ঢাকা ৮ নং সংসদীয় আসনে "ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটে"র মনোনয়ন পাওয়ার জোর গুঞ্জন।
(রুহুল আমিন মজুমদার)

    গত মে/চলতি জুন মাসে একটানা বেশ কিছুদিন পারিবারিক কাজে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করেছিলাম। ফেনী জেলার প্রত্যন্ত গ্রামের অধিবাসি হিসেবে ঢাকা সফর আমার জন্য অত্যান্ত আনন্দদায়ক বটে। নানাহ কারনে এবারের ঢাকা সফর জীবন সায়হ্নের দিনগুলী আমার বাকী জীবনের পথচলায় স্মরণীয় হয়ে থাকবে। গ্রামের খোলামেলা পরিবেশ ছেড়ে দীর্ঘদিন পর ঢাকায় অবস্থানের কারনে হোক বা অতীতের বনাঢ্য রাজনীতির উৎসুক মনের ক্ষুদা নিবারনহেতু হোক রাজনীতির খবর নিতেই ব্যাস্ত ছিলাম বেশী। কেন জানিনা-- বর্তমান রাজনীতির হালচালের চেয়ে, এলাকার বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গের খবরাখবর সংগ্রহে আগ্রহী ছিলাম খুব বেশী। বিশেষ করে ঢাকা কেন্দ্রিক এলাকার প্রতাপশালী, প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে কেন্দ্রে বর্তমান সময়ে কার কি অবস্থান জানার আগ্রহ অনেকদিন থেকেই ছিল। সময় এবং সুযোগের অভাবে ঢাকায় তেমন যাওয়া হয়না, খবরাখবর সঠিকভাবে নেয়াও হয়ে উঠেনা। এমনিতেই আমার আগে থেকে বড় নেতাদের ধারেপাশে ঘুরাঘুরি করার অভ্যেস তেমন ছিল না। এখন তো রাজনীতিতে তেমন আর নেই--যাবই বা কেন?

      এবার ঢাকায় গিয়ে অফুরন্ত অলস সময়ের  অধিকাংশ সময় বলা যায় রাজনীতির খবরাখবর সংগ্রহে ব্যাপৃত ছিলাম। আমার খবর সংগ্রহের মূল উৎস ছিল মূলত: পূর্বের অসংখ্য ব্যাক্তিগত, দলীয় বন্ধুবান্ধব।আগেই বলেছি সঙ্গত কারনে জানার বেশী আগ্রহ ছিল এলাকার বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গদের মধ্যে কে কোথায় আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চাইতে পারেন বা পেতে পারেন। অনেকের মধ্যে একটি নাম প্রায় সকলের মূখে মূখে শুনা গেছে--তিনি আমার পাশের উপজেলা পরশুরামের বাসিন্দা জনাব "ইসমাইল  চৌধুরী (সম্রাট)"।

        তিনি ঢাকা ৮ আসন থেকে মনোনয়ন চাইতে পারেন এবং পেতেও পারেন এমন একটি আলোচনা ঢাকার বাতাসে ঘুরছে। তিনি আমার পাশের এলাকার এবং এলাকার রাজনীতিতে তাঁর অসামান্য অবদান প্রতিনিয়ত অবলোকন করা সত্বেও,ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে হোক বা অন্য যেকোন কারনেই হোক--মহান রাজনৈতিক এই ব্যাক্তির সান্নিধ্য পাওয়া  থেকে আমি বঞ্চিতই ছিলাম। বলা যায় মহৎ, দানবীর, মুজিবাদর্শের লড়াকু সৈনিকের সাথে আমার তেমন  পরিচিতি বা সখ্যতা কখনও গড়ে উঠেনি। তবুও মুজিবাদর্শের একজন নগন্য কর্মী হিসেবে দুর থেকে তাঁর রাজনৈতিক কর্মতৎপরতার প্রতি বরাবরই ছিল অফুরন্ত শ্রদ্ধা এবং তাঁর প্রতি মনের গহীনে পোষন করে এসেছি এবং করি নিয়ন্তর গভীর মমত্ববোধ।

       বন্ধুদের নিকট ভালবাসার মানুষটির মনোনয়ন পাওয়ার নিশ্চয়তা পেয়ে নির্বাচন সংক্রান্ত আরও আনুষাঙ্গিক খবরা খবর নেয়ার আগ্রহের গভীরতা, আকাংক্ষা আমার মনের অজান্তেই বেড়ে যায়। এবার বিভিন্ন সূত্র থেকে ভোটে জেতার নানাহ উপাদান সম্পর্কীত বিষয়ে খোঁজখবর নিতে গিয়ে যা শুনেছি, বুঝেছি, উপলব্ধিতে এসেছে--বলতে গেলে, এতে গর্বে, অহংকারে বুক ভরে উঠেছে।

          আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে যতটুকু বুঝেছি,উপলব্দি করতে পেরেছি, এতটুকুতে সংক্ষেপে শুধু এইটুকুই বলতে পারি--"তিনি যদিও কোন মুসলিম রাজ্যের "মুকুট পরিহীত সম্রাট''  নন তবে ঢাকা সহ সারা দেশের যুব সমাজের মনের "মূকূটহীন সম্রাট" হিসেবে কর্মগুনে স্থায়ী আসন করে নিতে পেরেছেন। একান্ত গুনধর, দানশীল,গরীব দু:খ্যি মানুষের আপনজন, শিক্ষানুরাগী,কর্মীপ্রেমী, জননন্দিত, জনহিতৈষী, মহৎ গুনের অধিকারী এই প্রতিবেশী উপজেলার অধিবাসি মুজিবসেনার মনোনয়ন প্রাপ্তির সম্ভাবনা ফেনীবাসিকে পূলকিত, আনন্দিত, গর্বিত করে তুলেছে। তাঁর মনোনয়ন সম্পর্কীত বিষয়ে  আমার নীজের দেখা, জানা, দুর থেকে উপলব্ধির কিঞ্চিত সঞ্চিত জ্ঞানের ভান্ডার থেকে দুটি লাইন প্রিয় দেশবাসি,অসংখ্য,অগনীত মুজিব প্রেমিক ভাইবোনের উদ্দেশ্যে লেখার আগ্রহ  কোনমতেই সংবরন করতে পারিনি।
 
     জনাব   "ইসমাইল  চৌধুরী (সম্রাট)" কর্মীবান্ধব, আদর্শিক নেতার এই আকালে সংগ্রাম, সাধনা, অধ্যবাসায়, ত্যাগ, তিতিক্ষার, দান-দক্ষিনা, ধৈয্য, সহনশীলতা, সহমর্মিতা, আদর্শের প্রতি একাগ্রতা, কর্মী লালন, জনতোষনের এক উজ্জ্বল জ্যোতিস্কের দৃষ্টান্ত। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবলীগের দীর্ঘদিন নেতৃত্বে থেকে দায়িত্ব পালন করলেও সমগ্র ঢাকা সহ আসপাশে রয়েছে তাঁর অসংখ্য ভক্ত, অনুরাগী, অনুসারী, শুভাকাংক্ষী, শুভানূধ্যায়ী, সহযোদ্ধা সর্বোপুরী হার না মানা মুজিবাদর্শে উজ্জিবীত ছাত্রজনতার বিশাল  কর্মীবাহিনী।

        ৮০ দশকে সেনা শাষক 'মেজর  জিয়াউর রহমান' বন্দুকের নলের মূখে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে ''রাজনীতিবীদদের রাজনীতি" কঠিন করে দেয়ার ঘোষনা দেন। তাঁর ঘোষনানুযায়ী দুষ্ট চক্রের "কূটচাল প্রকল্পে"র অংশ হিসেবে যুবসমাজকেও ধ্বংসের অভিনব কৌশল আবিস্কার করেন। তিনি অত্যান্ত সচেতন ভাবে যুবশক্তিকে জনরোষের তোপে ঠেলে দেয়ার উদ্দেশ্যে তাঁদেরকে অধ:পতনের দিকে নেয়ার উদ্দেশ্যে গড়ে তোলেন বহুল কথিত  "যুব কমপ্লেক্স''।

   "যুব কমপ্লেক্সের" মাধ্যমে  তিনি প্রথমেই  দেশ ও সমাজের অনিয়ম, অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদি, আন্দোলন সংগ্রামের চালিকাশক্তি, মুক্তিযুদ্ধের অহংকার ছাত্র// যুব সমাজের চারিত্রিক পদস্থলন ঘটানোর পদক্ষেপ গ্রহন করেন। এদেশের বহু আন্দোলন সংগ্রামের চালিকাশক্তি ছাত্র যুবসমাজকে আন্দোলন বিমূখ, চারিত্রিক পদস্থলন ঘটিয়ে তাঁর অবৈধ দখলকৃত ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার চক্রান্তে লিপ্ত হয়ে সর্বতোভাবে সফলকাম হন।

     ছাত্র/যুবসমাজের বেকারত্বের সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্বল্প সময়ে তাঁদের বরাবরে  বাসস্ট্যান্ড, সরকারী পূকুর, খাল-বিল, দীঘি ইত্যাদি অর্থহীন বরাদ্ধের মাধ্যমে শূন্য হাতে অঢেল টাকা আসার পথ উম্মুক্ত করে দেন। পরবর্তীতে  তাঁদেরকে তাঁর হীন স্বার্থ্য চরিতার্থে   দখলবাজ, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদকাসক্তে রুপান্তরের  সুযোগও অবাধ করে দেন। বেকারত্বের অভিশাপে জর্জরীত  কৌমলমতি ছাত্র/যুবসমাজকে লোভ লালসার টোপ দিয়ে "যুব কমপ্লেক্সের ব্যানারে" তিনি তাঁদেরকে সূচুতূরভাবে কেন্দ্র দখল, ভোট ডাকাতি,  চাঁদাবাজী, সরকারি খাস জমি দখল, মাছমহাল, বালুমহাল দখলবাজের নিগড়ে আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে পেলেন।তিনি তাঁর অবৈধ রাজত্ব কায়েমের লক্ষে রাষ্ট্রীয় আনুকুল্যে যুবশক্তিকে অপ-ব্যাবহারের ধারা শুভ  সূচনা   করেন। সেই ধারা থেকে আজও বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার ছাত্র /যুবশক্তিকে বের করে আনা সম্ভব হয়নি।

       জিয়া তাঁর অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষে বঙ্গবন্ধু সরকারের সামাজিক, ধর্মীয় নৈতিকতা বর্হিভূত কর্মকান্ড যেমন:- মদ, জুয়া, পতিতাবৃত্তি, অপসংস্কৃতি রোধে প্রনীত আইন সমূহ বাতিল করে রাষ্ট্রীয় অনুমতিতে ও আনুকুল্যে দেশব্যাপি উল্লেখিত অনৈতিক, অসামাজিক, অপসংস্কৃতির ধারা চালু করেন। মদ জুয়া, পতিতাবৃত্তি, যাত্রার নামে উলঙ্গ নৃত্যে অচিরেই দেশ সয়লাব হয়ে যায় । সচুতুর জিয়া একদিকে তাঁর দেয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে লুটপাটের মাধ্যমে অর্থ সংগৃহ করার অবাধ সুযোগ প্রদান করেন অন্যদিকে সেই অবৈধ  অর্থ অনৈতিক পথে কেড়ে নেয়ার ব্যাবস্থা ও পাকাপোক্ত করে রাখেন।

          এমত:বস্থায় দেশের ছাত্র-যুবশক্তি স্বল্প সময়ে মাদকাসক্ত, নীতি-নৈতিকতাহীন অপকর্ম, দেশব্যাপি চলমান প্রিন্সেস মার্কা অপসংস্কৃতির বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে  রাজনীতি, আন্দোলন-সংগ্রাম, সামাজিক সৃজনশীলতা বিমূখ হতে থাকে।  দেশ ও জনগনের একমাত্র ভরসা, নীতি আদর্শের প্রতিক, মুক্তিযুদ্ধের অহংকার ছাত্র/যুবসমাজ সর্বত্র চুরি, ডাকাতি, রাহাজানিতে লিপ্ত হয়ে অচিরেই সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টির বাহনে রুপান্তরিত হতে থাকে। জিয়ার কূটকৌশলে ছাত্র/যুব সমাজের বৃহৎ একটি অংশ স্বল্প সময়ে রাষ্ট্র, জনগনের বদশক্তিতে রুপান্তরীত হয়ে এবং  বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকান্ডের জড়িয়ে মামলা মোকদ্দমার বেড়াজালে আটকে--"সমাজ, পরিবার ও রাষ্ট্রের বোঝায় পরিণত হতে থাকে।

    দেশ ও জনগনের এমন এক কঠিন সময়ে ধীরে ধীরে আর্বিভূত হতে থাকে ঢাকা সরকারি তিতুমির কলেজ কেন্দ্রিক অদম্য সাহষী এক তূখোড় ছাত্রনেতার--তিনি আর কেউ নন ফেনী জেলার গর্ব, যুবসমাজের আইকন, ঢাকা দক্ষিন আওয়ামী যুবলীগের বর্তমান সভাপতি জনাব ইসমাইল চৌধুরী (সম্রাট)। সরকারি তিতুমির কলেজের ছাত্র, শিক্ষকের মধ্যমণি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী (সম্রাট) তাঁর রাজনৈতিক বিচক্ষনতা, অনন্য মেধা, অসীম সাহষ, অদম্য কর্মস্পৃহা, অফুরন্ত সাংগঠনিক ক্ষমতা নিয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে উদীয়মান তরুন নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

    জনাব 'ইসমাইল চৌধুরী (সম্রাট)' ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলাধীন ১নং মির্জানগর ইউনিয়নের পূর্ব সাহেব নগর গ্রামের সম্ভ্রান্ত  মুসলিম পরিবারে জম্ম গ্রহন করেন। সবচেয়ে বড় ব্যাপারটি হচ্ছে--"তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং কি আবহমানকাল থেকে তাঁর পরিবার এলাকায় খাঁটি আওয়ামী পরিবার হিসেবে চিহ্নিত ও পরিচিত"।  তিনি স্বল্পকথক, সর্বতো সদালাপি, বন্ধুবৎসল, কর্মীবান্ধব,  সজ্জন , জননন্দিত সর্বতো বিশাল হৃদয়ের অধিকারি মহান নেতা হিসেবে ঢাকা সহ ফেনীর সর্বত্র পরিচিত।

        রাজনীতিতে ঢাকা কেন্দ্রিক তাঁর উত্থান ঘটেছে ঠিকই কিন্তু নীজ জম্ম স্থান ফেনী জেলাকে তিনি কখনই ভূলে যাননি। ফেনী জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি ইউনিয়ন, প্রতিটি গ্রামে রয়েছে তাঁর রাজনীতি ও সমাজসেবার অনবদ্য ছোঁয়া। ফেনীর জেলার এমন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, ক্লাব, সমিতি বাকী নেই--''যেখানে তাঁর আর্থিক অনুদানে নির্মিত কোন না কোন  স্থাপনা দেদিপ্যমান নেই"। ফেনী জেলার আওয়ামী রাজনীতি সুসংগঠিত, সদা তৎপর, বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে কায্যকর ভূমিকা রাখার ক্ষেত্রে রয়েছে তাঁর নিয়ন্তর অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক সাহায্য সহযোগীতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

    স্বৈরাচার বিরুধী আন্দোলন, ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের লড়াই, তত্ববধায়ক সরকারের দাবী প্রতিষ্ঠার আন্দোলন সহ জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন সমূহে রয়েছে তাঁর বহুমূখী সাহায্য সহযোগীতার অবিস্মরণীয় অবদান। বিশেষ করে ২০০৬ ইং সালের খালেদা সরকারের ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার দুরভিসন্ধির বিরুদ্ধে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গড়ে উঠা গনআন্দোলন এবং খালেদা জিয়ার সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করার ক্ষেত্রে তাঁর রয়েছে অসামান্য অবদান।

     সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতা দীর্ঘায়ীত করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে দেশব্যাপি মাঠপয্যায়ে ক্ষোভের বহ্নিশিখা প্রজ্জলনের ক্ষেত্রে যে কয়জন নেতার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে নি:সন্দেহে বলতে পারি--'' তাঁদের সকলের মধ্যে অন্যতম দিকপাল জনাব 'ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট''। সেনা সমর্থিত ফখরুল, মঈনের তত্বাবধায়কের ক্ষমতা গ্রহন, বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনাকে জেলে প্রেরন,  জেলমূক্তি এবং ২০০৮ইং সালের ঘোষিত সাধারন নির্বাচন পয্যন্ত দেশব্যাপি স্বাসরুদ্ধকর রাজনৈতিক ঘোলাটে পরিস্থীতিতে সত্যিকার অর্থে তিনি ছিলেন অত্র ফেনী জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মুজিবাদর্শের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের  ভ্যানগার্ড। এক অর্থে ফেনী জেলার  সমস্ত সফল আন্দোলন--সংগ্রামের নেপৈথ্য কারিগরের নাম বলতে গেলে---প্রথমেই যার নামটি ঘুরেফিরে, অবচেতন মনে, অনায়াসে মূখে এসে যায় তিনি আর কেহ নন--জনাব "ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট।" আওয়ামীলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিগত দিনে আনীত স্বৈরাচার সরকার সমূহের নিবর্তনমূলক হাজার হাজার  মামলা, হামলা, হয়রানীর বিরুদ্ধে যে কয়জন দানবীর,রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব সহযোগীতার দরজা কখনই বন্ধ করেননি তাঁদের মধ্যেও অন্যতম  "ইসমাইল চৌধুরী (সম্রাট)"।

           আমি জানিনা তিনি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করার ইচ্ছা পোষন করেছেন কিনা। তিনি যদি নির্বাচন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মনোনয়ন দেন--"আমার বিশ্বাস সর্ব সাধারনের আলোচনা অনুযায়ী, ঢাকার যে কোন আসন থেকে তিনি অবশ্যই নির্বাচিত হবেন। এবং কি তাঁর নীজ জেলা ফেনীর তিন আসনের মধ্যে  যে কোন আসন থেকেই তিনি নির্বাচিত হবেন, এই আমার দৃড বিশ্বাস"।

        জাতির জনকের কন্যা দেশরত্ম "শেখ হাসিনার" ইচ্ছা সর্বত্র তারুন্যদিপ্ত নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার। তাঁর সেই ইচ্ছা ও আকাংক্ষা অনেকাংশে পূর্ণতা পেতে পারে--যদি তিনি দৃডতার সহিত "ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটে"র ন্যায় কর্মীবান্ধব, জননন্দিত, লোভ লালসাহীন, অধিকতর তরুন আদর্শিক ছাত্র//যুব নেতাদের আগামী সংদদ নির্বাচনে অংশ গ্রহনের জন্য মনোনয়নের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দিতে পারেন। আমি দৃডতার সঙ্গে বিশ্বাস করি প্রিয় দল--'সেই দিকেই মনযোগী হবে।'

         " জয়বাংলা        জয়বঙ্গবন্ধু"
      ruhulaminmujumder27@gmail.com

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg