নাসির নগরে মন্দির ভাংচুর, লুটপাট স্বার্থান্বেষী মহলের ঘোলা পানিতে মাছ শিকার--আপাত: দৃষ্টে তাই মনে হচ্ছে----

   নাসির নগরে মন্দির ভাংচুর,লুটপাট স্বার্থান্বেষী মহলের ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ষড়যন্ত্র--আপাত: দৃষ্টে তাই মনে হচ্ছে-------
            (রুহুল আমিন মজুমদার)
_____________________________________________________
      নাসির নগরের ঘটনা ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হওয়া শুরু হয়েছে। কেন, কি কারনে কোথা হতে নাসির ননগরের ঘটনার উৎপত্তি তার তথ্য স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। আমি কিছুদিন আগে এক হিন্দু মেয়ের আইডি পেইজবুক টাইম লাইনে পোষ্ট করে বলেছিলাম ষড়যন্ত্রকারিরা সুন্দরী হিন্দু মেয়ে অথবা অন্য যে কোন কারো নামে  নামে ফ্যাক আইডি খুলে ষড়যন্ত্র করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। উল্লেখিত পোষ্ট করার মাসের মধ্যেই নাসির নগরের তদ্রুপ আইডির কারনে দেশ, জাতি, সরকার বিপুল ক্ষতির সম্মুখিন হয়ে গেল।
     ব্যাক্তিগত ভাবে ছবি এডিট করার প্রক্রিয়া আমার চেয়ে ঢের বেশী জ্ঞানী, শিক্ষিত, মেধাবী অনেকেই এখন পয্যন্ত জানে না।সেখানে রসরাজের মত একজন অশিক্ষিত হিন্দুর ছেলে পেইজবুক আইডি খুলে ছবি এডিট করে পোষ্ট করতে পারবে, যারা বিশ্বাস করে বা বিশ্বাস করেছে তাঁরা আর যাই হোক--'হিতাহীত জ্ঞান শুন্য ব্যাক্তি-'এতে কোন সন্দেহ নাই।'
      পৃথিবীর দেশে দেশে,যুগে যুগে সাম্প্রদায়িক হানাহানি,সংখ্যাগুরু কতৃক সংখ্যা লঘুদের নিয্যাতন,জাতিগত হানাহানি, বর্ণবৈষম্য, ধর্মীয় হানাহানী ইত্যাদি চলে আসছে। বাংলাদেশেও তদ্রুপ হবে না এমন কোন কথা নয়।মহান আল্লাহ তাঁর মহাগ্রন্থ পবিত্র কোর'আন তাঁর মনোনীত বন্ধু সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট মহামানব হযরত মোহাম্মদ (স:) নিকট প্রেরন কালে বিষয়টি উল্লেখ পুর্বক সতর্ক করে একাধিক আয়াত সংযোজন করে বলেছেন -'ধর্ম, জাতি, গোষ্টি ভেদে সম অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি।' সেই দৃষ্টিকোন থেকে নবী করিম (স:)ও সংখ্যা লুঘু বিধর্মীদের জানমাল হেফাজত করার দায়িত্ব সংখ্যা গুরু মুসলমানের অবশ্যই কর্তব্য, নৈতিক দায়িত্ব হিসবে পালনীয় কর্তব্য হিসেবে সাহাবীদের নির্দেশনা দিয়ে গেছেন।নবী (স:) যাহাই বলেছেন, করেছেন এবং তাঁর সামগ্রীক  জীবন যাপন মহান আল্লাহর নির্দেশেই পরিচালিত হ'য়েছে-'এতে কোন সন্দেহ নেই'।যার ফলে তাঁর কোন বিষয়ে কোন কালে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে ভুল প্রমানীত হয়নি এবং কি ভবিষ্যতেও হবেনা। "আধুনিক যুগের 'শ্রেষ্ঠজ্ঞানীদের সৃষ্ট দর্শন' সর্বক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে বা আংশিক আবার পুর্ণজীবিত হচ্ছে কিন্তু অন্ধকার যুগের "শ্রেষ্ঠদর্শন কোরা'আন" আলোর দিশারী হয়ে মানবের কল্যানে স্বমহিমায় তাঁর আলোকরশ্মির দৃপ্তি  উজ্জল থেকে উজ্জলতর হয়ে মানবকল্যানে মহান আল্লাহর নির্দেশীত অবদান রেখে চলেছে তো চলেছেই- থামবেনা পৃথিবী ধ্বংসের আগ মহুর্ত পয্যন্ত।
      ইসলাম ধর্মের অনুসারীগন সার্বজনীন ইসলামকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে, ইসলাম ধর্মের মহত্বকে সীমাবদ্ধ গন্ডিতে নিয়ে আসতে বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। ধর্মকে উপলক্ষ করে অতিধার্মীক গোষ্টি সমুহ বিভিন্নভাবে তাঁদের কর্মকান্ড পরিচালিত করে আসছে। ইসলামের প্রাথমিক যুগ হ'তে অদ্যাবদি তাঁদের এই প্রানান্তকর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।অথছ ইসলাম 'সার্বজনীন ধর্ম' এবং কোরান 'বিশ্ব মানবতা'র কল্যানে প্রেরীত 'পবিত্র গ্রন্থ' সেই কথাটিও অন্তরে দৃডভাবে পোষন করে-'ঐ শ্রেনীর অতিধার্মীক মুসলিমগন'।
    মহান আল্লাহ মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে 'অতিরঞ্জনকে হারাম ঘোষনা করেছেন।' তাঁর পরও কোরানের সেই সমস্ত আয়াত সমুহের উপর  তাঁদের চোখ পড়েনা।বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের উদ্ধৃতি দিতে প্রয়োজনীয় কারনে সংকীর্নতার চিহ্ন যে সমস্ত  আয়াতে বিধৃত হয়েছে বা হুজুরে পাকের বাণীতে এসেছে-সেই সমস্ত 'আয়াত এবং বানী' তাঁদের দৃষ্ট হয়। সংকির্ণতার নির্দেশ সমুহকে বিভিন্ন প্রকার মালমসলা সহযোগে 'করুন সুরের মিষ্টি মধুরতার উপমা' সহ বর্ণনার পারদর্শীতায় বিখ্যাত হওয়ার প্রানান্তকর চেষ্টা অব্যাহত রাখেন। শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগীতা না করে উদারতার প্রতিযোগীতায় মনোনিবেশ যদি ইসলামের প্রথমাবস্থা থেকে প্রচলন রাখতে সচেষ্ট হতেন-'তাহলে সংখ্যায় এতযুগের পর শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার মুসলিম জাতিই হ'তে পারত'। তাঁর একমাত্র প্রমান-ইসলামের প্রথম ও দ্বিতীয় শতকে প্রচার প্রসারে ইসলাম ধর্মের যতটুকু বিস্তৃতি ঘটেছিল তার পরবর্তীতে ইঞ্চি পরিমান অগ্রগতিও পরিলক্ষিত হয়না।
    বরঞ্চ অনেক ক্ষেত্রেই পিছনের দিকে দাবিত হয়েছে। অথছ বিধর্মীরা কোরানের এক একটি শব্দ বা আয়াত গভেষনা করে করে 'আধুনিকতা এবং আবিষ্কারের' শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে চলেছে। অথছ মহান আল্লাহ কোর'আন প্রেরন করেছেন সমগ্র মানবজাতির জীবনমান উন্নত করার জন্য- মানব জাতীর অবিস্বাসী অংশ গ্রহন করে উন্নত হচ্ছে বিশ্বাসী অংশ 'অবশ্যই পালনীয়' অংশকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে বাদবাকী অংশকে ত্যাগ করে চরম অমানবিক জীবন যাপনের দিকে দাবিত হচ্ছে।বিশ্বাস এবং বিশ্বাস প্রয়োগের ক্ষেত্রে বৈপরিত্বের কারনে মুসলিম জাতি বিশ্বব্যাপি লাঞ্চিত, ধিকৃত, সন্ত্রাসী, যুদ্ধবাজ, অমাণবিক জাতি গোষ্টির পরিচয়ে পরিচিত হচ্ছে।যুগে যুগে চরম মুল্য পরিশোধ করে চলেছে। মহান আল্লহপাক বার বার বলেছেন 'কোরান তিনিই প্রেরন করেছেন' এবং তাঁরই "পবিত্রগ্রন্থ" তিনিই তাঁর 'সুরক্ষার জিম্মাদার।'আমরা তাঁর বিপরীতে নিজেরাই সুরক্ষার দায়িত্ব নিতে প্রতিযোগীতায় নেমেছি এবং একে অপরের সঙ্গে দখল বাজিতে জেতার রক্তস্রোতের লড়াই করে চলেছি।"ইসলামের সার্বজনীনতা ও মহত্বকে' ধারন করতে গিয়ে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই অতিরঞ্জনের দিকেই মনযোগী হচছে এবং  ধর্মজ্ঞানে অজ্ঞদেরকেও টেনে নিয়ে ইসলামে কঠোর ভাবে  নিষিদ্ধ "সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাহাঙ্গামা, হত্যা, আত্মহত্যায়" প্ররোচিত করছে।
           জাতির জনক বঙ্গবন্ধু পাকভারত বিভক্তি নীজের চোখে দেখেছেন। জাতীগত বিভেদ,সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সমূহ গভীর দৃষ্টিতে অবলোকন করেছেন। ধর্মের অপব্যাবহার কত যে নিকৃষ্ট উপায়ে করা যায় দিব্যি অন্তর দিয়ে অনুভব করেছেন। অত্রঞ্চলের বাঙ্গালী মসুলমানদের মনমেজাজ সম্পর্কে জ্ঞান আহরন করেছেন।হিন্দু মসুলমানের পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক চিন্তাচেতনা গভীরভাবে ধারন করেছেন।ধর্মীয় উম্মাদনায় রক্তস্রোতের বন্যা দেখে মানবতাবাদি মন তাঁর ব্যাথিত হয়েছে।ধর্মকে ধারন পালন না করে শুধুমাত্র ব্যবহার করে ক্ষমতা লাভ করতে দেখেছেন।ক্ষমতার মসনদ পাকাপাকি করতে রাষ্ট্রীয় পয্যায় ধর্মের উস্কানী দেখেছেন।জাতিগত শোষনশাষন অব্যাহত রাখতে ধর্মকে ব্যবহার করে কিভাবে সফলতা পেয়েছেন তার ধরন অনুভব করেছেন।
    সকল প্রকার শোষন শাষন অবসানের লক্ষে সুযোগ যখন পেয়েছেন তখনই তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার সব সঞ্চয় ঢেলে দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাজনীতির আদর্শ হিসেবে গ্রহন করেছেন।ধর্মনিরপেক্ষতা কখনই ধর্মহীনতা নয়।যদি তাই হত স্বাধীন বাংলাদেশের স্বল্পকালীন নতুন সরকার মাত্র সাড়ে তিনবছরের মধ্যে ইসলামের প্রচার প্রসারে মৌলিক কাজগুলি করে যেতেন না।তিনি প্রত্যেক ধর্মের জন্য যে কাজ গুলি করে গেছেন তাঁর সিকি পরিমান কাজ কি বিগত ৪০ বছরের মধ্যে  আস্তিক সরকার, নাস্তিক সরকার, ফ্যাসিষ্ট সরকার, স্বৈরাচারী সরকার, তথাকথিত গনতান্ত্রিক সরকার সবাই মিলেও কি করতে পেরেছে?
    ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ তিনি ধারন করেছিলেন রাষ্ট্রীয় পয্যায় সকল ধর্মকে সমমায্যদা দান করা।একধর্মকে অন্যধর্মের উপর নিপিড়ন করার সুযোগ না দেয়া। স্ব স্ব ধর্ম স্ব-স্ব-জাতী -গোষ্টি পালন করার সমান সুযোগ নিশ্চিতে রাজনৈতিক শক্তির সমুহকে নিরপেক্ষ থাকার নিশ্চয়তা।  সংখ্যালুঘু ধর্মীয় গোষ্টির সমুহের মনের শংকা দূর করা। তাঁদের মনে রাষ্ট্রীয়ভাবে আস্থার সৃষ্টি করে  দেশপ্রেমিক হতে আগ্রহী করে গড়ে তোলা। প্রত্যেক নাগরিকের সৃজনশীল মেধাকে বিকশীত করার সুযোগ দিয়ে রাষ্ট্রের উন্নতি অগ্রগতিতে অবদান রাখতে আগ্রহী করার মানষিকতা গড়ে তোলা।  দেশের অভ্যন্তরে সকল ধর্মের বাংলাভাষাবাসীদের মননে একক জাতী সত্বার ধারনাকে দৃডভাবে প্রোথিত করে সাম্প্রদায়িক হানাহানিকে চিরতরে বিনাশ করে অসাম্প্রদায়িক চেতনা সমৃদ্ধ ধর্মনিরপেক্ষতাকে দলীয় আদর্শ রুপে গ্রহন করেছিলেন।
      পৃথিবীর সকল প্রান্তে বসবাস রত:  ইসলাম ধর্মালম্বিদের নিজস্ব জাতী সত্বা রয়েছে। ইসলাম ধর্মের উৎপত্তিস্থল সৌদী আরবের জনগন তাঁদের জাতীসত্বা নিয়ে গর্ব অনুভব করে।তাঁরা নীজেদেরকে আরবীয় জাতি হিসেবে পরিচয় তুলে ধরার সঙ্গে সঙ্গে জাতির জনকের আংশিক সংযুক্ত করে "সৌদী আরব" তাঁদের মাতৃভুমির নামকরন করেছে। আমাদের মধ্যে অনেকেই বলতে শুনা যায় জাতির 'জনক ইব্রাহীম (অ:)। ভাবখানা এমন মনে হয় তারা এখনই বেহেস্তের টিকেট হাতে পেয়ে গেছে। নিজের জাতি সত্বাকে অস্বীকার করাও যে বড়পাপ তা জেনেও বলে। অতি ধার্মীকতার পরিচয় তুলে ধরতে পিছনে বড় পাপের ধারনাই পোষন করে তা কয়জনই বা অবগত আছে।এই প্রজম্ম জানে না তাঁদেরকে এই দিক্ষা, আরা দিয়েছেন তাঁরাই কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলীকে জাতির পিতা বলতে গর্ব অনুভব করতেন। "কায়েদে আজম" ঐ শ্রেনীরই  দেয়া উপাদি।মুসলিম জাতীর জনক অবশ্যই ইব্রাহীম (অ:).। ভাষাগত  জাতী সত্বা, ভুখন্ডগত জাতীসত্বা, বর্ণগত জাতীসত্বা কখনই ধমীয় জাতী সত্বার সঙ্গে এক করে দেখা উচিৎ নয়। ইসলামেও এইরুপ কোন নির্দেশনা দেয় নাই। শুধুমাত্র আরব জাতীর জন্য ইসলাম ধর্মের প্রবর্তন হয় নাই,সমগ্র মানব জাতীর জন্যই ইসলাম ধর্মের অবির্ভাব ঘটেছে।নবী করিম (স:) বাঙ্গালীর ঘরে জম্ম নিলে পবিত্র কোরান বাংলা ভাষাতেই  আল্লাহ পাঠাতেন, নবী (স:) ও বাঙ্গালীই  হতেন।
   
      তদ্রুপ আওয়ামী লীগের মধ্যে অনেকেই দলীয় আদর্শ ধর্মনিরপেক্ষতার আলখেল্লা গায়ে দিয়ে তাঁর উদ্দেশ্যের উদারতাকে কাজে লাগিয়ে হিন্দুদের সম্পদ দখল,বাড়ী ঘর থেকে উচ্ছেদ ইত্যাদি অপকর্ম চালিয়ে যাওয়ার মানষিকতা পোষন করে। প্রায়শ: দেখা যায়  স্বার্থান্বেষি মহলটি দলের মহত্বকে খাটো করার অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়,২০১২ সালেও এহেন ঘটনা চোখে পড়েছে। সত্যকার অর্থে যদি নিজের চারপাশেও তাকিয়ে দেখি-'দেখা যায় আওয়ামী লীগের প্রভাব শালীদের দ্বারা যতবেশী হিন্দু সম্প্রদায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, অন্যান্ন দলের নেতাদের দ্বারা তাঁর সিকি পরিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি'। সাম্প্রদায়িক দল সমুহ বা অন্যান্ন দল ধর্মীয় উম্মাদনা সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করার চেষ্টায় রত: থাকে। ,আওয়ামীলীগ দলীয় দৃডভাবে অসাম্প্রদায়িক চেতনা পোষন করলেও অনেক নেতা  নেতৃত্ব বাঁধাহীন করার ষড়যন্ত্র এবং হিন্দুদের সম্পদ লুটপাট করার কাজে হিন্দুদের বলির পাঠায় রুপান্তর করে। রাজনীতির ফায়দা হাসিল, সম্পদ কুক্ষিগত করার চক্রান্ত উভয়ের সংযোগে যুগে যুগে লাঞ্চিত হয়ে তাঁরা দেশত্যাগ করে ভিন্ন দেশে পাড়ি জমাতে বাধ্য হয়।ভারত বিভাগের প্রাক্কালে অত্র অঞ্চল সংখ্যায় বাঙ্গালী মসুলমান যদিও বেশী ছিল বাঙ্গালী হিন্দুও কম ছিলনা।বর্তমানে তাঁদের সংখ্যা কমে দশভাগের একাংশেও নিছে নেমে এসেছে।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সংখ্যালুঘুদের উপর এহেন অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে মানবতার ধর্ন্মকে প্রাধান্য দেয়ার উদ্দেশ্যেই ধর্মনিরপেক্ষতাকে দলের অন্যতম আদর্শ হিসেবে গ্রহন করেছিলেন।তাঁর সেই আদর্শকে বিতর্কীত করে নেতৃত্বকে বাধাহীন করার চক্রান্ত যারা করে তারা কাপুরুষ,বেঈমান, মোনাফেক। আর যুগে যুগেই এই অপকর্মটিই করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রভাশালী স্বার্থপর নেতারা। নাছির নগরের ঘটনা তদন্তে যদি এমনি কোন অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তবে আশ্চায্য হওয়ার কিছুই থাকবে না।
  ইসলাম ধর্মকে যেমন একশ্রেনীর মসুলমান সঠিক ভাবে ধারন করতে পারেনি তেমনি পার্থিব জীবনে মানবকল্যানে গৃহিত বঙ্গবন্ধুর ধর্মনিরপেক্ষতাকেও একশ্রেনীর আওয়ামী লীগার সঠিকভাবে ধারন করতে পারেনি। বার বার ঘটনা প্রবাহ তাঁরই সাক্ষী দিচ্ছে।
     বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দলের অভ্যন্তরে বহু অপকর্মকারীকে ক্ষমা করে সংশোধন হওয়ার সুযোগ দিতে দেখা গেছে। কিন্তু দলীয় আদর্শ পরিপন্থি কাজে লিপ্ত থাকা কাউকে ক্ষমা করার নজীর নেই।এবং কি বঙ্গবন্ধুর একান্ত পুত্রতুল্য 'বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী' সাহেবকেও এমনতর অভিযোগ উঠার পর আর ক্ষমা করেননি। নিশ্চয়ই নাসির নগরের ষড়যন্ত্রকারীরা সিদ্দিকী পরিবারের চাইতে  আওয়ামী পরিবারের জন্য বেশী অবদান রেখেছেন এমনতর কেউ নন।
   
                    " জয়বাংলা         জয়বঙ্গবন্ধু"
   
                      masterruhulamin@gmail.com

   

x

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg