সামাজিক মাধ্যম পেইজবুক নির্বাচনী প্রচার, নির্বাচনে জেতার শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠেছে--"বাংলাদেশেও ব্যাতিক্রম হবেনা।"

 সামাজিক মাধ্যম পেইজবুক নির্বাচনী প্রচারনা, নির্বাচনে জেতার শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠেছে--"বাংলাদেশেও ব্যাতিক্রম হবেনা"।
  রুহুল আমিন মজুমদার

                   মিসেস হিলারি ক্লিনটন নিশ্চিত করেছেন তাঁর পরাজয়ের কারন।তিনি বলেছেন নির্বাচনের শেষ মূহুর্তে  'ই-মেইল' সংক্রান্ত ভুয়া খবর পেইজবুকে প্রচার হওয়ার কারনে তাঁর পরাজয় হয়েছে।একারনে তিনি 'পেইজবুক কতৃপক্ষ'কেও দোষারোপ করেছেন। 'পেইজবুক কতৃপক্ষ' অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন এই সক্রান্ত মিথ্যা সংবাদ 'পেইজবুক ইউজারদের টাইমলাইনে যাওয়ার কারনে তৎক্ষনাৎ কর্তব্যরত: অনেককে চাকুরী হ'তে বরখাস্ত করা হয়েছে, পরবর্তীতে উল্লেখিত খবর সমুহ ইউজারদের টাইমলাইনে সেইভাবে পাঠানো হয়নি।'
    পেইজবুক কতৃপক্ষের কর্মকর্তা কর্মচারিদের বিরুদ্ধে নেয়া ব্যবস্থা এবং পরবর্তীতে ইউজারদের টাইমলাইনে না পাঠানোর স্বীকৃতি হিলারির অভিযোগের সত্যতা প্রমান করে।শেষাবদি পেইজবুক কতৃপক্ষ মিসেস হিলারীর নিকট ক্ষমা ও দু:খ্য প্রকাশ করতে দেখলেও আশ্চায্য হওয়ার কিছু থাকবেনা।
     উল্লেখ্য যে হিলারীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার জন্য আন্তজাতিক খ্যাতি সম্পন্ন কোন লবিষ্ট 'মি: ট্রাম্প' নিয়োগ দিয়েছিলেন--'এ সংক্রান্ত কোন খবর প্রকাশিত হয়নি'। বর্তমান আমেরিকান সরকারের বেতনভুক্ত 'এফবি আই' এর একজন কর্মকর্তার মন্তব্যের সুত্র ধরে বিষয়টি বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে পড়ে।আমেরিকান জনগনের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয় ; একমাত্র বিপুল সংখ্যক পেইজবুক ইউজারের কারনে, এটা সম্ভব হয়েছে, মনে করেন আমেরিকার জনগন।
        বাংলাদেশের মানবতাবিরোধী অপরাধী এবং বিএনপি দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট খালেদা পুত্র তারেকের সমন্বয়ে  নিয়োগপ্রাপ্ত বিশ্বের নামকরা 'লবিষ্ট  ফার্ম' অনেক আগেই তাঁদের এসাইনম্যান্ট অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে। কোটি কোটি ডলার ব্যায়ে উক্ত ফার্মকে নিয়োগ করা হয়েছে আওয়ামী লীগ ২০০৮ ইং সালে ক্ষমতায় আসার পর পর। মানবতা বিরুধী বিচার বানচাল এবং সরকারের ভাবমূর্তি ধ্বংস করে দেশে বিদেশে আওয়ামী লীগ সরকারকে একঘরে করার পরিকল্পনায় উক্ত 'লবিষ্ট ফার্ম' কাজ করবে মর্মে ত্রিপক্ষিয় চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল। বিশ্বের দেশে দেশে উক্ত লবিষ্ট ফার্মের নিয়োগ করা বেতনভুক্ত বাঘা বাঘা ব্যারিষ্টার, শুসীল, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী সদস্যরা কাজ করছে বলে মিডিয়া সমুহ নিশ্চিত করেছিল।এ সংক্রান্ত খবর পত্র পত্রিকা সহ বিশ্ব মিডিয়ায় গুরুত্বের সংজ্ঞে প্রকাশিত হতে দেখা গেছে।
     উক্ত লবিষ্ট ফার্মের সক্ষমতাও ইতিমধ্যে  দৃশ্যমান হ'তে দেখা গেছে।তিলকে তাল বানিয়ে 'সাঈদীকে'ও চাঁদে দেখাতে পেরেছে এবং কি বহু মানবতা বিরুধী অপরাধের 'বিচারক' অন্ধ হয়ে গেছে ; একশ্রেনীর মানুষকে বিশ্বাস করিয়ে ঈমান ধ্বংস করার শতভাগ কৃতিত্ব দখলে নিতে পেরেছে।প্রথমাবস্থায় বিচার বানচাল করার উদ্দেশ্যে বিদেশী বন্ধুরাষ্ট্র সমুহকেও নিয়ন্ত্রনে সক্ষমতা দেখাতে পেরেছিল। সময়ের প্রেক্ষাপটে জাতির জনকের কন্যার একক দৃডতায় পরাজিত হয়ে আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করার উদ্দেশ্যে আপাতত: রণে ভঙ্গ দিয়েছেন বলেই মনে হচ্ছে।
এরই মধ্যে ইসলামের শত্রু, মহানবীর শত্রু ইহুদীদের সাহায্যে বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের পরিকল্পনায় সাহায্যকারী  অখ্যাত চট্রগ্রামের এক ব্যাবসায়ীকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিবের পদে অলকৃত করতেও দেখা গেছে। ইসরাইলের 'মো'সাদ  গোয়েন্দা সংস্থা' কতৃক মধ্যপ্রাচ্য সহ ইসলামী বিভিন্ন দেশে নির্বাচিত সরকার উৎখাত এবং দেশে দেশে হানাহানি, মারামারি সৃষ্টি করে জনজীবন বিপন্ন করার পারদর্শীতায় অতীত অভিজ্ঞতা সর্বজনবিদীত।
   আমেরিকার শতভাগ শিক্ষিত মানুষকে পেইজবুকের ভুয়া প্রচার বিভ্রান্ত করে অ-জনপ্রীয় ট্রাম্পকে নির্বাচিত করার উদাহরন সামনে রেখে বাংলাদেশ সরকারকেও তাঁর করণীয় নির্ধারন করা প্রয়োজন।এমনিতেই প্রচার রয়েছে 'বাঙ্গালী হুজুগে পাগল জাতি'।যে কোন বিষয় সহজেই বিশ্বাস স্থাপন করে সারাজীবনের সঞ্চিত নেকি একমিনিটের মধ্যে ধ্বংস করে দেয়ার বহু উদাহরন ইতিমধ্যেই দেখা গেছে। জাতির জনকের হত্যা পরবর্তী অপ-প্রচার থেকে শুরু করে নাসির নগরে সংখ্যা লুঘু জনগনের বাড়ী ঘরে হামলা পয্যন্ত একটিরও কোন প্রকার সত্যতা ছিলনা। দেখা গেছে ঘটনা সমুহ ঠিকই সংঘটিত হয়েছে যথানিয়মে এবং শ্রেনী বিশেষ ' সুদে আসলে' উক্ত ঘটনা সমূহ হ'তে প্রচুর লাভও তুলে নিতে সক্ষম হয়েছে।
       কিছুদিন আগে পত্রিকায় দেখেছিলাম রাষ্ট্র বিরুধী '২৫টি পোর্টাল' বাংলাদেশ সরকারের অনুরুধে পেইজবুক কতৃপক্ষ বন্ধ করে দিয়েছেন। হাজার হাজার পেইজবুক, গুগুল, নিউজপোর্টাল, অনলাইন পত্রিকা এবং ওয়েব পেইজের মধ্যে এক দু'শ পোর্টাল বন্ধ করে নিরাপদ চিন্তা করা আর বোকার স্বর্গে বাস করা সমান কথা। ইতিমধ্যে তাঁর প্রমান পাওয়া গেছে-নাসির নগরে হিন্দু যুবকের ফ্যাক আইডি খুলে স্বার্থ্যান্বেষী মহল কিভাবে তাঁদের নীজেদের স্বার্থ্য চরিতার্থ করার হীনমন্যতার পরিচয় দিয়ে স্বার্থ উদ্ধার করে নিয়েছে।
  জামায়াত, শিবির, জঙ্গিরা ভিন্ন কৌশলেও তাঁদের উদ্দেশ্য সাধন করার কাজে নিমগ্ন ইতিমধ্যে তারও প্রমান পাওয়া গেছে।একাধিকবার তদ্রুপ আই ডির লিংক সহ আমি পোষ্ট করে বন্ধুদের সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলাম।পেইজবুক বন্ধু 'জুয়েল মেক্সের' অনুরুধে শিবিরের এক জালিয়াতের আইডিতে রিপোর্ট করার উদ্দেশ্যে লিংকে গেলে দেখা যায়- রিপোর্ট অপসানেও যাওয়ার উপায় খুজে বের করা যাচ্ছেনা।নিসন্দেহে উক্ত আইডি উন্নত কোন প্রযুক্তির সাহায্যে সীল করা।
বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই-তাঁদের অধিকাংশ পেইজবুক ইউজার উন্নত প্রযুক্তির প্রশিক্ষন প্রাপ্ত স্বীকার করে নিতে আমি লজ্জা অনুভব করিনা।কারন আমার মত স্বল্প পেইজবুক ইউজারের ফ্রেন্ডলিষ্টেও অত্যান্ত সংগোপনে এদের অবস্থান নিশ্চিত করে-আমার দু'টি আই, ডি, পেইজ, ওয়েব সহ অকেজো করে দিতে সক্ষম হয়েছিল।খোঁজ নিলে দেখা যায় এদের প্রত্যেকের আই,ডির প্রোফাইল নাম এবং  ছবি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান যুবক, অথবা সুন্দরী যুবতী মেয়েদের। একাধিক ওয়েবের মাধ্যমে পর্ণো ছবি আপলোড করাই তাঁদের একমাত্র উদ্দেশ্য নয়।উক্ত পর্ণো ছবি  মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন পাবলিক গ্রুপে পোষ্টিং দেয়াও তাঁদের দায়িত্বের অন্তভুক্ত। পোষ্ট অনুমোদিত হলে একদিকে পাঠক উক্ত ওয়েবে যাওয়া নিশ্চিত করে টাকা উপার্জন অন্যদিকে পর্ণো ছবি গ্রুপে অনুমোদনের অপরাধে পেইজবুক কতৃপক্ষ ; উক্ত গ্রুপকে যদি অচল বা বন্ধ করে দেয়, তাতেও তাঁদেরই লাভ হ'তে পারে।কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া প্রগতিশীল ছাত্র যুবকদের প্রেমের ফাঁদে বিভ্রান্ত করা ; সেতো তাঁদের জন্য নস্যি ব্যাপার।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষন করে নিশ্চিত ধারনা করা যেতে পারে আগামী নির্বাচনে অশুভ শক্তির পাহারাদার, ধর্মাশ্রয়ী দলসমুহের রাজনৈতিক শক্তি কোনভাবেই প্রতিদ্বন্ধিতা গড়ে তোলার অবস্থানে নেই।এমতবস্থায় তাঁদের মুলভরসা হতে পারে তাঁদের নিয়োগ প্রাপ্ত আন্তজাতিক খ্যাতি সম্পন্ন 'লবিষ্ট ফার্ম ' এবং নামে-বেনামে লক্ষ লক্ষ 'পেইজবুক আইডি ও ওয়েব'। এই সমস্ত আইডি থেকে শেখ হাসিনা, সজিব ওয়াজেদ জয়, শেখ রেহানার তথা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একাধিক গুজব ছড়াবে না-"তাঁর কোন নিশ্চয়তা নেই"।
বিএনপির মহাসচিব এমনই ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন-"আমেরিকার সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল থেকে শেখ হাসিনাকে শিক্ষা নিতে।আমি তাঁর উল্লেখিত বক্তব্যকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রলাপ মনে করিনা।মিসেস হিলারী ক্লিনটন সর্ব সাধারনের নিকট অত্যান্ত জনপ্রীয় মহিলা প্রার্থী ছিলেন-"অ-স্বীকারের উপায় নেই।"  মি: ট্রাম্প তাঁকে পরাজিত করে বিজয় অর্জনের সহজ পথ অ-নৈতিক প্রচারনার আশ্রয় গ্রহন করেছিলেন--"ইহাও অস্বীকারের উপায় নেই"।আমেরিকান নাগরিকদের নারী বিদ্বেষী মনোভাব কাজে লাগিয়ে এবং ০০১/মসুলমানের বিরুদ্ধে  বিষোদগার ছড়িয়ে ৯৯/ ইহুদী, খ্রিস্টান ভোট কাছে টানার ফন্দিতে তিনি জিতেছেন।
 তাছাড়াও বর্ণবাদ আমেরিকার সমাজে অনেক আগে থেকেই বিরাজমান ছিল, সর্বক্ষেত্রে গনতন্ত্রের চর্চা বিঘ্নহীন থাকার কারনে অনেকটাই উক্ত বিষ নিস্তেজ ছিল। অ-রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ব্যাবসায়ী 'মি: ট্রাম্প' আমেরিকার ভবিষ্যত রাজনীতির তোয়াক্কা না করে নিস্তেজ বর্ণবাদকেও উস্কে দিয়ে জয় পক্ষে নেয়ার কৌশল অবলম্বন করে সফল হয়েছেন। এই সমস্ত অ-নৈতিক প্রচার প্রচারনায় সামাজিক মাধ্যম পেইজবুকের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হয়েছে ট্রাম্পকে। কারন আমেরিকান মিডিয়া সমূহ অত্যান্ত শক্তিশালী ভুমিকা অতীত হতে রেখে আসছে নারী স্বাধীনতা,বর্ণবাদ বিরুধী, সকল নাগরীকের সম-অধিকার ও মায্যদার  পক্ষে। তাঁদেরকে কাজে লাগানো ট্রাম্পের পক্ষে সম্ভব কখনই ছিলনা ; তাই সামাজিক মাধ্যম পেইজবুকেই শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন আগে থেকে। সময়মত পেইজবুক সিন্ডিকেট কাজে লাগিয়ে জয়ও ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হলেন।
বিএনপি মহাসচিব হিলারীর জনপ্রিয়তাকে কিভাবে ব্যর্থ করে দিয়ে ট্রাম্প জয়ী হয়েছেন লক্ষ রেখে সরকারকে সতর্ক করে দিলেন মাত্র।তাছাড়াও অতীতের ফখরুল ইসলাম সাহেবের বিবৃতি সমুহ লক্ষ করলে দেখা যায়-তাঁর আগাম বিবৃতি কোন কোন ক্ষেত্রে  জনগনের জীবন ও সম্পদ হানীর একাধিক উদাহরনের সাক্ষী হয়ে জাতীয় জীবনে  ভয়ংকর অভিশাপের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। জাতীর জনকের কন্যার দেশে বিদেশে স্মরণকালের জনপ্রীয়তাকেও নিমিষে মাটি করে জয় ছিনিয়ে নেয়ার একাধিক ষড়যন্ত্রের ফাঁদ প্রকাশ্য, অ-প্রকাশ্য দেশে বিদেশে তাঁদের রয়েছে-- রাজনীতিক মির্জা ফকরুল সাহেবের ইহা স্পষ্ট করে বলার অপেক্ষা রাখে না"।
ruhulaminmujumder27@gmail.com
     "জয়বাংলা         জয়বঙ্গবন্ধু"

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg