পোস্টগুলি
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
অবশেষে প্রমান হল ঢেঁকি স্বর্গেও বাড়াবাঁধে--- ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ অবশেষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে এসেছে। ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব আলিম সাহেবকে সম্পর্ন অবৈধ ভাবে একজন নির্বাচনী কর্মকর্তার চিঠির বরাতে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।কোন প্রকার তদন্ত, সাক্ষী, এবং কি আত্মপক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগ না দিয়েই এই সাময়িক বরখাস্তাদেশ জারী করেছেন।কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নিজস্ব তদন্ত প্রতিবেদনে বিষয়গুলী স্পষ্টাকারে উঠে এসেছে। এই সংক্রান্ত বিষয় তৎক্ষনাৎ আমার একটা কলাম অন-লাইনে গত৬/৩/২০১৬ইং তারিখে পোষ্ট করেছিলাম। সকলের জ্ঞাতার্থে আমি তাঁর আংশিক নিম্নে আবার কপি পেষ্ট করে দিলাম।------- পোষ্টটির শিরোনাম ছিল," **নির্বাচন-রাজনীতি সারা বাংলাদেশ---ফেনী-ফুলগাজী এক ও অভিন্ন নয়""।** ** আমি ফুলগাজীর সকল ইউপির নির্বাচন স্থগিত এবং আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা জানাই।অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার করে নির্বাচনী কায্যক্রম শুরু করার দাবি জানাচ্ছি। উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব আলীমের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্বর প্রত্যাহার করে স্বাভাবিক কায্যক্রমের পরিবেশ সৃষ্টির জোর দাবী জানাচ্ছি। সংশ্লিষ্ট সব মহলের নিকট আবেদন থাকবে ফুল- গাজীর রাজনীতির অঙ্গন স্বাভাবিক করার পদক্ষেপ গ্রহন করুন। মামলা প্রত্যাহার করুন, স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করুন, রাজনীতি স্বাভাবিক করুন ইহাই অন্তিম মহুর্তের সাবেক নেতা হিসেবে আমার আবেদন"** ---অবশেষে আমার উল্লেখিত বিষয়াবলীর সত্যতা আওয়ামী লীগের তদন্তদল হাতেনাতে পেয়ে উপলব্দি করতে পেরেছেন। নির্বাচন কমিশনে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়েছেন প্রতিনীধিদল এবং তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এসেছেন। বিএনপির শাসনামলে নিয়োগ পাওয়া ৪৬০ জন (প্রত্যেক উপজেলার জন্য একজন)নির্বাচনী কর্মকর্তা ছাত্রদল /যুবদল/ছাত্রশিবিরের ক্যাডার নিয়োগ দেয়া হয়েছিল তড়িগড়ি করে।নিয়োগ পাওয়া তেমনি এক কর্মকর্তার চিঠির বরাতে কমিশন ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্ত করার জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ে চিঠি লিখেন।চিঠির বরাতে দুই ঘন্টারও কম সময়ের মধ্যে বরখাস্তাদেশ জারী করে মন্ত্রনালয়। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের সঙ্গে দেখা করে এ অভিযোগ করা হয় বলে সংবাদ মাধ্যমকে জানান আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের প্রধান দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম হানিফ। তিনি বলেন, “প্রকৃত ঘটনা অন্যভাবে ঘুরিয়ে যে নির্বাচন কর্মকর্তা সেই অভিযোগ করেছেন, তিনি ২০০৫ সালে নিয়োগকৃত, যিনি সম্পূর্ণভাবে একটি রাজনৈতিক দলের আদর্শে আদর্শিত কর্মী, তার সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরাখাস্ত করেছে।” জনাব হানিফ বলেন, “আমাদের অভিযোগ ছিল, ঘটনার সঠিক তদন্ত না করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু একজন ব্যক্তির কথার ওপর ভিত্তি করে এ ধরনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।" 'গনতান্ত্রিক সরকারের জন্য নির্বাচন একটি গুরুত্বপুর্ন বিষয়। যেহেতু মেয়াদান্তে সাধারন নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেই আবার ক্ষমতায় আসতে হবে।'২০০৫ইং সালের সব কয়টি পত্র পত্রিকায় তাঁদের নিয়োগ অবৈধ, দলীয় ক্যাডার, জোট সরকারের নির্বাচনী বৈতরনী পার হওয়ার কৌশল' ইত্যাদি শিরোনামে খবর চাপানো হয়েছিল। দেশী-বিদেশী গনমাধ্যমেও খবরটি গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হয়েছিল। এমন একটি গুরুত্বপুর্ন পদের নিয়োগ গত সাত বছরেও মহাজোট সরকার সংশোধন না করায় আমি বিস্মিত, স্তম্ভিত, হতাশ না হয়ে পারিনা।' অদ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে জোর আবেদন জানাতে চাই, "নিয়োগ পাওয়া উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া, শিক্ষা, অতীত অভিজ্ঞতা, লিখিত পরিক্ষার কাগজ, ,ভাইবা বোর্ডের কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সত্বর সংসদীয় তদন্তদল গঠন করা হোক। দিনেদিনে এইসব কর্মকর্তারাই মহাজোট সরকারের সকল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে,জনমনে বিরুপ ধারনা প্রথিত করতে সক্ষম হয়ে উঠছে। ♥♥♥♥♥♥♥ ♥♥♥♥♥♥♥ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা ♥প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা♥
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
প্রকল্পের নাম: "১৫লাখ গ্রাহক সংযোগ প্রকল্প "--!! ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ গত ০৯/০৩/২০১৬ ইং তারিখে একনেকের বৈঠকে নতুন নামে বিদ্যুৎ সংযোগের একটি প্রকল্প গ্রহন করেছে সরকার। অতীতে এত সুনির্দিষ্ট করে কোন প্রকল্প গ্রহন করে তা বাস্তবায়ন করতে দেখা যায়নি। প্রকল্পটির নামের মধ্যেই তাঁর মহত্ব লুকায়িত। বিষয়টি আরও পরিষ্কার করে বলা যায়,"অতীতের প্রকল্প নেয়া এবং বাস্তবায়নের গ্যাপ পুরন" করার জন্যই সুনির্দিষ্ট "নাম- সংখ্যাভিত্তিক" প্রকল্প গ্রহন করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী "রুপকল্প২০২১"এ দেয়া তাঁর ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করার জন্যই প্রত্যেক উন্নয়ন প্রকল্পে ভিন্ন ভিন্ন দৃডতা সংক্রান্ত শব্দাবলীর দেখা মিলছে। আমলা নির্ভর প্রশাসনে এহেন সুনির্দিষ্ট সময় ও প্রকল্প ব্যায় বেঁধে দেয়া ছাড়া কাজ আদায় করা সম্ভবও নয়।বাংলাদেশকে উন্নয়ন -অগ্রগতির কাংখিত লক্ষে পৌঁছানোর জন্য জাতির জনকের কন্যার আন্তরীকতার বহিপ্রকাশ থেকেই শব্দাবলীর ব্যবহার হচ্ছে বলে আমি মনে করি। সারা দেশে নতুন করে আরো ১৫ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় আনবে সরকার। নতুন করে ৪৪ হাজার কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ করে এ বিপুলসংখ্যক গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় আনা হবে। এ জন্য ‘পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণের মাধ্যমে ১৫ লাখ গ্রাহক সংযোগ’ নামের একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। ‘এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের মোট ৮২ ভাগ মানুষ বিদ্যুতের আওতায় চলে আসবে। ২০১৮ সালে প্রকল্পটির কাজ শেষ হবে। ২০২১ সালের মধ্যে দেশের শতভাগ মানুষকে বিদ্যুত সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রধানমন্ত্রী যে অঙ্গীকার করেছিলেন এ প্রকল্পটির বাস্তবায়ন শেষে তা পূরণে অনেকটাই এগিয়ে যাবে সরকার।’‘প্রকল্পটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েই অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করবে সরকার।’ ‘বর্তমানে দেশের ৭৪ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় রয়েছেন। তবে এখনো দেশের বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষ বিদ্যুতের বাইরে রয়েছেন। বিশেষ করে দ্বীপ বনভূমি, পাহাড়ি এলাকা, জলাভূমি এবং দুর্গম এলাকাসহ প্রায় ১২ শতাংশ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছানো সম্ভব নয়।’ প্রকল্পটির মাধ্যমে ৪৪ হাজার কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ, নতুন উপকেন্দ্র ৮৩টি ও ৩৫টি উপকেন্দ্র আপগ্রেড করা হবে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, জনগনের জীবনমান উন্নত হচ্ছে, সভ্যতার প্রধান উপাদান জ্বালানী সমস্যার সমাধান হচ্ছে, ইলেকট্রোনিক সামগ্রী দেশেই উৎপাদন হচ্ছে, চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত হচ্ছে। স্বাধীনতার মর্ম জনগনের মধ্যে প্রোথিত হচ্ছে, দেশ সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য কমে আসছে। জনগন দেশপ্রেমে উদ্ভোদ্ধ হচ্ছে, জন আখাংকার প্রতিফলন সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপে পরিস্ফুটিত হচ্ছে। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর প্রতিটি সিদ্ধান্ত, পদক্ষেপ, গ্রহন, বর্জনের মধ্যে যে দৃডতার মনোভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে এই দৃডতাই বাংলাদেশের অগ্রগতির পথ রচনা করে দিচ্ছে। তিনি একদিকে জনগনকে স্বপ্নে বিভোর করছেন, অন্যদিকে স্বপ্ন পুরনের দিকনির্দেশনা দিয়ে জনগনের ঘুম ভাঙ্গাচ্ছেন। জনগন তাঁদের সকল শক্তি উজাড় করে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন। সরকারের কঠিন সিদ্ধান্ত সমুহ বাস্তবায়নে অন্তরের সকল প্রেম উজাড় করে দিয়ে সহজে করার পথ রচনা করছেন। প্রকৃতই তিনি জনগনের নেত্রী, দেশের নেত্রী, বিশ্বনেত্রীর ভুমিকায় অবতির্ন্ন হয়েছেন। ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥জয়বাংলা♥♥ জয় বঙ্গবন্ধু♥ জয়তু জাতির জনকের কন্যা ♥প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা♥
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
পাগল হয়ে গেল নাকি !!! ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, 'দুর্নীতি আর লুটপাটের মাধ্যমে বর্তমান সরকার দেশকে একেবারে ধ্বংস করে দিচ্ছে। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে সরকার কোটি কোটি টাকা লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। দেশকে ধ্বংস করেই তারা বিদায় হবে।' এটা কোন কথা হইল! বিএনপির সব নেতা কি দিন দিন পাগল হয়ে যাচ্ছে? চরম শত্রু ও বলেনা সরকার লুটপাট করতে পারে। সরকার পরিচালনায় অংশ নেয়া কোন কোন ব্যক্তি বিশেষ হয়তো লুটপাট করতে পারে।সুনির্দিষ্ট করে, তথ্য প্রমান সহ উপস্থাপন করলে হয়তো তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা করা যেত।হাওয়ায় উড়িয়ে কোন বক্তব্য বিবৃতি দায়িত্বশীল ব্যক্তি বিশেষের দেয়া কি উচিৎ? সরকারের সবাই যদি লুটই করে দুর্নীতিতে -আন্তজাতিক সংস্থা সমুহের জরিপের ফলাফলে এত পিছনে কেন? আপনাদের সময় কোন লুট হয়নি,সবাই ফেরেস্তা ছিলেন,পাঁছ বছরের শাষনে পাঁছবার চ্যাম্পিয়ন কেন হলেন? অভিযোগ উত্থাপন করা বিরুধী দলের দায়িত্ব ও কর্তব্য। তাই বলে অভিযোগের সুনির্দিষ্টাতাও থাকবেনা? মুল ব্যপারটি হচ্ছে তাঁদের রাজনীতির বর্তমান যে অবস্থা -ক্ষমতা সুদুরপরাহত ;নির্গাত বুঝতে পেরে মাথা কারো ঠিক নেই। ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ জয় বাংলা বলে আগে বাড়ো জয়তু জাতির পিতার কন্যা ♥ দেশরত্ম শেখ হাসিনা♥
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
রাজনীতির সাথে অর্থনীতির সার্থক সমন্বয় সাধন ~~ মহাজোট সরকারের সফলতার মুল কারন*** ♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥♥♥♥♥♥♥♥ মুলত: উনিশ শতকের প্রারম্ভে রাষ্ট্র ব্যবস্থা বা রাজনীতি প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে। তাঁর আগে নগর কেন্দ্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা বা নগর রাষ্ট্র, ছোট ছোট সমাজ ভিত্তিক রাষ্ট্র কাঠামোর অস্তিত্বের সন্ধান পাওয়া যায়। উনিশ শতকের বিপ্লবী মতবাদের ¯স্রষ্টা কার্ল মার্কস এর মতে, রাজনীতি হচ্ছে অর্থনীতির অন্তনীহিত অংশ। অর্থনীতির ভিত্তির উপর রাজনীতি নির্ভরশীল। অর্থনীতি সুদৃড না হলে রাজনীতি বা রাষ্ট্র ব্যবস্থা টিকে থাকেনা। অর্থনৈতিক অবস্থাই রাজনীতির ভিত্তি মুল। এক কথায় মার্কসীয় তত্ত্ব অনুসারে অর্থনীতিই হচ্ছে রাজনীতির নিয়ামক বা পরিচালক। শ্রেণিবিভক্ত সমাজে উৎপাদিকা শক্তি হিসেবে উৎপাদনযন্ত্র অর্থাৎ জায়গা জমি,কলকারখানা ইত্যাদির উপর শ্রমিক শ্রেণির অংশিদারিত্ব না থাকার সুযোগে রাষ্ট্র ও রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে বুর্জোয়া ধনিক শ্রেণি। বুর্জোয়া রাষ্ট্রব্যবস্থার অবসান, সামাজিক মালিকানা প্রতিষ্ঠা এবং শ্রেনীহিন, সাম্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠা রাজনীতির মর্মকথা হয়ে উঠে উনিশ শতকের প্রথমার্ধ থেকে। প্রথমোক্তটির গুনে গড়ে উঠে সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারনবাদ, সামন্তবাদী বুর্জুয়া ধনিক শ্রেনী কতৃক শাষন শোষনের নতুন মতবাদ। শঠতায় নিমজ্জিত এই শ্রেনী নীজেদের পরিচিতি--আপন গোত্রের নামে না রেখে 'গনতন্ত্রের' নামটি ধারন করে (মুলত সামন্তবাদ)। একের পর এক রাজ্য দখল করে শাষন শোষনের নতুন নতুন ক্ষেত্র আবিস্কারের পর--ভিন্ন ভিন্ন রাজ্যে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে গনতন্ত্রকে সংজ্ঞায়িত করে।তাঁদের শাষন শোষন অব্যাহত রাখতে গ্রহন করে জোর যার মুল্লুক তাঁর নীতি। এই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রের মালিকানা বংশানুক্রমিক অর্থাৎ রাজা মারা গেলে যুবরাজ রাষ্ট্রের শাষনভার পাওয়ার অধিকারি হতেন। ক্ষমতাসীনদের আশেপাশের প্রত্যেকটি পরিবার এবং তার সুবিধাভোগীরা হতেন ক্ষমতাবান অভিজাত শ্রেণি। দ্বিতীয়টির উৎসমতে শ্রেণিভেদ লোপ না পেলেও বিশেষ করে ইংল্যান্ডে গণতান্ত্রিক আন্দোলননের মাধ্যমে রানীর শাষনস্থলে জনপ্রতিনীধি কতৃক শাষন এবং ফরাসি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের উপর জনগণের ক্ষমতা অব্যাহত গতিতে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। আমেরিকার স্বাধীনতা ও লিখিত আকারে সংবিধান এই প্রক্রিয়াকে অনেকটাই অগ্রসর করে দেয়। অনেক স্থানে রাজতন্ত্র উচ্ছেদ হয়ে প্রজাতন্ত্র কায়েম হয়। অনেক স্থানে মার্ক্সীয় মতবাদের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে নতুন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। কেবল তাত্ত্বিকভাবেই নয় বাস্তবে রাষ্ট্র শাসনে জনগণের অংশগ্রহণ, নির্বাচন ব্যবস্থা, সরকারের জবাবদিহিতা প্রভৃতি ক্রমেই বিকাশমান গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়ায়। উনিশ শতকের প্রারম্ভে কেবল পুরুষের সীমিত ভোটাধিকার ছিল। ক্রমশ: তাহা প্রক্রিয়াগত সংস্কারে সর্বজনীন ভোটাধিকারের রীতিতে উন্নিত হয়, যাহা জনগনের আন্দোলন সংগ্রামের ফসল হিসেবে অর্জিত। অনেকগুলো দেশে বিশেষ করে আমেরীকা ও বৃটেনে বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে নারীর ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। নারী নির্বাচিত হওয়ার অধিকার বিংশ শতাব্দীতে অর্জিত হলেও রাষ্ট্রক্ষমতায় এখনও কোন কোন দেশে সমান অংশীদারিত্ব অর্জিত হয়নি। গনতন্ত্রের ধ্বজাধারী আমেরীকায় এই পয্যন্তও কোন নারী প্রেসিডেন্ট হতে পারেনি।বৃটেনে মার্গারেট থ্যাচার ছাড়া সম্ভবত:আর কোন নারী নেতৃত্ব উল্লেখ করার মত আসেনি। এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শিশু গনতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র হলেও জেন্ডার সমতায় বিশ্বের সকল দেশকে পেছনে পেলে উদার গনতান্ত্রিক চর্চায় এবং নারীর অংশিদারিত্বে শীর্ষস্থানটি দখল করে নিতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার থেকে রাষ্ট্রক্ষমতার সর্বোচ্চ পয্যায় পর্যন্ত জনগণের সচেতন সক্রিয় অংশগ্রহণ, জনকল্যাণে রাষ্ট্রের অবদান, আদর্শবাদ, দারিদ্র বিমোচন, সামাজিক বৈষম্য লোপ, সর্বস্তরে নারীর ক্ষমতায়ন, সংসদে নারীর সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বৃদ্ধি ও সরাসরি নির্বাচন ব্যাবস্থায় উত্তরন, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিগোষ্টির নাগরিক অধিকার রক্ষা, বিশ্বায়ন ও পরিবেশ দূষণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য চিকিৎসা প্রভৃতির জনকল্যান মুলক কর্মকান্ড হয়ে পড়েছে রাজনীতির মুলভিত্তি। অর্থাৎ বাংলাদেশ কল্যান মুলক রাষ্ট্রের দিকে ধাবমান--উন্নয়ন অগ্রগতিকে সর্বচ্ছ অগ্রাধিকার দিয়ে নাগরীকদের জীবনমানে বৈশম্যের অবসান ঘটানোই রাজনীতির উপজিব্য বিষয় হিসেবে স্থীর সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। *লক্ষ স্থীর হওয়ার কারনে রাষ্ট্রের সকল সামাজিক, অর্থনৈতিক সুচক ইতিমধ্যে উধ্বমুখি হওয়া শুরু হয়েছে। দারিদ্রতা কাটিয়ে নিম্নমধ্য আয়ের দেশে রুপান্তরীত হয়েছে, মঙ্গা দূর হয়েছে, শিক্ষা-বিশেষ করে নারী শিক্ষা ও চিকিৎসায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। এই সকল ক্ষেত্রে আন্তজাতিক স্বীকৃতিও হস্তগত করেছে।আন্তজাতিক সংস্থা সমুহে একের পর এক নেতৃত্বের পদে সমাসীন হচ্ছে। এশিয়ার বৃহত্তম গনতান্ত্রীক ফোরাম সমুহে নেতৃত্ব করায়াত্ব করেছে। মুসলিম দেশ সমুহ বিশেষ করে তেল সমৃদ্ধ দেশ সমুহের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক পয্যায় থেকে উন্নততর পয্যায় নিয়ে যেতে সক্ষম হচ্ছে।ফলে তাঁদের দেশে বাংলাদেশী শ্রমিক নিয়োগে বিগত সরকার সমুহের সময়ে আরোপিত নিষেদাজ্ঞা একে একে প্রত্যাহারীত হয়ে কাজের বৃহত্তর পরিসর উম্মুক্ত হচ্ছে।* জাতির জনকও চেয়েছিলেন গনতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র। মালিকানা ঠিক রেখে উৎপাদনে শ্রমিক শ্রেনীর অংশিদারিত্ব। শোষনহীন সমাজ, সামাজিক বৈশম্য রোধ, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা, রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগনের সর্বাধিক অংশগ্রহন নিশ্চিত-সর্বক্ষেত্রে জবাব দিহীতা নিশ্চিত করাই ছিল জাতির জনকের সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পুরনে তাঁর জৈষ্ঠ কন্যা রাষ্ট্রের, সমাজের, অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্রুত সংষ্কার কায্যক্রম গ্রহন করেণ। কায্যক্রমের ফলপ্রসু সিদ্ধান্ত সমুহ বাস্তবায়নে যুগ যুগান্তরের অমিমাংসাসীত বিষয় সমুহ মীমাংসার উদ্যোগ গ্রহন করে সফল ভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন। চিরায়ত কৃষিনির্ভর অর্থনৈতিক ধ্যানধারনার সাথে, শিল্পসমৃদ্ধ অর্থনীতির সংযোগ ঘটানোর নিয়ন্তর প্রচেষ্টায় সফলভাবেই এগিয়ে যাচ্ছেন। ফলত দেশ অতীতের বদনাম গুছিয়ে বিশ্বদরবারে সম্ভাবনার উর্বরভুমি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। গত শতাব্দির শেষের দিকে স্বাধীনতা লাভের অব্যবহিত পর থেকে চলতি শতাব্দির অনেকটা সময় ক্ষুদা দারিদ্রতা, সামাজিক বৈশম্য, অর্থনৈতিক বৈশম্য, দুর্নীতি বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামোকে হুমকির মধ্যে পেলে দিয়েছিল। রাষ্ট্রটি টিকবে কিনা অনেকেই সন্দিহান হয়ে উঠেছিলেন। দারিদ্রতা, দুর্নীতি, নেতৃত্বের অযোগ্যতা, রাষ্ট্র ভিত্তি "গনতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের" অংশ থেকে "প্রজাতন্ত্রকে" আড়ালে রেখে "গনতন্ত্রকে" গ্রহন করার উদম্য বাসনা, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় মুলভিত্তি সমুহকে আড়ালে রেখে প্রভুত্ববাদ কায়েমের চেষ্টা, আন্তজাতিক সংস্থা সমুহে নেতৃত্বের অপারগতা, প্রতিবেশি রাষ্ট্র সহ মুসলিম রাষ্ট্র সমুহের সাথে সম্পর্কের শীতলতা ইত্যাদি প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যার্থতা ও বৈশম্যের সুযোগে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে জম্ম নিতে শুরু করেছিল--নিয়তিবাদ বা অদৃষ্টবাদ,প্রভুত্ববাদ, সাম্প্রদায়িকতা, উগ্রধর্মীয় গোষ্টির উত্থান, জঙ্গিবাদ। সমাজের অশুভশক্তি সমুহ মারাত্মক আকারে রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিল। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাঁদের ফর্মুলা সফলভাবে বাস্তবায়নের কারনে চার দলীয় সরকারকে আধুনীক মুসলিম দেশ(modarete muslim country) উপাদিতেও ভুষিত করেছিল। মুলত: বাংলাদেশকে ব্যার্থ্য রাষ্ট্র বানানোর সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। আন্তজাতিকভাবে বাংলাদেশ উপহাসের উদাহরন হয়ে দেখা দিয়েছিল। সঙ্গত কারনে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে নিতে পেরেছিল একশ্রেনীর বুর্জুয়া সুবিধাবাদি ধনীক গোষ্টি। তাঁরা ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত তত্বাবধায়ক সরকারকে বিতর্কিত ও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় ও ভীতিকর শাষন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল দুইটির দুই শীর্ষ নেতাকে বিতর্কিত, দুর্নীতিবাজ অযোগ্য আখ্যা দেয়ার লক্ষে নতুন ফর্মুলা বাহির করে,""মাইনাস টু ফর্মুলা"".ক্ষমতা দখলের দিনকে ভবিষ্যত প্রজম্মের নিকট বিরত্বের প্রকাশ ঘটানোর লক্ষে নাম দেয়া হয় ""১/১১"" সরকার। তাঁরা ক্ষমতায় আরোহন করেই বিরাজনীতিকরন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে রাজনীতিবীদদের ঢালাও দুর্নীতিবাজ আখ্যা দিয়ে জেলে নিতে শুরু করে।প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, শিল্পপতিদের ভয় দেখিয়ে দেশান্তরীত করার কৌশল গ্রহন করে। সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সমুহকে নিস্তেজ করে প্রতিবাদের উৎসমুখে বরফ ঢেলে দেয়।তিনমাসের তত্বাবধায়ক সরকার দুই বছর আপ্রান চেষ্টা করেও ফল্প্রসু ভীত গড়তে না পারায় জাতিয় নেতাদের মুক্তি দিয়ে সাধারন নির্বাচন ঘোষনা দিতে বাধ্য হয়। অবশ্য এইরুপ পরিস্থীতি সৃষ্টি করে তাঁদের ক্ষমতা দখলের পথটি পরিষ্কার করে দিয়েছিল ফ্যসিস্ট চার দলীয় জোট সরকারের "প্রভুত্ব বাদ" প্রতিষ্ঠা করার লক্ষে নেয়া রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত সমুহ। তাঁদের উদম্য আক্ষাংকা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে জাতি অনেকদুর পিছনে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। ব্যবসায়ী, শিল্পপতিদের সংরক্ষিত মুল্যবান বৈদিশীক মুদ্রা, ডলার, স্বর্ণ বিদেশে পাচার হয়ে অর্থনীতিতে বিরাট সংকটের সৃষ্টি করেছিল। সমকালীন রাজনীতি ও রাজনৈতিক ধ্যানধারনায় একটি বিষয় প্রকট আকারে দৃশ্যমান হয়ে দেখা দিয়েছে "প্রভুত্বতন্ত্র"। মুখে গনতন্ত্রের জন্য মায়াকান্না দেখালেও দলীয় গঠনতন্ত্রকে প্রভুত্বতন্ত্র কায়েমের সকল শক্তির উৎস করে রেখেছেন। এবারকার বৃহৎ বিরুধীদলের কাউন্সিলের আগে দলের দুই শক্তিধর নীতিনির্ধারক পদের নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন বিক্রির চাতুরতার ন্যক্কারজনক এই দৃশ্যটি স্পষ্ট দেখা গেছে। ঐ দুই পদে দলের কোন মেম্ভার ফরম খরিদ করেননি। বিনাভোটে মা-ছেলে দুই জনই নির্বাচিত হয়েছেন। দলের রাজনৈতিক কাঠামোকে মা-ছেলের পায়ের নীছে রেখে দিয়ে প্রতিযোগিতার আহব্বান জানালেই দলে গনতন্ত্র কায়েম হয়ে যাবে? যেখানে তাঁবেদারি সন্তুষ্টির উপর নির্ভর করে দলীয় পদ পাওয়া না পাওয়া, মন্ত্রিত্ব পাওয়া না পাওয়া-- সেখানে তাঁদের সঙ্গে পদের লড়াইতে নামবে নেতারা!! মা-ছেলের পাঁয়ের নীছে বসে জুতা পরিস্কার করে যারা উচচ পদে সমাসীম হবেন --তাঁরা কেন প্রতিদ্বন্ধিতা করে দলীয় প্রভু-ভক্তির প্রতিযোগিতায় পিছনে যাবেন? "ফ্যসিষ্ট শক্তির উৎসস্থলের প্রধান শক্তি জামায়াত কে প্রশ্রয় দিয়ে সন্ত্রাস অরাজগতার বিষবাস্প সমাজের রন্ধে রন্ধে বপন করে অশুভশক্তির আগমনের পথকে সুগম করার চিরায়ত নীতি থেকে দলটি ১/১১ এর বড় রকমের ঝাঁকুনির পরও শিক্ষা নিতে পারেনি। দলীয় কাঠামোতে গনতন্ত্রের চর্চার অভাব রেখে রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে গনতন্ত্রের কথা বলা ফ্যসিষ্ট শাষন কায়েমের পুর্বেকার লক্ষন নয় কি? "গন প্রজাতন্ত্রী "বাংলাদেশের "প্রজাতন্ত্রের" অংশকে আড়াল করার কৌশল স্থীর রেখে রাষ্ট্র খমতা দখল করার ইচ্ছা ভবিষ্যত বাংলাদেশে আর সম্ভব নাও হতে পারে। "" বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যে নির্বাচনী ব্যবস্থায়ও বড় রকমের সংস্কার কায্যক্রম গ্রহন করে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।স্থানীয় সরকার সমুহে দলীয় প্রর্থী ও প্রতিকে নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন। দলীয় সরকারের রাষ্ট্রীয় কায্যক্রম সফল বাস্তবায়নের লক্ষকে সামনে রেখে চিরায়ত নির্বাচনী প্রক্রিয়া ভেঙ্গে অধিকতর জবাবদিহীতামুলক, সকল দল ও সামাজিক শক্তির অংশ গ্রহন নিশ্চিতপুর্বক নির্বাচনী ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন। এই শুভ উদ্যোগও কায়েমী স্বার্থবাদীদের বিরুদীতার মুখে পড়ে নেতিবাচক মন্তব্য ও বিবৃতির কারনে স্বত:স্ফুর্ত অংশগ্রহন বিঘ্নিত হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে যদিও কিছুটা নিস্তেজ, অনানন্দদায়ক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় অচিরেই তা কেটে যাবে আশা করা যায়। আগামী নির্বাচনে স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহন ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হবে ইনশাল্লাহ।নির্বাচন রাষ্ট্রীয় উৎসবে পরিনত হবে।এই মহতি সংস্কারের বিরুদ্ধে অশুভ শক্তির ষড়যন্ত্র নিস্ফল হবে। "" মহাজোট সরকার রাজনীতিকে অর্থনীতির পুরিপুরক বা অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রগতিকে গনতান্ত্রিক ধারায় সংযোগ স্থাপন করে সমাজের সর্বক্ষেত্রে সফল বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। "গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ" সাংবিধানিক ভাবে স্বীকৃত সংবিধানের শীর্ষে উপস্থাপিত ব্যবস্থাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে সর্বক্ষেত্রে জনগনের নির্বাচিত প্রতিনীধির নিকট জবাবদিহীতার অঙ্গিকার পুরনে নিয়ন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।"" মহান মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গিকার, ৩০লক্ষ শহিদের আত্মত্যাগ, প্রায় পৌনে চারলক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলার মহান দায়িত্ব নিয়ে জাতির জনকের কন্যা ২০০৮ইং সালে দায়িত্ব গ্রহন করে। ইতিমধ্যে সফল ভাবে সরকারের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে সংস্কার সাধন পুর্বক অর্থনীতিকে রাজনীতির পুরিপুরক নীতিতে পরিনত করে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন। কায়েমী স্বার্থবাদি চক্রের ষড়যন্ত্রকে অসীম ধৈয্যের সঙ্গে মোকাবেলা করে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত সমুহ বাস্তবায়িত করে চলেছেন।"রুপকল্প ২০২১" সফল বাস্তবায়নের কারনে ইতিমধ্যে দেশ দারিদ্রতা জয় করে নিম্নমধ্য আয়ের দেশে রুপান্তরীত হয়েছে। অচিরেই মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটাতে যাচ্ছে জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা। "রুপকল্প ২০৪১" এর কায্যক্রমও দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সমুহকে নির্দেশনা প্রদান করেছেন। বিদ্যুৎ, সমুদ্রবন্দর, সড়ক ও সেতু, বিমান বন্দর, নৌবন্দর, জ্বালানী সহ আনুষাঙ্গিক বিষায়াদির কয়েকটি বড় বড় প্রজেক্টের কাজ উদ্ভোধন করে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অচিরেই প্রকল্পগুলীর সফলতা দৃশ্যমান হবে। উল্লেখিত সংস্কার এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ও অগ্রগতি-রাজনীতির পরিপুরক হওয়ায় দৃশ্যত অগ্রগতির সফলতায় বিশ্ব আজ হতবাক। তৃতীয় বিশ্বের দেশ সমুহের উন্নয়নের রোল মডেল বর্তমান জাতির জনকের স্বপ্নের বাংলাদেশ।" গন "এর সাথে "প্রজা"র সার্থক সমন্বয়ের কারনেই উন্নতি অগ্রগতি দৃশ্যমান হচ্ছে। গনতন্ত্রকে রাষ্ট্র ও সরকারের সর্বক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির উপর দাঁড় করিয়ে অর্থনীতির সাথে সফল সংযোগ ঘটিয়েছেন। ইতিমধ্যে জনমনেও নতুন ধারনাটি সফল ভাবে উপস্থাপন করে অগ্রগতি সাধনের প্রক্রিয়ার সফলতা দৃশ্যমান করতে পেরেছেন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী। নতুন ধারনার পুরস্কারও বাংলাদেশ নগদেই পেয়েছে--স্বীকৃতি মিলছে বিশ্বজুড়ে। হার্ভার্ড ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে করা ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ‘দ্য গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট, ২০১৫’-তে রাষ্ট্রক্ষমতায় নারীর অবস্থান বিবেচনায় সবাইকে পেছনে ফেলে বিশ্বের এক নম্বরে উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। তথাকথিত সভ্যদুনিয়াকে বিস্মিত করে বাংলাদেশ উদার গনতান্ত্রিক দেশের সাটিফিকেট অর্জনে সক্ষম হয়েছে। জাতির জনক বাঙালী জাতিকে অসীম ত্যাগের বিনিময়ে দিয়েছেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় পতাকা একটি নতুন দেশ"বাংলাদেশ"।তাঁর কন্যা জাতির জনকের আদর্শে উজ্জিবীত হয়ে জাতিকে নিয়ন্তর পরিশ্রমের বিনীময়ে, সদা মৃত্যুর ঝুঁকি উপেক্ষা করে, অশুভ শক্তির প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র ধৈয্যের সঙ্গে মোকাবেলা করে দিয়ে যাচ্ছেন অর্থনৈতিক উন্নতি-অগ্রগতি। রাজনীতিকে গড়ে তুলছেন অর্থনীতির পরিপুরক করে। জনগনের আশা আখাংকার প্রতিফলন ঘটাতে স্বাধীনতার স্বাদ ঘরে ঘরে পৌছানোর লক্ষে --গনতন্ত্রের সঙ্গে অর্থনীতির সমন্বয়ের মধ্যমে দিয়ে যাচ্ছেন সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ। ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ জয় বাংলা♥জয়বঙ্গ বন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা ♥মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা♥
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
সৌজন্যেঃ মুক্তিফৌজ - M.F মশিউর রহমান। (কপি পেষ্ট) Language of the common man in the street ... --বঙ্গবন্ধুকে আত্মস্থ করতে চাইলে priority basis -এ যা গবেষণা এবং বিশ্লেষণ করতে হবে, তা হলো তার বক্তৃতা। বঙ্গবন্ধু প্রতি মিনিটে দু ''শ থেকে আড়াইশো শব্দ তার বক্তৃতায় উচ্চারণ করতেন!! যা সাধারণ মানুষের মনোজগতে আইলার মতো বয়ে যেতো। বঙ্গবন্ধু তার বক্তৃতায় কোন রুপক শব্দ (বাতিনী) ব্যবহার করতেন না। তিনি সহজ কথা সহজভাবে প্রাকৃতজনের (আমজনতা) কাছে তুলে ধরতেন। এটাই ছিল বঙ্গবন্ধুর সহজাত ক্ষমতা যা তাকে বাঙালি জাতির সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তিত্ত্বে পরিনত করেছে। --হ্যামলেটকে একবার তার সতীর্থ জিজ্ঞেস করেছিল, "what are you reading my lord? "। উত্তরে হ্যামলেট বলেছিলেন, "words, words & words!! " সত্যি, শব্দের কি অদ্ভুত ক্ষমতা!! --বঙ্গবন্ধু তার বক্তৃতায় এমন সব শব্দ উচ্চারণ করতেন যার যে কোন একটি শব্দ পাল্টাতে গেলে পুরো বক্তৃতার তাৎপর্যই পরিবর্তন হয়ে যাবে। যেমন, 'দাবায়ে রাখতে পারবেনা "--এই শব্দ গুচ্ছের বিকল্প শব্দ গুচ্ছ ব্যবহার করলে তা আর বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতা থাকেনা। যেন বাংলা শব্দকোষ নির্দিষ্ট করে বঙ্গবন্ধুর জন্য কিছু শব্দ ভান্ডার জমিয়ে রেখেছিল যা শুধু বঙ্গবন্ধুর মুখেই শোভা পেতো। --শিক্ষিত -অশিক্ষিত, ছোট -বড় সবার কাছেই বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য -বিবৃতি ছিল বোধগম্য। কঠিন বাস্তবকেও বঙ্গবন্ধু নির্লিপ্ততার সাথে আলিঙ্গন করে স্বপ্ন বুনে গেছেন সাধারণ জনগনের মুক্তির কথা, বাঙালি জাতির মুক্তির কথা, বাংলা মায়ের মুক্তির কথা। তাইতো অন্নদাশঙ্কর রায় বলে গেছেন -- "যতদিন রবে পদ্মা -মেঘনা -গৌরি -যমুনা বহমান, ততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান। " ★বাংলার কোন এক অখ্যাত কবি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আমার নজরে আসা সবচেয়ে যথার্থ মন্তব্য করে গেছেন (স্যালুট সেই নাম না জানা মুজিব ভক্তকে) -- "মুজিব মানেই মুক্তি, পিতার সাথে সন্তানের, না লেখা প্রেম চুক্তি।
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
৭ই মার্চের ঐতিহাসিক পটভুমি****** ************************ আজ থেকে ৪৫ বছর আগে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ভাষণটি দিয়েছিলেন।১০ লক্ষাধিক লোকের সামনে পাকিস্তানি দস্যুদের কামান-বন্দুক-মেশিনগানের হুমকির মুখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ওই দিন বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন- ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ কী পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু সেই ইতিহাস বিখ্যাত ভাষণ দিয়েছিলেন? ১৯৭০-এর ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। ৭ ডিসেম্বরের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯ আসনের মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পায় ১৬৭টি আসন বাকি ২টি আসন পায় পিডিপি। ৭ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর তৎকালীন সামরিক প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান ’৭১-এর ৩ মার্চ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেন। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের পিপিপি নেতা জেড এ ভুট্টো এবং পাকিস্তান সামরিক চক্র সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের কাছে অর্থাৎ আওয়ামী লীগের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যাপারে ষড়যন্ত্র শুরু করে। ১ মার্চ এই দিনে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের।সারা দেশের মানুষ তাই রেডিও আর টেলিভিশন খুলে বসে থাকলো তার কথা শোনার জন্য।কিন্তু দেশবাসীকে হতাশ করে,ইয়াহিয়ার যায়গায় অন্য আরেকজন এসে ঘোষণা করলো,"পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বাতিল করেছেন।তিনি পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতিকে একটি গভীর রাজনৈতিক সংকট হিসেবে উল্লেখ করেছেন।" তখন তীব্র ক্ষোভে ফেটে পরলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।তিনি বাঙালি জনগণের মুক্তির ডাক দিলেন।সংবাদ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু বলেন এটি কোন গণতন্ত্র নয় বরং এটি পাকিস্তানি শাসকদের স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ মাত্র।আমরা বাঙালিরা ঘৃণাভরে এই ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করলাম এবং ২ মার্চ ঢাকা ও ৩ মার্চ সারাদেশব্যাপী বাংলার সাধারণ মানুষ হরতাল পালন করবে।পরবর্তী দিক নির্দেশনার জন্য আপনারা(বাঙালিরা) ৭ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করুণ। এরপর বাঙালি জাতির ইতিহাসে প্রথমবারের জন্য স্বাধীনতার স্লোগান দিল, “বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো।" শুরু হলো অসহযোগ আন্দোলন ।গঠিত হলো স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। ২ মার্চ ঢাকা এদিন ছিলো হরতালের নগরী, মিছিলের নগরী এবং কারফিউর নগরী।দিনের হাইলাইট ছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের জাতীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল থেকেই মিছিল ছিলো বিশ্ববিদ্যালয়মুখী। স্মরণকালে এমন ছাত্র সমাবেশ দেখেনি কেউ! নিউমার্কেটের মোড় থেকে নীলক্ষেতের সড়ক দিয়ে পাবলিক লাইব্রেরি পর্যন্ত যার বিস্তার। এদিন বটতলায় ওড়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা, ওড়ায় ছাত্রলীগের নেতৃত্বাধীন ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ।সমাবেশ শেষে বিশাল এক মিছিল রড ও লাঠি উচিয়ে ঢাকা শহর প্রদক্ষিন করে। উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে এদিন থেকে পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তান কথাটা একরকম হাওয়া হয়ে যায় বাঙালীদের মুখ থেকে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সন্ধ্যায় তার প্রেস কনফারেন্সে বারবার বাংলাদেশ উচ্চারণ করেন। সারা শহরে সরকারের পেটোয়া বাহিনী হরতাল ঠেকাতে মাঠে নামে। পঞ্চাশ জনের মতো গুলিবিদ্ধ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এদের বেশীরভাগই তেজগাঁও এলাকার। তেজগাঁও পলিটেকনিক স্কুলের ছাত্র্ আজিজ মোর্শেদ ও মামুনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনার পর আজিজ মারা যান। সামরিক আইন প্রশাসকের তরফে এদিন কারফিউ জারি করা হয়। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরদিন সকাল ৭টা পর্যন্ত এই কারফিউ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অব্যহত থাকবে বলে ঘোষণা করা হয়। সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলন করেন শেখ মুজিবুর রহমান যাতে নিরস্ত্রদের উপর গুলি বর্ষণের তীব্র নিন্দা করা হয়। পরদিন ৩ মার্চ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত সারাদেশে অর্ধদিবস (ভোর ৬টা থেকে দুপুর ২টা) হরতালের ডাক দেন মুজিব।পরদিন ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের সঙ্গে বৈঠক শেষে পল্টনে এক সমাবেশের ঘোষণা দেন তিনি। ৩ মার্চ নিহতদের স্মরণে পালন করা হয় শোক দিবস ।পল্টনে ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের সভায় প্রধান অতিথি বঙ্গবন্ধু আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি থাকি আর না থাকি, বাংলার স্বাধিকার আন্দোলন যেন থেমে না থাকে। বাঙালির রক্ত যেন বৃথা না যায়। আমি না থাকলে- আমার সহকর্মীরা নেতৃত্ব দিবেন। তাদেরও যদি হত্যা করা হয়, যিনি জীবিত থাকবেন, তিনিই নেতৃত্ব দিবেন। যে কোনো মূল্যে আন্দোলন চালাইয়া যেতে হবে- অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।” বঙ্গবন্ধু আগেই ঘোষণা করেছিলেন, ৭ মার্চ রোববার রেসকোর্স ময়দানে তিনি পরবর্তী কর্মপন্থা ঘোষণা করবেন। ৪ মার্চ গন বিক্ষোভে টালমাটাল ছিল ৪ মার্চ ১৯৭১। দিন যতই যাচ্ছিল এক দফার দাবী অথ্যাৎ স্বাধীনতার আকাঙ্খার তীব্রতা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছিল । এ দিন সামরিক জান্তার সান্ধ্যআইন ভঙ্গ করে রাজপথে নেমে আসে হাজার হাজার মানুষ । খুলনায় বাঙালী অবাঙালীদের মাঝে সংঘর্ষ হয় এই দিন। ঢাকায় আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় হরতালে দমন পীড়নের নিন্দা জানানো হয় ।লাগাতার হরতালের এই দিনে ঢাকা সহ সাড়া দেশ অচল হয়ে পড়ে ।পূর্ব পাকিস্হান মহিলা পরিষদের নেত্রী কবি সুফিয়া কামাল ও মালেকা বেগম যৌথ বিবৃতিতে ৬ ই মার্চ বায়তুল মোকাররম এলাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের আহব্বান জানান । এই দিনে ঘটে এক গুরুত্বপূর্ন ঘটনা । এই দিনে রেডিও পাকিস্হান ঢাকা'র নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘ঢাকা বেতার কেন্দ্র’। সে দিনের সেই ঘটনা চলমান আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে ।যা আমাদের মুক্তির পথকে এগিয়ে নেয় । ৬ মার্চ ৭ মার্চের একদিন আগে অর্থাৎ ৬ মার্চ জে. ইয়াহিয়া খান টেলিফোনে কথা বলেন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা, আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে। ৬ মার্চ এও ঘোষণা করা হলো যে, ২৫ মার্চ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। পরিস্থিতির চাপে ভীতসন্ত্রস্ত পূর্ব পাকিস্তান সামরিক সদর দপ্তর থেকে বিভিন্নভাবে শেখ মুজিব ও আওয়ামী লীগকে এই মেসেজ দেয়া হয় যে, ৭ মার্চ যেন কোনোভাবেই স্বাধীনতা ঘোষণা না করা হয়। ৭ মার্চ জনসভাকে কেন্দ্র করে কামান বসানো হয়। এমনকি আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়। মেজর সিদ্দিক সালিক তার গ্রন্থে লিখেছেন, পূর্ব পাকিস্তানের জিওসি ৭ মার্চের জনসভার প্রাক্কালে আওয়ামী লীগ নেতাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “পাকিস্তানের সংহতির বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা হলে তা শক্তভাবে মোকাবেলা করা হবে। বিশ্বাসঘাতকদের (বাঙালি) হত্যার জন্য ট্যাংক, কামান, মেশিনগান সবই প্রস্তুত রাখা হবে। প্রয়োজন হলে ঢাকাকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া হবে। শাসন করার জন্য কেউ থাকবে না কিংবা শাসিত হওয়ার জন্যও কিছু থাকবে না।” ৭ মার্চ এমন এক কঠিন সংকটময় পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ৭ মার্চ রেসকোর্সে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের সামরিক কর্তৃপক্ষকে চারটি শর্ত দিয়ে ভাষণের শেষাংশে বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, “এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম।” ***সংগৃহিত********** ♠জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু♠
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের ব্যাপকতার আগে**** আইনী কাঠামোর ব্যাপকতা বেশী প্রয়োজন**** ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ !♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ আইসিটি আইন,৫৭ধারা, সামাজিক সাইট সাময়িক বন্ধকরন--ইত্যকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের উপকরন সমুহ নিয়ে নানাহ ঘটনা প্রবাহ ঘটছে।তথ্যও প্রযুক্তিগত বিষয়ক বিষয়ে নতুন প্রজম্মের নতুন ধারনার শুভলক্ষন সমুহকে জনমানসে ভীতিকর করে তুলতে একশ্রেনীর অপরাধচক্র গড়ে উঠেছে দেশের অভ্যন্তরে এবং দেশের বাইরে। এই কয়দিন আগেও অনেকেই বাহবা দিতে দেখেছি সাইবারযোদ্ধা খ্যাত আন্তদেশীয় হ্যাকার গোষ্টি সমুহকে।বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপুর্ন অফিসিয়াল সাইট সমুহকে হ্যাক করে তাঁরা নাকি সাইবার যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে বাংলাদেশকে জয়ী করছেন,তাঁদেরকে অনেকে ধন্যবাদ দিতে দেখা গেছে।ক্রমবর্ধমান সাইবার হ্যাকারেরা সময়ের পরিক্রমায় সাইবার ক্রিমিনালে রুপান্তরীত হয়ে দেশ ও জনগনের অশান্তির কারন হয়ে দেখা দিতে পারে কয়জনেই বা চিন্তা করেছেন? সম্প্রতি ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর এটিএম কার্ড জালিয়াতির সঙ্গে দেশের প্রভাবশালী ৪০ থেকে ৫০ জন ব্যবসায়ী জড়িত বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম। মনিরুল বলেন, এ ঘটনায় জড়িত বিদেশি নাগরিক থমাস পিটারকে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে আনা হয়েছে। তিনি গত এক বছরে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এসব কাজে দেশের ৪০ থেকে ৫০ জন ব্যবসায়ী জড়িত। তিনি আরো বলেন, এদের মধ্যে মার্চেন্ট, রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী, সঙ্গীতাঙ্গন এবং ব্যাংকারদের বিশাল একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ৩-৪ জনকে শনাক্ত করেছে। বাকীদের ব্যাপরে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এর আগে ইস্টার্ন ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের এটিএম বুথ জালিয়াতির ঘটনায় থমাস পিটারসহ সিটি ব্যাংকের ৩ জনকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। থমাস পিটার জার্মান নাগরিক ছিলেন বলে নিশ্চিত করেন মনিরুল ইসলাম। এই বিদেশি নাগরিক জাল পাসপোর্ট ব্যবহার করতেন। শাহাজালাল বিমান বন্দরে বিপুল পরিমান এটিএম কার্ড় পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান এর বক্তব্য থেকে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে অপরাধিরা তথ্য প্রযুক্তিতে সাধারনের চেয়ে অগ্রগামি।তিনি এক সেমিনারে বলেছেন,---"অর্থ কার্যক্রম যত বেশি অটোমেশন তথা ডিজিটাল হবে, তত ঝুঁকি বাড়বে। সাইবার হ্যাকাররা আমাদের চেয়ে বেশি স্মার্ট। এজন্য সবধরণের নিরাপত্তা ফায়ার-ওয়াল নির্মাণ করতে হবে। বুধবার এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে মোবাইলের মাধ্যমে যাতে ভ্যাট দেওয়া যায় সে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য এনবিআরের প্রতি আহ্বান জানান গভর্নর। দেশ ডিজিটালের দিকে যতই ধাবিত হচ্ছে, অপরাধ মাত্রায় ততই নতুন নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে।আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যে হারে টাকা গায়েব হওয়া শুরু হয়েছে এতে এই খাত বিপয্যয়ের মুখে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। আমাদের তথাকথিত বুদ্ধিজীবি গন আইসিটি আইন প্রনয়ন করতে গেলে হৈ হৈ শুরু করে দেন।সম্প্রতি মোবাইল রেজি: এর জন্য আঙ্গুলের চাপ কেন নেয়া হচ্ছে, এক হাইকোর্টের উকিল সাহেব রিট পিটিশন দায়ের করে দিয়েছেন।মামলা করা উকিল সাহেবের নাগরিক অধিকার স্বীকার করি। দুস্কৃতিকারিদের হাত থেকে আমার ছবি বিকৃতকরন,আমার ব্যাংক একাউন্ট এবং সঞ্চিত টাকার হেফাজত,অদ্ভুত ধর্মীয় কাহীনি প্রচার করে আমার ধর্ম বিশ্বাসের মুলে কুঠারাঘাত করন ইত্যাদি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আরও কঠিন আইনি ব্যবস্থাপনা চাই।আমার চাওয়ার মুল্য কি রাষ্ট্র বাধ্য নয়? আমার একটি জিজ্ঞাসা, কোন দেশে,কখন, কি করে নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষা করতে পেরেছে আইনী বেষ্টনি ছাড়া? দারিদ্রতা বিমোচনের জন্য রাষ্ট্র যেমন কোটি কোটি টাকা ভুর্তুকি দিয়ে সামাজিক বেষ্টনি নির্মান করে সফল হয়েছেন,তেমনি আইসিটি বলি আর ডিজিটাল বলি,-এটিকেও কঠোর আইনী বেষ্টনীতে নিয়ে আসতে হবে। দুস্কৃতকারিরা বিদেশ থেকে প্রযুক্তি এক্সপার্ট আমদানী করে, প্রযুক্তি সাইট ভাড়া নিয়ে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদী কায্যক্রম পরিচালনা করবে, বাংলাদেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমুহ লুটপাট করে সব টাকা নিয়ে যাবে অথছ তাঁদের শাস্তি দেয়ার জন্য কঠোর আইন প্রনয়ন করা যাবেনা ইহা কিছুতেই একটা স্বাধীন সার্বভৌম দেশে সম্ভব হতে পারেনা। ৫৭ ধারা এবং সামাজিক সাইট গুলি কিছুদিন বন্ধ থাকাকালিন যে সমস্ত ব্যক্তিবর্গ ভিন্ন উপায়ে ঐ সমস্ত সাইট সমুহ চালু করে বিভিন্নধরনের ব্যঙ্গোক্তি করেছেন,ভঙ্গচিত্র এঁকে উস্মা প্রকাশ করেছেন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁদের চিহ্নিত করে ধরা হলে দেখা যাবে বেশির ভাগই জঙ্গি অথবা জঙ্গীবাদের সমর্থক।তাঁরা এবং তাঁদের সমর্থক মধ্যরাতের টকবাজেরা চায়না, আইনী কঠোরতায় তাঁদের অপরাধ প্রবনতায় ভাটা পড়ুক,তাঁদের অপরাধ কর্মে কোন বিঘ্ন ঘটুক। দেশের নাগরীকেরা চায় শান্তি, স্থীতিশীলতা,সম্পদ আহরন ও আহরীত সম্পদ সুরক্ষার গ্যারান্টি।রাষ্ট্র সাংবিধানীক ভাবেই বাধ্য নাগরীকের জানমাল,ইজ্জত সম্মান রক্ষায় যথা সময় যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করুক রাষ্ট্র।সুতারাং গুটিকতক মধ্যরাতের টকবাজের সমালোচনায় এই খাতে বার বার সরকার আইন প্রনয়নে উদ্যোগ নিয়ে পিছনে হঠে যাওয়া কোন অবস্থায় সুখকর হতে পারেনা। যারা বলে মতপ্রকাশে বাধা দেয়ার জন্য সরকার আইন প্রনয়ন করছে, বা মতপ্রকাশের অধিকার সরকার হরন করছে-- মতপ্রকাশের অধিকার না থাকলে এই কথাটিই তিনি কিভাবে জনসমক্ষে প্রচার করছেন? অবিলম্ভে আঞ্চলিক বা আন্তদেশীয় সরকারি উদ্যোগ গ্রহন করে সাইবার অপরাধ দমনে কায্যকর উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।তথ্য ও প্রযুক্তিকে জনকল্যানে নিবিড়ভাবে উপভোগ্য করতে কঠোর আইনী বেষ্টনী গড়ে তোলা সময়ের দাবী।মান্ধাতার আমলের প্রেস ও পাবলিকেন্সনস আইন দিয়ে বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল উপভোগের চিন্তা দেশকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ****************************** !**************************-** ♥♥জয় বাংলা♥♥জয় বঙ্গবন্ধু♥♥ জয়তু জাতির জনকের কন্যা ♥দেশরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা♥
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
রক্তঝড়া, অগ্নিঝরা প্রতিরোধের মাস মার্চ। ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ১৯৭১ সালের এই মাসে তীব্র হয় স্বাধীনতার আন্দোলন। এরপর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞের অনিবার্য পরিণতিতে শুরু হয় বাঙালি জাতির প্রতিরোধের লড়াই, স্বাধীনতার লড়াই, মুক্তিকামী জনতার মহান মুক্তিযুদ্ধ।২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা। অর্থাৎ ২৫শে মার্চের মধ্য রাতের পর। বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তারের আগেই ইপিআরের ওয়ারলেস ম্যাসেজে তিনি ঘোষনাটি বিশ্ববাসির উদ্দেশ্যে দিয়ে যান। হাজার বছরের ইতিহাসে বাঙালী তার আত্মপরিচয়ের সন্ধান পেল এই মার্চ মাসেই।একাত্তরের অগ্নিঝরা মার্চ। কয়েক শতাব্দীর ঔপবিনেশিক দুঃশাসনের পথ পেরিয়ে ১৯৪৭ সালে ‘পাকিস্তান’ নামে বাঙালীর ভাগ্যে যা জুটেছে, তা ভিন্নরূপে আরেক অপশাসন, নির্যাতন আর বঞ্চনা ছাড়া কিছুই নয়। এশুধু মাত্র উপনিবেশিক শোষনের হাত বদল।বাঙালী জাতি ওই শোষণ-বঞ্চনার হাত থেকে মুক্তি পেতে নেমে পড়ে রাজপথে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সীমাহীন দেশপ্রেম, তুলনাহীন রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, অসীম সাহস, দূরদর্শিতা আর দৃঢ় নেতৃত্বে এই পলি মাটির ভূখন্ড একাত্তরের মার্চে এসে অগ্নিগর্ভ রুপ ধারন করে। অগ্নিঝরা মার্চের দ্বিতীয় দিনে ঢাকাসহ পুরো দেশ পরিণত হয়েছিল এক বিক্ষুব্ধ জনপদে। এদিন ওড়ানো হয়েছিল মানচিত্র খচিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পতাকা। এর আগের দিন ১ মার্চ পাকিস্তানের তৎকালীন শাসক ইয়াহিয়া খান এক ফরমানের মাধ্যমে জাতীয় পরিষদ অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেন।সারা পুর্ব বাংলা বিক্ষোবে ফেটে পড়ে। অবৈধ এবং স্বৈরাচারী ঘোষণায় বাঙালী জাতির কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সংখ্যা গরিষ্ঠের প্রতিনিধিরা ক্ষমতায় যেতে পারবে না। স্বাধীনতার আন্দোলন শুরু করা ছাড়া অধিকার আদায়ের কোন বিকল্প নেই। পাকিস্তানী শাসকদের এই মনোভাবের বিস্ফোরণ ঘটেছিল ২ মার্চ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজার হাজার ছাত্র এদিন বটতলায় জমায়েত হন। বটতলার সমাবেশে ইয়াহিয়ার স্বৈরাচারী ঘোষণার ধিক্কার জানানো হয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। বটতলার ঐতিহাসিক সমাবেশে তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আসম আবদুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকাটি উত্তোলন করেন। স্বাধীনতা সংগ্রামের ৯ মাস এই পতাকাই বিবেচিত হয়েছে আমাদের জাতীয় পতাকা হিসেবে।পতাকা উত্তোলনের দিনটিকে মুক্তিযুদ্ধের এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার টার্নিং পয়েন্ট বলা যায়। এদিকে বঙ্গবন্ধুর ডাকে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আহূত ৭ মার্চের ঐতিহাসিক জনসভা সর্বাত্মকভাবে সফল করার প্রস্তুতি চালায় আওয়ামী লীগ। এই জনসভাকে কেন্দ্র করে মুক্তিপাগল বাঙালীর মধ্যে এক অন্য ধরনের গণজাগরণের সৃষ্টি হয়। পাক হানাদার বাহিনীর কর্তাব্যক্তিদের ললাটেও তখন চিন্তার বলিরেখা। ওই জনসভায় বঙ্গবন্ধু কি স্বাধীনতার ডাক দেবেন? দিলে কি পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে-এ নিয়ে পাকিস্তানের উভয় অংশে তোলপাড় চলছিল। ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে জঙ্গিবিমান কয়েক দফা চক্কর দেয় জনসভাস্থলের উপর দিয়ে। একদিকে জনসভার প্রস্তুতি, অন্যদিকে গোটা দেশেই উত্তাল আন্দোলন-বিক্ষোব রীতিমতো অগ্নিগর্ভ করে তোলে পুর্ব বাংলাকে।প্রতিটি বাঙালীর চোখে-মুখে একই প্রত্যাশা- পাকিস্তানী দখলদারদের হটিয়ে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। আর সেই লক্ষ্য পূরণেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙলার দামালছেলেরা, কৃষক,শ্রমিক আবাল বৃদ্ধ বনিতা সশস্ত্র প্রতিরোধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। শুরু হয় স্থানে স্থানে সামরিক ট্রেনিং।ঢাকা ইউনিভারসিটির মেয়েরাও বাদ ছিলেননা যুদ্ধ প্রস্তুতিতে। আমাদের ভুলে গেলে চলবেনা, মুক্তিযুদ্ধ একদিনের বা একঘোষনার ফসল নয়।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু তিলে তিলে জাতিকে গড়ে তুলেছেন স্বাধীনতার মন্ত্রে।প্রকাশ্য অ-প্রকাশ্য বহু কর্মকান্ডই ঘটেছিল পাকিস্তানী শাষনের ২৩ বছরের দীর্ঘ ইতিহাসে।বঙ্গবন্ধু যাকে যে দায়িত্ব দিয়েছিলেন সে সেই দায়িত্বের বাহিরে অন্য কিছু জানার সুযোগ ছিলনা বা বঙ্গবন্ধু জানার সুযোগ দেননি। ৬৬ইং সালেই ঢাকা ইউনিভারসিটি কেন্দ্রিক স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য ছাত্র নেতাদের মধ্য থেকে শেখ মণির নেতৃত্বে নিউক্লিয়াস গঠন করে যুদ্ধ প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেন। তৎসময়ের কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কোন নেতাই জানতেননা। পাকিস্তান সেনা বাহিনীর বাঙ্গালী সেনা অফিসারদের মধ্য থেকে একদল বিশ্বস্ত সেনা অফিসারকে আগড়- তলা পাঠিয়ে ভারতের অবস্থান এবং করনীয় নিশ্চিত হয়েছেন ইহা কি কেউ জানতেন? মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন অগ্নিঝরা মার্চ উপলক্ষে প্রতিদিনই নানা কর্মসূচী পালন করবে। এসব কর্মসূচীর মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি, যুদ্ধাপরাধী ও পাকিস্তানের দালালদের ঘৃণা-ধিক্কার ও প্রতিরোধের মন্ত্রে উজ্জিবীত করা হবে।আগামী প্রজম্মকে জানানো হবে বাঙ্গালী জাতিসত্তা ও বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস। ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥জয় বাংলা ♥ জয় বঙ্গ বন্ধু♥
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
অগ্নিঝরা মার্চ--বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষন-- স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয়>>>> ♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥♥♥♥♥♥♥♥♥ বছর ঘুরে অগ্নিঝরা মার্চমাসটি প্রতিবারের মত আবারো এসে গেছে বাঙ্গালী হৃদয়ে প্রতিবাদের,সংগ্রামের, বিপ্লবের এক অবিস্মরনীয় মাস হয়ে। এই মাসেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ২৩বছরের সংগ্রাম,সাধনার পরিপুর্নতা পেয়েছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরু এবং অবিস্মরনীয় বিজয়ের মাধ্যমে।এই মাসেই বাঙ্গালী তাঁর বিরত্বের ঢালা মেলে ধরার সুযোগ পেয়েছিল।এই মাসের ৭তারিখে পেয়েছিল স্বাধীনতার দিকনির্দেশনা মুলক প্রেরনাদায়ি অমুল্য এক যুগান্তকারি ভাষন।এই মাসেই পাকিস্তানী হায়নার দল বাংলাদেশ আক্রমন করে গনতান্ত্রিক আন্দোলন বানচাল করার জন্য পোড়ামাটি নীতি গ্রহন করেছিল।এই মাসেই স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিলেন শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।এই মাসেই শুরু করেছিল বাঙ্গালী তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধ। আর এই মহান মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধুর নামেই পরিচালিত হয়েছিল। যুদ্ধকালে গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার 'মুজিব নগর সরকার' নামেই পরিচিত ছিল। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ শুরু করার জন্য পাকিস্তান সরকার শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগকে এককভাবে দায়ী করেছিল। পাকিস্তান রাষ্ট্রকে ভেঙ্গে স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টি করবার পথ সুগম করার অপরাধে পাকিস্তানী সামরিক সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে মৃত্যুদণ্ড দিতে বদ্ধপরিকর হয়েছিল। কিন্তু বিশ্বজনমতের ভয়ে সেই দণ্ড কার্যকর করতে পারেনি। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পরই শেখ মুজিবকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল। বাংলাদেশ এক ঘোষণায় স্বাধীন হয়ে গেছে যারা ভাবেন, তারা আসলে এদেশকেই মেনে নিতে পারেন না বা ইতিহাসের বিরুদ্ধে অবস্থান করে পরাজিত শক্তির পক্ষাবলম্বন করেন। বঙ্গবন্ধু ধীরে ধীরে বাঙালি জাতিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন। তাঁর সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো তিনি আমাদের বাঙালি জাতিসত্তাকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এই প্রক্রিয়া হঠাৎ করে শুরু হয়নি। বাঙালির দীর্ঘদিনের আত্মানুসন্ধান, দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও সংগ্রামের অমোঘ পরিণতি হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। বিস্ময় জাগে বৈকি এখন যে, এই ভূখণ্ড যেটি ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর প্রথমে 'পূর্ববাংলা' এবং পরে 'পূর্বপাকিস্তান' নামে পরিচিত ছিল, সেটিকে ১৯৬৯ সালে 'বাংলাদেশ' বলে ঘোষণা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই জাঁদরেল পাকিস্তানী সামরিক শাসক গোষ্ঠীর ভ্রূকুটি উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু এই নামটি বেচে নিয়েছিলেন। প্রত্যেক সভায় বাংলাদেশের নাম বলেই বক্তৃতা দিতেন।তিনিই এদেশের রাজনীতিকে মধ্যযুগীয় ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক আবর্ত থেকে উদ্ধার করে আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ ধারায় প্রবাহিত করার উদ্যোগতা।অন্য আরো অনেকেই ছিলেন, "শেখ মুজিবের অবদান ছিল অনন্য।" বাংলাদেশের মানুষের সম্মিলিত ইচ্ছার ধারক বাহক ছিলেন বঙ্গবন্ধু। যে জাতীয় চেতনার উন্মেষের ফলে আমাদের ছোট বেলার সময়কালে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের আবির্ভাব ঘটেছে, সেই জাতীয় চেতনার উন্মেষের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান অবিস্মরণীয়।১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাঙালি মুসলমানদের রাজনৈতিক ও সমাজ চিন্তায় অভূতপূর্ব পরিবর্তন সাধিত করেছিলেন একমাত্র বঙ্গবন্ধু। পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী তার প্রতিই একক নেতা হিসেবে বৈষম্যমূলক আচরণ শুরু করেছিলেন। তাকেই বার বার জেলে পুরেছেন,তাঁরজন্যই আগরতলা মামলা সাজিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেছিলেন। ২৫ শে মার্চ তাঁকেই বন্দী করে পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে নিয়েছিলেন। ৭ই মার্চের স্বাধিনতার দিক নির্দেশনামুলক ভাষন শুধু বঙ্গবন্ধুই দিয়েছিলেন।লাখো জনতা সে দিন বঙ্গবন্ধু কি বলেন সেই দিকেই মনোনিবেশ রেখেছিলেন।তিনিই বজ্রকন্ঠে বলেছিলেন, "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম।এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।" ৭০ এর সাধারন নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বেই আওয়ামী লীগ মাত্র দুইটা আসন ব্যতিরেকে তৎকালীন পুর্ব পাকিস্তানের সব কয়টি আসনে বিজয়ী হয়েছিলেন। নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তিনিই বাঙ্গালী জাতির একক নেতৃত্বদানকারি নেতা হিসেবে দেশে বিদেশে স্বীকৃত ছিলেন। ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে তিনিই স্বাধীনতা ঘোষনা করেছিলেন।অব্যবহিত পরেই তাঁকেই বন্দি করে পাকিস্তানে নিয়ে গিয়েছিল সামরীক জান্তা।তাঁকেই বন্দি করে কারাগারের অভ্যন্তরে বিচারে ফাঁসীর রায় দিয়েছিল। তিনিই মুক্তিযুদ্ধের নয়মাস কারাগারে ছিলেন। বিশ্ব মিডিয়া ২৬/২৭ তারিখ বারবার প্রচার করেছিল,"২৬শে মার্চ মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেছেন। তাঁর অনুপস্থীতিতে বাঙালীরা পাকিস্তান্যি সেনাবাহিনীকে পদে পদে প্রতিরোধ শুরু করেছে।" বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত একমাত্র ব্যাক্তি তাজ উদ্দিনের সঙ্গেই ভারতের প্রধান মন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী প্রথম আলোচনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন এবং আলোচনায় বসেছিলেন।স্বাধীনতার পর পাকিস্তানী কারাগার থেকে মুক্তির পর দেশে আসার প্রাক্কালে বৃটেনের বিশেষ বিমান তাঁর জন্যই পাঠিয়েছিলেন। তাঁকেই বিভিন্নদেশ অভিনন্দন পত্র দিয়েছিল। বিমানের যাত্রা বিরতিতে তাঁকেই বাংলাদেশের জাতির জনকের মায্যদায় বিদেশী রাষ্ট্র সমুহ বিমান বন্দরে অভ্যর্থনা জানিয়েছিল। তাঁর ডাকেই মুক্তিযুদ্ধারা তাঁরই পায়ের নীছে অস্ত্র সমর্পন করেছিল।তাঁর ডাকেই মুক্তিযোদ্ধারা দেশ গঠনে ঝাপিয়ে পড়েছিল। তিনিই রাজাকার আলবদরের বিচারের জন্য আন্তজাতিক যুদ্ধাপরাধী ট্রাইবোনাল গঠন করে বিচার কায্য শুরু করেছিলেন।তাঁর সরকারের সাথে চুক্তি করেই পাকিস্তানী বন্দি সেনাসদস্যদের ফিরিয়ে নিয়ে বাঙ্গালী বেসামরিক বাসিন্দাদের ফেরৎ দিয়েছিলেন পাকিস্তানের সারকার।তাঁর সরকারকেই বিশ্ববাসি স্বীকৃতি দিয়েছিল,তাঁর নামেই বিদেশী সরকার সমুহ উপঢৌকন পাঠিয়ে মৈত্রীচুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছিলেন। "তিনিই বাংলাদেশের জাতির জনক। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, বাঙ্গালী জাতির মুক্তিদাতা, স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা, বাঙ্গালী জাতীয়তা বোধের উম্মেষকারী,স্বাধীন বাংলা দেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান"। ♥♥♥♥♥♥♥♥♥ জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সরকারের উদ্যোগ--জন বিচ্ছিন্ন বিরুদী দলকে উজ্জিবীত করতে পারেনি-- ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ এবারই প্রথম সরকার এবং নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠ ও গ্রহনযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য বেশ কিছু নতুন রীতিনীতি প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।দলীয় মনোনয়নে স্থানীয় নির্বাচনে অভিজ্ঞতা না থাকায় সাধারনে কিছু ভুল বুঝাবুঝি আছে। তা কাটিয়ে উঠার জন্য সরকার আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে- সাধারনে দৃশ্যমান করার জন্য বেশ কিছু তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন নির্বাচন কমিশন। দেশের বিরুদীদলের নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা, দোদল্যমানতা, মনোবল, দলের প্রতি আন্তরীকতা, দীর্ঘদিন ক্ষমতা না পাওয়ার আশংকা, সংগ্রামী লড়াকু মনোভাবের ঘাটতি হেতু নির্বাচন প্রতিযোগিতা মুলক হবে বলে মনে হয়না। দেশের কোথাও সংঘটিতভাবে বিএনপির প্রর্থীরা মনোনয়ন দাখিলের খবর পাওয়া যায়নি। এই সুযোগটি সরকারি দলের নেতৃবৃন্দ বেশ ভাল ভাবেই কাজে লাগানোর চিন্তায় আছেন। ইতিমধ্যে নীজেদের আত্মীয় স্বজনকে মনোনয়ন দিয়ে মাঠে নামিয়েছেন। গ্রহনযোগ্যতার অভাবে তাঁরাও নির্বাচনী আমেজ আনতে সক্ষম হচ্ছেননা। সর্বত্র আনন্দঘন পরিবেশের স্থলে বিস্বাদময় পরিবেশ বিরাজমান। সরকারি দলের প্রভারের বিপরীতে কোথাও কোথাও নিয়মতান্ত্রীক প্রতিবাদের সুযোগ থাকা সত্বেও বিচ্ছিন্ন ভাবে চোরাগুপ্তা হামলা চালানোর খবর পাওয়া যাচ্ছে। নীতি নৈতিকতাহীন নেতৃত্ব জনসম্পৃত্ত কর্মসুচিতে ভয় পেয়ে নির্বাচন কমিশনের অফিস ভাংচুরের মত সরকারি সম্পদ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এদিকে সরকার এবং নির্বাচন কমিশন সর্বশক্তি নিয়োগ করেও ফললাভ হবে বলে মনে হয়না।নিস্তেজ বিরুদীদলকে সতেজ করে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সরকারি উদ্যোগ যথাযথ হলেও তৃনমুলের নেতৃত্বে কোন প্রভাব রাখতে সক্ষম হচ্ছেনা। সর্বত্র গাবাঁচিয়ে চলার মনোভাবের রোগে ধরেছে বিরুদীদলের তৃনমুলে। কেন্দ্রীয়ভাবে নেতিবাচক প্রচারনা বন্ধ করে কর্মী উজ্জিবীত করার প্রক্রিয়া গ্রহন না করা পয্যন্ত বিএনপিকে দিয়ে আর নির্বাচন,আন্দোলন,সংগ্রাম কিছুই সম্ভব হবেনা।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নেয়া কতেক পদক্ষেপ তুলে ধরছি----- (১) প্রথমধাপের দু’টি ইউপির ভোট বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। উচ্চ আদালতের নির্দেশে দু’টি ইউপির ভোট বাতিল করা হয়েছে। ইউপি দু’টি হলো-ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মুজিবনগর ও লালমোহন উপজেলার রামগঞ্জ। (২) গত ১১ ফেব্রুয়ারি ৭৫২টি ইউপির তফসিল ঘোষণা করে ইসি। এর মধ্যে নানা জটিলতায় ১৪টি ইউপির ভোট বাতিল আগেই করা হয়। বর্তমানে ৭৩৬টি ইউপিতে ২২শে মার্চ ভোট হবে। (৩) দ্বিতীয় ধাপে একটি ইউপির ভোট বাতিল করা হয়েছে। সেটি হলো-চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষীপুরমডেল ইউপি। (৪)আগামী ৩১ মার্চ ওই ইউপিতে ভোট হওয়ার কথা ছিল। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপে ৬৮৪টি ইউপির তফসিল ঘোষণা করা হয়। (৫)বিভিন্ন কারণে ১২টি ইউপির তফসিল বাতিল করা হয়। বর্তমানে ৬৭১টি ইউপি ভোট হবে। (৬) আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন উপলক্ষে আট উপ-সচিবের নেতৃত্বে মনিটরিং টিম গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। (৭)এই টিমের সঙ্গে ইসি সচিবালয়ের ২৬জন কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে উপ-সচিব সামসুল আলমকে চট্টগ্রাম বিভাগ, আবুল কাসেমকে ঢাকা বিভাগ, ইসরাইল হোসেনকে ময়মনসিংহ বিভাগ, মো. মতিয়ার রহমানকে বরিশাল ও সিলেট বিভাগ, ফরহাদ আহম্মদ খানকে রাজশাহী বিভাগ, আব্দুল ওয়াদুদকে খুলনা বিভাগ এবং রকিবউদ্দিন মন্ডলকে রংপুর বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। (৮) ইসি সচিবালয়ের উপ-সচিব (আইন) মহসিনুল হককে আইনি দিকগুলো পর্যালোচনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন। (৯) এবার ছয় ধাপে ইউপি ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৭৩৬ টি ইউপির ভোট হবে ২২ মার্চ। এরপর ৩১ মার্চ ৬৭২টি ইউপি, ২৩ এপ্রিল ৭১১টি ইউপি, ৭ মে ৭২৮টি ইউপি, ২৮ মে ৭১৪টি ইউপি এবং ৪ জুন ৬৬০টি ইউপিতে ভোট হবে। উপরে উল্লেখীত পদক্ষেপ সমুহ নি:সন্দেহে সরকারের সুষ্ঠ নির্বাচনের ইঙ্গিতবহ। অতীতে কখনই এই পদক্ষেপ সমুহ নেয়া হয়নি। তথাপি বিএনপি সহ অন্যান্ন বিরুদীদলের নেতাকর্মীদের ভোটে অংশগ্রহন করার এবং দলবদ্ধ প্রচারনায় উৎসাহ যোগাতে পারেনি। বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নমিনেশন প্রাপ্ত নেতারা স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে আঁতাতের মাধ্যমে ভোটের লড়াই থেকে সরে যাচ্ছে। এমতবস্থায় ভোটের আমেজ ধংস হয়ে নিস্তেজ, অনানন্দদায়ক, নির্বাচন প্রহসনের দিকে ধাবিত হচ্ছে। বিএনপি সরকারে যেমন ব্যর্থ্যতার ষোলকলা পুর্ন করে মঈন-ফকরুলদের মত ষড়যন্ত্রকারিদের ক্ষমতায় ঢেকে এনে নীজেদের দলীয় বিপয্যয়ের পথ পরিষ্কার করেছিল। বিরুধী দলের ভুমিকা পালন করতে গিয়ে সন্ত্রাস, বোমাবাজি, মানবতা বিরুধী অপরাধীদের পক্ষ নিয়ে জন সম্পৃত্ততা হারিয়ে গনতন্ত্র, নির্বাচন, আন্দোলন, সংগ্রামকেও বিপদাপন্ন করে তুলেছেন। নির্বাচনে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্ধিতা না করলে, জনগনকে সম্পৃত্ত করে ভোট যুদ্ধে না নামলে নির্বাচন কমিশনের বা সরকারের কি করার আছে।এমতবস্তায় বিনাপ্রতিদ্বদ্ধিতায় নির্বাচিত হওয়ার কালচার শক্তভাবে শিকড় গেঁড়ে বসার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেয়া যায়না। সরকারি দলের মাঠকর্মীরা চাইবেই প্রভাব বিস্তার করে নির্বাচিত হতে। সকল সরকারের সময়ে এহেন পাশ্চাত্যের গনতন্ত্রে প্রভাব বিস্তারের ভুমিকা পরিলক্ষিত হয়েছে। তখনকার বিরুদীদলের অনড় ভুমিকার কারনে উজ্জিবীত নেতাকর্মী ভোটে ঝাপিয়ে পড়েও কারচুপি, ভোট ডাকাতি অনেক ক্ষেেত্রে প্রতিহত করতে পারেনি। অনস্বীকায্য ভাবে জোর, জবরদখল, হানাহানি, মারামারির মত অনভিপ্রেত ঘটনা সমুহ ঘটেছে। বর্তমানে চলমান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিরুদীদলের কেন্দ্রীয় পয্যায়ে নেতীবাচক প্রচার, ব্যার্থ্য আন্দোলনের খতিয়ান, পেট্রোল বোমায় মানুষ পুড়িয়ে মারার মত নেতিবাচক কর্মকান্ড বলবৎ থাকা অবস্থায় তৃনমুলের নেতৃবৃন্দ উজ্জিবীত থাকার প্রশ্নই আসেনা। সুতারাং যা হওয়ার তাই হবে, নির্বাচন একতরফা, বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হওয়ার উদাহরনই সৃষ্টি হবে। সরকার বা নির্বাচন কমিশন যতই উদ্যোগ নিবে কোন লাভ হবেনা--.। ♥♥♥♥♥♥♥♥♥ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা ♥দেশরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা♥
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ