায় বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র। আইন শৃংখলা বাহিনী নেই, সীমান্তে পাহারার ব্যবস্থা নেই। "এমন পারিপাশ্বিক পরিস্থীতিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু যদি ইসলামের মৌলিক কাজ গুলী করে দিয়ে যেতে পারেন--"আমরা বিগত ৪০বছর বাড়তি কি কাজটি করেছি? ধর্ম বিক্রি করে ক্ষমতায় টিকে থাকা বা ক্ষমতায় যাওয়া ছাড়া? কোন সুহৃদ বন্ধু কি আমাকে তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারবেন?" ________________________________ শুভশক্তির উদয় হোক--অশুভ শক্তি নিপাত যাক। ♠ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু♠ জয়তু জাতির জনকের কন্যা দেশরত্ম শেখ হাসিনা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
গনতন্ত্র--ধর্ম নিরপেক্ষতা____রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম!------ __________________________________________ __________________________________________ মহান মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গিকার পুরনে "মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ" সরকার সমুহ অঙ্গিকারাবদ্ধ থাকার কথা ছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যানে অনেক কিছু করার চাইতে তাঁদের ত্যাগ, শহীদি রাস্তা বেচে নেয়ার কারন, আপামর জনগনের মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে অসম যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার পিছনের অঙ্গিকার ইত্যাদি আশা আখাংকা পুরন অগ্রাধিকার পাওয়া উচিৎ ছিল। দু:খ্যজনক হলেও সত্য '৭৫এর পট পরিবর্তনের পর ক্ষমতা দখলকারি শাষকবর্গ বাংলাদেশকে পাকিস্তানের ধ্যান-ধারনায় নিয়ে যায়। যে কারনে পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারন করেছে বাঙ্গালী-সেই কারনের গর্তেই ফেলে দেয় বাংলাদেশকে। শাষক শ্রনীর মধ্যে একজন মেজর জিয়া প্রথম উদ্যোগক্তা এবং অন্যতম। রাজাকার পুর্নবাসনের, সংবিধান সংশোধনের-সকল প্রক্রিয়া তাঁর হাতেই সমাপ্ত করেন তিনি। অথছ তাঁর দল তাঁর মৃত্যুর পর তাঁকে স্বাধীনতার ঘোষক প্রতিষ্ঠায় আপ্রান চেষ্টায় ব্রতি হয়। তিনি নিজেই তাঁর প্রকাশিত বইয়ে উল্লেখ করে গেছেন বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষন শুনেই আমরা স্বাধীনতার রেড সিগন্যাল পেয়ে যাই। সে যাই হোক-মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এক অঙ্গিকার ছিল ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। মুক্তিযুদ্ধে জয়ী হলে নতুন দেশ বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয় হয়,বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে স্বিকৃতি লাভ করে। জাতির জনক পাকিস্তানের জেল খানা থেকে মুক্ত হয়ে নতুন বাংলাদেশের সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহন করেন। বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গিকারকে প্রাধান্য দিয়ে সর্বাজ্ঞে দেশ পরিচালনায় লিখিত সংবিধান তৈরী করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। অখন্ড পাকিস্তানের ২৩ বছর শাষনতন্ত্র ছাড়াই দেশ পরিচালনা করা হয়েছিল। শুধু ধর্মকে ব্যবহার করেছিল-পুর্ব বাংলাকে শাষন শোষন করার উদ্দেশ্যে।অবশ্য পাকিস্তানের উৎপত্তিও হয়েছিল ধর্মকে প্রাধান্য দিয়ে। অথছ তাঁরা অর্থাৎ শাষক শ্রেনীর কেহই ব্যাক্তি জীবনে ধর্ম পালন করতেন না,পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন। সে যাহাই হোক মুল কথায় আসা যাক--জাতির জজনক বঙ্গবন্ধু তাঁর সরকারের রচিত সংবিধানে চার মুলনীতির মধ্যে অন্যতম নীতি ধর্ম নিরপেক্ষতা সংবিধানে সংযোজন করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন।আপামর জনগনের আশা-আখাংকাকে মুল্য দিয়েছিলেন। তাঁর পরবর্তি সরকার গুলী সংবিধান থেকে নীতিটি সংশোধন করেন।সেনাশাষক এরশাদ তাঁর বিরুদ্ধে গন আন্দোলন তুঙ্গে গেলে সাম্প্রদায়ীক গোষ্টি সমুহকে হাতে নেয়ার উদ্দেশ্যে তড়িগড়ি 'ধর্ম''কে হাতিয়ারে রুপান্তর করে জনরোষ থেকে বাঁচার অপকৌশল গ্রহন করেন। একান্তই জনগনের সঙ্গে প্রতারনা করে ক্ষমতায় টিকে থাকার অংশ হিসেবেই পবিত্র "ইসলাম"কে তড়িগড়ি "রাষ্ট্রধর্ম" হিসেবে সংবিধানে সংযোজন করেন। এতেও কিন্তু তাঁর শেষ রক্ষা হয়নি,জনগন ঠিকই বুঝতে পেরেছিল তার চক্রান্তের কৌশল। জালিম সরকারকে বাংলাদেধের মানুষ ক্ষমতা থেকে টেনে নামিয়ে আনেন ঢাকার রাজপথে,আজও তিনি রাজপথেই আছেন-সিংহাসন আর দেখেননি। স্বৈরাচার এরশাদ অত্যান্ত নেক্কারজনক ভাবে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে বাধ্য হন। উল্লেখ্য--সেনা শাষকেরা ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ারে পরিনত করেছেন একমাত্র সাধারন ধর্মানুরাগী, মানুষের ধর্মের প্রতি একাগ্রতাকে পুঁজি করে ফ্যাসিষ্ট শাষন অব্যাহত রাখার স্বার্থে--ধর্মের উন্নতি, অগ্রগতি প্রচার,প্রসার, পালনের স্বার্থে করেননি। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের সরকারে থেকে ধর্ম নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরন করেও ইসলামের প্রচার প্রসারে মাত্র সাড়ে তিন বছরে যতটুকু অবদান রেখে গেছেন- তাঁর সিকিভাগ কাজও তথাকথিত ধর্মদগত ৪০/৪২বছরের বাংলাদেশের ইতিহাসে হয়নি। ধর্মকে সংবিধানে সংযোজন করলেই ইসলাম রক্ষা পাবে-নাকরলে নয় এইরুপ যারা চিন্তা করেন, তাঁরাই মুলত:ইসলামকে বিক্রি করে স্বার্থ উদ্ধারে ব্রতি হওয়ার জন্যই বলেন। সাড়ে তিন বছরে ইসলামের মুল কাজ গুলি যদি ধর্ম নিরপেক্ষ সরকারের শাষনে হতে পারে-৪২ বছর 'রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম' সংবিধানে থাকার পরে ও সিকিভাগ কাজ হলনা কেন? মুসলিম অধ্যুষিত দেশ সমুহে রাষ্ট্রধর্ম না থাকার কারনে কোন দেশে ধর্ম পালনে মুসলমান সমাজ বাধাগ্রস্থ্য হচ্ছে? ধর্ম পালনকে রুপক দৃষ্টিতে যারা দেখেন তারাই ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা পছন্দ করেন। নামাজের জন্য এয়ার কন্ডিশন মসজিদের প্রয়োজন চিন্তা করেন।ধর্ম ধারন করার বিষয়-লোক দেখানোর বিষয় নয়। লক্ষনীয় বিষয়টি হচ্ছে ভারতীয় উপমহাদেশে যত রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রক্ষমতায় ধর্মকে ব্যবহার করে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন ব্যাক্তিজীবনে তাঁরা একজনও ধর্ম পালনতো করেনইনা,-বাহ্যিক ধর্মীয় অনুশাষন গুলীও মেনে চলতে দেখা যায়না বা দেখা যায়নি। বাংলাদেশের ধর্মানুরাগী মানুষকে বোকা বানিয়ে ধোঁকা দেয়া ছাড়া -তাঁদের উদ্দেশ্য আর কি হতে পারে? ইসলামী শাষন কায়েমের জন্য ইসলামী বিপ্লবের প্রয়োজন অথবা সাচ্ছা ইসলামী দলের রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা প্রয়োজন। নির্বাচনের মাধ্যমেও যাওয়ার সুযোগ আছে-বিপ্লব করেও সুযোগ আছে।সে দিকে মনোযোগি না হয়ে গনতান্ত্রিক গনসংগঠনের কাঁধে ভর দিয়ে ইসলামের চিন্তা করা আর বোকার স্বর্গে বাস করা সমান কথা। "রাষ্ট্রের কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে ইসলামের ছোঁয়া থাকবেনা- অথছ সংবিধানে থাকবে, ধর্মকেও প্রতারনার হাতিয়ার বানাতে চায় গোষ্টিটি। রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হোক নয়তো ধর্ম নিরপেক্ষ থাকুক-আল্লাহর সাথে প্রতারনা করা কোন অবস্থায় সঠিক নয়।" ধর্মের বিরুধীতা নয়, সকল ধর্মের সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই ধর্মনিরপেক্ষতার মুল কথা।অর্থাৎ ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার-এই নীতিতে দেশ শাষনকরার নামই ধর্মনিরপেক্ষতা। ইহাকেই সাম্প্রদায়িক গোষ্টি ধর্মহীনতার অভিযোগে অভিযুক্ত করে অপপ্রচার করার কৌশল অবলম্বন করে। এই পয্যায়ে স্বার্থান্বেষি মহল ইসলামের প্রথম যুগের শাষন ব্যবস্থাকেও বিবেচনায় আনতে চায়না। তাঁদের থেকেও ধর্ম বিষয়ে বেশি জ্ঞানের অধিকারি চিন্তা করে নিজেদের। আর একশ্রেনীর মানুষ ইদানিং দেখা যায় অন্যধর্মের প্রতি ঘৃনারভাব ছড়িয়ে, ঘৃনার উদ্রেক ঘটিয়ে, গালাগাল করে ইদলাম ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমান করার দিকেই মনোযোগি।তাঁরা মনে করে ধর্ম পালন না করে,ধর্মীয় অনুশাষন না মেনেও অন্য ধর্মের প্রতি ঘৃনা পোষন করে বেহেস্তে যাওয়া যাবে। এই শ্রেনীর লোকেরা আবার ধর্ম সম্পর্কেও কিছু জানেনা- ধর্ম পালন বা ধারন কিছুই করেনা।ধর্মধারন করার পরেইতো পালনের বিষয়টি আপনা আপনি আল্লাহ ভীতি চলে আসে মনে।তখন মসজিদে না গিয়ে উপায় থাকেনা। স্বার্থান্বেষি মহলটি একদিকে বলে গনতন্ত্রের কথা-অন্যদিকে বলে ধর্মের কথা। ধর্মীয় শাষন আর গনতান্ত্রিক শাষনে আকাশ পাতাল ব্যবধান তাও তাঁরা ভুলে যায়।"গনতন্ত্রের চর্চা করতে গেলেইতো ধর্মের কথা বাদ দিতে হবে --ধর্মীয় শাষন কায়েম করতে গেলে গনতন্ত্র থাকেনা।" "বর্তমান গনতন্ত্র মনুষ্য সৃষ্ট বা পশ্চিমা ইহুদীদের সৃষ্ট একটা আধুনিক শোষন শাষনের দলিল। একদিকে সেই দলিল রক্ষার কথা বলে---অন্যদিকে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম চায়।" ইসলামী শাষন হচ্ছে--"আল্লাহ নির্দেশিত সর্ব উত্তম শাষন পদ্ধতি।" এই সর্ব উত্তম শাষন পরিচালনার জন্য সর্বত্তম ইসলামী জ্ঞান সমৃদ্ধ দলের প্রয়োজন, ইসলামের আলোতে আলোকিত সর্ব উত্তম নেতার প্রয়োজন। আল্লাহ কখনও দুই মুখী নীতির বান্দা পছন্দ করে না। দৌদল্ল্যমান ব্যাক্তি না পায় বেহস্ত -না পায় দোযগ। "সেই দিকে মনোযোগি না হয়ে-মসজিদে নামাজরত: মুসল্লিদের উপর বোমা মেরে মুসল্লি হত্যা করে- ঐ একই বোমায় নীজেও আত্মহত্যা করে। উভয় মৃত্যুর জন্য আল্লাহ নিকৃষ্ট দোজগ বরাদ্ধ করে রেখেছেন।"তাঁরাও নাকি ইসলাম কায়েমের জন্য জেহাদে অংশ নিয়েছে।আল্লাহর রাসুল মসুলমানদের বাণী এবং ইসলামের রীতিনীতি শিক্ষা দিয়েছেন।বিধর্মীদের কাছে ইসলাম প্রচার করেছেন-খলিফাদের শাষনামলে বিধর্মীদের সাথে ধর্ম যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন জয়ী হয়ে ইসলামের পতাকাতলে তাঁদের আসার আহব্বান জানিয়েছেন। জোর পুর্বক কাউকে ইসলাম ধর্মগ্রহনে বাধ্য করার উদাহরন তো পাওয়া যায়না। বরঞ্চ ইসলামের সৌন্দয্যে মুগ্ধ হয়ে দলে দলে কাফের, ইহুদি, খ্রিষ্টান বিভিন্ন জাতি গোষ্টির মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন। যারা গন সংগঠনের অধিনে, গনতান্ত্রিক শাষন বহাল থাকাবস্থায় ইসলামের কথা বলে জনমনে বিভ্রান্তি ঘটানোর অপ্প্রয়াস চালায় তারাই বর্নবাদি, সাম্প্রদায়িক, ইসলাম ধ্বংসকারী, ইসলামের অপব্যাখ্যাকারি। সরলমনা বাঙ্গালী মসুলমানদের বিভ্রান্ত করে স্বার্থ উদ্ধার করাই তাঁদের উদ্দেশ্য। ইসলাম রক্ষা করা তাঁদের উদ্দেশ্য মোটেই নয়। আল্লাহ নীজেই বলেছেন,"তাঁর প্রেরীত কোরান তিনি নিজেই হেফাজত করবেন।" সেখানে কারা বলে ধর্মরক্ষার কথা, কোরান হেফাজতের কথা--যারা আমাদের মহানবীর বিশ্বস্ত সাহাবাদের শাষনকাল "খোলাফায়ে রাশেদীনের" চার খলিফার মধ্যে তিন খলিফাকেই হত্যা করেছিলেন--ইসলামের কথা বলে তাঁরা। যারা আমার নবী মোহাম্মদ মোস্তফা (স:) এর আদরের দৌহিত্র হাসান -হোসেনকে কারবালায় হত্যা করেছিল তাঁরা। তাঁরা নীজেদের ইসলামের বড় পন্ডিত চিন্তা করে, ইসলামের ধারক বাহক মনে করে নীজেদের। তাঁরা নবী বংশের চেয়ে বেশি জ্ঞানী মনে করে নীজেদের। কথায় কথায় মানুষকে কাফের বলা যাদের মজ্জাগত দোষ---কথায় কথায় মানুষকে নাস্তিক বলা যাদের রোগ তারা"। এই শ্রেনী থেকে বাংলাদেশের বাঙ্গালী মসুলমানদের রক্ষা করতে হবে-তাঁদের অশুভ চক্রান্ত থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে হবে।অশুভ, ভন্ড, বক ধার্মীকদের থেকে দেশ জাতিকে রক্ষা করতে হলে ৭২' এর সংবিধান অবিকল পুর্ণবহালের বিকল্প কিছুই নেই, কিছুই থাকতে পারেনা। মহান নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালী মসুলমানদের চিন্তাচেতনার প্রতি লক্ষ রেখেই এই সংবিধান রচনা করেছেন। তাঁর সময়ে ধর্মপালনে কোন অসুবিধা হয়েছিল এমনটি আজও কেউ বলতে পারেনি, তাঁর আমলে ইসলামের প্রচার প্রসারে যে অগ্রগতি উন্নতি সাধিত হয়েছিল-- তথাকথিত রাষ্ট্রধর্ম প্রনেতাদের এবং দাবিকারীদের সময়ে তার চেয়ে বেশি কাজ ইসলামের জন্য হলে জাতি'৭২এর সংবিধান বাস্তবায়নের দাবী প্রত্যাহার করবে। ধর্মীয় শাষন কায়েম করতে না পারলে অন্তত--সকল ধর্মকে অন্তর দিয়ে রক্ষার জন্যে হলেও ৭২'এর সংবিধান অবিকল পুর্ণবহাল করার চেয়ে অদ্যাবদি কোন বিকল্প দর্শন এখনও আবিস্কৃত হয়নি। ৪০ বছর পর জাতি মর্মে মর্মে অনুধাবন করছে --জাতির জনকের প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি সিদ্ধান্ত ছিল সুদুর প্রসারী চিন্তা চেতনার ফসল--বাঙ্গালী জাতির স্বার্থে--বাংলাদেশের স্বার্থে। সুতারাং উপসংহারে বলতে চাই, আর কালবিলম্ব নয়-'৭২ এর সংবিধান পুর্ণবহাল করে মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গিকার এর পুর্নাঙ্গরুপ দিতে সরকার ব্যবস্থা গ্রহন করবে। জাতির আশা আখাংকার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মাকে সম্মান জানাবে, ,বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সর্বস্তরে প্রাধান্য দিবে-- বাঙ্গালী জাতীর একান্ত প্রত্যাশা বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা দেশরত্ম শেখ হাসিনার নিকট। _________________________________ শুভশক্তির উদয় হোক- অশুভশক্তি নিপাত যাক জয়বাংলা বলে আগে বাড়ো জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা ♥দেশরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা♥
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
অগ্নিঝরা মার্চের ভুবনজয়ী ভাষন--সমসাময়ীক বিশ্বের অমুল্য সম্পদ ------ ____________________________________ ------------------------------------ ৭ই মার্চের ভাষন আগামী বহুযুগ গভেষনার পরও নতুন নতুন তথ্য উৎঘাটিত হতে থাকবে।প্রতিটি শব্দমালা বিশ্লেষনযোগ্য,প্রতিটি পংক্তি এক একটি কবিতাগুচ্ছ, প্রতিটি অনুচ্ছেদ বিশ্লেষনে পাওয়া যায়-- মহাভারততুল্য ভুবনজয়ী মহাকাব্য। " বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের ভাষায় বঙ্গবন্ধু ভাষনটি দিয়েছিলেন বহু যুগের গবেষনায় নির্দিষ্ট করে বলা যাবেনা। এত সহজ সরল,বোধগম্য ভাষায় ভাষন দেয়া যায়,জনতাকে উদ্বেলীত করা যায়,উদ্ভোদ্ধ করা যায় শুত্রুর প্রতি ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বাধীনতা চিনিয়ে আনতে----তাও কি কল্পনা করা যায়---!!!" তখনকার সময়ের অনুনোন্নত ক্যামরায়, ভয়েস রেকর্ড়ারেও যে ভাষনের প্রতিটি শব্দ সব শ্রেনী-পেশার মানুষের নিকট আজও বোধগম্য। সম আবেগের আবেদনে আপ্লুত করে,প্রতিটি স্বাধীনচেতা,রাজনীতি সচেতন মানুষকে। এমন একটি মোহমন্ত্রের জাদুকরি ভাষন তিনি দিয়েছিলেন ৭ই মার্চ-- যে ভাষন শুনতে গেলেই মনে হয় আজও আমরা সেই পরাধীনতার যুগেই আছি। মুক্তির লড়াইয়ে আজই নাম লেখানোয় অনুপ্রানীত করে তোলে। "এমন শব্দচয়নের ইঙ্গিতপুর্ণ স্বাধীনতার ঘোষনা দেয়া সম্ভব কেবল ঐশ্ব্ররিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ কোন মহামানবেরই। অতীত,বর্তমানতো বটেই -প্রজম্ম থেকে প্রজম্মান্তরে ৭ই মার্চের ভাষন জাতিকে অনুপ্রানীত করবে, উদ্বেলীত করবে, শিহরন জাগাবে শিরায় উপশিরায় প্রতিটি বাঙ্গালীর।" বাঙ্গালী জাতি এবং তাঁর আগামির সন্তানদের- প্রজম্ম থেকে প্রজম্ম দেশপ্রেমে উদ্ভোদ্ধ করে যাবে মহাকাব্যিক, মন্ত্রমুগ্ধকর ৭ই মার্চের ভাষন। মহান নেতার মহান উক্তির প্রতিটি চরতে চরতে বিদ্যমান রয়েছে বাঙ্গালী জাতির ঘটমান বর্তমান, দুস্বপ্নের অতীত, কাংখ্যিত ভবিষ্যতের অমুল্য দিকনির্দেশনা। বাঙালী জাতির অমুল্য ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংগ্রামের বীরত্ব,শত্রু প্রতিহত করার কৌশল, অভ্যন্তরীন শত্রুদের থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ সমসাময়িক বিশ্বের অবস্থা ও অবস্থান সংযোজিত-মহাকাব্যিক ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষন। বাঙ্গালী জাতী ও বাংলাদেশ,বিশ্বের নিপিড়িত নিয্যাতীত, মুক্তিকামি মানুষের অমুল্য সম্পদের রত্ম ভাণ্ডারে রুপান্তরীত হয়ে থাকবে অনন্তকাল। প্রেরনা যোগাবে স্বাধীনতা রক্ষায়,জাতির মান-মার্য্যদা রক্ষা করে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলার।সাহষ যোগাবে অনন্তকাল- দেশের স্বার্থ রক্ষায় অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিতে। স্বপ্নে বিভোর করবে উন্নতি অগ্রগতির শিখরে উঠে-বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয়ার। তাইতো কবি তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি অমর কবিতায় ছন্দ মিলিয়ে লিখে রেখেছেন বাঙ্গালীর হৃদয়ে --- "যতদিন রবে পদ্মা মেঘনা যমুনা বহমান ততোদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মজিবুর রহমান" **জয় বাংলা**জয় বঙ্গবন্ধু** আমর হোক জাতির জনকের স্বপ্ন নিপাত হোক মুক্তিযুদ্ধের শত্রুদের
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কঠোরতায়-সরকারি কর্মচারিরা বলির পাঠায় পরিনত:--- ♥__________________________________♥ এই প্রথম কোন স্থানীয় নির্বাচনে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারী কর্মকর্তা /কর্মচারিদের চাকুরী গড়ে হারানো ও জেল জরিমানার দৃষ্টান্ত স্থাপিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে।এর আগে বিচ্ছিন্ন দু একটি উদাহরন থাকলেও গড়পড়তা ছিলনা। কমিশন সুত্র ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট এলাকার জগনের মতামতের ভিত্তিতে জানা যায় -- নির্বাচনে পুলিশসহ সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন স্ব-স্ব এলাকার জনগনও সন্তুষ্ট। অনিয়মের কারণে প্রথমধাপে ৬৫টি কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করা হয়েছে। পরবর্তীতে এগুলোতে ভোটগ্রহণ করা হবে। সাতক্ষীরায় ১৪টি কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩টিতে ভোটের আগের রাতে ব্যালটে সিল মারা হয়েছিল বলে জানা গেছে। দায়িত্বে অবহেলার কারণে সাতক্ষীরার যেসব কেন্দ্রে অনিয়ম হয়েছে সেখানে দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সাতক্ষীরায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার ও যেসব উপজেলায় নির্বাচন হয়েছে সেসব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কমিশনে এসে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। অন্য যেসব জায়গায় ভোট বন্ধ করা হয়েছে সেগুলোতেও তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে জানা গেছে। গতকাল সন্ধায় আবদুল্ল্যা আল নোমানের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন কায্যালয়ে বিএনপির একটি প্রতিনীধি দল নির্বাচন কমিশনারের সাথে সাক্ষাৎ করে ৫০ টি ইউপির ভোট পুর্ননির্বাচনের দাবি করেন।যে সমস্ত ইউপির সম্মন্ধে বিএনপি অভিযোগ উত্থাপন করেনি ঐ সমস্ত ইউপির নির্বাচনও বাতিল করেছেন নির্বাচন কমিশনার। এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার বলে রাখতে চাই, বিএনপিকে মাঠে ময়দানে, রাজনীতি এবং নির্বাচনে সংগঠিত ভাবে রাখার জন্য সরকারের অভ্যন্তরে এক অদৃশ্য শক্তি কাজ করছে নি:সন্দেহে বলা যায়। তবে ইহা একান্ত বাস্তব সত্য যে স্বতন্ত্র এবং বিদ্রোহী প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ না নিলে কোন কেন্দ্রেই এজেন্ট পেতনা বিএনপি। আওয়ামী লীগ /বিএনপি থেকে যারা সুষ্ঠ নির্বাচনে জনগনের মতের প্রতিফলনে নির্বাচিত হয়েছেন আমি তাঁদের অভিন্দন জানাই -"তাঁরাই সত্যিকারের রাজনীতিবীদ।" বিএনপিকে রাজনীতি, নির্বাচনে ধরে রাখার জন্য সরকারের কর্মকর্তা, কর্মচারিদের এবং আওয়ামী লীগ তাদের নেতাকর্মিদের অকাতরে বলি দিতেও কুন্ঠাবোধ করছেনা। ইতিমধ্যে শতাধিক পুলিশ চাকুরি হারাবার সীমানায় অবস্থান করছেন।প্রিজাইডিং অফিসারদের মধ্যে শিক্ষকের সংখ্যা অত্যাধিক। তাঁদের অনেকেই চাকুরী হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে।অনেকআওয়ামী নেতা জেলে বন্দি রয়েছেন।অনেকের জীবনহানী এবং অনেকে পঙ্গুত্ব বরনের পয্যায় রয়েছে। একশ্রেনীর মাস্তানদের দল নমিনেশন দিয়ে, কতগুলি সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারির জীবন জীবিকার উপর আঘাত আসছে তা কি কোন রাজনীতিবিদ বা দল চিন্তা করছে? যেই সমস্ত প্রার্থী সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের ব্যাখ্যা দিয়ে জনগন থেকে ভোট আদায় করে নিয়ে আসতে পারবেনা ধারনা করেছে তাঁরা কি আদৌ দলের মঙ্গল কামনা করে? নৌকা বা ধানের শীষ কি তাঁর নীজের মার্কা? যে ব্যাক্তির দলের সমর্থনের উপর আস্থা নেই, সরকারের এত উন্নয়ন কর্মকান্ডের উপর আস্থা নেই, তাঁর নীজের ব্যাক্তিত্বের উপর আস্থা নেই -সেই ব্যাক্তি ভোটে নমিনেশন চাইবে কেন? আওয়ামী লীগ বিতর্কিত পঞ্চাশটি ইউপি না ফেলে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু বা দলের অভ্যন্তরে এমন কি কম্পনের সৃষ্টি হত? পুর্ননির্বাচন ঘোষিত ৬৫ টি এককভাবে বিএনপিকে বা অন্য আর কোন দলকে বিনাভোটে দিয়ে দিলেও এক- তৃতীয়াংশ ইউপিতে তাঁদের বিজয় সম্ভব হতনা। তবে কেন সাতক্ষিরা সহ অন্য আরো দুই একটি জায়গায় ভোট কারচুপি করার সুযোগ দিয়ে পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখোমুখি করা হল? এইক্ষেত্রে বিএনপির আমলে নিয়োগ প্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার কারনেও ভোটে কারচুপি হতে পারে। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য ষড়যন্ত্রের অংশও হতে পারে। দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাঝে যদি এইরুপ সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়ার অভিযোগ থাকে- তবে তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। এই কথাটি বলছি এই কারনে-বিভিন্ন থানায় দেখা যায় কিছু অফিসার ছাত্রদল/শিবিরের ক্যাডার ছিল। ব্যাক্তি গত ভাবে আমি তাঁদের জানি এবং চিনি।তাঁরা আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় আওয়ামী লীগার হয়ে দল ও সরকারের বারটা বাজিয়ে দিচ্ছে-সুযোগ সন্ধানী আওয়ামী নেতাদের কারনে। বিএনপি এবং নির্বাচন কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী বাদবাকি ৫৪৭ ইউপি সম্পর্কে তাঁদের কোন অভিযোগ নেই। অভিযোগ না থাকলেও মিডিয়ায় বার বার ১৫/ ১৬ ইউপির ভোট কারচুপির সচিত্র প্রতিবেদন ফলাও করে দেখানোর ফলে জনমনে সুষ্ঠ নির্বাচন সংক্রান্ত ব্যাপারে নেতিবাচক ধারনার জম্ম হওয়া কি অস্বাভাবিক? আওয়ামী লীগ বা অন্যকোন দলের প্রার্থী জিততেই হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা তাঁদেরকে দলের পক্ষ থেকে কি দেয়া হয়েছিল? ঘুষের বিনিময়ে উক্ত সরকারি কর্মকর্তাদের ভোট কারচুপিতে প্রলুব্ধ করা হয়েছিল কিনা আগে তা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। এইরুপ কর্মে তাঁদের বরখাস্তাদেশ মেনে নেয়া যায়। যদি তাই না হয়, সরকারি দল বা অন্য কোন দলের প্রভাবের কারনে কারচুপি সংগঠিত হয় তাহলে সরকারি কর্মচারিদের চাকুরি বরখাস্তের আগেই সংশ্লিষ্ট এলাকার ক্ষমতাধর নেতার বহিস্কার হওয়া প্রয়োজন। যিনি নমিনেশন প্রদানে মুর্খ্য ভুমিকা পালন করেছেন, তাঁর সহযোগি যারা ছিলেন, সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদেরকে স্ব-স্ব দল থেকে বহি:স্কার করা উচিৎ। তাঁদের প্রভাব প্রতিপত্তির কারনেই চাকুরির উপর নির্ভরশীল বেশ কিছু পুলিশ অফিসার, সাধারন গরিব পুলিশ, শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারির জীবন জীবিকার উপর অসহনীয় দুর্ভোগ নেমে আসবে দিব্যি চোখেই দেখা যাচ্ছে। কঠোরতা যদি সবমহল থেকে করা হবে-তবে প্রার্থী নির্বাচন তৃনমুল থেকেই করা উচিৎ ছিল।,তাহলে আজকের এই মড়ার ফাঁদে কাউকেই পড়তে হতনা।দল এবং সরকারের ভাবমুর্তির উপরেও আঁছড় পড়ার কোন সম্ভাবনা ছিলনা। প্রথম ধাপের নির্বাচনের কঠোরতার কারনে অন্যধাপের নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার বিএনপির পরামর্শের উপর নির্ভর করে তদন্ত ছাড়াই বরখাস্তের আদেশ কতটুকু আইন সিদ্ধ তাও ভেবে দেখা দরকার সংশ্লিষ্ট মহলের। নির্বিচারে গুলি করে হত্যার মত কারন সৃষ্টি হয়েছিল কিনা তাও তদন্ত করার দরকার।নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ষড়যন্ত্রেকে একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায়না। পরিশেষে বলতে চাই,নির্বাচন সুষ্ঠু সুন্দর হোক দেশবাসি কামনা করে।অযথা কোন মহলকে সুযোগ দিতে যেন কাউকে বলি দেয়া না হয় সেই দিকেও নজর রাখা দরকার সংশ্লিষ্ট সব মহলের। ___________________________ জয়বাংলা বলে আগে বাড়ো জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম ♥প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা♥
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
খালেদা জিয়ার 'রুপকল্প২০৩০'---জাতির জনকের কন্যার ঘোষিত "রুপকল্পের" ফাঁকের ফাঁকি ______!! ♥_________________________________♥ বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনা '২০০৮ইং সালে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নে বিভোর করে নতুন প্রজম্মের ভোটারদের ভোট পক্ষে এনে বিপুল ভোটে জিতে সরকার গঠন করেন।সরকারে বসে ক্ষমতা উপভোগ করার চাইতে ক্ষমতাকে জনগনের কল্যানে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে কঠিন এক সংগ্রামের প্রস্তুতি গ্রহন করেন। তাঁর সরকারকে এই কঠিন সংগ্রামে সর্বতোভাবে নিয়োজিত করেন। তিনি দেশ উন্নয়নের ধারনাকে তিনভাগে ভাগ করে সুদুরপ্রসারী, বাস্তব মুখী চিন্তাচেতনার এক কল্পিত উন্নয়ন রেখচিত্র অংকন করে অগ্রসর হওয়ার মানসে সরকারের প্রাথমিক সংস্কার শুরু করেন। সফলভাবে সরকারের সংস্কার কায্যক্রম শেষে তিনি তাঁর কল্পিত চিন্তার ফসল 'রুপকল্প ২০২১' ঘোষনা করেন।তিনি উক্ত 'রুপকল্প'বাস্তবায়নে স্বল্প মেয়াদি, মধ্যমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন করে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকতা কর্মচারি, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদেরকে স্ব-স্ব কাজে মনোযোগী হতে উৎসাহীত করে তোলেন। স্বল্প সময়ের মধ্যে বিগত জোট সরকারের পাঁছবারের দুর্নীতিতে শীর্ষে থাকা দেশটিকে রাষ্ট্রের সকল সুচকে উন্নয়নের দৃশ্যমান পয্যায় নিতে সক্ষম হন।ফলে ২০১৪/ ১৫ সালের বিএনপি জোট কতৃক লাগাতার আন্দোলন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, রাহাজানি, আগুন সন্ত্রাস সত্বেও দেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে উন্নিত করেন। ২০১৪ সালের সাধারন নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতির জনকের কন্যা তদ্রুপভাবে বাংলাদেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশে রুপান্তর করে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর আর একটি "রুপকল্প ২০৪১" ঘোষনা করে তিন ধাপে ইতিমধ্যে প্রকল্প গ্রহন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছেন। প্রথম প্রথম জোটের শীর্ষনেতারা ডিজিটাল বাংলাদেশকে ব্যঙ্গাত্বকভাবে জাতির সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে' 'রুপকল্প২০২১'কে নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।তাঁরা দেশে বিদেশে অপপ্রচার চালাতে থাকে যে-- জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা '২০২১'সাল পয্যন্ত ক্ষমতা ছাড়বেনা। ২০১৪ সালের সাধারন নির্বাচনে অংশ না নিয়ে গনতন্ত্রকে নস্যাৎ এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মানসে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশ না নিয়ে লাগাতার সন্ত্রাসের দিকে ঝুকে পড়ে চারদলীয় জোট। দেশে বিদেশে অপপ্রচার চালাতে থাকে যে, নির্বাচনে অংশ নিয়ে কোন লাভ হবেনা '২০৪১'সাল পয্যন্ত আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ছাড়বেনা। অপপ্রচারকে সঙ্গী করে দেশব্যাপি শ্বেতসন্ত্রাসের কালোথাবা বিস্তার ঘটায়। তাঁদের এই ষড়যন্ত্রে যোগ দেয় নব্য রাজাকার শিবির, '৭১এর রাজাকার জামায়াত, সাম্প্রদায়িক উগ্র জঙ্গী গোষ্টি হেফাজত, চরম ডান-বাম গোষ্টি সমুহ। জাতির জনকের কন্যার অসিম ধৈয্য,রাষ্ট্র নায়কোচিত মনোভাবের কারনে চরমভাবে পরাজিত হয়ে লেজগুটিয়ে আগুন সন্ত্রাসের নেত্রী আন্দোলন বন্ধ করে বাসায় চলে যান।তাঁর ঘোষিত অসযোগের কর্মসুচি আজও প্রত্যাহারভকরেননি। নেত্রী দরজা জানালা বন্ধ করে স্বেচ্ছায় বন্দি থাকেন দীর্ঘ দিন। ইতিমধ্যে আন্দোলন ব্যার্থতার কারনে জোট ও দলে নিষ্ক্রিয়তা দেখা দেয়ায় নতুন এবং অভিনব এক উপায় খুজে বের করেন। দেশ ইতিমধ্যে তাঁদের ব্যংঙ্গকে উপেক্ষা করে মধ্যম আয়ের দেশের রুপান্তরিত হয়ে জনমনে স্বস্তি-শান্তি, আনন্দ-উল্লাসের জোয়ার আসে। সরকারের প্রতি অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় আস্থা ও বিশ্বাস অবিশ্বাস্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় আন্দোলন সংগ্রামে জনসম্পৃত্ততা পাওয়া যাচ্ছিলনা। উপায়ান্তর না পেয়ে বিএনপি তাঁদের দলীয় কাউন্সিলের আয়োজন করে। উক্ত কাউন্সিলে বেগম জিয়া 'জাসদের' আন্দোলনের হাতিয়ার 'দ্বি-কক্ষ' বিশিষ্ট আইনসভা এবং আওয়ামীলীগের উন্নয়নের দর্শন' 'রুপকল্প' হাইজ্যাক করে 'চোখের লজ্জা' বিসর্জন দিয়ে 'রুপকল্প ২০৩০' খসড়া ঘোষনা প্রকাশ করে। ""উল্লেখ্য যে আওয়ামীলীগের ঘোষিত,('রুপকল্প ২০২১--২০৪১' মধ্যম--উন্নত, সমৃদ্ধ) বাংলাদেশের পরিকল্পিত স্বপ্ন-রেখচিত্র। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা বলেননি যে '২০৩০' আগে বা পরে বাংলাদেশ "উন্নত মধ্যম' আয়ের" দেশে রুপান্তরীত হবে।"এই ফাঁক টুকুকে কাজে লাগিয়ে জ্ঞানের সাগর খালেদা জিয়া 'উন্নত-মধ্যম' আয়ের 'রুপকল্প ২০৩০' ঘোষনা করেছেন।এই এক জনতার সঙ্গে প্রতারনার নয়া কৌশল বটে!!" সৃষ্টিতে দলটি বন্দুকের নলে ক্ষমতা পেয়েছিল। ন্যাশানাল আওয়ামীপার্টির মার্কা 'ধানের শীষ' হাইজ্যাক করে দল বানিয়েছিল।বিভিন্ন দলের সুযোগ সন্ধানী নেতাদের ভাগিয়ে এবং দালাল, রাজাকারদের সমন্বয়ে সরকার বানিয়েছিল খুনি মেজর জিয়াউর রহমান। তাঁরই ধারাবাহিকতা রক্ষাকল্পে তাঁরপত্নি উৎসের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পতন বিলম্ভীত করার উদ্দেশ্যে অন্য রাজনৈতিক দলের দর্শন হাইজ্যাক প্রক্রিয়ায় নিলজ্জ ভাবে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। *এবার জনরোষের কবলে পড়ে দীর্ঘদিন স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি থেকে নতুন ফন্দি-ফিকিরের অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগের ঘোষিত 'রুপকল্প ২০৪১'এবং 'রুপকল্প ২০২১'এর মাঝামাঝি 'রুপকল্প ২০৩০' কে "মধ্যম উন্নত" নামকরন করে বাহবা নেয়ার অপ-কৌশল গ্রহন করেছেন।* ____________________________________ সত্যের জয় হোক______প্রতারক চক্র নিপাত যাক জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা ♥প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা♥
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ