নব্য জামায়াতি জঙ্গিদের মুলনীতি--মুসলিম হত্যা,নারী জঙ্গিদের সঙ্গে যৌন লীলা।

নব্য জামায়াতি জঙ্গীবাদের অন্যতম মুলনীতি---'মুসলিম হত্যা, নারীদের যৌনসঙ্গী করা"-----

___________________________________________________
____________________________________________________
  আমি একবার লিখেছিলাম-জামায়াতের মতাদর্শী ছাত্রী সংগঠন বিভিন্ন নামে ফ্যাক আইডি খুলে প্রগতিশীল সংগঠনের গ্রুপে বা ওয়েব পেইজে সদস্য হয়ে ছলনাময়ীর আশ্রয় গ্রহন করে। প্রথমে প্রেম প্রেম ভাব জমিয়ে চ্যাটিং আড্ডায় লিপ্ত হয়। প্রেমের গভীরতা অনুযায়ী ধীরে ধীরে আল্লাহ,কোরান, রাসুল ইত্যাদি ধর্মীয় দুর্বল দিক আলোচনা উত্থাপন করে মাথা ধোলাইয়ের কাজ আরাম্ভ করে।সফলতা বিফলতার উপর প্রেমের স্থায়িত্ব অনেকাংশে নির্ভর করে।তাছাড়াও তাঁরা এতই দুরদর্শী যে যদিও কুৎসীত হয় আলোচনায় কৌশলে বুঝিয়ে দিতে সক্ষম হয় যে সে অত্যান্ত সুন্দরী, পর্দানশীল এবং ধার্মীক।আমাদের দেশের বেশীরভাগ যুবক ঠিক এমন একটি মেয়েই মনে মনে কামনা করে।
  মানবতা বিরুধী বিচার কায্যক্রম শুরু হওয়ার পর জামায়াত বিএনপির কাঁধে ভর দিয়ে হঠকারী আন্দোলন শুরু করে এবং বিএনপিকেও বাধ্য করে আগুন সন্ত্রাসের মত মানবতা বিরুধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হতে।উক্ত হঠকারী আন্দোলন ব্যার্থ্য হওয়ার পর সংগঠনটি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আপাংতেয় হয়ে গুপ্ত হামলা,গুপ্ত হত্যা, জঙ্গি স্টাইলে ব্লগার হত্যা,তালিকা প্রনয়ন করে প্রগতিশীল লেখক, সাহিত্যিক, বিচারকদের হত্যার হুমকি ইত্যাদি দেশদ্রোহী কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে পড়ে।সরকারের কঠোর অবস্থানের কারনে তাও যখন কায্যকর ভুমিকা রাখতে পারছেনা তখনি বিভিন্ন জঙ্গী সংগঠনের নামে দুর্দস্য শীবির ক্যাডারেরা সংগঠন গড়ে তোলে।একপয্যায় মুল জঙ্গী সংগঠন আইএস এর এদেশীয় অনুসারীদের সঙ্গে তাঁদের যোগসাজস ঘটে।উভয় অনুসারীর সম্মিলীত প্রচেষ্টায় গড়ে উঠে শক্তিশালী জঙ্গী গোষ্ঠি হিজবুতে তাহেরীর,জামায়াতে মোজাহেদীন ইত্যাদি নানা নামের জঙ্গী গ্রুপ।
  এই ধারার সর্বশেষ সংযোজন নারী জঙ্গী গ্রুপ। জামায়াতের ছাত্রী সংগঠন ছাত্রী সংস্থা নারী জঙ্গী গ্রুপের মুল ভিত্তি।নারী জঙ্গী গ্রুপের সদস্যরা পুরুষ জঙ্গীদের যৌনসঙ্গীও বটে।পত্র পত্রিকার খবর এবং আইএস আই এর খপ্পর থেকে পালিয়ে আসা একাধিক নারী জঙ্গীর স্বীকারোক্তি থেকে যৌনদাসী সম্পর্কে বিশ্ববাসি প্রথম এই সম্পর্কিত বিষয় অবগত হয়।
 বাংলাদেশে গত কিছুদিন আগে ধৃত নারী জঙ্গীদের স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি এবং জামায়াতের আদর্শিক নেতা মাওলানা মৌদুদীর লেখা একাধিক বইতে ইসলামে 'যৌনদাসী প্রথা' সম্পর্কে ভয়ংকর অপব্যাখ্যা থেকে স্পষ্ট প্রমানীত হয়--ঐ মতের অনুসারী নারী জঙ্গীদের কেন তাঁদের দলে ভিড়িয়েছে এবং তাঁদের কাজই বা কি?

পত্রপত্রিকার ভভাষ্য অনুযায়ী--অপারেশন আজিমপুরে নাম আসা প্রিয়তি, শায়লা এবং আবিদার মতোই নিউ জেএমবির আরও ভয়ংকর ৮ নারী জঙ্গিকে নজরদারিতে আনা হয়েছে। র‌্যাবের গোয়েন্দারা ঈদের ছুটিতে তাদের সবার অবস্থান শনাক্ত করে কৌশলে নজরদারিতে আনতে সক্ষম হয়েছে।
আটজনের মধ্যে আছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী। রয়েছে দু’জন চাকরিজীবীও। তারা সবাই ‘ব্লাড রোজ’ নামে একটি গ্রুপের সদস্য। এই গ্রুপের সদস্যরা ইন্টারনেটে নিজেদের মধ্যে কথিত আইএসের মতাদর্শগত বিভিন্ন অডিও-ভিডিও এবং প্রকাশনার তথ্য আদান-প্রদান করে। র‍্যাবের গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।
সম্প্রতি র‌্যাবের গোয়েন্দারা এক নারী চিকিৎসক ও মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করেছে। তাদের কাছ থেকেই একটি তালিকা পাওয়া যায়। সে তালিকার আট জঙ্গি ঈদের ছুটিতে নিজের বাড়িতে ফিরে। আর তখনই তাদের নজরে আনে গোয়েন্দারা। এরা উচ্চশিক্ষিত নারী জঙ্গি।
র‌্যাব সূত্র জানায়, যাদের নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে তারা সবাই মিরপুর থানায় দায়ের করা একটি মামলার আসামি। এরা হল, তাসনুবা ওরফে তাহিরা, মাইমুনা ওরফে মাহমুদা ওরফে লায়লা, আলিয়া ওরফে তিন্নি ওরফে তিতলী, মনিরা জাহান ওরফে মিলি, ছাবিহা ওরফে মিতু, সাফিয়া ওরফে সানজিদা ওরফে ঝিনুক, দিনাত জাহান ওরফে নওমী ওরফে বাণী ও তানজিলা ওরফে মুন্নী। এরা সবাই কোড নামে সক্রিয় নতুন ধারার জেএমবিতে।
      র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার ডাক্তার ইসতিসনা আক্তার ঐশী, মানারাতের শিক্ষার্থী ও জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়া ছাত্রী সংস্থার নেত্রী আকলিমা রহমান মনি, ইসরাত জাহান মৌ ও খাদিজা পারভীন মেঘলার সঙ্গে উল্লিখিত নারী জঙ্গিদের বন্ধুত্ব রয়েছে। তারা একে অপরের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি সংক্রান্ত বৈঠকে বসত।
নজরদারিতে থাকা এক জঙ্গি অকপটে র‌্যাবের কাছে তথ্য দিয়ে স্বীকার করে, ছাত্রী সংস্থার নেত্রী রাবেয়া বিনতে আজহারের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন স্থানে বৈঠকগুলোতে অংশ নেয়। তারা নিজেদের মধ্যে আইএসের দাবিক ম্যাগাজিন, অডিও-ভিডিও বার্তা, আইএস সংক্রান্ত নানা তথ্য আদান-প্রদান করত। আইএসের কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করতে ‘নিজ ফোরাম’ থাকা নারীদের ‘ছবক’ দিত। ওই নারী জঙ্গি আরও স্বীকার করে, তাদের দলের মেয়েরা বাংলা, আরবি, ইংরেজি ও হিন্দিসহ চারটি ভাষায় কথা বলতে পারে। এই দলের সাংগঠনিক নেত্রী রাবেয়া বিনতে আজাহার সবাইকে পাকিস্তানে সফরের দাওয়াত দিয়েছে বলেও তারা স্বীকার করেছে।
  চার নারী জঙ্গির মাধ্যমে তাদের দলের আরও কয়েকজনকে নজরদারিতে আনা হয়েছে। যে কোনো সময় তাদের গ্রেফতার করা হবে। নারী জঙ্গি নিয়ে র‌্যাবের কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে বলে এক কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন।এরই মধ্যে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে যৌনলীলা সম্পর্কীত অনৈসলামিক নানাহ কর্মকান্ড সম্পর্কে।পরকালে বেহেস্তের সহজ সুযোগের আশায় অনেক নারী জঙ্গী স্বেচ্ছায় পুরুষ জঙ্গীদের যৌনসঙ্গ দিতেও সার্বক্ষনীক প্রস্তুত থাকে বলে জানা গেছে।জোরপুর্বক 'যৌনসঙ্গী' করতেও পুরুষ জঙ্গীরা দ্বিধাবোধ করেনা-- এতে 'মাওলানা মওদুদীর' যৌনদাসী সম্পর্কীত 'ইসলামী প্রথার' অপব্যাখ্যার অপব্যবহারই প্রধান কারন বলে আমি মনে করি।

 এখানে একটি বিষয় লক্ষনীয় যে-."নারীদের জঙ্গি কিংবা যোদ্ধা হওয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএস বা আইসিসে মতভিন্নতা আছে। একটি মত হলো শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে নারীদের যেকোনো কাজে ব্যবহার। অপর মতটি হলো নারীদের আর যা-ই করা হোক, যোদ্ধা করা যাবে না। কেননা, নারী যোদ্ধার হাতে কেউ নিহত হলে তিনি বেহেশতে যেতে পারবেন না।"লক্ষ করুন-যৌনকাজে নারীদের ব্যবহারের মতবভিন্নতা কোন গ্রুপেই নেই।
ধর্মের নামধারী আইএস নারীদের কী চোখে দেখে--বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তার বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যাচ্ছে। তারা নারীদের কোনো সম্মান বা মর্যাদা দেয় না; বরং কখনো মানবঢাল হিসেবে, কখনো যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। আইএস থেকে যেসব নারী পালিয়ে এসেছেন, তাঁরা যেসব বিবৃতি বা জবানবন্দি দিয়েছেন, তা যে কোন মুসলিমের গা শিউরে উঠবে। ধর্মের নামে মানুষ এত বড় অধর্মের কাজ করতে পারে কস্মিনকালেও ভাবা যায়না।
    প্রায় দুই দশক ধরে বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতা চললেও এ কাজে নারীদের ব্যবহার অতি সাম্প্রতিক ঘটনা। এর আগে পত্রিকায় পড়েছিলাম, বাংলাদেশের নাগরিক এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বেশ কয়েকজন নারী মধ্যপ্রাচ্যে গিয়েছেন আইএসএ যোগ দিতে। তবে এই সংখ্যা ইউরোপ ও আমেরিকা থেকে যোগদানকারী নারীদের তুলনায় অনেক কম। বাংলাদেশ থেকে যাওয়া নারীদের কেউ কেউ সেখানে মারাও পড়েছেন বলে জানা যায়। সম্প্রতি এক চিকিৎসক সপরিবারে মধ্যপ্রাচ্যে গিয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে। সেই চিকিৎসকের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী, পুত্রবধূও গিয়েছেন। কিন্তু এই নারীদের কেউ স্বেচ্ছায় গিয়েছেন, তা ভাবার কারণ নেই। তাঁরা যখন বিয়ে করেন, তাঁদের স্বামীরা কেউ জঙ্গি ছিলেন না। বরং পরবর্তীকালে পুরুষ জঙ্গিদের পাল্লায় পড়েই তাঁদের কেউ কেউ জঙ্গি হয়েছেন বা হতে বাধ্য হয়েছেন।
রাজধানীর আজিমপুরে অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশের ওপর নারী জঙ্গিরা ছুরি মেরে, বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ও মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে তাদের রুখতে চেষ্টা করেন বলে পুলিশের বরাত দিয়ে পত্রিকার খবরে বলা হয়। পুলিশের কাছে খবর ছিল, সেখানে মিরপুরের রূপনগরে পুলিশের অভিযানে নিহত মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলাসহ কয়েকজন জঙ্গি আছেন। কিন্তু অভিযান শুরুর আগেই জেবুন্নাহার পালিয়ে যান। অভিযানে তাঁর সন্তান ও আহত অবস্থায় তিন নারী ধরা পড়েন।
   সন্ধ্যার দিকে পুলিশ অভিযান চালালে প্রথমে বাসায় অবস্থানকারী নারী-পুরুষ তাঁদের ওপর চড়াও হয়। এরপর পুলিশের আরও কয়েকটি ইউনিট সেখানে হামলা চালালে জঙ্গিরা আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকের ভাষ্য অনুযায়ী নিহত আবদুল করিম আত্মহত্যা করেছেন। তাঁর গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। পুলিশের অভিযানের সময় আহত তিন নারীর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁর নাম খাদিজা। তাঁর মাথার পেছনে ধারালো অস্ত্রের কোপ আছে। অপর দুই নারী শারমিন ও শাহেলার অবস্থা স্থিতিশীল। শারমিনের পেটে ও হাতে গুলি ঢুকেছিল। অস্ত্রোপচার করে গুলি বের করা হয়েছে। তাঁরা সবাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। পুলিশ বলছে, নিহত ব্যক্তি এবং এই তিন নারী নব্য জেএমবির সদস্য। তাদের ধারণা, ওই বাসায় জাহিদের স্ত্রী জেবুন্নাহারও (শিলা) ছিলেন। বিপদ আঁচ করতে পেরে তিনি এক বছরের সন্তানকে নিয়ে কেটে পড়েছেন।
নিহত জঙ্গির আঙুলের ছাপ নিয়ে তা জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা গেছে, তাঁর নাম শমসেদ। বাবার নাম মোসলেহ উদ্দীন। বাড়ি রাজশাহীর বোয়ালিয়া উপজেলার মেহেরচণ্ডী গ্রামে। তাঁর সাংগঠনিক নাম আবদুল করিম। আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার হওয়া শাহেলা তাঁর স্ত্রী। অভিযানের সময় স্বামীর মতো শাহেলাও নিজেকে নিজে ছুরি দিয়ে আঘাত করেছেন। ওই বাসা থেকে উদ্ধার করা তিনটি শিশুর মধ্যে ১৩-১৪ বছরের ছেলেটি এই দম্পতির যমজ সন্তানের একটি।
 পত্রিকার খবর থেকে জানা যপায়- পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসার বাসিন্দারা দরজা খুলে পুলিশের ওপর হামলা চালান। তাঁরা দুই পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত করেন। হামলাকারীদের মধ্যে একজন নারী ছোরা হাতে পালানোর চেষ্টা করেন। একদল পুলিশ ওই নারীর পিছু নেয়। পুলিশের অন্য সদস্যরা ওই বাসার ভেতর অভিযান অব্যাহত রাখেন। এ সময় পুলিশের গুলিতে আবদুল করিম নিহত হন। বাসায় থাকা অপর দুই নারী সদস্য ছুরি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
এর আগে জঙ্গি আস্তানায় নারী সদস্যের সন্ধান পাওয়া গেলেও তাঁদের কেউ আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছেন, সে রকম কোনো তথ্য নেই। সে ক্ষেত্রে এটি বাংলাদেশে জঙ্গি হানার নতুন মাত্রা। আগে পুরুষ জঙ্গিরা পরিবার থেকে আলাদা হয়ে জঙ্গিবাদে দীক্ষা নিতেন, বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। এখনো পরিবারের নারী সদস্যদেরও এতে যুক্ত করছে। অর্থাৎ সমাজে তাঁরা ভালোভাবেই শিকড় গাড়ার চেষ্টা করছেন। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, জঙ্গিদের কোনো সামাজিক ভিত্তি বা সমর্থন নেই। সাধারণ মানুষও তা-ই মনে করতেন। কিন্তু জঙ্গিরা যেভাবে গোটা পরিবারকে জঙ্গিবাদে দীক্ষিত করছেন, এখন নতুন করে সবকিছু ভাবা দরকার।
এর আগে গত ২৭ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় একটি বাড়ির তিনতলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযানে কানাডাপ্রবাসী তামিম চৌধুরী ও তাঁর দুই সহযোগী নিহত হয়। গত ২৬ জুলাই কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে নয়জন নিহত হন। সেখানে আহত অবস্থায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও কোনো নারী জঙ্গির হদিস পাওয়া যায়নি।
এর আগে বিএনপি আমলে শায়খ আবদুর রহমান ও ছিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাইসহ যেসব জঙ্গি ধরা পড়েছিলেন, তাঁদের কেউ কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকলেও নারীদের অস্ত্রের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, এমন প্রমাণ নেই। হতে পারে তাঁদের সামাজিক অবস্থান ও পড়াশোনা কম থাকার কারণে সেটি করতে তাঁরা সাহস পাননি। কিন্তু এখন সচ্ছল পরিবারের উচ্চশিক্ষিত মেধাবীরা জঙ্গি হয়ে উঠছেন এবং স্ত্রী ও সন্তানদের জঙ্গিবাদের তালিম দিচ্ছেন।
এ অবস্থায় কেবল ঝটিকা অভিযান চালিয়ে চিহ্নিত কয়েকজন জঙ্গিকে হত্যা করলেই সমস্যার সমাধান হবে না, তাঁদের পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থান চিহ্নিত করে শিকড় উপড়ে ফেলার কাজেই মনোনিবেশ করতে হবে।
 এই মহুর্তে সর্বাজ্ঞে যাহা প্রয়োজন জঙ্গীবিস্তারের মুল চালিকা শক্তি পেইজবুক,ওয়েবপেইজে ছদ্ধনামে যে সমস্ত মেয়েরা কর্মকান্ড পরিচালনা করেছেন তাঁদের চিহ্নিত করা। ছাত্রী সংস্থার সদস্য কে কোথায় কি করছে খবর সংগ্রহ করতে হবে।
   ভালভাবে লক্ষ করলে দেখা যায়-যে সমস্ত পেইজবুক আইডি থেকে পর্ণছবি আপলোড দেয়া হয় ঐ সমস্ত আইডিতে সুন্দরী মেয়েদের ছবি সমেত কোরানের বিভিন্ন আয়াত,নামাজের উপযোগীতা, পর্দার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কীত গুরুত্বপুর্ন ধর্মীয় বিষয়াদিও প্রচার করা হয়।আবার ঐ সমস্ত আইডি থেকেই মসূলমানদের ঈমান আকীদা নষ্ট হওয়ার মত পোষ্টিংও দিতে দেখা যায়। যেমন--'সাঈদীকে চাঁদে দেখা যায়', 'কোরান অবমানননার বিভিন্ন ছবি সংবলিত দৃশ্য,' 'মুক্তিযোদ্ধার হাতে ভিক্ষার পাত্র' ইত্যাদি।
  আমি আগেও বলেছি এবং এখনও বলি-- এই ধারার মতাদর্শে বিশ্বাসীগন কোনক্রমেই ধর্মের অনুসারী নন,ধর্ম বিক্রয়কারি।ড. ইউনুছের প্রতি লক্ষ করুন- "সমকামীতাকে তিনি সমর্থন করেন এবং অবাধ যৌন মিলনেরও পক্ষে তিনি।আলেমেরা দাবী তুলেছেন তাঁকে ক্ষমা চাইতে হবে"- কিন্তু "তাঁর মাথার দাম নির্ণয় করেননি"(শতে হলেও জাত ভাইতো)।ধর্ম পালনের ধারেকাছে না থেকেও খালেদা জিয়া 'হেফাজতের ইমাম।'পর্ন পত্রিকার প্রকাশক নাস্তিকের সর্দার 'সফিক রেহমান ধর্মীয় গোষ্টির অন্যতম বুদ্ধিজীবি।'মুছের কারনে ঠোঁট দেখা যায়না', নামাজ রোজা কি ভুলেও কোনদিন চিন্তা করেনা', 'গনস্বাস্থের অধিপতি', 'অর্ধপাগল', আদালত কতৃক ঘোষিত 'রঙ হেডেড'--তিনিও ধর্মীয় গোষ্টির অন্যতম 'উপদেষ্টা'। ভুলেও মাদ্রাসার দরজা মাড়ায়নি- কলেজ, ইউনিভারসিটিতে লেখা পড়া করে সবাই "মাওলানা খেতাবে ভুষিত"। জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা সহ সবাই।অর্থাৎ এই শ্রেনীটি নীজেদের শ্রেনীস্বার্থ্য রক্ষার্থ্যে পারেনা-"এমন কোন কাজ আল্লাহর দুনিয়ায় নেই।" 'বলেনা এমন কোন কথা নেই।" "ধর্মের অপব্যাখ্যা দেয়না এমন কোন ক্ষেত্র নেই।" সব কিছুই তাঁদের স্বার্থনুযায়ী--যখন যেমন প্রয়োজন।

                  "জয়বাংলা------জয়বঙ্গবন্ধু"

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg