সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
কলামটি শেখ হাসিনার জম্মদিন উপলক্ষে উৎসর্গ করা হল।
**********************************************
হাসিনা সরকারের "সুশাষন ও কল্যান রাষ্ট্র বিনির্মাণ"--অন্ধজনের গনতন্ত্র রক্ষা।
___________________________________________________
“সুশাসনে তথ্য ও প্রযুক্তি” খাতে পুরস্কার পেয়ে আমি অত্যান্ত সম্মানিত:- জয়।"
জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র বাংলাদেশের 'প্রধান মন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার সুযোগ্যপুত্র 'আই সিটি বিশেষজ্ঞ' 'প্রধান মন্ত্রীর আই সি টি বিষয়ক "অবৈতনীক উপদেষ্টা" বাংলা দেশের গর্ব "বিনয়ীও নম্র'' একান্ত দেশপ্রেমিক জনাব "সজিব ওয়াজেদ জয়"পারিবারিক প্রথাগত নম্রতা আর বিনয়ের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই বিবৃতিতে।নিম্নে তাঁর দেয়া বিবৃতিটি হুবহু তুলে দিলাম।
”আমাদের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কর্মসূচির জন্য "সুশাসনে তথ্য ও প্রযুক্তি” খাতে পুরস্কার পেয়ে আমি অত্যান্ত সম্মানিত ও বাধিত” বলে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার 'তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা' সজীব ওয়াজেদ জয়।"
তিনি স্ট্যাটাসে আরও লিখেন, ”প্রকৃতপক্ষে এ পুরস্কার আমাদের আওয়ামী লীগ সরকারের সকল সদস্যের জন্য সর্বজৈষ্ঠ মন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের প্রকৌশলীবৃন্দ, সকলেই ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণাটিকে সাদরে গ্রহণ করেছেন”।
জয় আরও লিখেন, ”সেইসাথে তা বাস্তবে রূপ দিতে অক্লান্তভাবে কাজ করে চলেছেন। সুশাসন ও নাগরিক সেবার উন্নতিসাধনে 'তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের প্রয়োগে' আজ বাংলাদেশকে 'পথিকৃৎ ও অগ্রগণ্য' হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এতে অবদান রাখতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত।
উল্লেখ্য, সোমবার নিউইয়র্কের হোটেল মিলিয়েনিয়ামের রিভারভিউ সম্মেলন কক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তিনি ‘আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ এ ভূষিত হন।
হলিউড অভিনেতা রবার্ট ডেভি জয়ের হাতে এই পুরষ্কার তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন তার "মা" 'বাংলাদেশের 'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'।
প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগে এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন তিনি "সজিব ওয়াজেদের' মা হ'তে পেরে গর্ব অনুভব করছেন।
সম্মানিত পাঠক বন্ধুরা জয়ের বিবৃতিটি লক্ষ করুন--"সুশাষনের জন্য" তথ্য ও প্রযুক্তি"র সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্যই তিনি আন্তজাতিক ভাবে প্রথম প্রবর্তিত পুরষ্কারটি প্রথম পেয়েছেন।"
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের 'প্রচার ও প্রকাশনা সেল" "বাংলাদেশের মিডিয়া সমুহ" "সরকারের মন্ত্রীবর্গ" উল্লেখিত বিষয়টিকে শুধুমাত্র "তথ্য ও প্রযুক্তিতে" পুরষ্কার হিসেবে দায়সারা প্রচার করে দায়িত্ব শেষ করেছেন।
বিষয়টির গভীরে অন্তনিহীত তাৎপয্য "সু-শাষন" শব্দটিকে কৌশলে এড়িয়ে সরকারের শাষন ব্যবস্থাকেই খাটো করে দেখার চেষ্টা করেছেন।কুচক্রি মহল কতৃক বিকৃত অপপ্রচারের বিপরীতে "সুশাষন প্রতিষ্ঠার প্রানান্তকর চেষ্টার নিমিত্তে 'সজিব ওয়াজেদ জয়' কতৃক উদ্ভাবীত "ডিজিটিলাইজেসন" আন্তজাতিকভাবে প্রসংশীত হওয়ার ফলে তিনি উল্লেখিত পুরষ্কারে ভুষিত হলেন। যে বিষয়টি সর্বাজ্ঞে প্রচার পাওয়ার প্রয়োজন ছিল "সুশাশন" সেই বিষয়টিকেই বাদ দিলেন মিডিয়া এবং আওয়ামী লীগের প্রচার সেল।" বিষয়টি রাজনৈতিক সচেতন মহলকে বিস্মিত না করে পারেনা।
এই প্রসংঙ্গে আর একটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই,- গত কিছুদিন আগে "টি আই বি' কতৃক আয়োজিত 'সর্বাদিক দুর্নীতি গ্রস্ত' দেশের সুচক নির্ণয় ও প্রকাশনার' নিমিত্তে আয়োজিত সভায় 'সাবেক তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা 'বেগম সুলতানা কামাল' তাঁর বক্তব্যে বলেন ' দেশের আকাশচুম্ভি উন্নয়ন হলেও গনতন্ত্রের অনুপস্থীতি জনগন মেনে নিবে কিনা ভাববার সময় এসেছে"।বেগম সুলতানা কামাল নি:সন্দেহে অনেকের নিকট প্রতিষ্ঠিত একজন বুদ্ধিজীবি এবং 'জৈষ্ঠ শুশীল সমাজের' আওতাভুক্ত।তাঁদের শুসীল শীষ্যদের একাংশ প্রতিনিয়ত 'উন্নয়ন অগ্রগতি'র চিত্রকে খাটো করে দেখানোর প্রানান্তকর চেষ্টার বিপরীতে উল্লেখীত বক্তব্যটি "মারাণাস্ত্র" হিসেবে কাজ করতে পারত।কিন্তু আমাদের 'মিডিয়া এবং আওয়ামী লীগের প্রচার সেল' বর্তমান সরকারের 'বিরুদ্ধবাদী প্রতিষ্ঠিত এই বুদ্ধিজীবির' বক্তব্যটিকে কোড করেননি।
এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই- "বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের শাষন ব্যবস্থাকে আন্তজাতিক মহল "সু-শাষন" হিসেবে চিহ্নিত করে সরকার 'প্রধান এবং সরকারের ভিতরে বিশেষ অবদান রাখা ব্যাক্তিবর্গ'কে আন্তজাতিক পুরষ্কারে ভুষিত করে 'স্বীকৃতি' দিয়ে উৎসাহীত করে যাচ্ছে।"অন্যদিকে সমালোচকদের মুখেও "ঘুরিয়ে ফিরিয়ে তেনা প্যাঁচিয়ে" স্বীকার করে নিচ্ছেন যে, "অভাবনীয় উন্নয়ন অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে।"
সম্মানীত পাঠকবর্গ দেশের"সু-শাষন" এবং "উন্নয়ন অগ্রগতি" দৃশ্যমান থাকাবস্থায় গনতন্ত্রের অনুপস্থীতি কিভাবে থাকে?উভয়ের প্রথম এবং প্রধান শর্তই হচ্ছে "গনতন্ত্র"। ইহা আমার বিশ্লেষন নয়--"রাজনীতি বিজ্ঞানের বিশ্লেষন।"
আমাদের জেনে রাখা একান্ত প্রয়োজন যে-- "শুধুমাত্র নির্ভেজাল জাতীয় নির্বাচন একটি দেশের গনতন্ত্রের উপস্থীতি-অনুপস্থীতি নির্ণয়ের মুর্খ্য বিষয় নয়-'নির্বাচন অনুসঙ্গ মাত্র।' বিদ্যমান রাজনৈতিক দল সমূহের মধ্যে বৃহৎ বা ক্ষুদ্রাংশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নিলে গনতন্ত্রের শুন্যতা আছে "এইরুপ চিন্তা চেতনা ধারনকারিরা ষড়যন্ত্রের কীট মাত্র"। রাষ্ট্রের বহু অঙ্গ প্রত্যঙ্গের মধ্যে ''নির্বাচন ' একটি অনুষঙ্গ' মাত্র 'অঙ্গ বা প্রত্যঙ্গ' নয়।" গনতান্ত্রিক দেশের "নির্বাচন ক্ষমতাবদলের চিরন্তন নিয়মাতান্ত্রিক পদ্ধতি - অস্বীকারের কোন উপায় নেই। কিন্তু "নির্বাচনে ভারসাম্য রক্ষার জন্য সমশক্তি সম্পন্ন রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব অপরিহায্য" ইহাও অস্বীকারের কোন উপায় নেই।
বর্তমান সরকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সরকার।জাতির জনকের আদর্শে লালিত সংগঠন এবং তাঁরাই জৈষ্ঠকন্যা দেশরত্ম শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে।বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষে দিবারাত্র পরিশ্রম করে দেশ ও জাতির জন্য জাতীয় ও আন্তজাতিক খ্যাতি অর্জনের মাধ্যমে 'জাতিকে মার্য্যদা -দেশকে উন্নয়ন অগ্রগতির' শীর্ষে নিয়ে যাচ্ছেন।কুচক্রিমহল শত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শচ্যুত করতে পারেননি। তাঁর একমাত্র পুত্র প্রধান মন্ত্রীর "অবৈতনিক উপদেষ্টা" হয়েও জাতির জন্য নিয়ে এসেছেন "সুশাষনের ক্ষেত্রে তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার'' এর উপর 'প্রথম প্রবর্তীত প্রথম আন্তজাতিক স্বীকৃতি'।এর চেয়ে বিরল সম্মান আর কি হ'তে পারে?
জাতি হিসেবে আমরা এতই অকৃতজ্ঞ যে -দেশের অভ্যন্তরে বাস করেও 'তাঁর কাজের মুল্যায়ন দুরের কথা-" বিদেশীদের মুল্যায়নের যথাযথ প্রচারেও অবজ্ঞা আর অবহেলা করছি।প্রচার যদিও যৎকিঞ্চিত করি-'তাও ভুলে ভরা আগোছালো'। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে তিনি অত্যান্ত মনোকষ্টের কারনেই ''সরকারের জৈষ্ঠ মন্ত্রী এবং আমলাদের প্রসংশা" করে স্বভাব সুলভ "নম্রতা আর ভদ্রতা" সহকারে উক্ত বিবৃতিটি-"তাঁর নিজস্ব পেইজবুক পেইজে পোষ্ট করেছেন।"
"জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু"
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন